বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩ আশ্বিন ১৪৩৩
[gtranslate]
বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩ আশ্বিন ১৪৩৩

প্রধানমন্ত্রীর সফর সামনে রেখে কটিয়াদীতে উন্নয়ন ও সৌন্দর্যবর্ধনের কর্মযজ্ঞ

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট, ২০২৬, ৯:০২ পূর্বাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
প্রধানমন্ত্রীর সফর সামনে রেখে কটিয়াদীতে উন্নয়ন ও সৌন্দর্যবর্ধনের কর্মযজ্ঞ

কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীতে জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ–২০২৬ উপলক্ষে আগামী ১৬ আগস্ট প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আগমনকে ঘিরে ব্যাপক প্রস্তুতি চলছে। অনুষ্ঠানস্থল পরিদর্শন, মাঠ প্রস্তুত, পরিচ্ছন্নতা, সৌন্দর্যবর্ধন, বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিতকরণ ও অবকাঠামোগত উন্নয়নসহ নানা কার্যক্রম জোরেশোরে এগিয়ে চলছে।

প্রধানমন্ত্রীর সফরকে সুশৃঙ্খল, নিরাপদ ও উৎসবমুখর করতে উপজেলা প্রশাসন, জেলা প্রশাসন, মৎস্য বিভাগ, বিদ্যুৎ বিভাগসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তর সমন্বিতভাবে কাজ করছে। এরই মধ্যে অনুষ্ঠানস্থল ও আশপাশের এলাকায় পরিচ্ছন্নতা এবং সৌন্দর্যবর্ধনের কাজ শুরু হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে উপজেলার আচমিতা জর্জ ইনস্টিটিউশন স্টেডিয়াম মাঠে চলছে ব্যাপক প্রস্তুতি। সেখানে ইভেন্ট ম্যানেজমেন্টের বিভিন্ন কাজের পাশাপাশি মঞ্চ, সাউন্ড সিস্টেম, ফ্যান, শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা এবং গণমাধ্যমকর্মীদের জন্য প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করার কাজ চলছে। একই সঙ্গে অনুষ্ঠানস্থলের আশপাশের সড়ক ও বিভিন্ন স্থাপনায় পরিচ্ছন্নতা ও সৌন্দর্যবর্ধনের কার্যক্রমও চলছে।

আচমিতা-১ নম্বর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবু সাঈদ মো. ইকবাল বলেন, আগামী ১৬ আগস্ট প্রধানমন্ত্রী কটিয়াদীর আচমিতা ইনস্টিটিউশন মাঠে আসবেন। সেখানে জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ উদ্বোধন করার কথা রয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর আগমনকে কেন্দ্র করে এলাকাবাসীর মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে। মাঠে ইভেন্ট ম্যানেজমেন্টের প্রস্তুতিমূলক কাজ চলছে। বিদ্যালয়ের পরিচ্ছন্নতা ও সৌন্দর্যবর্ধনের জন্যও প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

আচমিতা জর্জ ইনস্টিটিউশনের প্রধান শিক্ষক নজরুল ইসলাম ভূঁইয়া বলেন, প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে প্রতিষ্ঠানের সৌন্দর্যবর্ধনে বিভিন্ন কার্যক্রম চলছে। মাঠের প্রস্তুতির কাজও নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রীর মতো গুরুত্বপূর্ণ একজন ব্যক্তির আগমন তাঁদের প্রতিষ্ঠানের জন্য গর্ব ও সৌভাগ্যের বিষয়।

আচমিতা ৬ নম্বর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আব্দুল হান্নান বলেন, প্রধানমন্ত্রীর আগমনকে সামনে রেখে প্রায় দুই মাস ধরে ঢাকা ও স্থানীয় পর্যায়ের নেতাকর্মীরা অনুষ্ঠানস্থল পরিদর্শন করছেন। কটিয়াদী মৎস্য চাষের জন্য পরিচিত একটি এলাকা। এখানে শত শত মৎস্য খামার ও হ্যাচারি রয়েছে। জাতীয় মৎস্য সপ্তাহের কার্যক্রমের অংশ হিসেবে প্রধানমন্ত্রী এ এলাকাটি বেছে নিয়েছেন।

