বুধবার, ৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ২৩ ১৪৩২
বুধবার, ৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ২৩ ১৪৩২

বাংলাদেশের সঙ্গে বৈষম্য? আইসিসির ‘ডাবল স্ট্যান্ডার্ড’ নিয়ে প্রশ্ন তুলল উইজডেন

ক্রীড়া ডেস্ক প্রকাশিত: সোমবার, ২৬ জানুয়ারি, ২০২৬, ২:৩০ অপরাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
বাংলাদেশের সঙ্গে বৈষম্য? আইসিসির ‘ডাবল স্ট্যান্ডার্ড’ নিয়ে প্রশ্ন তুলল উইজডেন

আগামী মাসে ভারত ও শ্রীলঙ্কায় অনুষ্ঠেয় টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপকে কেন্দ্র করে এরই মধ্যে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। ইতিমধ্যে বাংলাদেশ দল বিশ্বকাপ থেকে নিজেদের প্রত্যাহার করে নিয়েছে, যার পরিবর্তে টুর্নামেন্টে খেলবে স্কটল্যান্ড। নিরাপত্তা ঝুঁকির কথা জানিয়ে বাংলাদেশ ভারতের মাটিতে খেলতে অপারগতা প্রকাশ করেছিল এবং বিকল্প ভেন্যু হিসেবে শ্রীলঙ্কায় ম্যাচ আয়োজনের প্রস্তাব দেয়। তবে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) সেই প্রস্তাবে সম্মতি দেয়নি। অথচ গত বছর চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে পাকিস্তানের বাইরে ম্যাচ আয়োজনের জন্য ভারতের করা অনুরূপ দাবিকে মেনে নিয়েছিল সংস্থাটি। এ দুই ঘটনার প্রেক্ষাপটে বিখ্যাত ক্রিকেট ম্যাগাজিন উইজডেন প্রশ্ন তুলেছে—এটি কি আইসিসির ‘ডাবল স্ট্যান্ডার্ড’ নয়?

এবারের ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ (আইপিএল) নিলামে রেকর্ড ৯ কোটি ২০ লাখ রুপি দিয়ে বাংলাদেশের পেসার মোস্তাফিজুর রহমানকে দলে নেয় বলিউড অভিনেতা শাহরুখ খানের মালিকানাধীন কলকাতা নাইট রাইডার্স (কেকেআর)। তবে ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের চলমান কূটনৈতিক টানাপড়েনের প্রভাব পড়ে এই ক্রিকেটারকে ঘিরেও। ভারতীয় গণমাধ্যমে প্রচারিত নানা ‘প্রোপাগান্ডা’র প্রভাবে কট্টর হিন্দুত্ববাদী গোষ্ঠী মোস্তাফিজকে আইপিএল থেকে বাদ দেওয়ার দাবি তোলে।

এই দাবির পরিপ্রেক্ষিতে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড বিসিসিআই কেকেআরকে মোস্তাফিজকে দল থেকে বাদ দেওয়ার নির্দেশনা দেয় বলে অভিযোগ ওঠে। এর প্রতিক্রিয়ায় বাংলাদেশ আসন্ন বিশ্বকাপ ভারতে গিয়ে খেলতে অস্বীকৃতি জানায়। ভারতের মাটিতে বাংলাদেশ দলের খেলোয়াড়, স্টাফ, সমর্থক ও সাংবাদিকদের নিরাপত্তা ঝুঁকি বিবেচনায় নিয়ে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) আইসিসিকে ভেন্যু পরিবর্তনের প্রস্তাব দেয়।

কিন্তু ভারতীয় জয় শাহর নেতৃত্বাধীন আইসিসি নিরাপত্তা ঝুঁকির বিষয়টি আমলে নেয়নি। বরং বাংলাদেশকে ভারতের মাটিতেই খেলতে হবে বলে কঠোর অবস্থান নেয় সংস্থাটি এবং অন্যথায় টুর্নামেন্ট থেকে বাদ দেওয়ার ইঙ্গিত দেয়। শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশ নিজেদের অবস্থানে অনড় থাকায় আইসিসি বিকল্প দল হিসেবে স্কটল্যান্ডকে অন্তর্ভুক্ত করে।

উইজডেন তাদের প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছে, একই ধরনের ঘটনা ২০২৫ সালের চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির আগেও ঘটেছিল। টুর্নামেন্টটি পাকিস্তানে আয়োজনের কথা থাকলেও ভারত স্পষ্ট জানিয়ে দেয়, তারা পাকিস্তানে সফর করবে না। নিজেদের ম্যাচের জন্য নিরপেক্ষ ভেন্যুর দাবি তোলে দেশটি। দীর্ঘ আলোচনার পর আইসিসি সেই দাবি মেনে নেয় এবং ভারত তাদের সব ম্যাচ দুবাইয়ে খেলে। একই ভেন্যুতে সব ম্যাচ খেলার সুবিধা নিয়ে শেষ পর্যন্ত ভারত টুর্নামেন্টের শিরোপাও জিতে নেয়।

