বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর ২০২৬, ২৪ আশ্বিন ১৪৩৩
[gtranslate]
বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর ২০২৬, ২৪ আশ্বিন ১৪৩৩

রুমিনের পক্ষে বিএনপির নেতাকর্মীদের কাজের অভিযোগ জমিয়ত নেতার

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: সোমবার, ৫ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:০০ অপরাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
রুমিনের পক্ষে বিএনপির নেতাকর্মীদের কাজের অভিযোগ জমিয়ত নেতার

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল-আশুগঞ্জ) আসনে জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে বিএনপির ভূমিকা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের সহসভাপতি মাওলানা জুনায়েদ আল হাবিব। তার অভিযোগ, জমিয়তের প্রার্থীকে বিজয়ী করতে বিএনপি প্রত্যাশিত আন্তরিকতা দেখায়নি। বরং দলটির কিছু নেতা-কর্মী স্বতন্ত্র প্রার্থী ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানার পক্ষে প্রকাশ্যে ও গোপনে কাজ করেছেন।

সম্প্রতি একটি গণমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বিএনপির বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করে জুনায়েদ আল হাবিব বলেন, বিএনপি তার সঙ্গে ‘মুনাফেকি’ করেছে।

তিনি বলেন, সরাইল-আশুগঞ্জ আসনটি দীর্ঘদিন ধরে বিএনপির শক্তিশালী ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত। একই সঙ্গে এ এলাকায় ইসলামপন্থি রাজনৈতিক দলগুলোরও উল্লেখযোগ্য প্রভাব রয়েছে। তবে নির্বাচনের সময় বিএনপির একটি অংশ রুমিন ফারহানার পক্ষে সক্রিয় ছিল এবং অন্য একটি অংশ দায়িত্ব পালনে তেমন আগ্রহ দেখায়নি। তার মতে, এ কারণে জমিয়তের প্রার্থী প্রত্যাশিত ফল অর্জন করতে পারেননি।

জুনায়েদ আল হাবিব আরও অভিযোগ করেন, আওয়ামী লীগপন্থি প্রায় ৩০ শতাংশ নেতা-কর্মীকে ঢাকায় নিয়ে গিয়ে বিভিন্ন আশ্বাসের মাধ্যমে নিজের পক্ষে আনার চেষ্টা করেছিলেন রুমিন ফারহানা। একই সঙ্গে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন করে রঙিন বিলবোর্ড স্থাপন, জীবন্ত হাঁস নিয়ে মিছিল এবং প্রশাসনের সহায়তায় নির্বাচনী এলাকায় প্রভাব বিস্তারের অভিযোগও করেন তিনি।

তার দাবি, নির্বাচনের দিন জমিয়তের প্রার্থীর জয়ের সম্ভাবনা বেশি—এমন কয়েকটি কেন্দ্র থেকে তাদের এজেন্টদের বের করে দেওয়া হয়। এতে ভোটের মাঠে জমিয়তের প্রার্থী ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বলে মনে করেন তিনি।

বিএনপির সঙ্গে জোটের প্রসঙ্গেও নিজের অবস্থান তুলে ধরেন জমিয়তের এই নেতা। তিনি বলেন, ইসলাম ও দেশের স্বার্থে আলেম সমাজ বিএনপির নেতৃত্বাধীন জোটে যুক্ত হয়ে কাজ করেছে। দেশের বিভিন্ন আসনে আলেম-ওলামাদের সমর্থনের কারণেই বিএনপির অনেক প্রার্থী জয় পেয়েছেন বলেও দাবি করেন তিনি।

জুনায়েদ আল হাবিবের ভাষ্য, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনেও বিএনপি যদি শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত আন্তরিকভাবে জমিয়তের প্রার্থীর পক্ষে কাজ করত, তাহলে বিজয় অর্জন সম্ভব ছিল। কিন্তু নির্বাচনের শেষ পর্যায়ে বিএনপি সেই ভূমিকা পালন করেনি বলে অভিযোগ তার।

এদিকে ইসলামি দলগুলোর মধ্যে বৃহত্তর ঐক্যের বিষয়েও কথা বলেছেন জুনায়েদ আল হাবিব। তিনি জানান, হেফাজতে ইসলামসহ বিভিন্ন ইসলামি দলের শীর্ষ নেতাদের সমন্বয়ে একটি লিয়াজোঁ কমিটি বর্তমানে কাজ করছে।

