বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ৭ শ্রাবণ ১৪৩৩
[gtranslate]
বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ৭ শ্রাবণ ১৪৩৩

এনইআইআর বাতিলের দাবিতে মোবাইল ব্যবসায়ীদের বিক্ষোভ

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: সোমবার, ৮ ডিসেম্বর, ২০২৫, ৭:২৮ পূর্বাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
এনইআইআর বাতিলের দাবিতে মোবাইল ব্যবসায়ীদের বিক্ষোভ

ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেনটিটি রেজিস্ট্রার (এনইআইআর) ব্যবস্থা সংস্কারসহ কয়েকটি দাবিতে কঠোর আন্দোলনে নেমেছেন দেশের মোবাইল ব্যবসায়ীরা। রোববার (৭ ডিসেম্বর) সকাল ১০টার দিকে ‘বাংলাদেশ মোবাইল বিজনেস কমিউনিটি’-র ব্যানারে শত শত ব্যবসায়ী রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) ভবনের সামনে জড়ো হয়ে অবস্থান কর্মসূচি শুরু করেন।

অবস্থান কর্মসূচির কারণে সড়কের এক পাশের যান চলাচল বন্ধ হয়ে গেলে এলাকাজুড়ে তীব্র যানজট ও জনদুর্ভোগ সৃষ্টি হয়। এসময় ব্যবসায়ীরা বিটিআরসি ভবন ঘেরাও করে চেয়ারম্যানসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের ভবনের ভেতরে অবরুদ্ধ করে রাখেন। পরে সন্ধ্যায় আগারগাঁও মোড় থেকে বিটিআরসি ভবন পর্যন্ত অন্তত চারটি স্থানে আগুন জ্বালিয়ে বিক্ষোভ জানান তারা।

মোবাইল বিজনেস কমিউনিটি বাংলাদেশ (এমবিসিবি)-এর সেক্রেটারি আবু সায়ীদ পিয়াস বলেন, বহুবার সংশ্লিষ্ট দপ্তরে বৈঠকের জন্য অনুরোধ করলেও একবারও তাদের ডাকা হয়নি। আলোচনার সুযোগ পেলে সমাধান সম্ভব ছিল বলে দাবি করে তিনি বলেন— “এখন পিঠ দেওয়ালে ঠেকে গেছে। সারা দেশের খুচরা ব্যবসায়ীরা দোকান বন্ধ রেখেছেন।”

ব্যবসায়ীদের মূল দাবির মধ্যে রয়েছে— এনইআইআর সংস্কার, সিন্ডিকেট প্রথা বাতিল এবং মোবাইল ফোন আমদানির সুযোগ উন্মুক্ত করা। তাদের অভিযোগ, এনইআইআর পুরোপুরি বাস্তবায়ন হলে লাখো খুচরা ব্যবসায়ী ক্ষতিগ্রস্ত হবেন, নতুন নিয়মে একটি বিশেষ গোষ্ঠী লাভবান হবে এবং অতিরিক্ত করের চাপ গ্রাহকের ওপর পড়বে, ফলে মোবাইল ফোনের দামও বাড়বে।

এমবিসিবির যমুনা ফিউচার পার্ক শাখার সভাপতি হুমায়ুন কবীর বলেন, এনইআইআর পূর্ণমাত্রায় চালু হলে অতিরিক্ত কর, জটিল প্রক্রিয়া ও নিয়ন্ত্রণের কারণে গ্রাহক পর্যায়ে মোবাইল ফোনের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যাবে। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে বলেও তিনি হুঁশিয়ারি দেন।

তেজগাঁও ট্রাফিক বিভাগের সহকারী কমিশনার (এসি) জাকির হোসেন বলেন, বিটিআরসি ভবনের সামনে সড়ক অবরোধের কারণে যান চলাচল বন্ধ রয়েছে। ডাইভারশন দিয়ে বিকল্প সড়কে যান চলাচলের ব্যবস্থা করা হয়েছে, তবে আগারগাঁও গুরুত্বপূর্ণ সড়ক হওয়ায় অন্যান্য রাস্তায় প্রচণ্ড চাপ সৃষ্টি হয়েছে।