উইজডেনের বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ন্যায্যতা আদৌ কি শর্তসাপেক্ষ—সে প্রশ্ন এখন জোরালো হয়েছে। ভারত সিদ্ধান্ত জানানোর জন্য তিন মাস সময় পেয়েছিল, অথচ সূচি ও গ্রুপ ঘোষণার পর বাংলাদেশের হাতে ছিল মাত্র এক মাস। শুধু সময়ের ব্যবধান কি আইসিসির এই বৈষম্যমূলক অবস্থানকে ন্যায্যতা দিতে পারে?

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, সংকট তৈরিতে মোস্তাফিজুর রহমানকে ঘিরে ভারতের রাজনৈতিক বার্তা দেওয়ার ভূমিকা উপেক্ষা করা যায় না। বিসিসিআই কখনোই মোস্তাফিজকে বাদ দেওয়ার কারণ হিসেবে স্পষ্টভাবে নিরাপত্তার কথা বলেনি; ‘সাম্প্রতিক পরিস্থিতি’—এই অস্পষ্ট ব্যাখ্যাই দেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশ এটিকে নিরাপত্তা হুমকি হিসেবে দেখেছে। যুক্তি ছিল—যদি একজন খেলোয়াড়ের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা না যায়, তবে পুরো দল কীভাবে নিরাপদ থাকবে?

উইজডেন আরও মন্তব্য করেছে, মোস্তাফিজকে বাদ দেওয়ার বিষয়ে ভারতের সিদ্ধান্ত ছিল নিঃশর্ত ও অনুতাপহীন। কোনো ব্যাখ্যা ছাড়াই একজন খেলোয়াড়কে সরিয়ে দেওয়ার মাধ্যমে বিসিসিআই কার্যত দেখিয়ে দিয়েছে, ক্রিকেট রাজনৈতিক উদ্দেশ্যেও ব্যবহৃত হতে পারে। প্রশাসনিক ক্ষমতা ব্যবহার করে ক্রিকেটকে রাজনৈতিক বার্তার বাহন বানানো হয়েছে বলেও ইঙ্গিত দিয়েছে ম্যাগাজিনটি।

বিশ্লেষণে বলা হয়, ভারত জানে তাদের অর্থনৈতিক শক্তি ও সুপারস্টার নির্ভর বাজার ছাড়া আইসিসির টুর্নামেন্ট কার্যত অচল। সে কারণেই তারা পাকিস্তানে যেতে অস্বীকৃতি জানিয়ে নিজেদের ইচ্ছা চাপিয়ে দিতে পেরেছে। শুরু থেকেই পাল্লা ভারতের দিকেই ভারী ছিল। বাংলাদেশের সেই সামর্থ্য না থাকায়, নীতিগত অবস্থান নেওয়ার খেসারত হিসেবেই বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে যেতে হয়েছে তাদের।

উইজডেনের উপসংহারে বলা হয়েছে, আইসিসি এখন নীতি-নৈতিকতা ও ন্যায্যতার মানদণ্ডের চেয়ে ভারত তোষণেই বেশি মনোযোগী। অর্থনৈতিক শক্তির জোরে ভারত আইসিসি এবং অনেক সদস্য দেশকে দিয়ে নিজেদের পক্ষে সিদ্ধান্ত আদায় করে নিতে সক্ষম হচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের মতো দেশের জন্য আত্মমর্যাদা ও নীতিগত অবস্থান বজায় রেখে রুখে দাঁড়ানোই একমাত্র পথ।

কিশোরগঞ্জের গাইটালে আগুন, ব্যাটারিচালিত অটোরিকশাসহ পুড়ল ২ দোকান

রেজাউল হক প্রকাশিত: বুধবার, ৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১:৪৩ পূর্বাহ্ণ
কিশোরগঞ্জের গাইটালে আগুন, ব্যাটারিচালিত অটোরিকশাসহ পুড়ল ২ দোকান

মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) রাতে পবিত্র শবে বরাত উপলক্ষে যখন ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা মসজিদে নামাজ ও দোয়া-ইবাদতে ব্যস্ত, ঠিক সেই সময় কিশোরগঞ্জ শহরের গাইটাল এলাকায় সংঘটিত হয় এক ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা। দমকল বাহিনীর দ্রুত পদক্ষেপে আগুন নিয়ন্ত্রণে এলেও দুই ব্যবসায়ীর প্রায় ১০ লক্ষাধিক টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

