রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩
[gtranslate]
রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩

ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহকারী হিসেবে আওয়ামী লীগ নেতার নাম

তথ্য সংগ্রহকারী নিয়োগে প্রশাসনের অনিয়ম-দুর্নীতির বিরুদ্ধে পথসভা ও মানববন্ধন

শেখ উবাইদুল হক সম্রাট প্রকাশিত: বুধবার, ১২ আগস্ট, ২০২৬, ৫:৩৬ অপরাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
তথ্য সংগ্রহকারী নিয়োগে প্রশাসনের অনিয়ম-দুর্নীতির বিরুদ্ধে পথসভা ও মানববন্ধন

কিশোরগঞ্জের নিকলীতে ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহকারী ও সুপারভাইজার নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ তুলে মানববন্ধন ও পথসভা করেছেন উপজেলা বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত নেতাকর্মীরা। একই সঙ্গে উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে অনিয়ম-দুর্নীতি, অবৈধ বালু উত্তোলন, ফসলি জমি ও জলাশয় ভরাট এবং সরকারি জায়গা দখলের অভিযোগ তুলে এসব বন্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান তারা।

বুধবার (১২ আগস্ট) সকাল ১১টার দিকে নিকলী গার্লস স্কুল মোড়ে পূর্বঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে এ পথসভা ও মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি ও প্রধান বক্তা ছিলেন উপজেলা বিএনপির বহিষ্কৃত সিনিয়র সহসভাপতি অ্যাডভোকেট মানিক মিয়া। উপজেলার সাতটি ইউনিয়নের বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত নেতাকর্মীরা কর্মসূচিতে অংশ নেন।

প্রধান বক্তার বক্তব্যে অ্যাডভোকেট মানিক মিয়া বলেন, সম্প্রতি নিকলী উপজেলায় ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহকারী এবং প্রতিটি ইউনিয়নে সুপারভাইজার নিয়োগের প্রক্রিয়া চূড়ান্ত করেছে উপজেলা প্রশাসন। এ নিয়োগে ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতি হয়েছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।

তিনি বলেন, নিয়োগের তালিকায় উপজেলা প্রশাসনের স্থানীয় কর্মচারীদের পরিবারের সদস্য, আওয়ামী লীগের সঙ্গে সম্পৃক্ত এবং বিভিন্নভাবে প্রশ্নবিদ্ধ ব্যক্তিদের নাম রয়েছে বলে তারা দেখতে পেয়েছেন। এসব নিয়োগ বাতিল করে যোগ্য ব্যক্তিদের নিয়োগ দেওয়ার পাশাপাশি প্রশাসনের অনিয়ম ও দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত কর্মকর্তাদের অপসারণের দাবি জানান তিনি।

মানিক মিয়া আরও বলেন, প্রশাসনের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে অনিয়ম-দুর্নীতি বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত পর্যায়ক্রমে আন্দোলন-সংগ্রাম চালিয়ে যাবেন তারা।

মানববন্ধনে বক্তারা অভিযোগ করেন, প্রশাসনের কর্মকর্তাদের যোগসাজশে উপজেলার বিভিন্ন নদ-নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন, ফসলি জমি ভরাট, উপজেলা সদরসহ বিভিন্ন ইউনিয়নে পুরোনো পুকুর ও জলাশয় ভরাট এবং সরকারি রাস্তার পাশে অবৈধভাবে স্থাপনা নির্মাণ করা হচ্ছে।

এসব বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে অবহিত করা হলেও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না বলেও অভিযোগ করেন তারা।

কর্মসূচিতে উপজেলা বিএনপির বহিষ্কৃত সহসভাপতি হারুন-অল-কাইয়ুম, সদর ইউনিয়ন বিএনপির বহিষ্কৃত সাধারণ সম্পাদক আল মামুন, কারপাশা ইউনিয়ন বিএনপির বহিষ্কৃত সভাপতি আবদুল ওয়াদুদ, সিংপুর ইউনিয়ন বিএনপির বহিষ্কৃত সভাপতি হারুন আর রশীদ, দামপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির বহিষ্কৃত সভাপতি আলী হোসেনসহ সাত ইউনিয়ন থেকে আসা শতাধিক নেতাকর্মী অংশ নেন।