এর আগে গত ৩০ নভেম্বর কারওয়ান বাজার–পান্থপথ এলাকায় মানববন্ধন করেছিলেন বিভিন্ন শপিং মলের মোবাইল ব্যবসায়ী ও কর্মচারীরা। তারা জানান, দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত সারাদেশে দোকান বন্ধসহ ধারাবাহিক কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে।

সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আসন্ন ১৬ ডিসেম্বর থেকে এনইআইআর ব্যবস্থা চালু হওয়ার কথা রয়েছে। এর ফলে অনিবন্ধিত, চুরি হওয়া বা অনুমোদনহীন আমদানি করা মোবাইল ফোন দেশের মোবাইল নেটওয়ার্কে আর ব্যবহার করা যাবে না। এই বাস্তবায়নের আগ মুহূর্তে ব্যবসায়ীদের বড় ধরনের আন্দোলন টেলিযোগাযোগ খাতে অস্বস্তি বাড়িয়েছে।


কটিয়াদীতে অসহায় ও প্রতিবন্ধীদের মাঝে সরকারি চিকিৎসা সহায়তার চেক বিতরণ

মাইনুল হক মেনু প্রকাশিত: বুধবার, ২২ জুলাই, ২০২৬, ৬:৫৯ অপরাহ্ণ
কটিয়াদীতে অসহায় ও প্রতিবন্ধীদের মাঝে সরকারি চিকিৎসা সহায়তার চেক বিতরণ

সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের বিশেষ অনুদান কর্মসূচির আওতায় কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী উপজেলায় অসহায়, অসুস্থ ও প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের মাঝে চিকিৎসা সহায়তার চেক বিতরণ করা হয়েছে। অসচ্ছল মানুষের চিকিৎসা ব্যয় লাঘব এবং সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতা আরও বিস্তৃত করার লক্ষ্যে এ সহায়তা প্রদান করা হয়।

বুধবার(২২ জুলাই) কটিয়াদী উপজেলা পরিষদ হলরুমে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে অনুষ্ঠিত চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে উপকারভোগীদের হাতে চিকিৎসা সহায়তার চেক তুলে দেন কিশোরগঞ্জ-২ (কটিয়াদী-পাকুন্দিয়া) আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ জালাল উদ্দিন।

অনুষ্ঠানে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শামীমা আফরোজ মারলিজের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন কটিয়াদী উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আরিফুর রহমান কাঞ্চন, কটিয়াদী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. রফিকুল ইসলাম, পৌর বিএনপির সভাপতি আশরাফুল হক দাদন, সাধারণ সম্পাদক সজল সরকার, উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম জাইদুল, উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক মাহবুবুল আলম মাসুদ এবং উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক তাছরিফুল হাছিব।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ জালাল উদ্দিন বলেন, সরকার দরিদ্র, অসহায় ও পিছিয়ে পড়া মানুষের জীবনমান উন্নয়নে বিভিন্ন সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে। চিকিৎসার অভাবে যাতে কোনো মানুষ কষ্ট না পায়, সে লক্ষ্যেই সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর মাধ্যমে বিভিন্ন সময়ে চিকিৎসা সহায়তা ও বিশেষ অনুদান প্রদান করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, আধুনিক ও মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে সরকার দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে। এসব উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে দেশের প্রতিটি নাগরিক আরও উন্নত স্বাস্থ্যসেবা গ্রহণের সুযোগ পাবে।

তিনি আরও বলেন, অসচ্ছল মানুষের চিকিৎসা ব্যয় অনেক সময় তাদের জন্য বড় ধরনের আর্থিক সংকট সৃষ্টি করে। সেই কষ্ট লাঘব করতেই সরকার বিশেষ অনুদানের ব্যবস্থা করেছে। এ ধরনের সহায়তা শুধু আর্থিক সহযোগিতাই নয়, বরং অসহায় মানুষের প্রতি রাষ্ট্রের দায়িত্ববোধ ও মানবিক অঙ্গীকারেরও প্রতিফলন।