তিনি বলেন, বৃহত্তর ইসলামি প্ল্যাটফর্ম যদি কোনো একটি রাজনৈতিক দলের নেতৃত্বাধীন জোটে না থাকার সিদ্ধান্ত নেয়, তাহলে সেই সিদ্ধান্ত মেনে বিএনপির সঙ্গে থাকা জোট থেকেও বেরিয়ে আসতে প্রস্তুত রয়েছে জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ।

পূজার প্রস্তুতি সভা থেকে জামায়াত নেতাকে বের করে দেওয়ার অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর, ২০২৬, ১:১০ অপরাহ্ণ
পূজার প্রস্তুতি সভা থেকে জামায়াত নেতাকে বের করে দেওয়ার অভিযোগ

মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগরে দুর্গাপূজার প্রস্তুতিমূলক সভা থেকে উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর ভারপ্রাপ্ত আমির নুরুজ্জামান মীরকে মারধর করে বের করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে বিএনপির কর্মীদের বিরুদ্ধে। গতকাল বুধবার বিকেলে উপজেলা পরিষদে এ ঘটনা ঘটে।

সভায় মুন্সীগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য মো. আব্দুল্লাহকে বক্তব্য দেওয়ার জন্য অনুরোধ করা হলে পেছন থেকে উপজেলা জামায়াতের ভারপ্রাপ্ত আমির নুরুজ্জামান মীরও বক্তব্য দেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেন। এ সময় বিএনপির কয়েকজন কর্মী-সমর্থক তাঁকে চিনতে না পেরে হলরুম থেকে বের করে দেন। পরে বিষয়টি জানতে পেরে অন্য নেতারা তাঁকে ডেকে এনে বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ দেন।

নুরুজ্জামান বক্তব্য দেওয়ার সময় উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হাফিজুল ইসলাম খানের বক্তব্যের একটি অংশের প্রতিবাদ করেন। এ সময় বিএনপির নেতাকর্মীরা ক্ষিপ্ত হয়ে তাঁকে মারধর করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। পরে পুলিশ তাঁকে সভাস্থল থেকে বের করে অটোরিকশায় তুলে দেয়।

উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর ভারপ্রাপ্ত আমির নুরুজ্জামান মীর বলেন, ‘আমাদের দলের সঙ্গে আওয়ামী লীগকে জড়িয়ে মিথ্যা অপবাদের প্রতিবাদ করায় আমাকে থাপ্পড় ও ঘুষি দিয়ে বের করে দেওয়া হয়।’

এ বিষয়ে জানতে উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হাফিজুল ইসলাম খানকে ফোন করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি।

শ্রীনগর থানার ওসি জুয়েল মিয়া সাংবাদিকদের বলেন, ভুল বোঝাবুঝির কারণে ওই সভায় বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি হয়েছিল।

গণতন্ত্র শুধু নির্বাচন নয়, দরকার স্বাধীন প্রতিষ্ঠান: আলী রীয়াজ

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর, ২০২৬, ১:০০ অপরাহ্ণ
গণতন্ত্র শুধু নির্বাচন নয়, দরকার স্বাধীন প্রতিষ্ঠান: আলী রীয়াজ

স্বৈরাচারকে পরাস্ত করা গণতান্ত্রিক উত্তরণের প্রথম ধাপ বলে মন্তব্য করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের ইলিনয় স্টেট ইউনিভার্সিটির ডিস্টিংগুইশড প্রফেসর আলী রীয়াজ। তিনি বলেন, গণতন্ত্র শুধু নির্বাচনের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। নাগরিকের অধিকার নিশ্চিত করার পাশাপাশি স্বাধীন ও জবাবদিহিমূলক প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে প্রকৃত গণতান্ত্রিক অংশীদারিত্ব তৈরি সম্ভব।

গতকাল বুধবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের আয়োজনে ‘আলী রীয়াজ স্নাতকোত্তর গবেষণা পুরস্কার ও বৃত্তি’ প্রদান অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

স্নাতকোত্তর গবেষণা প্রস্তাব ও সেরা স্নাতকোত্তর গবেষণা—এই দুই ক্যাটেগরিতে বিভাগের সাত শিক্ষার্থী পুরস্কার ও বৃত্তি পেয়েছেন। সেরা স্নাতকোত্তর গবেষণা পুরস্কার পেয়েছেন অর্থী নবনীতা ও ফারাহ জাহান শুচি। আর স্নাতকোত্তর গবেষণা প্রস্তাব বৃত্তি পেয়েছেন ফারাহ জাহান শুচি, উসামা রাফিদ, আজরা হুমায়রা, কৌরিত্র পোদ্দার তীর্থ, মোহাম্মদ আল মুকিত ও মুহাম্মদ মুযযাম্মিল হক। ফারাহ জাহান শুচি দুই ক্যাটেগরিতেই পুরস্কার পেয়েছেন।

