বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট ২০২৬, ২৮ শ্রাবণ ১৪৩৩
[gtranslate]
বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট ২০২৬, ২৮ শ্রাবণ ১৪৩৩

ডেঙ্গু সচেতনতায় র‍্যালি, মশার প্রজননস্থল পরিষ্কারে গুরুদয়াল কলেজ বিএনসিসি

শাহীন আলম প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট, ২০২৬, ৮:০৫ অপরাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
ডেঙ্গু সচেতনতায় র‍্যালি, মশার প্রজননস্থল পরিষ্কারে গুরুদয়াল কলেজ বিএনসিসি

ডেঙ্গু ও মশাবাহিত অন্যান্য রোগ প্রতিরোধে জনসচেতনতা সৃষ্টি এবং পরিচ্ছন্ন পরিবেশ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে কিশোরগঞ্জে গুরুদয়াল সরকারি কলেজ বিএনসিসি প্লাটুনের উদ্যোগে ‘ডেঙ্গু সচেতনতামূলক র‍্যালি ও মশক নিধন অভিযান–২০২৬’ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

গুরুদয়াল সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মো. সিদ্দিক উল্লাহর নির্দেশনায় এবং বিএনসিসি প্লাটুন কমান্ডার মো. মতিউর রহমানের নেতৃত্বে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। এতে গুরুদয়াল সরকারি কলেজের পাশাপাশি কিশোরগঞ্জ সরকারি মহিলা কলেজ, ওয়ালী নেওয়াজ খান কলেজ ও আজিম উদ্দীন উচ্চবিদ্যালয়ের বিএনসিসির ক্যাডেটরা অংশ নেন।

র‍্যালিতে ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা সৃষ্টি, মশার প্রজননস্থল ধ্বংস এবং পরিচ্ছন্ন পরিবেশ বজায় রাখার বিষয়ে শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা তৈরি করা হয়। এ সময় ক্যাডেটরা ডেঙ্গু প্রতিরোধে করণীয় সম্পর্কে বিভিন্ন সচেতনতামূলক বার্তা তুলে ধরেন।

র‍্যালি শেষে প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন স্থানে পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা করা হয়। পাশাপাশি সম্ভাব্য মশার প্রজননস্থল শনাক্ত করে সেগুলো পরিষ্কার করা হয়। শিক্ষার্থী ও বিএনসিসি ক্যাডেটদের সক্রিয় অংশগ্রহণে পুরো কর্মসূচি প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে।

আয়োজকরা বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে শুধু সরকারি উদ্যোগই যথেষ্ট নয়; এ জন্য ব্যক্তি, পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সমাজের সম্মিলিত সচেতনতা প্রয়োজন। কোথাও পানি জমতে না দেওয়া, বাড়ি ও আশপাশের পরিবেশ পরিষ্কার রাখা এবং মশার প্রজননস্থল ধ্বংসের মাধ্যমে ডেঙ্গুর ঝুঁকি অনেকাংশে কমানো সম্ভব।

তারা ডেঙ্গু প্রতিরোধে সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান।

নৈশপ্রহরী দিয়ে পাঠদান, প্রতিবাদ করায় শিশুর ভর্তি বাতিলের অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট, ২০২৬, ৭:১৭ অপরাহ্ণ
নৈশপ্রহরী দিয়ে পাঠদান, প্রতিবাদ করায় শিশুর ভর্তি বাতিলের অভিযোগ

সংগ্রহীত ছবি

লালমনিরহাট সদর উপজেলার একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকের পরিবর্তে নৈশপ্রহরী দিয়ে পাঠদান করানোর অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় প্রতিবাদ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছবি প্রকাশ করায় এক অভিভাবকের ছেলের ভর্তি বাতিল ও হাজিরা খাতা থেকে নাম মুছে দেওয়ার অভিযোগও উঠেছে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে।

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, সদর উপজেলার পঞ্চগ্রাম ইউনিয়নের খোড়াগাছ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নৈশপ্রহরীকে দিয়ে পাঠদান করানোর দৃশ্য ক্যামেরাবন্দী করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে প্রকাশ করেন অভিভাবক কামরুজ্জামান নয়ন মণ্ডল। বিষয়টি এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়। এর পরপরই ক্ষুব্ধ হয়ে ওই অভিভাবকের ছেলে তাওহীদের (প্রাক-প্রাথমিক, রোল-১৫) নাম হাজিরা খাতা থেকে কেটে ফ্লুইড দিয়ে মুছে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। এতে শিশুটির পড়াশোনা বন্ধ হয়ে গেছে বলে দাবি পরিবারের।

বিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে বিদ্যালয়টির ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের দায়িত্বে রয়েছেন বাদশা আলম। বিদ্যালয়ে কর্মরত চারজন শিক্ষকের মধ্যে তিনজন নারী। অভিযোগ রয়েছে, তাঁদের কেউ কেউ নিজ শিশু সন্তানকে সঙ্গে নিয়ে বিদ্যালয়ে আসেন। এ সময় সন্তানদের দেখাশোনায় ব্যস্ত থাকায় নিয়মিত পাঠদান ব্যাহত হয়। এমন পরিস্থিতিতে শিক্ষকদের পরিবর্তে বিদ্যালয়ের নৈশপ্রহরী আহসান হাবীবকে শিক্ষার্থীদের ক্লাস নিতে দেখা যায় বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।

স্থানীয় অভিভাবকদের অভিযোগ, ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক বাদশা আলমের বিরুদ্ধে স্বজনপ্রীতি ও অনিয়মের আরও অভিযোগ রয়েছে। দীর্ঘদিন একই পদে দায়িত্ব পালন করে তিনি নিজের পছন্দের ব্যক্তিদের নিয়ে ‘পকেট ম্যানেজিং কমিটি’ গঠনের চেষ্টা করছেন বলেও অভিযোগ করেছেন তারা।

অভিভাবকদের দাবি, ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক পদাধিকারবলে সদস্য-সচিব হয়ে তাঁর বড় ভাইয়ের স্ত্রী রিনা বেগমকে শিক্ষক প্রতিনিধি, বড় ভাই মাহবুবুর রহমান মিঠুকে বিদ্যোৎসাহী সদস্য এবং নিকটাত্মীয় আবুল কালাম আজাদকে সদস্য করার প্রস্তাব পাঠিয়েছেন। এ ঘটনায় স্থানীয় এলাকাবাসী ও অভিভাবকেরা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।

ভুক্তভোগী অভিভাবক কামরুজ্জামান নয়ন মণ্ডল বলেন, “শিক্ষকেরা ক্লাসে মনোযোগ না দিয়ে নিজেদের সন্তানদের নিয়ে ব্যস্ত থাকেন। নৈশপ্রহরী দিয়ে পাঠদানের প্রতিবাদে ফেসবুকে ছবি পোস্ট করায় আমার শিশুর নাম হাজিরা খাতা থেকে ফ্লুইড দিয়ে মুছে দেওয়া হয়েছে। এখন আমার ছেলের পড়ালেখা বন্ধ, তাকে স্কুলেও যেতে দেওয়া হচ্ছে না।”

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক বাদশা আলম বিষয়টিকে ‘মিথ্যা’ বলে দাবি করেন। তবে এ বিষয়ে বিস্তারিত মন্তব্য করেননি।

লালমনিরহাট সদর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা জাহিদুল ইসলাম ফারুক বলেন, “এ বিষয়ে একটি লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।”

টাইব্রেকারে মারিয়াকে হারিয়ে সদর গোল্ডকাপ জিতল রশিদাবাদ

শাহীন আলম প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট, ২০২৬, ৩:৫৪ অপরাহ্ণ
টাইব্রেকারে মারিয়াকে হারিয়ে সদর গোল্ডকাপ জিতল রশিদাবাদ

কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে অনুষ্ঠিত ‘উপজেলা গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট–২০২৬’-এর ফাইনালে টাইব্রেকার রোমাঞ্চে মারিয়া ইউনিয়নকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে রশিদাবাদ ইউনিয়ন দল।

বুধবার (১২ আগস্ট) বিকেলে সদর উপজেলার মহিনন্দে অবস্থিত উপজেলা মিনি স্টেডিয়াম (শোলাকিয়া) মাঠে জমকালো ফাইনাল ম্যাচ ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

নির্ধারিত ৯০ মিনিটের খেলায় কোনো দলই গোল করতে পারেনি। গোলশূন্য ড্র থাকায় ম্যাচের ফল নির্ধারণে টাইব্রেকারের আশ্রয় নেওয়া হয়। সেখানে রশিদাবাদ ইউনিয়নের গোলরক্ষক পাভেলের দুর্দান্ত নৈপুণ্যে জয় নিশ্চিত হয়। গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে তার একাধিক সেভ রশিদাবাদকে শিরোপা এনে দেয়।

