মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট ২০২৬, ১০ ভাদ্র ১৪৩৩
[gtranslate]
মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট ২০২৬, ১০ ভাদ্র ১৪৩৩

‘বাপের দোয়া’ ক্রিকেট বোর্ড: বিসিবি অ্যাড-হক কমিটি বিতর্কে

ক্রীড়া ডেস্ক প্রকাশিত: বুধবার, ৮ এপ্রিল, ২০২৬, ৫:৩৯ অপরাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
‘বাপের দোয়া’ ক্রিকেট বোর্ড: বিসিবি অ্যাড-হক কমিটি বিতর্কে

বিসিবির অ্যাড-হক কমিটিতে রাজনৈতিক পরিবারের চার সদস্যের উপস্থিতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সমালোচনার ঝড় তুলেছে। নতুন কমিটিতে রাজনৈতিক পরিবারের সদস্যদের অন্তর্ভুক্তি অনেকেই ভালোভাবে নিচ্ছেন না। তবে দীর্ঘদিন ধরে উপমহাদেশে এই ধরনের সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠিত।

বিসিবির সর্বশেষ নির্বাচনে কারচুপিসহ নানা অনিয়মের দায়ে আগের বোর্ড ভেঙে দিয়েছে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (এনএসসি)। নতুন করে ১১ সদস্যের অ্যাড-হক কমিটি গঠন করা হয়েছে। সভাপতির দায়িত্ব পেয়েছেন সাবেক অধিনায়ক তামিম ইকবাল। গত ৭ এপ্রিল, তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন অনুযায়ী এনএসসি এই সিদ্ধান্ত জানিয়েছে।

নতুন কমিটির বাকি সদস্যরা হলেন ফাহিম সিনহা, রফিকুল ইসলাম বাবু, সালমান ইস্পাহানি, তানজিল চৌধুরী, আতহার আলি খান, মিনহাজুল আবেদিন নান্নু, ইসরাফিল খসরু, সৈয়দ ইব্রাহিম আহমেদ, মির্জা ইয়াসির আব্বাস এবং রাশনা ইমাম।

নবগঠিত অ্যাড-হক কমিটির সদস্যদের মধ্যে বেশ কিছু রাজনৈতিক পরিবারের সদস্য রয়েছেন। আইনজীবী রাশনা ইমাম বিএনপির সংসদ সদস্য এবং শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজের স্ত্রী। এছাড়া, মির্জা ইয়াসির আব্বাস ঢাকা-৮ আসনের সংসদ সদস্য ও প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মির্জা আব্বাসের ছেলে। বিএনপির সংসদ সদস্য এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের ছেলে সৈয়দ ইব্রাহিম আহমদ এবং বিএনপির সংসদ সদস্য অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদের ছেলে ইসরাফিল খসরুও কমিটিতে রয়েছেন।

এই চার সদস্যকে নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে সমালোচনার ঝড় বইছে। যদিও বছরের পর বছর ধরে উপমহাদেশে এই ধরনের প্রবণতা বিরাজমান। আগের বোর্ডেও তখনকার সরকারের পছন্দের ব্যক্তিরা বিসিবির পরিচালক হয়েছিলেন, যা তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।

সংসদে এই বিষয়ে প্রশ্ন তোলেন কুমিল্লা-৪ আসনের জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) জনপ্রিয় সংসদ সদস্য হাসনাত আব্দুল্লাহ। অধিবেশনে তিনি বলেন, “বিসিবিকে এখন আর বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড বলা যায় না। এটি হয়ে গেছে ‘বাপের দোয়া ক্রিকেট বোর্ড’। যেভাবে দখল করা হয়েছে, তাতে বোর্ডের নিয়ন্ত্রণ যেন পরিবারবিহীন নয়।”