স্থানীয় রাজনৈতিক সূত্র ও নেতাকর্মীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কিশোরগঞ্জ-৫ (নিকলী-বাজিতপুর) আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী সৈয়দ এহসানুল হুদা ধানের শীষ প্রতীকে নির্বাচন করে পরাজিত হন। অন্যদিকে, দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নিয়ে হাঁস প্রতীকে জয়ী হন বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত নেতা শেখ মজিবুর রহমান ইকবাল।

নির্বাচনের পর স্থানীয় বিএনপিতে ধানের শীষপন্থী ও ইকবালপন্থী—এমন দুটি বলয় তৈরি হয়েছে বলে দলীয় নেতাকর্মীরা জানান। দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার অভিযোগে বিএনপির কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্তে স্থানীয় বেশ কয়েকজন নেতাকর্মী বহিষ্কৃত হন। এ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধও রয়েছে।

শীর্ষস্থানীয় ও সুবিধাবঞ্চিত বিএনপি নেতাদের দাবি, নির্বাচনের পর থেকে ইকবালপন্থীদের উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে প্রভাব বিস্তার রয়েছে। এর ফলে সাধারণ সেবাগ্রহীতারা প্রশাসনিক সেবা পেতে বিড়ম্বনায় পড়ছেন বলেও তারা দাবি করেন।

এ বিষয়ে কিশোরগঞ্জ-৫ আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নেওয়া সৈয়দ এহসানুল হুদা উপজেলা প্রশাসনের সমালোচনা করেন। তিনি নিকলী উপজেলা প্রশাসনকে ‘মেরুদণ্ডহীন প্রশাসন’ আখ্যা দিয়ে বলেন, প্রশাসন দলীয় নেতাকর্মীদের গুরুত্ব না দিয়ে বিএনপি থেকে বহিষ্কৃতদের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে পুনর্বাসন করছে।

তিনি অভিযোগ করেন, ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহকারী নিয়োগের ক্ষেত্রেও বহিষ্কৃত ইকবালপন্থীদের বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

তবে সৈয়দ এহসানুল হুদার এসব অভিযোগের বিষয়ে শেখ মজিবুর রহমান ইকবালের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তাঁর মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি সাড়া দেননি।

অভিযোগের বিষয়ে নিকলী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রেহানা মজুমদার মুক্তি বলেন, উপজেলার সাতটি ইউনিয়নে মোট ৫০ জন তথ্য সংগ্রহকারীকে চূড়ান্ত তালিকায় রাখা হয়েছে। তাঁর দাবি, উভয় পক্ষের সমঝোতার ভিত্তিতেই তালিকা তৈরি করা হয়েছে।

তিনি বলেন, তালিকাভুক্ত ব্যক্তিদের ব্যক্তিগত তথ্য নিয়ে কেউ অভিযোগ করলে তা তদন্ত করে দেখা হবে। অভিযোগ যাচাই করে প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির নিয়োগ বাতিল করা হবে।

ইউএনও স্বীকার করে আরও বলেন, সরকার নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের সদস্যদের কর্মকাণ্ডে সরকারি বিধিনিষেধ রয়েছে। তাই এমন কোনো ব্যক্তিকে ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহকারী হিসেবে নিয়োগ দেওয়ার সুযোগ নেই।

পুলিশ লাইন্স হাই স্কুলের কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান

নূর আহাম্মদ পলাশ প্রকাশিত: রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:৪২ অপরাহ্ণ
পুলিশ লাইন্স হাই স্কুলের কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান

কিশোরগঞ্জ পুলিশ লাইন্স হাই স্কুলের এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ প্রাপ্ত এবং জুনিয়র বৃত্তি-২০২৬ অর্জনকারী কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। একই সঙ্গে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে আয়োজন করা হয় মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।

রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬) বিকেলে কিশোরগঞ্জ পুলিশ লাইন্স ড্রিল শেডে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের আয়োজনে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সহকারী শিক্ষক সাইফুল ইসলামের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে কৃতি শিক্ষার্থীদের হাতে ক্রেস্ট, পুরস্কার ও সম্মাননা তুলে দেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে নাচ, গান ও অভিনয়সহ বিভিন্ন সাংস্কৃতিক পরিবেশনা অনুষ্ঠিত হয়। তাদের মনোজ্ঞ পরিবেশনায় অনুষ্ঠানস্থলে উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়।

কিশোরগঞ্জের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মিজানুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কিশোরগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য মাজহারুল ইসলাম।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নাজমুস সাকিব খান, মাসুদা ইসলাম, শিক্ষা কর্মকর্তা আরিফুল ইসলাম খান, নির্বাহী প্রকৌশলী, কিশোরগঞ্জ এবং কিশোরগঞ্জ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল কালাম ভূইয়া।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংসদ সদস্য মাজহারুল ইসলাম কৃতি শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানান। তিনি বলেন, ভালো ফলাফল অর্জনকারীদের পাশাপাশি যারা প্রত্যাশিত ফলাফল করতে পারেনি, তাদেরও হতাশ না হয়ে আরও বেশি পরিশ্রম করতে হবে। নিয়মিত অধ্যবসায় ও চেষ্টা থাকলে ভবিষ্যতে আরও ভালো ফলাফল অর্জন করা সম্ভব।

তিনি আরও বলেন, শিক্ষার্থীদের মেধা ও যোগ্যতা বিকাশে শিক্ষকদের পাশাপাশি অভিভাবকদেরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। শুধু ভালো ফলাফল অর্জনই নয়, নৈতিকতা, মানবিক মূল্যবোধ ও দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে শিক্ষার্থীদের নিজেদের গড়ে তুলতে হবে।

সভাপতির বক্তব্যে পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান বলেন, শুধু পরীক্ষায় ভালো ফলাফল করাই শিক্ষার্থীদের একমাত্র লক্ষ্য হওয়া উচিত নয়। জ্ঞান অর্জনের পাশাপাশি নৈতিকতা ও মানবিক মূল্যবোধ ধারণ করে নিজেদের একজন যোগ্য ও দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।

তিনি শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার পাশাপাশি নৈতিক মূল্যবোধ, শৃঙ্খলা ও দায়িত্বশীলতার চর্চার ওপর গুরুত্ব দেন।

অনুষ্ঠানে বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, অভিভাবক প্রতিনিধি ও সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন। পরে সাংস্কৃতিক পরিবেশনার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের কার্যক্রম শেষ হয়।

কিশোরগঞ্জে জেলা ভূমিসেবা কেন্দ্র উদ্বোধন, মিলবে সহজে হয়রানিমুক্ত ভূমিসেবা

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:৩৮ অপরাহ্ণ
কিশোরগঞ্জে জেলা ভূমিসেবা কেন্দ্র উদ্বোধন, মিলবে সহজে হয়রানিমুক্ত ভূমিসেবা

ভূমিসেবা সহজ, দ্রুত ও হয়রানিমুক্ত করার লক্ষ্যে কিশোরগঞ্জে জেলা ভূমিসেবা কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে। জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে স্থাপিত এ কেন্দ্র থেকে জনসাধারণ বিনামূল্যে প্রয়োজনীয় বিভিন্ন ভূমিসেবা নিতে পারবেন।

রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) সকালে ফিতা কেটে আনুষ্ঠানিকভাবে জেলা ভূমিসেবা কেন্দ্রের উদ্বোধন করেন কিশোরগঞ্জ-১ (সদর-হোসেনপুর) আসনের সংসদ সদস্য মাজহারুল ইসলাম।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক সোহানা নাসরিন, স্থানীয় সরকার উপপরিচালক (উপসচিব) জেবুন নাহার শাম্মী, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. ইশতিয়াক ইমন, সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ সাইদুর রহমান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) নাজমুস সাকিব খান, রেভিনিউ ডেপুটি কালেক্টর (আরডিসি) নিলুফা আক্তার রূপা এবং জেলার ১৩টি উপজেলার উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও)।

