বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩ আশ্বিন ১৪৩৩
[gtranslate]
বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩ আশ্বিন ১৪৩৩

পাঁচজনের পাঁচজনই ফেল, আট শিক্ষক নিয়েও ব্যর্থতার খবরে প্রশ্ন

নূর আহাম্মদ পলাশ প্রকাশিত: সোমবার, ১০ আগস্ট, ২০২৬, ৬:১৭ অপরাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
পাঁচজনের পাঁচজনই ফেল, আট শিক্ষক নিয়েও ব্যর্থতার খবরে প্রশ্ন

কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া উপজেলার জাঙ্গালিয়া ইউনিয়নের কাজিহাটি গ্রামের জাঙ্গালিয়া ইউনিয়ন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে এবারের এসএসসি পরীক্ষার ফলাফল নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। বিদ্যালয়টির মানবিক বিভাগ থেকে পরীক্ষায় অংশ নেওয়া পাঁচ শিক্ষার্থীর কেউই উত্তীর্ণ হতে পারেনি। ফলে প্রতিষ্ঠানটির পাসের হার দাঁড়িয়েছে শূন্য শতাংশে।

২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষায় বিদ্যালয়টির মানবিক বিভাগ থেকে পাঁচজন শিক্ষার্থী অংশ নেয়। ফল প্রকাশের পর দেখা যায়, অংশগ্রহণকারী পাঁচ শিক্ষার্থীই অকৃতকার্য হয়েছে। ফলে বিদ্যালয়টির শতভাগ পরীক্ষার্থীই ফেল করেছে।

বিদ্যালয়টির সহকারী শিক্ষক মো. জাকিরের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, প্রতিষ্ঠানটিতে আটজন শিক্ষক রয়েছেন। অন্যদিকে এবারের এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে মাত্র পাঁচজন শিক্ষার্থী। শিক্ষকসংখ্যার তুলনায় পরীক্ষার্থীর সংখ্যা কম হলেও একজন শিক্ষার্থীও উত্তীর্ণ হতে না পারায় বিদ্যালয়ের পাঠদান ও একাডেমিক কার্যক্রম নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

স্থানীয় অভিভাবক ও সচেতন মহলের কয়েকজনের ভাষ্য, শিক্ষার্থীসংখ্যা কম হলে প্রত্যেক শিক্ষার্থীর প্রতি আলাদাভাবে নজর দেওয়ার সুযোগ বেশি থাকার কথা। সে ক্ষেত্রে পাঁচজন শিক্ষার্থীর সবাই অকৃতকার্য হওয়ায় বিদ্যালয়ের নিয়মিত পাঠদান, শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি, শ্রেণি কার্যক্রম, নিয়মিত মূল্যায়ন এবং দুর্বল শিক্ষার্থীদের জন্য অতিরিক্ত সহায়তা দেওয়া হয়েছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।

স্থানীয় কয়েকজন অভিভাবক বলেন, শিক্ষার্থী কম থাকলে শিক্ষকদের পক্ষে প্রত্যেকের পড়াশোনার অগ্রগতি আলাদাভাবে পর্যবেক্ষণ করা সহজ হয়। কিন্তু এবারের ফলাফল দেখে মনে হচ্ছে, কোথাও না কোথাও ঘাটতি থাকতে পারে। বিষয়টি তদন্ত করে প্রকৃত কারণ বের করা প্রয়োজন।

তবে সংশ্লিষ্টরা মনে করেন, একটি বছরের ফলাফলের ভিত্তিতে কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সামগ্রিক শিক্ষার মান সম্পর্কে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছানো ঠিক নয়। একই সঙ্গে শতভাগ পরীক্ষার্থী অকৃতকার্য হওয়ার মতো ফলাফল অবশ্যই গুরুত্বের সঙ্গে পর্যালোচনা করা প্রয়োজন। শিক্ষার্থীদের নিয়মিত উপস্থিতি, শিক্ষকদের পাঠদান পদ্ধতি, অভ্যন্তরীণ মূল্যায়ন, পরীক্ষার প্রস্তুতি এবং দুর্বল শিক্ষার্থীদের জন্য সহায়ক কার্যক্রম ছিল কি না—এসব বিষয় খতিয়ে দেখা জরুরি।

বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মো. জাকির বলেন, ‘আমি বাইরে রয়েছি। ফলাফল এখনো জানতে পারিনি।’ তিনি বিদ্যালয়ে আটজন শিক্ষক থাকার কথা জানান। একই সঙ্গে তিনি দাবি করেন, প্রতিষ্ঠানটি প্রথমবারের মতো পাঠদানের অনুমতি পেয়েছে।

তবে প্রতিষ্ঠানটি প্রথমবার পাঠদানের অনুমতি পাওয়ার বিষয়টি এবারের শূন্য পাসের হারের সঙ্গে কীভাবে সম্পর্কিত, কিংবা এসএসসি পরীক্ষার্থীদের প্রস্তুতির জন্য কী ধরনের একাডেমিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল—এ বিষয়ে তিনি বিস্তারিত কিছু জানাননি।

এদিকে বিদ্যালয়টির এমন ফলাফলের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস। উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ওমর ফারুক ভূঁইয়া বলেন, ‘প্রতিষ্ঠানটি ভিজিট করা হবে। ফলাফল এমন হওয়ায় বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে শোকজ করা হবে।’

শিক্ষা-সংশ্লিষ্টদের মতে, ফলাফল বিপর্যয়ের প্রকৃত কারণ শনাক্ত করা জরুরি। শিক্ষার্থীদের অনিয়মিত উপস্থিতি, পাঠদানের ঘাটতি, পরীক্ষার প্রস্তুতির দুর্বলতা, একাডেমিক তদারকির অভাব কিংবা অন্য কোনো কারণে এমন ফল হয়েছে কি না, তা পর্যালোচনা করতে হবে।

বিশেষ করে মাত্র পাঁচজন শিক্ষার্থী এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার পরও সবাই অকৃতকার্য হওয়ায় বিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রম নিয়ে বিস্তারিত মূল্যায়নের প্রয়োজন রয়েছে। পাশাপাশি বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের অভিভাবকদের যোগাযোগ ও সমন্বয় কতটা কার্যকর ছিল, সেটিও দেখা প্রয়োজন।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, কারণ শনাক্ত করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া গেলে ভবিষ্যতে শিক্ষার্থীদের ফলাফল উন্নত করা সম্ভব। নিয়মিত পাঠদান, দুর্বল শিক্ষার্থীদের জন্য অতিরিক্ত ক্লাস, ধারাবাহিক মূল্যায়ন, মডেল টেস্ট এবং অভিভাবকদের সক্রিয় সম্পৃক্ততা নিশ্চিত করা গেলে এমন ফলাফল এড়ানোর সুযোগ তৈরি হতে পারে।

জাঙ্গালিয়া ইউনিয়ন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের এবারের এসএসসি ফলাফল তাই শুধু পাঁচ শিক্ষার্থীর অকৃতকার্য হওয়ার ঘটনা নয়; একই সঙ্গে বিদ্যালয়ের পাঠদান, একাডেমিক তদারকি ও শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রস্তুতি কতটা কার্যকর ছিল, সেই প্রশ্নও সামনে এনেছে। উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের পরিদর্শন ও পরবর্তী তদন্তে এর প্রকৃত কারণ কতটা স্পষ্ট হয়, এখন সেটিই দেখার বিষয়।

সগড়ায় ডে-নাইট মিনি ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল অনুষ্ঠিত

নূর আহাম্মদ পলাশ প্রকাশিত: বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:০৬ অপরাহ্ণ
সগড়ায় ডে-নাইট মিনি ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল অনুষ্ঠিত

কিশোরগঞ্জে জমে উঠেছিল ‘সগড়া ডে-নাইট মিনি ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২৬’। বুধবার সগড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। ফাইনালে ‘লিজেন্ড অব সগড়া’ ও ‘কেজি টপ ওয়ান’ দল মুখোমুখি হয়।

সগড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ১ নম্বর রশিদাবাদ ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও সদর থানা বিএনপির সহসাধারণ সম্পাদক মুর্শিদ উদ্দিন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কিশোরগঞ্জ জেলা পরিষদের প্রশাসক খালেদ সাইফুল্লাহ ভিপি সোহেল খান। উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কিশোরগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. ফেরদৌস আহম্মেদ নেভিন।