তিনি আরও বলেন, সরকারের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা নিয়মিত অনুষ্ঠানস্থল পরিদর্শন করছেন। কিশোরগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট জালাল উদ্দিনের নির্দেশনায় প্রস্তুতিমূলক কাজে সহযোগিতা করা হচ্ছে।

কটিয়াদী উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ কাউসার মিয়া বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সফরসূচিতে কটিয়াদী সরকারি কার্প হ্যাচারি পরিদর্শনের বিষয় রয়েছে। এ কারণে হ্যাচারিতে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতাসহ প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। এসব কার্যক্রম নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রীর অনুষ্ঠানস্থলে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করতেও বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। কটিয়াদী জোনাল অফিস ও কিশোরগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির ডিজিএম আবু সাঈদ বলেন, অনুষ্ঠানস্থলে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করতে ইতোমধ্যে চার স্প্যানের নতুন লাইন নির্মাণ করা হয়েছে। পুরোনো সিঙ্গেল ফেজ ব্যবস্থাকে আপগ্রেড করা হয়েছে। লাইনের আশপাশের ঝুঁকিপূর্ণ গাছও অপসারণ করা হয়েছে।

তিনি জানান, অনুষ্ঠানের জন্য ৩০০ কেভিএ ক্ষমতার জেনারেটরের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। ইভেন্টে প্রায় ৮০টি ফ্যান, ৬০ টনের একটি বড় এসি, সাউন্ড সিস্টেম এবং গণমাধ্যমকর্মীদের জন্য প্রয়োজনীয় বিদ্যুৎ সংযোগের ব্যবস্থা করা হবে।

কটিয়াদী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শামীমা আফরোজ মারলিজ বলেন, আগামী ১৬ আগস্ট আচমিতা মিনি স্টেডিয়ামে প্রধানমন্ত্রী জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ–২০২৬-এর উদ্বোধন করবেন। এ উপলক্ষে উপজেলা প্রশাসন, জেলা প্রশাসন ও অন্যান্য সরকারি দপ্তর সমন্বিতভাবে কাজ করছে।

তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে সড়ক, যোগাযোগব্যবস্থা ও অনুষ্ঠানস্থলের সামগ্রিক উন্নয়ন এবং সৌন্দর্যবর্ধনের কাজ চলছে। কটিয়াদী উপজেলার যেসব এলাকা উন্নয়নকাজে পিছিয়ে রয়েছে, সফরের সময় সেসব বিষয় প্রধানমন্ত্রীর নজরে আনার পাশাপাশি উন্নয়নের দাবিও তুলে ধরা হবে।

ইউএনও বলেন, অনুষ্ঠানটি সফলভাবে সম্পন্ন করতে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।

সগড়ায় ডে-নাইট মিনি ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল অনুষ্ঠিত

নূর আহাম্মদ পলাশ প্রকাশিত: বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:০৬ অপরাহ্ণ
সগড়ায় ডে-নাইট মিনি ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল অনুষ্ঠিত

কিশোরগঞ্জে জমে উঠেছিল ‘সগড়া ডে-নাইট মিনি ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২৬’। বুধবার সগড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। ফাইনালে ‘লিজেন্ড অব সগড়া’ ও ‘কেজি টপ ওয়ান’ দল মুখোমুখি হয়।

সগড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ১ নম্বর রশিদাবাদ ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও সদর থানা বিএনপির সহসাধারণ সম্পাদক মুর্শিদ উদ্দিন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কিশোরগঞ্জ জেলা পরিষদের প্রশাসক খালেদ সাইফুল্লাহ ভিপি সোহেল খান। উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কিশোরগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. ফেরদৌস আহম্মেদ নেভিন।