আমলাতন্ত্রের ভূমিকা নিয়ে নিজের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে আলী রীয়াজ বলেন, গত ১৫ থেকে ১৬ মাসের মধ্যে প্রায় নয় মাস তিনি প্রশাসনের সঙ্গে কাজ করেছেন। এত বড় গণঅভ্যুত্থান এবং পুরোনো ব্যবস্থার বিরুদ্ধে জনগণের প্রত্যাখ্যানের পরও আমলাতন্ত্রের মধ্যে কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তনের ইচ্ছা তিনি দেখেননি।

সংস্কার ঠেকাতে নানা ধরনের বাধা সৃষ্টির অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, বাস্তবতাকে আড়াল না করে স্পষ্টভাবে বলতে হবে—আমলাতন্ত্র সংস্কারবিরোধী। তাঁর মতে, আমলাদের একটি অংশ প্রশাসনিক কর্মকর্তা হিসেবে নয়, রাজনৈতিক কর্মীর মতো রাজনৈতিক প্রভুদের সেবা করতেই বেশি আগ্রহী।

সবাংলাদেশের বর্তমান সংকটের কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে আলী রীয়াজ বলেন, সংকটের মূল কারণ ১৯৪৭ বা ১৯৭১ সালের ইতিহাস নয়; বরং ১৯৯১ সালের পর থেকে রাষ্ট্রযন্ত্রের রাজনীতিকীকরণ। পরবর্তী সরকারগুলোর সময়েও এ প্রবণতা অব্যাহত ছিল এবং ২০০৯ সালের পর রাষ্ট্রযন্ত্র সরাসরি একটি দলের যন্ত্রে পরিণত হয় বলে মন্তব্য করেন তিনি।

রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর স্বাধীনতা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন আলী রীয়াজ। তিনি বলেন, বাংলাদেশের সংবিধানে রাষ্ট্রের ক্ষমতা প্রধানমন্ত্রীর হাতে অতিমাত্রায় কেন্দ্রীভূত। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে নিয়োগের ক্ষেত্রেও প্রধানমন্ত্রীর প্রভাব রয়েছে। এই কাঠামোর পরিবর্তন না হলে প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রকৃত স্বাধীনতা নিশ্চিত করা কঠিন।

বিচার বিভাগসহ গণতান্ত্রিক উত্তরণের জন্য গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর নির্বাহী বিভাগের প্রভাব ও নিয়ন্ত্রণ কমানোর ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি। রাষ্ট্রের স্বার্থে ক্ষমতার এই ভারসাম্যহীনতার স্থায়ী সমাধান প্রয়োজন বলেও জানান আলী রীয়াজ।

রাজনৈতিক ও প্রাতিষ্ঠানিক এই চক্র ভেঙে বাংলাদেশ বেরিয়ে আসতে পারবে কি না, সে বিষয়ে এখনই কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছানো ঠিক হবে না বলে মন্তব্য করেন আলী রীয়াজ। তিনি বলেন, বাংলাদেশে পরিবর্তনের সম্ভাবনা রয়েছে। তবে এর জন্য রাজনৈতিক শক্তিগুলো প্রকৃত অর্থে সংস্কারের পথে যেতে কতটা ইচ্ছুক, সেটিই বড় প্রশ্ন।

চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানের প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, ২০২৪ সালের জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থান কোনো রাজনৈতিক দলের নেতৃত্বে হয়নি। বরং এটি ছিল প্রচলিত রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতি জনগণের প্রত্যাখ্যানের বহিঃপ্রকাশ। পরে রাজনৈতিক দলগুলো সেই জায়গা আবার দখল করলেও ওই সময় জনগণের দেওয়া বার্তাটি বোঝা জরুরি।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম। সভাপতিত্ব করেন গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ও সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক কাজী মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান।

শিশু-কিশোরদের মাদক ও অপরাধ থেকে দূরে রাখতে বিতর্ক চর্চার তাগিদ

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:৫০ অপরাহ্ণ
শিশু-কিশোরদের মাদক ও অপরাধ থেকে দূরে রাখতে বিতর্ক চর্চার তাগিদ