এর জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, “ক্রিকেট বোর্ড কীভাবে এসেছে তা মাননীয় স্পিকারকে জানাই। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় তৎকালীন ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সরকারি ক্ষমতার প্রয়োগ করে জেলা ক্রীড়া সংস্থাগুলোর কমিটিগুলোকে প্রভাবিত করেছিলেন। রেজিস্টার্ড ক্লাবগুলোর কাউন্সিলরদেরও প্রভাবিত করা হয়েছিল এবং হাইকোর্টে যে রিট দায়ের হয়েছিল, সেটি এখনও স্থগিত। পরে বর্তমান সরকার মাননীয় ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর (আমিনুল হক) নেতৃত্বে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে। তদন্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী যথেষ্ট অনিয়মের বিষয়গুলো উঠে এসেছে।”

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, “আগের বোর্ড ভেঙে দেওয়া হয়েছে এবং নতুন অ্যাড-হক কমিটি গঠন করা হয়েছে। এই কমিটিতে দেশের কৃতী ক্রিকেটার তামিম ইকবালকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এখানে আমরা কোনো ‘বাপের দোয়া’ বা ‘মায়ের দোয়া’ করি নি। তিন মাসের মধ্যে এই কমিটি বিধি মোতাবেক নির্বাচন সম্পন্ন করবে।”

অ্যাড-হক কমিটির মেয়াদ তিন মাস, যা আগামী ৬ জুলাই পর্যন্ত চলবে। এর পর তারা নির্বাচিত বোর্ডের কাছে দায়িত্ব হস্তান্তর করবে।

ভৈরবে মাদক বিক্রি ও সেবনের দায়ে নারীসহ দুজনের কারাদণ্ড

জয়নাল আবেদীন রিটন প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট, ২০২৬, ৫:৪৫ অপরাহ্ণ
ভৈরবে মাদক বিক্রি ও সেবনের দায়ে নারীসহ দুজনের কারাদণ্ড

কিশোরগঞ্জের ভৈরবে মাদক বিক্রি ও সেবনের দায়ে এক নারীসহ দুজনকে গ্রেপ্তারের পর ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) দুপুরে উপজেলার আমলাপাড়া বালুর মাঠ এলাকায় মাদকবিরোধী টাস্কফোর্সের অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন আমলাপাড়া এলাকার ছোলাইমান মিয়ার স্ত্রী শম্পা (২৮) এবং একই এলাকার জাহিদ হোসেন ওরফে ভোলা মিয়ার ছেলে রুবেল মিয়া (৩১)।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর ভৈরব কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মঙ্গলবার দুপুরে আমলাপাড়া বালুর মাঠ এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে শম্পার কাছ থেকে ১৯ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। একই সময় মাদক সেবনের উপকরণসহ রুবেল মিয়াকে আটক করা হয়।

পরে তাদের বিরুদ্ধে প্রসিকিউশন দাখিল করে ভ্রাম্যমাণ আদালতে হাজির করা হয়। ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও ভৈরব উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) এএইচএম আজিমুল হক শম্পাকে ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ৩ হাজার ৫০০ টাকা অর্থদণ্ড দেন। একই সঙ্গে মাদক সেবনের কথা স্বীকার করায় রুবেল মিয়াকে ৪৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর ভৈরব কার্যালয়ের পরিদর্শক চন্দন গোপাল সুর বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আমলাপাড়া বালুর মাঠ এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে শম্পা ও রুবেলকে ইয়াবা ও ইয়াবা সেবনের উপকরণসহ আটক করা হয়। পরে তাদের বিরুদ্ধে প্রসিকিউশন দাখিল করে ভ্রাম্যমাণ আদালতে পাঠানো হয়।

তিনি বলেন, ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে শম্পাকে ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ৩ হাজার ৫০০ টাকা অর্থদণ্ড এবং রুবেল মিয়াকে ৪৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। মাদকের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

ভৈরবে ২শ পিস নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারি জাল জব্দ, আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস

জয়নাল আবেদীন রিটন প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট, ২০২৬, ৫:০২ অপরাহ্ণ
ভৈরবে ২শ পিস নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারি জাল জব্দ, আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস

কিশোরগঞ্জের ভৈরবে দেশীয় প্রজাতির মাছ সংরক্ষণ, মা মাছ ও রেণু পোনা নিধন বন্ধ এবং মাছের প্রজনন বৃদ্ধির লক্ষ্যে ব্রহ্মপুত্র জলমহালে অভিযান চালিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। অভিযানে প্রায় ৬ লাখ টাকা মূল্যের ২শ পিস নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারি (রিং) জাল জব্দ করা হয়েছে। পরে জব্দ করা জালগুলো প্রকাশ্যে আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়।

সোমবার (২৫ আগস্ট) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত উপজেলার কালিকাপ্রসাদ ইউনিয়নের পুরাতন ব্রহ্মপুত্র জলমহালে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। উপজেলা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) এএইচএম আজিমুল হকের নেতৃত্বে অভিযান পরিচালিত হয়।

উপজেলা মৎস্য অফিস সূত্রে জানা গেছে, দেশীয় মাছের প্রজনন ও উৎপাদন বৃদ্ধি এবং মা মাছ ও রেণু পোনা সংরক্ষণে নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারি বা রিং জালের ব্যবহার বন্ধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সোমবার ব্রহ্মপুত্র জলমহালে অভিযান চালানো হয়।

অভিযান চলাকালে জেলেরা ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানকারী দলের উপস্থিতি টের পেয়ে জাল ফেলে পালিয়ে যান বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। পরে জলমহাল থেকে ২শ পিস চায়না দুয়ারি রিং জাল জব্দ করা হয়। জব্দ করা জালের আনুমানিক মূল্য প্রায় ৬ লাখ টাকা বলে জানিয়েছে মৎস্য বিভাগ।

অভিযান শেষে জব্দ করা নিষিদ্ধ জালগুলো মেঘনা নদীর তীরবর্তী ত্রি-সেতু এলাকায় নিয়ে প্রকাশ্যে আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়।

অভিযানে উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা সারোয়ার হোসেনসহ মৎস্য বিভাগের কর্মকর্তারা অংশ নেন। এ সময় ব্রহ্মপুত্র নদের ইজারাদার আব্দুর রাজ্জাক শেখ এবং ভৈরব নৌ-থানার পুলিশ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) এএইচএম আজিমুল হক বলেন, মাছের প্রজনন বৃদ্ধি, রেণু পোনা সংরক্ষণ এবং দেশীয় মাছের উৎপাদন বাড়াতে উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা মৎস্য অফিস সমন্বিতভাবে কাজ করছে। নিষিদ্ধ জালের ব্যবহার বন্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে।

তিনি বলেন, সোমবার মৎস্য কর্মকর্তার বিশেষ তদারকিতে পরিচালিত অভিযানের সময় অভিযানকারী দলের উপস্থিতি টের পেয়ে জেলেরা জাল ফেলে পালিয়ে যান। পরে প্রায় ৬ লাখ টাকা মূল্যের ২শ পিস চায়না দুয়ারি রিং জাল জব্দ করা হয়। জালগুলো মেঘনা নদীর ত্রি-সেতু এলাকায় আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়েছে।

এদিকে, স্থানীয়দের অভিযোগ, শুধু নদী ও জলমহালে মাঝেমধ্যে অভিযান পরিচালনা করে নিষিদ্ধ জালের ব্যবহার পুরোপুরি বন্ধ করা সম্ভব নয়। তাদের দাবি, নিষিদ্ধ জালের উৎপাদনস্থল, মজুতের জায়গা ও বাজারে বিক্রয়কারী ব্যবসায়ীদের চিহ্নিত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হলে এর ব্যবহার অনেকটাই নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হবে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, নদীতে জেলেদের বিরুদ্ধে অভিযান চালানোর পাশাপাশি ভৈরব বাজারে যারা নিষিদ্ধ জাল বিক্রি করছেন, তাদের বিরুদ্ধেও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন। বিক্রেতারা এসব জাল সরবরাহ করছেন বলেই জেলেরা তা ব্যবহার করার সুযোগ পাচ্ছেন।

