শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১৬ কার্তিক ১৪৩৩
[gtranslate]
শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১৬ কার্তিক ১৪৩৩

সাইকেলে অফিসে যাওয়ার পথে প্রাণ হারালেন জেলা পরিষদের কর্মচারী

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর, ২০২৬, ৫:১৭ অপরাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
সাইকেলে অফিসে যাওয়ার পথে প্রাণ হারালেন জেলা পরিষদের কর্মচারী

কিশোরগঞ্জ শহরে মোটরসাইকেলের ধাক্কায় গুরুতর আহত হয়ে মারা গেছেন কিশোরগঞ্জ জেলা পরিষদের জ্যেষ্ঠ অফিস সহায়ক মোক্তার হোসেন। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) সকালে প্রতিদিনের মতো বাইসাইকেলে করে বাসা থেকে কর্মস্থলে যাওয়ার পথে শহরের পপুলার হাসপাতালের পশ্চিম পাশে এ দুর্ঘটনা ঘটে। পরে তাঁকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

মোক্তার হোসেনের বাবার নাম মন্নর আলী। তাঁর বাড়ি কিশোরগঞ্জের অষ্টগ্রাম উপজেলায়। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, দুই মেয়ে ও এক ছেলে রেখে গেছেন। তাঁর দুই মেয়ে অনার্সে এবং ছেলে নবম শ্রেণিতে পড়াশোনা করছে। পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তিকে হারিয়ে স্বজনেরা কঠিন পরিস্থিতির মুখে পড়েছেন।

প্রত্যক্ষদর্শী ও জেলা পরিষদ কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার সকালে বাইসাইকেলে করে অফিসে যাচ্ছিলেন মোক্তার হোসেন। পথে পপুলার হাসপাতালের পশ্চিম পাশে অন্য দিক থেকে আসা একটি মোটরসাইকেল তাঁকে ধাক্কা দেয়। এতে তিনি গুরুতর আহত হয়ে সড়কে পড়ে যান।

পরে আশপাশের পথচারী ও স্থানীয় লোকজন তাঁকে উদ্ধার করে সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে পৌঁছানোর পর কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।

মোক্তার হোসেনের মৃত্যুর খবরে কিশোরগঞ্জ জেলা পরিষদ কার্যালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও সহকর্মীদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে আসে। সহকর্মীরা জানান, তিনি দীর্ঘদিন ধরে জেলা পরিষদে নিষ্ঠা ও সততার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। তাঁর আকস্মিক মৃত্যুতে তাঁরা গভীরভাবে শোকাহত।

এক যৌথ শোকবার্তায় জেলা পরিষদের শীর্ষ কর্মকর্তারা ও সহকর্মীরা মোক্তার হোসেনের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেন। তাঁরা মরহুমের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি সমবেদনা জানান। একই সঙ্গে মহান আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করেন, তিনি যেন শোকাহত পরিবারকে এ শোক সহ্য করার শক্তি দেন এবং মরহুমকে জান্নাতুল ফেরদাউস নসিব করেন। আমিন।

কটিয়াদীতে সন্ত্রাস-নাশকতা প্রতিরোধে আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা

মাইনুল হক মেনু প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর, ২০২৬, ৮:৩৫ অপরাহ্ণ
কটিয়াদীতে সন্ত্রাস-নাশকতা প্রতিরোধে আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা

কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীতে উপজেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় উপজেলার সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পর্যালোচনা, সন্ত্রাস ও নাশকতা প্রতিরোধ, জননিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং অপরাধ দমনে করণীয়সহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনা হয়।

বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) দুপুরে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে উপজেলা পরিষদের সম্মেলনকক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও উপজেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভাপতি শামীমা আফরোজ মারলিজ। সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন কিশোরগঞ্জ-২ (কটিয়াদী-পাকুন্দিয়া) আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ জালাল উদ্দিন।

সভায় উপজেলার সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পর্যালোচনার পাশাপাশি সন্ত্রাস ও নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও জনপ্রতিনিধিদের সমন্বিত ভূমিকার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। সাধারণ মানুষের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, অপরাধপ্রবণতা নিয়ন্ত্রণ এবং এলাকায় শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখার বিষয়েও আলোচনা হয়।

সভায় আরও গুরুত্ব পায় উপজেলার শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখতে সংশ্লিষ্ট দপ্তর ও সংস্থার মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ ও সমন্বয় জোরদার করা। পাশাপাশি জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট সমস্যা চিহ্নিত করে তা সমাধানে প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের দায়িত্বশীল ভূমিকার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।

