বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩ আশ্বিন ১৪৩৩
[gtranslate]
বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩ আশ্বিন ১৪৩৩

শেখ হাসিনাকে ফেরানোর সিদ্ধান্তে আদালতের ভূমিকাই মুখ্য: ভারতীয় কর্মকর্তা

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: রবিবার, ১৬ আগস্ট, ২০২৬, ৪:৩১ অপরাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
শেখ হাসিনাকে ফেরানোর সিদ্ধান্তে আদালতের ভূমিকাই মুখ্য: ভারতীয় কর্মকর্তা
বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দেশে ফেরত পাঠানোর সিদ্ধান্ত কেবল রাজনৈতিক বা কূটনৈতিক বিবেচনার ওপর নির্ভর করবে না; বরং ভারতের বিচারিক প্রক্রিয়া ও আদালতের সিদ্ধান্তের ওপরই এর চূড়ান্ত নিষ্পত্তি নির্ভর করবে বলে জানিয়েছেন দেশটির এক শীর্ষ সরকারি কর্মকর্তা।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস-এর রবিবার (১৬ আগস্ট) প্রকাশিত এক বিশেষ প্রতিবেদনে ওই কর্মকর্তার বরাত দিয়ে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে বাংলাদেশে আনা অভিযোগগুলো ভারতীয় আইনের অধীনেও অপরাধ হিসেবে গণ্য হয় কি না, তা প্রত্যর্পণ আবেদনের বিচারিক পর্যালোচনায় অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে উঠবে। একই সঙ্গে ঢাকা ও নয়াদিল্লির মধ্যকার কূটনৈতিক উত্তেজনা কমাতে দুই দেশের মধ্যে নিবিড় যোগাযোগ ও আলোচনা অব্যাহত রয়েছে।

বাংলাদেশের পক্ষ থেকে ২০১৩ সালের দ্বিপক্ষীয় প্রত্যর্পণ চুক্তির বিধান অনুসরণ করে শেখ হাসিনাকে দেশে ফেরত পাঠানোর জন্য প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিক নথিপত্র ইতোমধ্যে নয়াদিল্লিতে পাঠানো হয়েছে। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ও জানিয়েছে, আবেদনটি নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী পর্যালোচনা করা হচ্ছে।

প্রত্যর্পণ চুক্তির বিধান অনুযায়ী, রাজনৈতিক প্রকৃতির অপরাধ সাধারণত প্রত্যর্পণের আওতার বাইরে থাকলেও হত্যা, হত্যাচেষ্টা ও মানবতাবিরোধী অপরাধের মতো গুরুতর অভিযোগকে রাজনৈতিক অপরাধ হিসেবে বিবেচনা না করার বিষয়টি চুক্তিতে উল্লেখ রয়েছে।

ফলে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে বাংলাদেশে আনা অভিযোগগুলোর প্রকৃতি এবং সেগুলো ভারতের আইনেও অপরাধ হিসেবে স্বীকৃত কি না—প্রত্যর্পণ প্রক্রিয়ায় এসব বিষয় বিশেষ গুরুত্ব পেতে পারে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, ভারতের Extradition Act, 1962 অনুযায়ী, দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কোনো প্রত্যর্পণ আবেদন গ্রহণের পর প্রাথমিক সত্যতা যাচাইয়ের জন্য একজন বিশেষ তদন্তকারী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ করতে পারে।

ম্যাজিস্ট্রেটের তদন্তে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে অপরাধের প্রাথমিক ভিত্তি পাওয়া গেলে প্রত্যর্পণের সুপারিশ করা হতে পারে। অন্যদিকে পর্যাপ্ত ভিত্তি না পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে অব্যাহতি দেওয়ার সুযোগও রয়েছে।

অর্থাৎ, বাংলাদেশের পক্ষ থেকে করা প্রত্যর্পণ আবেদন গ্রহণ বা প্রত্যাখ্যানের ক্ষেত্রে কূটনৈতিক সিদ্ধান্তের পাশাপাশি ভারতের নিজস্ব আইনি ও বিচারিক প্রক্রিয়াও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

এদিকে শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ ইস্যুকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে কূটনৈতিক যোগাযোগও অব্যাহত রয়েছে। দুই দেশের বর্তমান উত্তেজনাপূর্ণ সম্পর্কের প্রেক্ষাপটে বিষয়টি কূটনৈতিক আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের পথও খোঁজা হচ্ছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

ভারতীয় কর্মকর্তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, প্রত্যর্পণ ইস্যুতে বিচারিক প্রক্রিয়া এবং কূটনৈতিক আলোচনার দুটি ধারাই পাশাপাশি এগোতে পারে। শেষ পর্যন্ত ভারতের আদালতের সিদ্ধান্ত, সংশ্লিষ্ট আইন এবং দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্কের সামগ্রিক পরিস্থিতি চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে প্রভাব ফেলতে পারে।

উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের আগস্টে বাংলাদেশের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর থেকে শেখ হাসিনা ভারতে অবস্থান করছেন। তাঁর বিরুদ্ধে বাংলাদেশে দায়ের হওয়া বিভিন্ন মামলার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের কার্যক্রমও প্রত্যর্পণ ইস্যুটিকে নতুন করে গুরুত্ব দিয়েছে।

সাম্প্রতিক সময়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে তাঁর বিরুদ্ধে রায় ঘোষণার পর তাঁকে দেশে ফিরিয়ে আনার আইনি ও কূটনৈতিক তাগিদ আরও জোরালো হয়েছে। তবে তাঁকে ফেরত পাঠানোর বিষয়ে ভারতের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত কী হবে, তা দেশটির আইন, বিচারিক প্রক্রিয়া এবং কূটনৈতিক বিবেচনার সমন্বিত ফলাফলের ওপর নির্ভর করবে।

সগড়ায় ডে-নাইট মিনি ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল অনুষ্ঠিত

নূর আহাম্মদ পলাশ প্রকাশিত: বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:০৬ অপরাহ্ণ
সগড়ায় ডে-নাইট মিনি ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল অনুষ্ঠিত

কিশোরগঞ্জে জমে উঠেছিল ‘সগড়া ডে-নাইট মিনি ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২৬’। বুধবার সগড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। ফাইনালে ‘লিজেন্ড অব সগড়া’ ও ‘কেজি টপ ওয়ান’ দল মুখোমুখি হয়।

সগড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ১ নম্বর রশিদাবাদ ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও সদর থানা বিএনপির সহসাধারণ সম্পাদক মুর্শিদ উদ্দিন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কিশোরগঞ্জ জেলা পরিষদের প্রশাসক খালেদ সাইফুল্লাহ ভিপি সোহেল খান। উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কিশোরগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. ফেরদৌস আহম্মেদ নেভিন।

টুর্নামেন্ট পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন মো. আব্দুল আহাদ রঞ্জু মিয়া। ফাইনাল খেলাকে কেন্দ্র করে সগড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়। এলাকার গণ্যমান্য মুরুব্বিদের পাশাপাশি বিপুলসংখ্যক ক্রীড়াপ্রেমী দর্শক উপস্থিত থেকে ফাইনাল খেলা উপভোগ করেন।

ফাইনাল খেলায় লিজেন্ড অব সগড়া ও কেজি টপ ওয়ান দলের মুখোমুখি লড়াই ঘিরে স্থানীয় ক্রীড়াপ্রেমীদের মধ্যে ছিল ব্যাপক আগ্রহ। খেলা শেষে আয়োজকরা পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন।

ভৈরবে পৈত্রিক ভিটায় চলাচলের রাস্তা বন্ধ, দুর্ভোগে ৩ পরিবার

জয়নাল আবেদীন রিটন প্রকাশিত: বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:৪০ অপরাহ্ণ
ভৈরবে পৈত্রিক ভিটায় চলাচলের রাস্তা বন্ধ, দুর্ভোগে ৩ পরিবার

কিশোরগঞ্জের ভৈরবে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে চলাচলের রাস্তায় বাঁশ ও টিনের বেড়া দিয়ে তিনটি পরিবারকে অবরুদ্ধ করে রাখার অভিযোগ উঠেছে একটি প্রভাবশালী মহলের বিরুদ্ধে। এতে গত পাঁচ দিন ধরে চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা। বাধ্য হয়ে তাদের অন্য বাড়ির রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করতে হচ্ছে। সম্প্রতি পৌর শহরের চণ্ডিবের মধ্যপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনায় প্রতিকার চেয়ে ছয়জনের নাম উল্লেখ করে জেলা পুলিশ সুপার বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ভুক্তভোগীরা। অভিযোগে মাহমুদুল হাসান রনি (৩১), তাহের আলী (৫০), শফিক মিয়া (৪০), নুর মিয়া (৪০), আব্দুর রহিম (৫৫) ও মিজান মিয়া (৩০)-এর নাম উল্লেখ করা হয়েছে।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, বাড়িটির মাঝখানের চলাচলের উঠান বা রাস্তাটি টিন ও বাঁশ দিয়ে শক্তভাবে ঘিরে দেওয়া হয়েছে। ভুক্তভোগীদের দাবি, বংশপরম্পরায় তিনটি পরিবারের সদস্যরা এই পথটি ব্যবহার করে আসছিলেন। হঠাৎ করে চলাচলের রাস্তা বন্ধ করে দেওয়ায় তারা ঘরবন্দি হওয়ার উপক্রম হয়েছেন।

ভুক্তভোগী মিন্নাত আলী বলেন, “আমাদের পৈত্রিক সম্পত্তিতে আমরা ছয় ভাই ও আমাদের সন্তানরা বসবাস করছি। আমাদের ভাইদের মধ্যে এখনো কোনো বাটোয়ারা বা বণ্টননামা দলিল হয়নি। স্থানীয় বাসিন্দা শফিকুল ইসলাম, মাহমুদুল হাসান রনিসহ একটি ভূমিদস্যু চক্র আমাদের পরিবারের দুই ভাই তাহের আলী মিয়া ও আরমান মিয়ার কাছ থেকে লিখিত পাওয়ার নিয়ে আমাদের বাড়ির স্থাপনা ও টয়লেট ভেঙে বসতবাড়ি দখল করে নেয়।”