টুর্নামেন্ট পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন মো. আব্দুল আহাদ রঞ্জু মিয়া। ফাইনাল খেলাকে কেন্দ্র করে সগড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়। এলাকার গণ্যমান্য মুরুব্বিদের পাশাপাশি বিপুলসংখ্যক ক্রীড়াপ্রেমী দর্শক উপস্থিত থেকে ফাইনাল খেলা উপভোগ করেন।

ফাইনাল খেলায় লিজেন্ড অব সগড়া ও কেজি টপ ওয়ান দলের মুখোমুখি লড়াই ঘিরে স্থানীয় ক্রীড়াপ্রেমীদের মধ্যে ছিল ব্যাপক আগ্রহ। খেলা শেষে আয়োজকরা পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন।

ভৈরবে পৈত্রিক ভিটায় চলাচলের রাস্তা বন্ধ, দুর্ভোগে ৩ পরিবার

জয়নাল আবেদীন রিটন প্রকাশিত: বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:৪০ অপরাহ্ণ
ভৈরবে পৈত্রিক ভিটায় চলাচলের রাস্তা বন্ধ, দুর্ভোগে ৩ পরিবার

কিশোরগঞ্জের ভৈরবে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে চলাচলের রাস্তায় বাঁশ ও টিনের বেড়া দিয়ে তিনটি পরিবারকে অবরুদ্ধ করে রাখার অভিযোগ উঠেছে একটি প্রভাবশালী মহলের বিরুদ্ধে। এতে গত পাঁচ দিন ধরে চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা। বাধ্য হয়ে তাদের অন্য বাড়ির রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করতে হচ্ছে। সম্প্রতি পৌর শহরের চণ্ডিবের মধ্যপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনায় প্রতিকার চেয়ে ছয়জনের নাম উল্লেখ করে জেলা পুলিশ সুপার বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ভুক্তভোগীরা। অভিযোগে মাহমুদুল হাসান রনি (৩১), তাহের আলী (৫০), শফিক মিয়া (৪০), নুর মিয়া (৪০), আব্দুর রহিম (৫৫) ও মিজান মিয়া (৩০)-এর নাম উল্লেখ করা হয়েছে।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, বাড়িটির মাঝখানের চলাচলের উঠান বা রাস্তাটি টিন ও বাঁশ দিয়ে শক্তভাবে ঘিরে দেওয়া হয়েছে। ভুক্তভোগীদের দাবি, বংশপরম্পরায় তিনটি পরিবারের সদস্যরা এই পথটি ব্যবহার করে আসছিলেন। হঠাৎ করে চলাচলের রাস্তা বন্ধ করে দেওয়ায় তারা ঘরবন্দি হওয়ার উপক্রম হয়েছেন।

ভুক্তভোগী মিন্নাত আলী বলেন, “আমাদের পৈত্রিক সম্পত্তিতে আমরা ছয় ভাই ও আমাদের সন্তানরা বসবাস করছি। আমাদের ভাইদের মধ্যে এখনো কোনো বাটোয়ারা বা বণ্টননামা দলিল হয়নি। স্থানীয় বাসিন্দা শফিকুল ইসলাম, মাহমুদুল হাসান রনিসহ একটি ভূমিদস্যু চক্র আমাদের পরিবারের দুই ভাই তাহের আলী মিয়া ও আরমান মিয়ার কাছ থেকে লিখিত পাওয়ার নিয়ে আমাদের বাড়ির স্থাপনা ও টয়লেট ভেঙে বসতবাড়ি দখল করে নেয়।”

তিনি আরও বলেন, “এরপর তারা আমার তিন ভাইয়ের ঘরের সামনে টিনের বেড়া দিয়ে চলাচলের রাস্তা বন্ধ করে দেয়। যার কারণে আমাদের চলাচলে সমস্যা হচ্ছে। আমাদের বাকি ভাইদের বাড়ির অংশ বিক্রি না করায় ঘরের সামনেই টিনের বেড়া দিয়ে প্রতিবন্ধকতা তৈরি করে আমাদের দুর্ভোগে ফেলেছে। আমরা আমাদের নিজ পৈত্রিক ভিটায় স্বাধীনভাবে চলাচল করতে পারছি না। আমরা এর সঠিক বিচার চাই।”

