রাফিনহার হ্যাটট্রিকে বার্সার গোলবন্যা, ৭-২ গোলে হারাল রেসিংকে
মৌসুমের শুরু থেকেই দুর্দান্ত ছন্দে রয়েছেন রাফিনহা। তাঁর দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে লা লিগার নতুন মৌসুমে নিজেদের শতভাগ জয়ের ধারা ধরে রেখেছে বার্সেলোনা। ব্রাজিলিয়ান তারকার হ্যাটট্রিকে রেসিং সান্তান্দারকে ৭-২ গোলে হারিয়েছে কাতালান ক্লাবটি।
সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে চলতি মৌসুমে রাফিনহার গোলসংখ্যা এখন ১১। এর মধ্যে লা লিগাতেই করেছেন ৯ গোল। তাঁর ধারাবাহিক পারফরম্যান্সে শিরোপা ধরে রাখার লড়াইয়ে শুরু থেকেই নিজেদের অবস্থান শক্ত করছে বার্সেলোনা।
হ্যান্সি ফ্লিকের দল শুরু থেকেই দুর্দান্ত ছন্দে রয়েছে। সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে সাত ম্যাচের পাঁচটিতেই অন্তত পাঁচটি করে গোল করেছে তারা। সব মিলিয়ে এ মৌসুমে বার্সেলোনার গোলসংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩৩-এ।
ম্যাচের অষ্টম মিনিটেই বার্সেলোনার হয়ে গোলের সূচনা করেন জোয়াও ক্যানসেলো। প্রায় ২০ গজ দূর থেকে তাঁর নেওয়া দারুণ বাঁকানো শট জালে জড়ায়। প্রথমার্ধের মাঝামাঝি রাফিনহার পেনাল্টি থেকে ব্যবধান দ্বিগুণ করে স্বাগতিকরা।
এরপর মাগুয়েতে গুয়ের গোলে এক গোল শোধ করে রেসিং। তবে বেশিক্ষণ অপেক্ষা করতে হয়নি বার্সাকে। ক্যানসেলোর দূরপাল্লার শট রেসিং ডিফেন্ডার আসিয়ের ভিলিয়ালিব্রের গায়ে লেগে জালে জড়ালে ব্যবধান আবার দুই গোলে পৌঁছে যায়। পরে গোলটি আত্মঘাতী হিসেবে নথিভুক্ত হয়।
এরপর নিচু শটে নিজের দ্বিতীয় গোলটি করেন রাফিনহা। বিরতির আগে পঞ্চম গোলের সুযোগও পেয়েছিল বার্সেলোনা। তবে লামিনে ইয়ামালের নেওয়া পেনাল্টি ঠেকিয়ে দেন রেসিং গোলরক্ষক হুলেন আগিররেজাবালা।
দ্বিতীয়ার্ধে ৬৫ মিনিটে ইয়াসির জাবিরির গোলে ব্যবধান কমিয়ে ৪-২ করে রেসিং। এর মাত্র দুই মিনিট পরই বার্সেলোনা পায় তৃতীয় পেনাল্টি। স্পটকিকে আবারও এগিয়ে আসেন অধিনায়ক রাফিনহা। এবারও ভুল করেননি তিনি। পেনাল্টি থেকে গোল করে পূর্ণ করেন হ্যাটট্রিক।
এরপর ইয়ামালের পাস থেকে বদলি খেলোয়াড় গ্যাব্রিয়েল জেসুস বার্সেলোনার ষষ্ঠ গোলটি করেন। ম্যাচের ৮৯ মিনিটে অবশেষে নিজের গোলের দেখা পান ইয়ামাল। তাঁর গোলে ৭-২ ব্যবধানের বড় জয় নিশ্চিত করে মাঠ ছাড়ে কাতালান ক্লাবটি।











Warning: Array to string conversion in /home/dkishoreganj/public_html/wp-content/plugins/gs-facebook-comments/public/class-wpfc-public.php on line 311
Array