বক্তারা বলেন, একটি কল্যাণরাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়ানো রাষ্ট্রের অন্যতম দায়িত্ব। সরকারের সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচিগুলোর সুফল ইতোমধ্যে লাখো মানুষ পাচ্ছেন। চিকিৎসা সহায়তার এ বিশেষ অনুদান কর্মসূচিও দরিদ্র ও অসহায় মানুষের দুর্ভোগ লাঘবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে তারা আশা প্রকাশ করেন।

অনুষ্ঠানে আটজন অসহায়, অসুস্থ ও প্রতিবন্ধী ব্যক্তির প্রত্যেককে চিকিৎসা সহায়তা বাবদ ১০ হাজার টাকা করে মোট ৮০ হাজার টাকার চেক প্রদান করা হয়। উপকারভোগীরা সরকারের এ সহায়তার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং ভবিষ্যতেও এ ধরনের কর্মসূচি অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠানে বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতা, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব, উপকারভোগী, সুধীজন এবং স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

পাকুন্দিয়ায় কৃষক হত্যা মামলার দুই পলাতক আসামি গাজীপুর থেকে গ্রেপ্তার

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: বুধবার, ২২ জুলাই, ২০২৬, ৫:২৩ অপরাহ্ণ
পাকুন্দিয়ায় কৃষক হত্যা মামলার দুই পলাতক আসামি গাজীপুর থেকে গ্রেপ্তার

কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া উপজেলার আলোচিত কৃষক নুর ইসলাম (৭০) হত্যা মামলার দুই পলাতক আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব-১৪। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিচালিত পৃথক অভিযানে গাজীপুরের জয়দেবপুর থানার পোড়াবাড়ি এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার হওয়া আসামিরা হলেন— হাতিছ মিয়া (৪০) ও রশিদ মিয়া (৬৫)। তারা উভয়েই কিশোরগঞ্জ জেলার বাসিন্দা।

র‍্যাব জানায়, নিহত নুর ইসলাম কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া উপজেলার মজিদপুর এলাকার বাসিন্দা ছিলেন। দীর্ঘদিন ধরে অভিযুক্তদের সঙ্গে তার সম্পত্তি নিয়ে বিরোধ চলছিল। অভিযোগ রয়েছে, অভিযুক্তরা প্রায়ই নুর ইসলামের আবাদি জমির ফসল গবাদিপশু দিয়ে নষ্ট করতেন। এ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে একাধিকবার বিরোধ ও বাকবিতণ্ডা হয়।

গত ২৩ জুন ২০২৬ সকাল আনুমানিক ৯টার দিকে নুর ইসলাম নিজ ফসলি জমিতে যাওয়ার পথে অভিযুক্তরা তার ওপর অতর্কিত হামলা চালায় বলে মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে। হামলার সময় ইট দিয়ে তার মাথায় আঘাত করলে তিনি গুরুতর আহত হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন।

স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে কিশোরগঞ্জের শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। পরে অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

এ ঘটনায় নিহতের ছেলে মোবারক মিয়া বাদী হয়ে ২৪ জুন পাকুন্দিয়া থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলাটি দণ্ডবিধির ৩৪১, ৩২৩, ৩২৫, ৩০৭, ১১৪, ৫০৬ ও ৩৪ ধারার সঙ্গে পরবর্তীতে ৩০২ ধারা সংযুক্ত করে রুজু করা হয়।

মামলা দায়েরের পর র‍্যাব-১৪-এর সিপিসি-২ ছায়া তদন্ত শুরু করে এবং পলাতক আসামিদের অবস্থান শনাক্তে গোয়েন্দা নজরদারি অব্যাহত রাখে।

এরই ধারাবাহিকতায় মঙ্গলবার (২১ জুলাই) রাত আনুমানিক ৯টা ৫০ মিনিটে র‍্যাব-১-এর সিপিএসসি পোড়াবাড়ি ক্যাম্পের সহায়তায় গাজীপুরের জয়দেবপুর থানার পোড়াবাড়ি এলাকায় অভিযান চালিয়ে মামলার দুই পলাতক আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়।

র‍্যাব জানায়, গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

ভৈরবে মানবপাচার মামলায় গণ অধিকার পরিষদের উপজেলা নেতা গ্রেপ্তার

জয়নাল আবেদীন রিটন প্রকাশিত: বুধবার, ২২ জুলাই, ২০২৬, ৪:৫৯ অপরাহ্ণ
ভৈরবে মানবপাচার মামলায় গণ অধিকার পরিষদের উপজেলা নেতা গ্রেপ্তার