সভায় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও সাবেক পৌর মেয়র তোফাজ্জল হোসেন খান দিলীপ, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আরিফুর রহমান কাঞ্চন, পৌর বিএনপির সভাপতি আশরাফুল হক দাদন, সাধারণ সম্পাদক সাজেদুর রহমান সজল সরকার, উপজেলা জামায়াতের আমির অধ্যাপক মোজাম্মেল হক জোয়ারদার এবং পৌর বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক গোলাম ফারুক চাষী।

এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. সাইফুল ইসলাম, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম ভূঁইয়া, কটিয়াদী প্রেসক্লাবের সভাপতি মোবারক হোসেন নূরী, উপজেলার বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য এবং উপজেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির অন্যান্য সদস্য।

সভায় অংশগ্রহণকারীরা উপজেলার সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা, সন্ত্রাস ও নাশকতা প্রতিরোধ এবং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সম্মিলিতভাবে কাজ করার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্ব দেন।

ভৈরবে আলোক ফাঁদে শনাক্ত হচ্ছে ক্ষতিকর পোকা, লাভবান হচ্ছেন কৃষক

জয়নাল আবেদীন রিটন প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর, ২০২৬, ৩:৪৭ অপরাহ্ণ
ভৈরবে আলোক ফাঁদে শনাক্ত হচ্ছে ক্ষতিকর পোকা, লাভবান হচ্ছেন কৃষক

ফসলের জমিতে ক্ষতিকর ও উপকারী পোকামাকড় শনাক্ত করতে কিশোরগঞ্জের ভৈরবে ব্যবহার করা হচ্ছে আধুনিক প্রযুক্তির আলোক ফাঁদ। এর মাধ্যমে ক্ষতিকর পোকামাকড়ের উপস্থিতি শনাক্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হচ্ছে। এতে অপ্রয়োজনীয় কীটনাশকের ব্যবহার কমানোর পাশাপাশি উৎপাদন খরচ কমানো ও ফসলের ফলন বাড়ানোর সুযোগ তৈরি হচ্ছে বলে জানিয়েছেন কৃষক ও কৃষি কর্মকর্তারা।

রোপা আমন ধানে ঘাসফড়িংসহ অন্যান্য ক্ষতিকর পোকামাকড় শনাক্ত করতে ভৈরব উপজেলা কৃষি অফিসের উদ্যোগে আলোক ফাঁদ প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়েছে। সম্প্রতি শহরের দড়িচণ্ডিবেড় এলাকার রোপা আমনের মাঠে এ প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়। এতে স্থানীয় কৃষক-কৃষাণী, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ও উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, চলতি বছর ভৈরব উপজেলায় ২ হাজার ৪৬৫ হেক্টর জমিতে রোপা আমনের আবাদ করা হয়েছে। এসব জমিতে ক্ষতিকর পোকামাকড়ের উপস্থিতি শনাক্ত ও পর্যবেক্ষণের জন্য উপজেলাকে ২২টি ব্লকে ভাগ করা হয়েছে। আলোক ফাঁদের মাধ্যমে পোকামাকড়ের উপস্থিতি শনাক্ত করে পরিস্থিতি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

আলোক ফাঁদ তৈরিতে খরচ তুলনামূলক কম। কয়েকটি খুঁটি, একটি বাল্ব, পানি রাখার পাত্র এবং প্রয়োজনীয় বৈদ্যুতিক তার দিয়ে এটি তৈরি করা যায়। রাতে আলোর আকর্ষণে পোকামাকড় ফাঁদের কাছে এলে সেগুলো পর্যবেক্ষণ করে ক্ষতিকর ও উপকারী পোকা শনাক্ত করা সম্ভব হয়। এর ফলে জমিতে কোন ধরনের পোকামাকড়ের আক্রমণ হচ্ছে, তা বুঝে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া যায়।

স্থানীয় কৃষাণী জুলেখা বলেন, “ক্ষতিকর পোকা কোনটি, তা আমরা অনেক সময় চিনতে পারি না। আলোক ফাঁদের মাধ্যমে ক্ষতিকর ও উপকারী পোকা শনাক্ত করে সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া যায়। এতে জমির উপকার হয় এবং ভালো ফলন পাওয়ার সুযোগ তৈরি হয়। এ বিষয়ে মাঠপর্যায়ের কৃষি কর্মকর্তারা আমাদের পরামর্শ দেন।”

