সাইকেলে অফিসে যাওয়ার পথে প্রাণ হারালেন জেলা পরিষদের কর্মচারী
কিশোরগঞ্জ শহরে মোটরসাইকেলের ধাক্কায় গুরুতর আহত হয়ে মারা গেছেন কিশোরগঞ্জ জেলা পরিষদের জ্যেষ্ঠ অফিস সহায়ক মোক্তার হোসেন। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) সকালে প্রতিদিনের মতো বাইসাইকেলে করে বাসা থেকে কর্মস্থলে যাওয়ার পথে শহরের পপুলার হাসপাতালের পশ্চিম পাশে এ দুর্ঘটনা ঘটে। পরে তাঁকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
মোক্তার হোসেনের বাবার নাম মন্নর আলী। তাঁর বাড়ি কিশোরগঞ্জের অষ্টগ্রাম উপজেলায়। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, দুই মেয়ে ও এক ছেলে রেখে গেছেন। তাঁর দুই মেয়ে অনার্সে এবং ছেলে নবম শ্রেণিতে পড়াশোনা করছে। পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তিকে হারিয়ে স্বজনেরা কঠিন পরিস্থিতির মুখে পড়েছেন।
প্রত্যক্ষদর্শী ও জেলা পরিষদ কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার সকালে বাইসাইকেলে করে অফিসে যাচ্ছিলেন মোক্তার হোসেন। পথে পপুলার হাসপাতালের পশ্চিম পাশে অন্য দিক থেকে আসা একটি মোটরসাইকেল তাঁকে ধাক্কা দেয়। এতে তিনি গুরুতর আহত হয়ে সড়কে পড়ে যান।
পরে আশপাশের পথচারী ও স্থানীয় লোকজন তাঁকে উদ্ধার করে সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে পৌঁছানোর পর কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
মোক্তার হোসেনের মৃত্যুর খবরে কিশোরগঞ্জ জেলা পরিষদ কার্যালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও সহকর্মীদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে আসে। সহকর্মীরা জানান, তিনি দীর্ঘদিন ধরে জেলা পরিষদে নিষ্ঠা ও সততার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। তাঁর আকস্মিক মৃত্যুতে তাঁরা গভীরভাবে শোকাহত।
এক যৌথ শোকবার্তায় জেলা পরিষদের শীর্ষ কর্মকর্তারা ও সহকর্মীরা মোক্তার হোসেনের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেন। তাঁরা মরহুমের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি সমবেদনা জানান। একই সঙ্গে মহান আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করেন, তিনি যেন শোকাহত পরিবারকে এ শোক সহ্য করার শক্তি দেন এবং মরহুমকে জান্নাতুল ফেরদাউস নসিব করেন। আমিন।










Disqus comments are not configured yet.