টুর্নামেন্ট পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন মো. আব্দুল আহাদ রঞ্জু মিয়া। ফাইনাল খেলাকে কেন্দ্র করে সগড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়। এলাকার গণ্যমান্য মুরুব্বিদের পাশাপাশি বিপুলসংখ্যক ক্রীড়াপ্রেমী দর্শক উপস্থিত থেকে ফাইনাল খেলা উপভোগ করেন।

ফাইনাল খেলায় লিজেন্ড অব সগড়া ও কেজি টপ ওয়ান দলের মুখোমুখি লড়াই ঘিরে স্থানীয় ক্রীড়াপ্রেমীদের মধ্যে ছিল ব্যাপক আগ্রহ। খেলা শেষে আয়োজকরা পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন।

ভৈরবে পৈত্রিক ভিটায় চলাচলের রাস্তা বন্ধ, দুর্ভোগে ৩ পরিবার

জয়নাল আবেদীন রিটন প্রকাশিত: বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:৪০ অপরাহ্ণ
ভৈরবে পৈত্রিক ভিটায় চলাচলের রাস্তা বন্ধ, দুর্ভোগে ৩ পরিবার

কিশোরগঞ্জের ভৈরবে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে চলাচলের রাস্তায় বাঁশ ও টিনের বেড়া দিয়ে তিনটি পরিবারকে অবরুদ্ধ করে রাখার অভিযোগ উঠেছে একটি প্রভাবশালী মহলের বিরুদ্ধে। এতে গত পাঁচ দিন ধরে চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা। বাধ্য হয়ে তাদের অন্য বাড়ির রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করতে হচ্ছে। সম্প্রতি পৌর শহরের চণ্ডিবের মধ্যপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনায় প্রতিকার চেয়ে ছয়জনের নাম উল্লেখ করে জেলা পুলিশ সুপার বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ভুক্তভোগীরা। অভিযোগে মাহমুদুল হাসান রনি (৩১), তাহের আলী (৫০), শফিক মিয়া (৪০), নুর মিয়া (৪০), আব্দুর রহিম (৫৫) ও মিজান মিয়া (৩০)-এর নাম উল্লেখ করা হয়েছে।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, বাড়িটির মাঝখানের চলাচলের উঠান বা রাস্তাটি টিন ও বাঁশ দিয়ে শক্তভাবে ঘিরে দেওয়া হয়েছে। ভুক্তভোগীদের দাবি, বংশপরম্পরায় তিনটি পরিবারের সদস্যরা এই পথটি ব্যবহার করে আসছিলেন। হঠাৎ করে চলাচলের রাস্তা বন্ধ করে দেওয়ায় তারা ঘরবন্দি হওয়ার উপক্রম হয়েছেন।

ভুক্তভোগী মিন্নাত আলী বলেন, “আমাদের পৈত্রিক সম্পত্তিতে আমরা ছয় ভাই ও আমাদের সন্তানরা বসবাস করছি। আমাদের ভাইদের মধ্যে এখনো কোনো বাটোয়ারা বা বণ্টননামা দলিল হয়নি। স্থানীয় বাসিন্দা শফিকুল ইসলাম, মাহমুদুল হাসান রনিসহ একটি ভূমিদস্যু চক্র আমাদের পরিবারের দুই ভাই তাহের আলী মিয়া ও আরমান মিয়ার কাছ থেকে লিখিত পাওয়ার নিয়ে আমাদের বাড়ির স্থাপনা ও টয়লেট ভেঙে বসতবাড়ি দখল করে নেয়।”

তিনি আরও বলেন, “এরপর তারা আমার তিন ভাইয়ের ঘরের সামনে টিনের বেড়া দিয়ে চলাচলের রাস্তা বন্ধ করে দেয়। যার কারণে আমাদের চলাচলে সমস্যা হচ্ছে। আমাদের বাকি ভাইদের বাড়ির অংশ বিক্রি না করায় ঘরের সামনেই টিনের বেড়া দিয়ে প্রতিবন্ধকতা তৈরি করে আমাদের দুর্ভোগে ফেলেছে। আমরা আমাদের নিজ পৈত্রিক ভিটায় স্বাধীনভাবে চলাচল করতে পারছি না। আমরা এর সঠিক বিচার চাই।”