কৃষক রমিজ উদ্দিন বলেন, “আলোক ফাঁদের মাধ্যমে জমিতে ক্ষতিকর ও উপকারী পোকা শনাক্ত করা সম্ভব হচ্ছে। কৃষি কর্মকর্তারা এ বিষয়ে আমাদের সহযোগিতা করেন। তাঁদের পরামর্শ অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ায় ভালো ফলন পেতে সহায়তা হচ্ছে।”

ভৈরব উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আকলিমা বেগম বলেন, আলোক ফাঁদ একটি আধুনিক প্রযুক্তি। এর মাধ্যমে জমিতে ক্ষতিকর ও উপকারী পোকামাকড়ের উপস্থিতি শনাক্ত করা যায়। বিশেষ করে মাজরা পোকা, ঘাসফড়িং ও বাদামি গাছফড়িংয়ের উপস্থিতি নির্ণয়ে এটি কার্যকর ভূমিকা রাখে।

তিনি বলেন, আলোক ফাঁদের মাধ্যমে ক্ষতিকর পোকামাকড় শনাক্ত হওয়ার পর পরিস্থিতি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। প্রয়োজন হলে কৃষকদের কীটনাশক ব্যবহারের বিষয়েও নির্দেশনা দেওয়া হয়। এতে অপ্রয়োজনীয় কীটনাশক প্রয়োগ কমানো সম্ভব হয় এবং কৃষকের উৎপাদন খরচ কমতে পারে।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আরও বলেন, কৃষক ও মাঠপর্যায়ের কৃষি কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণে আলোক ফাঁদ স্থাপন ও ব্যবহার সম্পর্কে সচেতনতা তৈরি করা হচ্ছে। এ প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করা গেলে ক্ষতিকর পোকামাকড়ের আক্রমণ পর্যবেক্ষণ, ফসলের সুরক্ষা এবং কৃষকের উৎপাদন খরচ কমাতে সহায়তা করবে।

করিমগঞ্জে জেলা পরিষদের অর্থায়নে হুইলচেয়ার বিতরণ

হাবিবুর রহমান বিপ্লব প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর, ২০২৬, ২:২১ অপরাহ্ণ
করিমগঞ্জে জেলা পরিষদের অর্থায়নে হুইলচেয়ার বিতরণ

কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জে অস্বচ্ছল প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের চলাচল সহজ করতে ২০টি হুইলচেয়ার বিতরণ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) সকালে উপজেলা অফিসার্স ক্লাবের সামনে কিশোরগঞ্জ জেলা পরিষদের অর্থায়নে এবং উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে এসব হুইলচেয়ার বিতরণ করা হয়।

অনুষ্ঠানে ২০ জন উপকারভোগীর হাতে হুইলচেয়ার তুলে দেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) উম্মে মুসলিমা। এ সময় তিনি উপকারভোগীদের খোঁজখবর নেন এবং তাঁদের বিভিন্ন সমস্যা সম্পর্কে অবগত হন।

হুইলচেয়ার বিতরণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মো. সাইফুল আলম, উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের সহকারী প্রকৌশলী সুব্রত সরকার এবং উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার শামীমা সুলতানা।

উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের অস্বচ্ছল প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের চলাচল সহজ করা এবং দৈনন্দিন জীবনযাপনে সহায়তা করাই এ উদ্যোগের মূল লক্ষ্য। হুইলচেয়ার পাওয়ায় উপকারভোগীদের চলাফেরায় সুবিধা হবে বলে আশা করা হচ্ছে। সংশ্লিষ্টরা মনে করেন, এ ধরনের উদ্যোগ প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জীবনমান উন্নয়ন, সামাজিক অংশগ্রহণ বৃদ্ধি এবং তাঁদের জন্য সহায়ক পরিবেশ গড়ে তুলতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে।

হুইলচেয়ার পাওয়া উপকারভোগীদের একজন করিমগঞ্জ পৌরসভার খুদিরজঙ্গল এলাকার মাখন মিয়া। হুইলচেয়ার পেয়ে তিনি উপকৃত হওয়ার কথা জানান। তাঁর মতে, এটি চলাচল সহজ করার পাশাপাশি দৈনন্দিন কাজকর্মেও সহায়তা করবে। এ ধরনের উদ্যোগের জন্য তিনি সংশ্লিষ্টদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।