এসএসসিতে কিশোরগঞ্জের সেরা আফতাব উদ্দিন, জিপিএ-৫-এ শীর্ষে উচ্চ বালিকা
২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষার ফলাফলে কিশোরগঞ্জ জেলার সেরা ১০ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের তালিকায় পাসের হারে শীর্ষে রয়েছে আফতার উদ্দিন স্কুল অ্যান্ড কলেজ। প্রতিষ্ঠানটির ৩২৩ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৩২২ জন উত্তীর্ণ হয়েছে। পাসের হার ৯৯ দশমিক ৬৯ শতাংশ। তবে জিপিএ-৫ পাওয়ার সংখ্যায় জেলার সবার ওপরে রয়েছে কিশোরগঞ্জ উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়। প্রতিষ্ঠানটির ১৪০ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছে।
প্রকাশিত ফলাফল বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, পাসের হারে জেলার সেরা ১০ প্রতিষ্ঠানের তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে আসমিয়া বারি আদর্শ বিদ্যালয়। প্রতিষ্ঠানটির ৮৪ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৮৩ জন পাস করেছে। পাসের হার ৯৮ দশমিক ৮১ শতাংশ। এ প্রতিষ্ঠান থেকে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩১ জন।
তালিকায় তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে এসডি সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়। প্রতিষ্ঠানটির ২৯৫ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ২৯০ জন উত্তীর্ণ হয়েছে। পাসের হার ৯৮ দশমিক ৩১ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৯২ জন।
চতুর্থ অবস্থানে রয়েছে সরকারি তমিজা খাতুন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়। প্রতিষ্ঠানটির ৯৬ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৯২ জন পাস করেছে। পাসের হার ৯৫ দশমিক ৮৩ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৯ জন।
পঞ্চম অবস্থানে রয়েছে কিশোরগঞ্জ সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়। প্রতিষ্ঠানটির ৩৪১ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৩২৬ জন উত্তীর্ণ হয়েছে। পাসের হার ৯৫ দশমিক ৬০ শতাংশ। এ বিদ্যালয় থেকে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৮৪ জন।
ষষ্ঠ অবস্থানে থাকা কিশোরগঞ্জ উচ্চ বালিকা বিদ্যালয় থেকে ৫৮৫ জন পরীক্ষার্থী এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয়। তাদের মধ্যে ৫০৮ জন পাস করেছে। পাসের হার ৮৬ দশমিক ৮৪ শতাংশ। তবে জিপিএ-৫ পাওয়ার সংখ্যায় জেলার সেরা এই প্রতিষ্ঠান। বিদ্যালয়টির ১৪০ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছে।
সপ্তম অবস্থানে রয়েছে পাকুন্দিয়া সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়। প্রতিষ্ঠানটির ১২৫ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৯৭ জন পাস করেছে। পাসের হার ৭৭ দশমিক ৬০ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৭ জন।
অষ্টম অবস্থানে থাকা কটিয়াদী সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৩৬৮ জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেয়। তাদের মধ্যে ২৬৭ জন উত্তীর্ণ হয়েছে। পাসের হার ৭২ দশমিক ৫৫ শতাংশ। এ প্রতিষ্ঠান থেকে জিপিএ-৫ পেয়েছে ২৬ জন।
তালিকায় নবম অবস্থানে রয়েছে আজিম উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয়। প্রতিষ্ঠানটির ৩৯১ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ২৭৭ জন পাস করেছে। পাসের হার ৭০ দশমিক ৮৪ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৬৬ জন।
পাসের হারে জেলার সেরা ১০ প্রতিষ্ঠানের তালিকায় দশম স্থানে রয়েছে পাকুন্দিয়া পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়। প্রতিষ্ঠানটির ২১৬ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ১৩১ জন উত্তীর্ণ হয়েছে। পাসের হার ৬০ দশমিক ৬৫ শতাংশ। এ বিদ্যালয় থেকে জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৫ জন।
পাসের হার ও জিপিএ-৫ দুই সূচকে ভিন্ন চিত্র
ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, পাসের হারে এগিয়ে থাকা প্রতিষ্ঠান এবং জিপিএ-৫ পাওয়ার সংখ্যায় এগিয়ে থাকা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে পার্থক্য রয়েছে। আফতার উদ্দিন স্কুল অ্যান্ড কলেজ ৯৯ দশমিক ৬৯ শতাংশ পাসের হার নিয়ে তালিকার শীর্ষে থাকলেও জিপিএ-৫ পাওয়ার সংখ্যায় শীর্ষস্থান দখল করেছে কিশোরগঞ্জ উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়।
কিশোরগঞ্জ উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ের ৫৮৫ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৫০৮ জন উত্তীর্ণ হলেও ১৪০ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছে। অন্যদিকে ৩২৩ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৩২২ জন পাস করা আফতার উদ্দিন স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৮৩ জন।
ফলে জেলার শীর্ষ ১০ প্রতিষ্ঠানের ফলাফলে একদিকে যেমন উচ্চ পাসের হার, অন্যদিকে বিপুলসংখ্যক জিপিএ-৫ অর্জনের চিত্রও উঠে এসেছে।











Warning: Array to string conversion in /home/dkishoreganj/public_html/wp-content/plugins/gs-facebook-comments/public/class-wpfc-public.php on line 311
Array