দেশের বিভিন্ন স্থানে শিশু-কিশোরদের মাদক ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ার খবর উদ্বেগজনক। তবে বিতর্ক চর্চার সঙ্গে যুক্ত শিক্ষার্থীরা মাদক ও কিশোর গ্যাংয়ের মতো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়ানোর ঝুঁকি থেকে অনেকটাই দূরে থাকে। খেলাধুলা, সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড, বই পড়া ও সৃজনশীল কাজে যুক্ত থাকলে শিশু-কিশোরদের মধ্যে দায়িত্ববোধ, শৃঙ্খলা ও ইতিবাচক মানসিকতা গড়ে ওঠে। ফলে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের প্রতি তাদের আগ্রহ কমে।

গতকাল বুধবার বিএফএফ-সমকাল জাতীয় বিজ্ঞান বিতর্ক উৎসবে অতিথিরা এসব কথা বলেন। ‘বিতর্ক মানেই যুক্তি, বিজ্ঞানে মুক্তি’ প্রতিপাদ্যে এদিন টাঙ্গাইল, নেত্রকোনা, গাজীপুর, মুন্সীগঞ্জ ও মানিকগঞ্জে দিনব্যাপী এ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। টাঙ্গাইল, নেত্রকোনা, মুন্সীগঞ্জ ও মানিকগঞ্জে আটটি করে দল এবং গাজীপুরে ১৬টি দল প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়।

বাংলাদেশ ফ্রিডম ফাউন্ডেশন (বিএফএফ) ও সমকালের যৌথ উদ্যোগে এবং সমকালের পাঠক সংগঠন সুহৃদ সমাবেশের আয়োজনে অনুষ্ঠিত এ উৎসবের ১২তম আসরের পাওয়ার্ড বাই স্পন্সর শাহ্জালাল ইসলামী ব্যাংক পিএলসি।

টাঙ্গাইলে চ্যাম্পিয়ন পুলিশ লাইন্স আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়

টাঙ্গাইল প্রেস ক্লাব মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত বিতর্ক প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হয়েছে পুলিশ লাইন্স আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়। রানার্সআপ হয়েছে টাঙ্গাইল বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়। রানার্সআপ দলের উম্মে হাবিবা সেরা বক্তা নির্বাচিত হয়েছে।

অন্য দলগুলো হলো– বিন্দুবাসিনী সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, বিন্দুবাসিনী সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়, সৃষ্টি একাডেমিক স্কুল, বিবেকানন্দ হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ, জেলা কালেক্টরেট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় অ্যান্ড কলেজ এবং শিবনাথ উচ্চ বিদ্যালয়।

উৎসবে প্রধান অতিথি ছিলেন মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. শহিদুল ইসলাম। সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন টাঙ্গাইল সরকারি মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ তাহমিনা জাহান। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন টাঙ্গাইল প্রেস ক্লাবের সভাপতি আতাউর রহমান আজাদ। বিচারক ছিলেন শিক্ষক অনীক রহমান বুলবুল, ছোলায়মান হোসেন সায়েম ও সাবেক কৃতী বিতার্কিক রাসেল আদনান।

নেত্রকোনায় চ্যাম্পিয়ন আঞ্জুমান আদর্শ সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়

নেত্রকোনার দত্ত উচ্চ বিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত বিতর্ক প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হয়েছে নেত্রকোনা আঞ্জুমান আদর্শ সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়। রানার্সআপ হয়েছে নেত্রকোনা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়। বিজয়ী দলের আরাফাত রহমান সেরা বক্তা নির্বাচিত হয়েছে।

অন্য দলগুলো হলো– দত্ত উচ্চ বিদ্যালয়, রাজুর বাজার কলেজিয়েট স্কুল, চন্দ্রনাথ উচ্চ বিদ্যালয়, আদর্শ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, জাহানারা স্মৃতি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় এবং কালেক্টরেট উচ্চ বিদ্যালয়।

প্রতিযোগিতা উদ্বোধন করেন নেত্রকোনা রাষ্ট্রবিজ্ঞান সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ননী গোপাল সরকার। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সমকাল সুহৃদ সমাবেশ জেলা কমিটির সভাপতি অধ্যাপক তপন কুমার সাহা। বিচারক ছিলেন অধ্যাপক হারাধন সরকার, শিক্ষক আসলাম মিয়া, সুস্থির সরকার, অধ্যাপক মো. শাহজাহান, রীতা চৌধুরী ও কনা সাহা।