সরকারি প্রতিষ্ঠানে সৌরবিদ্যুতের ব্যবহার বাড়ানোর তাগিদ

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট, ২০২৬, ২:৫১ অপরাহ্ণ
সরকারি প্রতিষ্ঠানে সৌরবিদ্যুতের ব্যবহার বাড়ানোর তাগিদ

স্থানীয় সরকার এবং পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের আওতাধীন দপ্তর, সংস্থা ও প্রতিষ্ঠানগুলোতে সৌরবিদ্যুতের ব্যবহার বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার সম্প্রসারণে সংশ্লিষ্ট দপ্তর, সংস্থা ও প্রতিষ্ঠানগুলোকে সমন্বিতভাবে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) সকালে স্থানীয় সরকার বিভাগের সভাকক্ষে সৌরবিদ্যুতের ব্যবহারসংক্রান্ত কমিটির পর্যালোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন। সকাল ১১টায় অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মো. শহীদুল হাসান। স্থানীয় সরকার বিভাগের সরকারি ওয়েবসাইটেও মো. শহীদুল হাসানকে সচিব হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

সভায় স্থানীয় সরকার বিভাগের আওতাধীন দপ্তর, সংস্থা ও প্রতিষ্ঠানগুলোতে সৌরবিদ্যুতের ব্যবহার সম্প্রসারণ, চলমান কার্যক্রমের অগ্রগতি এবং ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা ও পর্যালোচনা করা হয়।

পরে দুপুর ১২টায় পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের আয়োজনে একই বিষয়ে পৃথক আরেকটি পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। সভায় পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের সচিব ড. রফিকুল আই মোহাম্মদ সভাপতিত্ব করেন।

সাম্প্রতিক সরকারি বদলি আদেশ অনুযায়ী, ড. রফিকুল আই মোহাম্মদকে ২১ আগস্ট পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের সচিব পদে বদলি করা হয়েছে। এর আগে তিনি রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের জনবিভাগের সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের সভায় এ বিভাগের আওতাধীন দপ্তর, সংস্থা ও প্রতিষ্ঠানগুলোতে সৌরবিদ্যুতের বর্তমান ব্যবহার, বাস্তবায়নাধীন কার্যক্রমের অগ্রগতি এবং ভবিষ্যতে নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার আরও সম্প্রসারণের বিষয়ে আলোচনা করা হয়।

সভায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোতে সৌরবিদ্যুতের ব্যবহার আরও বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, বিদ্যুতের চাহিদা পূরণের পাশাপাশি পরিবেশবান্ধব ও টেকসই জ্বালানি ব্যবস্থাপনা গড়ে তুলতে নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়ানো প্রয়োজন।

প্রতিমন্ত্রী সংশ্লিষ্ট দপ্তর, সংস্থা ও প্রতিষ্ঠানগুলোকে সৌরবিদ্যুতের ব্যবহার সম্প্রসারণে সমন্বিত পরিকল্পনা গ্রহণ এবং চলমান উদ্যোগগুলো দ্রুত ও কার্যকরভাবে বাস্তবায়নের আহ্বান জানান।

তিনি বলেন, সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোতে সৌরবিদ্যুতের ব্যবহার বাড়ানো গেলে একদিকে প্রচলিত বিদ্যুতের ওপর চাপ কমবে, অন্যদিকে নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার সম্প্রসারণে সরকারের উদ্যোগ আরও গতিশীল হবে।

প্রসঙ্গত, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে মীর শাহে আলম দায়িত্ব পালন করছেন। স্থানীয় সরকার বিভাগের সরকারি ওয়েবসাইটে তাঁকে মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।