তিনি আরও বলেন, “এরপর তারা আমার তিন ভাইয়ের ঘরের সামনে টিনের বেড়া দিয়ে চলাচলের রাস্তা বন্ধ করে দেয়। যার কারণে আমাদের চলাচলে সমস্যা হচ্ছে। আমাদের বাকি ভাইদের বাড়ির অংশ বিক্রি না করায় ঘরের সামনেই টিনের বেড়া দিয়ে প্রতিবন্ধকতা তৈরি করে আমাদের দুর্ভোগে ফেলেছে। আমরা আমাদের নিজ পৈত্রিক ভিটায় স্বাধীনভাবে চলাচল করতে পারছি না। আমরা এর সঠিক বিচার চাই।”

আরেক ভুক্তভোগী লুৎফর রহমান বলেন, “শফিকুল রহমানসহ একটি প্রভাবশালী সিন্ডিকেট গত পাঁচ দিন ধরে এই বেড়া দিয়ে আমাদের অবরুদ্ধ করে রেখেছে। তাদের কিছু বলতে গেলেই তারা ক্ষমতা দেখায় এবং বলে—আমাদের বিচার করার কেউ নেই। যারা জমি কিনেছেন বলে দাবি করছেন, দলিলেও তাদের নাম নেই।”

তিনি আরও অভিযোগ করেন, “ভূমিদস্যু মাহমুদুল হাসান রনির সঙ্গে যোগসাজশ করে শফিকুল ইসলাম, তাহের মিয়া ও নুরু মিয়ারা এই অপকর্ম চালাচ্ছে। আমরা এর দ্রুত ও সুষ্ঠু বিচার চাই এবং চলাচলের জন্য আমাদের জায়গা উন্মুক্ত চাই।”

অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত মাহমুদুল হাসান রনি বলেন, “আমরা একজন ওয়ারিশ বাদে বাকি সবার কাছ থেকেই জমি কিনেছি। আমরা আমাদের ক্রয়কৃত জমিতেই বেড়া দিয়েছি এবং ভুক্তভোগীদের চলাচলের জন্য বিকল্প জায়গা করে দিয়েছি।”

এ বিষয়ে ভৈরব উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কে এম মামুনুর রশীদ বলেন, “ইদানীং ভৈরবে চলাচলের রাস্তা বন্ধ করার বেশ কিছু অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে। চলাচলের রাস্তা একটি মৌলিক অধিকার। মালিকানা-সংক্রান্ত জটিলতা যাই থাকুক না কেন, চলাচলের রাস্তা বন্ধ করার কোনো সুযোগ নেই। এটি অবশ্যই উন্মুক্ত রাখতে হবে। বিষয়টি আমি খোঁজ নিয়ে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করব।”

কিশোরগঞ্জে এসআরবি-১৪-এর অভিযানে সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেপ্তার

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:৫৫ অপরাহ্ণ
কিশোরগঞ্জে এসআরবি-১৪-এর অভিযানে সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেপ্তার

বাংলাদেশ পুলিশের এলিট ফোর্স ‘এসআরবি’ দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, অপরাধ দমন এবং বিভিন্ন চাঞ্চল্যকর ও ওয়ারেন্টভুক্ত পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারে কাজ করছে। এরই ধারাবাহিকতায় এসআরবি-১৪-এর একটি আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে বিজ্ঞ আদালতে সাজাপ্রাপ্ত ওয়ারেন্টভুক্ত এক পলাতক আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে।

এসআরবি-১৪-এর সিপিসি-২, কিশোরগঞ্জের একটি আভিযানিক দল তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় আসামির বর্তমান অবস্থান নিশ্চিত করে। পরে ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ বিকেল আনুমানিক ৩টা ৪০ মিনিটে কিশোরগঞ্জ সদর থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে সদর থানার মাদক মামলা নম্বর-৩২(১)১৯-এর আসামি মো. রাব্বি মিয়া (২৫)কে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার রাব্বি মিয়া কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার যশোদল এলাকার বাসিন্দা। তিনি ওই এলাকার মো. ইসলাম উদ্দিনের ছেলে। সদর থানার মাদক মামলায় ২০১৮ সালের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের ৩৬(১) সারণি ১০(ক) ধারায় আদালত তাকে দুই বছরের সাজা প্রদান করেন। তিনি আদালতের সাজাপ্রাপ্ত ওয়ারেন্টভুক্ত পলাতক আসামি ছিলেন।

এসআরবি-১৪-এর আভিযানিক দল তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় তার অবস্থান শনাক্ত করার পর অভিযান পরিচালনা করে তাকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়।