গাজীপুরে সেরা আবেদ আলী গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজ

গাজীপুরের ইকবাল সিদ্দিকী স্কুল অ্যান্ড কলেজ প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত বিজ্ঞান বিতর্ক প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হয়েছে আবেদ আলী গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজ। রানার্সআপ হয়েছে রাণী বিলাসমণি সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়। রানার্সআপ দলের দলনেতা প্রিয়ন্ত দাস সেরা বক্তা নির্বাচিত হয়েছে।

অন্য দলগুলো হলো– গাজীপুর ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজ, চাইল্ড কেয়ার হাই স্কুল, সফিউদ্দিন সরকার একাডেমি অ্যান্ড কলেজ, গাজীপুর কালেক্টরেট স্কুল অ্যান্ড কলেজ, জয়দেবপুর সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, ইকবাল সিদ্দিকী স্কুল অ্যান্ড কলেজ, এইচ.এ.কে একাডেমি, গাজীপুর রেসিডেনসিয়াল মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ, বর্ণমালা স্কুল, শ্রীপুর পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, সিকিউরিটি প্রিন্টিং করপোরেশন উচ্চ বিদ্যালয়, বেঞ্চমার্ক ইন্টারন্যাশনাল স্কুল, খারতৈল মনসুর আলী স্কুল অ্যান্ড কলেজ এবং রাজেন্দ্রপুর ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল।

মুন্সীগঞ্জে চ্যাম্পিয়ন সিরাজদীখান উচ্চ বিদ্যালয়

মুন্সীগঞ্জের সিরাজদীখান উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত বিতর্ক প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হয়েছে সিরাজদীখান উচ্চ বিদ্যালয়। রানার্সআপ হয়েছে রায় বাহাদুর শ্রীনাথ ইনস্টিটিউশন। রানার্সআপ দলের রোদেলা দে সেরা বক্তা নির্বাচিত হয়েছে।

অন্য দলগুলো হলো– ইছাপুরা সরকারি মডেল উচ্চ বিদ্যালয়, শুলপুর উচ্চ বিদ্যালয়, কুসুমপুর উচ্চ বিদ্যালয়, শেখরনগর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, ইসলামপুর কামিল মাদ্রাসা এবং নেছারাবাদ নুরিয়া দাখিল মাদ্রাসা।

বিতর্ক উৎসবের উদ্বোধন করেন সিরাজদীখান উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার কামরুন নাহার। পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন মুন্সীগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য শেখ মো. আবদুল্লাহ। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুম্পা ঘোষ। সভাপতিত্ব করেন সমকাল সুহৃদ সমাবেশ জেলা শাখার সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম ঢালী।

মানিকগঞ্জে টানা পঞ্চমবার চ্যাম্পিয়ন সুরেন্দ্র কুমার বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়

মানিকগঞ্জ খানবাহাদুর আওলাদ হোসেন খান উচ্চ বিদ্যালয় মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত বিতর্ক প্রতিযোগিতায় টানা পঞ্চমবারের মতো চ্যাম্পিয়ন হয়েছে সরকারি সুরেন্দ্র কুমার বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়। রানার্সআপ হয়েছে মুন্নু ইন্টারন্যাশনাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ। বিজয়ী দলের দলনেতা জান্নাতুল ইসলাম সেরা বক্তা নির্বাচিত হয়েছে।

অন্য দলগুলো হলো– মানিকগঞ্জ সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়, খানবাহাদুর আওলাদ হোসেন খান উচ্চ বিদ্যালয়, কানিজ ফাতেমা গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজ, নালী বড়রিয়া কৃষ্ণচন্দ্র উচ্চ বিদ্যালয়, বালিয়াটি ঈশ্বর চন্দ্র উচ্চ বিদ্যালয় এবং আফরোজা রমজান গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজ।

অনুষ্ঠান উদ্বোধন করেন বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি হাবিবুল হোসেন খান। বিজয়ীদের মধ্যে ক্রেস্ট ও সনদপত্র বিতরণ করেন জেলা প্রশাসকের পক্ষে সহকারী কমিশনার (শিক্ষা) মাসুদ আলী শাহরিয়ার এবং পিপি এএফএম নূরতাজ আলম বাহার।