ফাইনালের শুরু থেকেই দুই দল আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণে প্রতিপক্ষের রক্ষণভাগে চাপ সৃষ্টি করে। রশিদাবাদ ও মারিয়া ইউনিয়নের খেলোয়াড়দের নৈপুণ্যে ম্যাচটি ছিল প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ। তবে দুই দলের রক্ষণভাগের দৃঢ়তা এবং আক্রমণভাগের খেলোয়াড়দের সুযোগ কাজে লাগাতে না পারায় নির্ধারিত সময়ে গোলের দেখা পায়নি কোনো দল।

শেষ পর্যন্ত গোলশূন্য সমতায় নির্ধারিত সময়ের খেলা শেষ হলে টাইব্রেকারে গড়ায় ম্যাচ। সেখানে মারিয়া ইউনিয়নের খেলোয়াড়দের কয়েকটি শট ঠেকিয়ে রশিদাবাদের জয়ের নায়ক হয়ে ওঠেন গোলরক্ষক পাভেল। তার দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে রশিদাবাদ ইউনিয়ন টুর্নামেন্টের শিরোপা নিশ্চিত করে।

ফাইনাল শেষে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফুল আলম, এমপি। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কিশোরগঞ্জের জেলা প্রশাসক।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কিশোরগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য মাজহারুল ইসলাম।

এ ছাড়া অনুষ্ঠানে মারিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আল হারুন মাসুম, রশিদাবাদ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. জুয়েল মিয়া, মহিনন্দ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি, ক্রীড়ামোদী ও বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ এবং জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

খেলা শেষে প্রধান অতিথি ও বিশেষ অতিথিরা চ্যাম্পিয়ন রশিদাবাদ ইউনিয়ন এবং রানার্সআপ মারিয়া ইউনিয়ন দলের খেলোয়াড়দের হাতে ট্রফি ও প্রাইজমানি তুলে দেন।

ফাইনাল ম্যাচ দেখতে মাঠে উপস্থিত ছিলেন বিপুলসংখ্যক ফুটবলপ্রেমী দর্শক। তাদের উচ্ছ্বাস ও করতালিতে পুরো মাঠ উৎসবমুখর হয়ে ওঠে। জমজমাট এই ফাইনাল ম্যাচ সদর উপজেলার ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলে।

প্রধানমন্ত্রীর সফর সামনে রেখে কটিয়াদীতে উন্নয়ন ও সৌন্দর্যবর্ধনের কর্মযজ্ঞ

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট, ২০২৬, ৯:০২ পূর্বাহ্ণ
প্রধানমন্ত্রীর সফর সামনে রেখে কটিয়াদীতে উন্নয়ন ও সৌন্দর্যবর্ধনের কর্মযজ্ঞ

কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীতে জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ–২০২৬ উপলক্ষে আগামী ১৬ আগস্ট প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আগমনকে ঘিরে ব্যাপক প্রস্তুতি চলছে। অনুষ্ঠানস্থল পরিদর্শন, মাঠ প্রস্তুত, পরিচ্ছন্নতা, সৌন্দর্যবর্ধন, বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিতকরণ ও অবকাঠামোগত উন্নয়নসহ নানা কার্যক্রম জোরেশোরে এগিয়ে চলছে।

প্রধানমন্ত্রীর সফরকে সুশৃঙ্খল, নিরাপদ ও উৎসবমুখর করতে উপজেলা প্রশাসন, জেলা প্রশাসন, মৎস্য বিভাগ, বিদ্যুৎ বিভাগসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তর সমন্বিতভাবে কাজ করছে। এরই মধ্যে অনুষ্ঠানস্থল ও আশপাশের এলাকায় পরিচ্ছন্নতা এবং সৌন্দর্যবর্ধনের কাজ শুরু হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে উপজেলার আচমিতা জর্জ ইনস্টিটিউশন স্টেডিয়াম মাঠে চলছে ব্যাপক প্রস্তুতি। সেখানে ইভেন্ট ম্যানেজমেন্টের বিভিন্ন কাজের পাশাপাশি মঞ্চ, সাউন্ড সিস্টেম, ফ্যান, শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা এবং গণমাধ্যমকর্মীদের জন্য প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করার কাজ চলছে। একই সঙ্গে অনুষ্ঠানস্থলের আশপাশের সড়ক ও বিভিন্ন স্থাপনায় পরিচ্ছন্নতা ও সৌন্দর্যবর্ধনের কার্যক্রমও চলছে।