উদ্বোধন শেষে সংসদ সদস্য মাজহারুল ইসলামকে জেলা ভূমিসেবা কেন্দ্রের কার্যক্রম সম্পর্কে অবহিত করেন জেলা প্রশাসক সোহানা নাসরিন। তিনি কেন্দ্রটির মাধ্যমে নাগরিকদের কী ধরনের ভূমিসেবা দেওয়া হবে এবং কীভাবে এসব সেবা পাওয়া যাবে, সে বিষয়ে সংসদ সদস্যকে অবহিত করেন।

জেলা প্রশাসক সোহানা নাসরিন জানান, জেলার নাগরিকদের ভূমিসেবা সহজ, দ্রুত ও হয়রানিমুক্ত করার লক্ষ্যে এ ভূমিসেবা কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে। এটি ভূমি মন্ত্রণালয়ের একটি উদ্ভাবনী উদ্যোগ। কেন্দ্রটির ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে রয়েছে জেলা প্রশাসন।

তিনি জানান, নাগরিকরা সরাসরি জেলা ভূমিসেবা কেন্দ্রে উপস্থিত হয়ে প্রয়োজনীয় ভূমিসেবা নিতে পারবেন। এর মাধ্যমে প্রতিদিন ভূমি উন্নয়ন কর দেওয়া, নামজারি ও জমাখারিজ, খতিয়ানের সার্টিফাইড কপি এবং মৌজা ম্যাপ বা নকশা প্রাপ্তির আবেদনসহ বিভিন্ন ধরনের ভূমিসেবা পাওয়া যাবে।

জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে স্থাপিত এ কেন্দ্রের মাধ্যমে এক জায়গা থেকেই নাগরিকরা প্রয়োজনীয় ভূমিসেবা গ্রহণের সুযোগ পাবেন। এতে ভূমিসেবা গ্রহণে নাগরিকদের ভোগান্তি কমার পাশাপাশি সেবা প্রদানের প্রক্রিয়া আরও সহজ, দ্রুত ও জনবান্ধব হবে।

কিশোরগঞ্জে এনসিপির বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ

নূর আহাম্মদ পলাশ প্রকাশিত: রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:৩২ অপরাহ্ণ
কিশোরগঞ্জে এনসিপির বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ

দলীয় নেতাকর্মীদের ওপর হামলা, মামলা ও হত্যার হুমকি, দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি এবং দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদে কিশোরগঞ্জে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)।

রোববার দুপুরে শহরের সৈয়দ নজরুল ইসলাম চত্বর থেকে এনসিপির উদ্যোগে বিক্ষোভ মিছিলটি বের হয়। মিছিলটি শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় নির্ধারিত স্থানে গিয়ে শেষ হয়।

এর আগে অনুষ্ঠিত প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তব্য দেন এনসিপির কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সদস্যসচিব আহনাফ সাঈদ খান, জেলা এনসিপির আহ্বায়ক শেখ খায়রুল কবীর, সাংগঠনিক সম্পাদক হাফেজ ইকরাম হোসেন, ফয়সাল প্রিন্সসহ দলের অন্যান্য নেতাকর্মী।

সমাবেশে বক্তারা বলেন, দেশের বিভিন্ন স্থানে রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের ওপর হামলা, মামলা ও হয়রানির ঘটনা ঘটছে। একই সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্যবৃদ্ধিতে সাধারণ মানুষ চাপে রয়েছে।

বক্তারা অবিলম্বে দলীয় নেতাকর্মীদের ওপর হামলা, মামলা ও নির্যাতন বন্ধের দাবি জানান। পাশাপাশি দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি এবং দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান তারা।

দাবি বাস্তবায়ন না হলে আরও কঠোর কর্মসূচি দেওয়ার হুঁশিয়ারি দেন বক্তারা।

সমাবেশ শেষে একই দাবিতে কিশোরগঞ্জের জেলা প্রশাসকের কাছে একটি স্মারকলিপি দেন এনসিপির নেতাকর্মীরা।