আরেক ভুক্তভোগী লুৎফর রহমান বলেন, “শফিকুল রহমানসহ একটি প্রভাবশালী সিন্ডিকেট গত পাঁচ দিন ধরে এই বেড়া দিয়ে আমাদের অবরুদ্ধ করে রেখেছে। তাদের কিছু বলতে গেলেই তারা ক্ষমতা দেখায় এবং বলে—আমাদের বিচার করার কেউ নেই। যারা জমি কিনেছেন বলে দাবি করছেন, দলিলেও তাদের নাম নেই।”

তিনি আরও অভিযোগ করেন, “ভূমিদস্যু মাহমুদুল হাসান রনির সঙ্গে যোগসাজশ করে শফিকুল ইসলাম, তাহের মিয়া ও নুরু মিয়ারা এই অপকর্ম চালাচ্ছে। আমরা এর দ্রুত ও সুষ্ঠু বিচার চাই এবং চলাচলের জন্য আমাদের জায়গা উন্মুক্ত চাই।”

অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত মাহমুদুল হাসান রনি বলেন, “আমরা একজন ওয়ারিশ বাদে বাকি সবার কাছ থেকেই জমি কিনেছি। আমরা আমাদের ক্রয়কৃত জমিতেই বেড়া দিয়েছি এবং ভুক্তভোগীদের চলাচলের জন্য বিকল্প জায়গা করে দিয়েছি।”

এ বিষয়ে ভৈরব উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কে এম মামুনুর রশীদ বলেন, “ইদানীং ভৈরবে চলাচলের রাস্তা বন্ধ করার বেশ কিছু অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে। চলাচলের রাস্তা একটি মৌলিক অধিকার। মালিকানা-সংক্রান্ত জটিলতা যাই থাকুক না কেন, চলাচলের রাস্তা বন্ধ করার কোনো সুযোগ নেই। এটি অবশ্যই উন্মুক্ত রাখতে হবে। বিষয়টি আমি খোঁজ নিয়ে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করব।”

কিশোরগঞ্জে এসআরবি-১৪-এর অভিযানে সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেপ্তার

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:৫৫ অপরাহ্ণ
কিশোরগঞ্জে এসআরবি-১৪-এর অভিযানে সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেপ্তার

বাংলাদেশ পুলিশের এলিট ফোর্স ‘এসআরবি’ দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, অপরাধ দমন এবং বিভিন্ন চাঞ্চল্যকর ও ওয়ারেন্টভুক্ত পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারে কাজ করছে। এরই ধারাবাহিকতায় এসআরবি-১৪-এর একটি আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে বিজ্ঞ আদালতে সাজাপ্রাপ্ত ওয়ারেন্টভুক্ত এক পলাতক আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে।

এসআরবি-১৪-এর সিপিসি-২, কিশোরগঞ্জের একটি আভিযানিক দল তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় আসামির বর্তমান অবস্থান নিশ্চিত করে। পরে ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ বিকেল আনুমানিক ৩টা ৪০ মিনিটে কিশোরগঞ্জ সদর থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে সদর থানার মাদক মামলা নম্বর-৩২(১)১৯-এর আসামি মো. রাব্বি মিয়া (২৫)কে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার রাব্বি মিয়া কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার যশোদল এলাকার বাসিন্দা। তিনি ওই এলাকার মো. ইসলাম উদ্দিনের ছেলে। সদর থানার মাদক মামলায় ২০১৮ সালের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের ৩৬(১) সারণি ১০(ক) ধারায় আদালত তাকে দুই বছরের সাজা প্রদান করেন। তিনি আদালতের সাজাপ্রাপ্ত ওয়ারেন্টভুক্ত পলাতক আসামি ছিলেন।

এসআরবি-১৪-এর আভিযানিক দল তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় তার অবস্থান শনাক্ত করার পর অভিযান পরিচালনা করে তাকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়।