আচমিতা-১ নম্বর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবু সাঈদ মো. ইকবাল বলেন, আগামী ১৬ আগস্ট প্রধানমন্ত্রী কটিয়াদীর আচমিতা ইনস্টিটিউশন মাঠে আসবেন। সেখানে জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ উদ্বোধন করার কথা রয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর আগমনকে কেন্দ্র করে এলাকাবাসীর মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে। মাঠে ইভেন্ট ম্যানেজমেন্টের প্রস্তুতিমূলক কাজ চলছে। বিদ্যালয়ের পরিচ্ছন্নতা ও সৌন্দর্যবর্ধনের জন্যও প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

আচমিতা জর্জ ইনস্টিটিউশনের প্রধান শিক্ষক নজরুল ইসলাম ভূঁইয়া বলেন, প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে প্রতিষ্ঠানের সৌন্দর্যবর্ধনে বিভিন্ন কার্যক্রম চলছে। মাঠের প্রস্তুতির কাজও নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রীর মতো গুরুত্বপূর্ণ একজন ব্যক্তির আগমন তাঁদের প্রতিষ্ঠানের জন্য গর্ব ও সৌভাগ্যের বিষয়।

আচমিতা ৬ নম্বর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আব্দুল হান্নান বলেন, প্রধানমন্ত্রীর আগমনকে সামনে রেখে প্রায় দুই মাস ধরে ঢাকা ও স্থানীয় পর্যায়ের নেতাকর্মীরা অনুষ্ঠানস্থল পরিদর্শন করছেন। কটিয়াদী মৎস্য চাষের জন্য পরিচিত একটি এলাকা। এখানে শত শত মৎস্য খামার ও হ্যাচারি রয়েছে। জাতীয় মৎস্য সপ্তাহের কার্যক্রমের অংশ হিসেবে প্রধানমন্ত্রী এ এলাকাটি বেছে নিয়েছেন।

তিনি আরও বলেন, সরকারের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা নিয়মিত অনুষ্ঠানস্থল পরিদর্শন করছেন। কিশোরগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট জালাল উদ্দিনের নির্দেশনায় প্রস্তুতিমূলক কাজে সহযোগিতা করা হচ্ছে।

কটিয়াদী উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ কাউসার মিয়া বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সফরসূচিতে কটিয়াদী সরকারি কার্প হ্যাচারি পরিদর্শনের বিষয় রয়েছে। এ কারণে হ্যাচারিতে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতাসহ প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। এসব কার্যক্রম নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রীর অনুষ্ঠানস্থলে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করতেও বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। কটিয়াদী জোনাল অফিস ও কিশোরগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির ডিজিএম আবু সাঈদ বলেন, অনুষ্ঠানস্থলে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করতে ইতোমধ্যে চার স্প্যানের নতুন লাইন নির্মাণ করা হয়েছে। পুরোনো সিঙ্গেল ফেজ ব্যবস্থাকে আপগ্রেড করা হয়েছে। লাইনের আশপাশের ঝুঁকিপূর্ণ গাছও অপসারণ করা হয়েছে।

তিনি জানান, অনুষ্ঠানের জন্য ৩০০ কেভিএ ক্ষমতার জেনারেটরের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। ইভেন্টে প্রায় ৮০টি ফ্যান, ৬০ টনের একটি বড় এসি, সাউন্ড সিস্টেম এবং গণমাধ্যমকর্মীদের জন্য প্রয়োজনীয় বিদ্যুৎ সংযোগের ব্যবস্থা করা হবে।

কটিয়াদী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শামীমা আফরোজ মারলিজ বলেন, আগামী ১৬ আগস্ট আচমিতা মিনি স্টেডিয়ামে প্রধানমন্ত্রী জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ–২০২৬-এর উদ্বোধন করবেন। এ উপলক্ষে উপজেলা প্রশাসন, জেলা প্রশাসন ও অন্যান্য সরকারি দপ্তর সমন্বিতভাবে কাজ করছে।

তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে সড়ক, যোগাযোগব্যবস্থা ও অনুষ্ঠানস্থলের সামগ্রিক উন্নয়ন এবং সৌন্দর্যবর্ধনের কাজ চলছে। কটিয়াদী উপজেলার যেসব এলাকা উন্নয়নকাজে পিছিয়ে রয়েছে, সফরের সময় সেসব বিষয় প্রধানমন্ত্রীর নজরে আনার পাশাপাশি উন্নয়নের দাবিও তুলে ধরা হবে।

ইউএনও বলেন, অনুষ্ঠানটি সফলভাবে সম্পন্ন করতে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।


Warning: Constant WP_USE_THEMES already defined in /home/dkishoreganj/public_html/index.php on line 41