কিশোরগঞ্জ পৌর এলাকার গাইটাল পুকুরপাড়ে ভূঁইয়া প্লাজার দক্ষিণ পাশে অবস্থিত একটি সেমি-পাকা মার্কেটের মেসার্স মোস্তফা ট্রেডার্স এবং বিসমিল্লাহ ইলেকট্রিক অ্যান্ড হার্ডওয়্যার দোকানে আগুন লাগে। এতে দুটি ব্যাটারি চালিত অটোরিকশা, একটি মোটরসাইকেলসহ দোকান দুটির প্রায় সব মালামাল পুড়ে যায়।

প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, মঙ্গলবার রাত ৮টা থেকে সাড়ে ৮টার মধ্যে এশার নামাজের পর বিভিন্ন মসজিদে দোয়া ও আলোচনা চলাকালীন সময়ে রাস্তায় চলাচলকারী স্থানীয় কয়েকজন ব্যক্তি বন্ধ থাকা দোকানের ভেতরে আগুনের উপস্থিতি টের পান। সঙ্গে সঙ্গে তারা দোকান মালিক ও ফায়ার সার্ভিসে খবর দেন।

খবর পেয়ে কিশোরগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে দোকানের শাটারের তালা ভেঙে প্রায় ১৫–২০ মিনিটের মধ্যে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

কিশোরগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ খালিদ জানান, ঘটনার সময় দমকল কর্মীরা নামাজ শেষে নামাজের পোশাকেই ছিলেন। গাইটালে অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে তারা দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে যান। প্রাথমিকভাবে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

মেসার্স মোস্তফা ট্রেডার্সের মালিক আব্দুল কাদির জানান, তার দোকানে একটি নতুন ও একটি পুরাতন ব্যাটারি চালিত অটোরিকশা ছিল, যা সম্পূর্ণ পুড়ে গেছে। এছাড়া তার প্রতিবেশী বন্ধু গোলাপের একটি মোটরসাইকেলও আগুনে ভস্মীভূত হয়েছে। দোকানের হিসাব সংক্রান্ত কিছু খাতাও আংশিকভাবে পুড়ে গেছে বলে তিনি জানান।

বিসমিল্লাহ ইলেকট্রিক অ্যান্ড হার্ডওয়্যারের মালিক শরিফুল ইসলাম রুবেল মুঠোফোনে জানান, তার দোকানে থাকা রং, স্যানিটারি পাইপসহ বিভিন্ন ধরনের লোহার সামগ্রী সম্পূর্ণভাবে পুড়ে গেছে। এই ঘটনায় তার প্রায় ২০ লক্ষাধিক টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।

ঘটনাস্থলে উপস্থিত স্থানীয়দের কেউ কেউ গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণের কথা বললেও বাস্তবে মালিকপক্ষ, এলাকাবাসী কিংবা দমকল বাহিনীর কেউই বিষয়টি নিশ্চিত করেননি। জানা যায়, দোকানে কয়েকটি খালি গ্যাস সিলিন্ডার ও ড্রাম ভর্তি টারপিন থাকলেও সেগুলো অক্ষত ছিল।

এলাকাবাসীর ভাষ্য অনুযায়ী, বরকতময় এই রজনীতে সৃষ্টিকর্তার অশেষ রহমতে বড় ধরনের অগ্নিকাণ্ড সত্ত্বেও জানমালের কোনো ক্ষতি হয়নি। ঘটনাস্থলের পাশে একটি বেসরকারি চক্ষু হাসপাতাল, আবাসিক ভবন ও পাকা মার্কেট থাকায় আগুন ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা ছিল।

আগামীতে হয়তো শোনা যাবে জামায়াত স্বাধীনতার পক্ষে যুদ্ধ করেছিল: সালাহউদ্দিন

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৫:০০ অপরাহ্ণ
আগামীতে হয়তো শোনা যাবে জামায়াত স্বাধীনতার পক্ষে যুদ্ধ করেছিল: সালাহউদ্দিন

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য এবং কক্সবাজার-১ (চকরিয়া–পেকুয়া) আসনের বিএনপি প্রার্থী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, আগামী দিনে হয়তো এমন কথাও শোনা যাবে—জামায়াতে ইসলামী এ দেশের স্বাধীনতার পক্ষে যুদ্ধ করেছিল। বর্তমানে দেশে নতুন করে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বিকৃতির অপচেষ্টা চলছে।

মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে চকরিয়ার মাতামুহুরী সাংগঠনিক উপজেলার কোনাখালী ইউনিয়নের জঙ্গলকাটা এলাকায় আয়োজিত এক নির্বাচনী পথসভায় তিনি এসব কথা বলেন।

সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, একটি রাজনৈতিক দল—বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী—যারা একাত্তরে এই দেশের স্বাধীনতার বিরোধিতা করেছিল, তারাই আজ মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ব্যাখ্যা করার চেষ্টা করছে। তাদের দলের আমির যে বক্তব্য দিয়েছেন, সেখানে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণাকে কেন্দ্র করে বিভ্রান্তিকর ও অসত্য তথ্য উপস্থাপন করা হয়েছে। তিনি দাবি করেছেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা দেননি; বরং কর্নেল (অব.) অলি আহমদ তা দিয়েছেন—যা সম্পূর্ণ বিভ্রান্তিকর।

জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশের স্বাধীনতার বিরোধিতা করেছিল উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, যারা একাত্তরে স্বাধীনতার বিরোধিতা করেছিল, তাদের দ্বারা ইতিহাস বিকৃতি অস্বাভাবিক নয়। তবে বাংলাদেশের মানুষ সব জানে। জনগণ জানে, আজ তারা নতুন রূপে নিজেদেরকে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠা করার যে চেষ্টা করছে, তা সম্পূর্ণ প্রতারণা ও ভণ্ডামি।

জামায়াত সম্পর্কে তিনি বলেন, জামায়াতে ইসলামী একজন মুক্তিযোদ্ধাকে দলে যুক্ত করে কার্যত ‘ভাড়া’ করে একটি সাইনবোর্ড দেখাতে চাইছে—যেন তাদেরও মুক্তিযোদ্ধা রয়েছে। ওই মুক্তিযোদ্ধাকে ব্যবহার করে তারা বাংলাদেশের স্বাধীনতার পক্ষে নিজেদের অবস্থান প্রমাণের চেষ্টা করছে। কিন্তু দেশের প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধারা কখনোই এটি মেনে নেবে না। আমরা বিশ্বাস করি, তারা এর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাবেন।

নারীদের কর্মসংস্থান ধ্বংসের পরিকল্পনা চলছে উল্লেখ করে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, সম্প্রতি তারা দেশের নারী সমাজকে চরমভাবে অপমান করেছে। কর্মজীবী নারীদের পতিতাদের সঙ্গে তুলনা করে অবমাননাকর বক্তব্য দেওয়া হয়েছে, যা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।

এ সময় কক্সবাজার জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক জামিল ইব্রাহীম চৌধুরী, দপ্তর সম্পাদক ইউসুফ বদরী, মাতামুহুরী সাংগঠনিক উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হেফাজুতুর রহমান চৌধুরী টিপু, সাংগঠনিক সম্পাদক শোয়াইবুল ইসলাম সবুজসহ বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের স্থানীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

প্রথমবার কারাবন্দিদের ভোটাধিকার: পোস্টাল ব্যালটে ভোটগ্রহণ শুরু

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৪:০০ অপরাহ্ণ
প্রথমবার কারাবন্দিদের ভোটাধিকার: পোস্টাল ব্যালটে ভোটগ্রহণ শুরু

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রথমবারের মতো পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে কারাবন্দিদের ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। এই ভোটদান কার্যক্রম আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত চলবে।

মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

এদিকে, প্রথমবারের মতো কারাবন্দিদের জন্য পোস্টাল ব্যালটে ভোট দেওয়ার সুযোগ রাখায় নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে কারা কর্তৃপক্ষ।

এর আগে, গত মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) থেকে দেশের অভ্যন্তরে পোস্টাল ব্যালট পাঠানো শুরু করে নির্বাচন কমিশন।

ইসি জানায়, জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিন বিকেল সাড়ে ৪টার মধ্যে পোস্টাল ব্যালট সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে পৌঁছাতে হবে। নির্ধারিত সময়ের পর পৌঁছানো ব্যালট গণনায় অন্তর্ভুক্ত করা হবে না। অভ্যন্তরীণ পোস্টাল ব্যালটে প্রতীকের পাশাপাশি প্রার্থীর নামও উল্লেখ থাকবে।

একই সঙ্গে দেশে ও দেশের বাইরে থাকা মোট ১৫ লাখ ৩৩ হাজার প্রবাসী পোস্টাল ব্যালটে ভোট দেওয়ার জন্য নিবন্ধন করেছেন। এর মধ্যে প্রায় অর্ধেক ভোটার দেশের ভেতরে অবস্থান করছেন।

উল্লেখ্য, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হবে। ওই দিন সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে ভোটগ্রহণ চলবে।