কিশোরগঞ্জের ভৈরবে বৈদেশিক কর্মসংস্থান ও অভিবাসন-সংক্রান্ত প্রতারণা এবং মানবপাচারের অভিযোগে দায়ের হওয়া একটি মামলায় গণ অধিকার পরিষদের উপজেলা শাখার নেতা সামসুল মামুনকে (৩২) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (২১ জুলাই) দিবাগত রাতে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের সিলেট বাসস্ট্যান্ড এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃত সামসুল মামুন ভৈরব উপজেলার কালিকাপ্রসাদ ইউনিয়নের সিরাজ পাগলা মাজারসংলগ্ন এলাকার মৃত লাল মিয়া ফকিরের ছেলে।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ১৪ মে কিশোরগঞ্জের জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে বৈদেশিক কর্মসংস্থান ও অভিবাসী আইন, ২০১৩-এর আওতায় একটি মামলা দায়ের করেন অ্যাডভোকেট মোশারফ হোসেন। মামলায় সামসুল মামুনসহ তার পরিবারের পাঁচজনকে আসামি করা হয়। পরবর্তীতে আদালত মামলাটি প্রথম তথ্য প্রতিবেদন (এফআইআর) হিসেবে গ্রহণের জন্য ভৈরব থানাকে নির্দেশ দেন। আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী গত ১ জুন ভৈরব থানা মামলাটি এফআইআর হিসেবে রেকর্ড করে।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, প্রায় দুই বছর আগে বাদীর ছোট ভাই মোবারক হোসেনকে আলবেনিয়া হয়ে ইতালিতে পাঠানোর আশ্বাস দিয়ে ১৫ লাখ টাকার চুক্তি করা হয়। অভিযোগ অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ৫ জানুয়ারি পাসপোর্ট ও অন্যান্য আনুষঙ্গিক কাজের কথা বলে ১০ লাখ টাকা এবং একই বছরের ১০ এপ্রিল ভিসা দেখিয়ে আরও ৫ লাখ টাকা নেওয়া হয়। তবে পরে তাকে বিদেশে পাঠানো হয়নি এবং টাকা ফেরত চাইলে নানা টালবাহানা করা হয়। একপর্যায়ে ভুক্তভোগী পরিবার আদালতের শরণাপন্ন হয়।

বাদী অ্যাডভোকেট মোশারফ হোসেন অভিযোগ করেন, সামসুল মামুন ও তার পরিবারের সদস্যরা লিবিয়া, আলবেনিয়া হয়ে ইতালিতে পাঠানোর প্রলোভন দেখিয়ে ভৈরবের বিভিন্ন মানুষের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ নিয়েছেন। তিনি দাবি করেন, তার ছোট ভাইকে ইতালি পাঠানোর কথা বলে মোট ১৫ লাখ টাকা নেওয়া হলেও প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী বিদেশে পাঠানো হয়নি। তিনি অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনানুগ বিচার এবং অর্থ ফেরতের দাবি জানান।

অন্যদিকে, গ্রেপ্তারের পর পুলিশের উপস্থিতিতে সামসুল মামুন অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, তিনি রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার। একটি চক্র তাকে ও তার পরিবারকে মিথ্যা মামলায় জড়িয়েছে। সুষ্ঠু তদন্ত হলে তিনি নির্দোষ প্রমাণিত হবেন বলে দাবি করেন। বিদেশে লোক পাঠানোর অর্থ লেনদেনে নিজের সরাসরি সম্পৃক্ততা নেই বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

ভৈরব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) লিমন বোস বলেন, আদালতের নির্দেশে মামলাটি এফআইআর হিসেবে রেকর্ড করা হয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে অভিযোগের সত্যতার প্রাথমিক ভিত্তি পাওয়া গেছে। গ্রেপ্তারকৃত আসামিকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। মামলার অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।


Warning: Constant WP_USE_THEMES already defined in /home/dkishoreganj/public_html/index.php on line 41