আরেক ভুক্তভোগী লুৎফর রহমান বলেন, “শফিকুল রহমানসহ একটি প্রভাবশালী সিন্ডিকেট গত পাঁচ দিন ধরে এই বেড়া দিয়ে আমাদের অবরুদ্ধ করে রেখেছে। তাদের কিছু বলতে গেলেই তারা ক্ষমতা দেখায় এবং বলে—আমাদের বিচার করার কেউ নেই। যারা জমি কিনেছেন বলে দাবি করছেন, দলিলেও তাদের নাম নেই।”

তিনি আরও অভিযোগ করেন, “ভূমিদস্যু মাহমুদুল হাসান রনির সঙ্গে যোগসাজশ করে শফিকুল ইসলাম, তাহের মিয়া ও নুরু মিয়ারা এই অপকর্ম চালাচ্ছে। আমরা এর দ্রুত ও সুষ্ঠু বিচার চাই এবং চলাচলের জন্য আমাদের জায়গা উন্মুক্ত চাই।”

অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত মাহমুদুল হাসান রনি বলেন, “আমরা একজন ওয়ারিশ বাদে বাকি সবার কাছ থেকেই জমি কিনেছি। আমরা আমাদের ক্রয়কৃত জমিতেই বেড়া দিয়েছি এবং ভুক্তভোগীদের চলাচলের জন্য বিকল্প জায়গা করে দিয়েছি।”

এ বিষয়ে ভৈরব উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কে এম মামুনুর রশীদ বলেন, “ইদানীং ভৈরবে চলাচলের রাস্তা বন্ধ করার বেশ কিছু অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে। চলাচলের রাস্তা একটি মৌলিক অধিকার। মালিকানা-সংক্রান্ত জটিলতা যাই থাকুক না কেন, চলাচলের রাস্তা বন্ধ করার কোনো সুযোগ নেই। এটি অবশ্যই উন্মুক্ত রাখতে হবে। বিষয়টি আমি খোঁজ নিয়ে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করব।”

কিশোরগঞ্জে এসআরবি-১৪-এর অভিযানে সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেপ্তার

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:৫৫ অপরাহ্ণ
কিশোরগঞ্জে এসআরবি-১৪-এর অভিযানে সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেপ্তার

বাংলাদেশ পুলিশের এলিট ফোর্স ‘এসআরবি’ দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, অপরাধ দমন এবং বিভিন্ন চাঞ্চল্যকর ও ওয়ারেন্টভুক্ত পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারে কাজ করছে। এরই ধারাবাহিকতায় এসআরবি-১৪-এর একটি আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে বিজ্ঞ আদালতে সাজাপ্রাপ্ত ওয়ারেন্টভুক্ত এক পলাতক আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে।

এসআরবি-১৪-এর সিপিসি-২, কিশোরগঞ্জের একটি আভিযানিক দল তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় আসামির বর্তমান অবস্থান নিশ্চিত করে। পরে ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ বিকেল আনুমানিক ৩টা ৪০ মিনিটে কিশোরগঞ্জ সদর থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে সদর থানার মাদক মামলা নম্বর-৩২(১)১৯-এর আসামি মো. রাব্বি মিয়া (২৫)কে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার রাব্বি মিয়া কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার যশোদল এলাকার বাসিন্দা। তিনি ওই এলাকার মো. ইসলাম উদ্দিনের ছেলে। সদর থানার মাদক মামলায় ২০১৮ সালের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের ৩৬(১) সারণি ১০(ক) ধারায় আদালত তাকে দুই বছরের সাজা প্রদান করেন। তিনি আদালতের সাজাপ্রাপ্ত ওয়ারেন্টভুক্ত পলাতক আসামি ছিলেন।

এসআরবি-১৪-এর আভিযানিক দল তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় তার অবস্থান শনাক্ত করার পর অভিযান পরিচালনা করে তাকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়।