বুধবার, ৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩
[gtranslate]
বুধবার, ৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩

দুই হাজার কোটি টাকার প্রকল্পে লিকেজ, তিন মাসেও পানি পাচ্ছেন না গ্রাহক

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর, ২০২৬, ৩:২৬ অপরাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
দুই হাজার কোটি টাকার প্রকল্পে লিকেজ, তিন মাসেও পানি পাচ্ছেন না গ্রাহক

প্রায় দুই হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে বাস্তবায়িত ভাণ্ডালজুড়ি পানি সরবরাহ প্রকল্পের পাইপলাইনে লিকেজ দেখা দেওয়ার তিন মাসের বেশি সময় পার হলেও তা শনাক্ত ও মেরামত করতে পারেনি চট্টগ্রাম ওয়াসা। ফলে কর্ণফুলী উপজেলার শিকলবাহা ও মইজ্জারটেক এলাকার প্রায় ২৫০টি সংযোগে পানি সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। এতে আনুমানিক দুই থেকে আড়াই হাজার মানুষ পানিসংকটে পড়েছেন। কবে নাগাদ সরবরাহ স্বাভাবিক হবে, তা নিশ্চিত করে বলতে পারছেন না ওয়াসার কর্মকর্তারা।

বাংলানিউজের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দিনের পর দিন পানি সরবরাহ বন্ধ থাকায় আবাসিক ও বাণিজ্যিক গ্রাহকেরা ভোগান্তিতে পড়েছেন। বিশেষ করে যেসব পরিবার ওয়াসার পানি পাওয়ার পর বিকল্প পানির উৎস বন্ধ করে দিয়েছিল, তাদের দুর্ভোগ বেড়েছে। পানি না থাকায় রেস্টুরেন্টসহ বিভিন্ন ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানও সংকটে পড়েছে। তিন মাস ধরে চলা এ পরিস্থিতিতে ক্ষুব্ধ স্থানীয় গ্রাহকেরা।

জানা গেছে, দক্ষিণ চট্টগ্রামের বোয়ালখালী, পটিয়া, আনোয়ারা ও কর্ণফুলী উপজেলার আবাসিক গ্রাহক এবং শিল্পকারখানায় পানি সরবরাহের লক্ষ্যে ভাণ্ডালজুড়ি পানি সরবরাহ প্রকল্প হাতে নেয় চট্টগ্রাম ওয়াসা।

২০১৬ সালের ৫ জানুয়ারি জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় প্রকল্পটি অনুমোদন পায়। শুরুতে প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছিল এক হাজার ৩৬ কোটি ৩০ লাখ টাকা। পরে তা বেড়ে দাঁড়ায় প্রায় এক হাজার ৯৯৪ কোটি ১৪ লাখ টাকা। অর্থাৎ প্রকল্পের ব্যয় বেড়েছে প্রায় ৯৫৮ কোটি টাকা বা ৯২ শতাংশের বেশি।

পাঁচ বছর মেয়াদি প্রকল্পটির কাজ ২০২০ সালের সেপ্টেম্বরে শেষ হওয়ার কথা ছিল। নির্ধারিত সময়ে কাজ শেষ না হওয়ায় প্রকল্পের মেয়াদ ও ব্যয়—দুটিই বাড়ানো হয়। প্রকল্পের আওতায় প্রায় ১৩৩ কিলোমিটার ট্রান্সমিশন ও ডিস্ট্রিবিউশন পাইপলাইন স্থাপন করা হয়েছে। পানি শোধনাগারটির দৈনিক উৎপাদনক্ষমতা ছয় কোটি লিটার।

প্রকল্পের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে পটিয়ার শিকলবাহা খালের তলদেশে কালারপোল সেতুর পাশে বিশেষ টানেল তৈরি করে পাইপলাইন স্থাপন করা হয়। ২০২২ সালের অক্টোবরে শুরু হওয়া এ কাজ ২০২৩ সালের শেষ দিকে সম্পন্ন হয়। পরে ২০২৪ সালের অক্টোবর-নভেম্বরে পুরো পাইপলাইনের জোড়াতালি পরীক্ষা ও পরীক্ষামূলক পানি সরবরাহ কার্যক্রম শেষ হয়। তবে পাইপলাইন স্থাপনের দুই বছর পার না হতেই সংশ্লিষ্ট লাইনে লিকেজ দেখা দেওয়ায় প্রকল্পের নির্মাণমান ও তদারকি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

লিকেজ শনাক্তে দীর্ঘসূত্রতা নিয়ে জানতে চাইলে প্রকল্প পরিচালক মাহবুব আলম বলেন, প্রকল্পের কাজ চলছে। কোরিয়ান কোম্পানি লিকেজ শনাক্তে কাজ করছে। নদীর নিচ দিয়ে প্রায় ৮০ ফুট গভীর টানেলের মাধ্যমে পাইপলাইন নেওয়া হয়েছে। ফলে ওই গভীরতায় কাজ করতে হচ্ছে। এ কারণে লিকেজ খুঁজে পেতে সময় লাগছে।

তবে কবে নাগাদ লিকেজ শনাক্ত ও মেরামত করে পানি সরবরাহ স্বাভাবিক করা যাবে, তা নির্দিষ্ট করে জানাতে পারেননি তিনি।

দীর্ঘদিন পানি না থাকায় সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। শিকলবাহা ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা সাইফুল ইসলাম বাংলানিউজকে বলেন, তিন মাস ধরে এলাকায় পানি নেই। বিকল্প পদ্ধতিতে তাঁদের চলতে হচ্ছে। এলাকায় আগে গভীর নলকূপসহ পানির বিভিন্ন ব্যবস্থা ছিল। ওয়াসার পানি আসার পর অনেকে সেগুলো বন্ধ করে দিয়েছেন। এখন মাসের পর মাস পানি ছাড়া তাঁদের দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।

শহরতলি হওয়ায় কর্ণফুলী উপজেলার শিকলবাহা ও মইজ্জারটেক এলাকায় দ্রুত নগরায়ণ হচ্ছে। একদিকে গড়ে উঠেছে ভারী শিল্পকারখানা, অন্যদিকে বাড়ছে আবাসিক ভবন ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান। তুলনামূলক কম খরচে বসবাসের সুযোগ থাকায় এ এলাকায় জনবসতিও বাড়ছে। ফলে পানি সরবরাহ বন্ধ থাকায় আবাসিক গ্রাহকদের পাশাপাশি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলোও বিপাকে পড়েছে।

মইজ্জারটেক এলাকার রেস্টুরেন্ট ব্যবসায়ী জামিল আহমেদ বাংলানিউজকে বলেন, তিন মাস ধরে ওয়াসার পানি বন্ধ থাকায় তাঁদের ব্যবসা পরিচালনা করতে সমস্যা হচ্ছে। ওয়াসায় যোগাযোগ করলে সঞ্চালন লাইনে লিকেজের কথা জানানো হয়েছে। একটি লিকেজ মেরামতে এত সময় লাগা নিয়ে প্রশ্ন তুলে তিনি প্রকল্পে অনিয়ম-দুর্নীতির আশঙ্কা প্রকাশ করেন।

চট্টগ্রাম ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক জানে আলম বাংলানিউজকে বলেন, তিনি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। তবে কোথায় ও কীভাবে লিকেজ হয়েছে, তা এখনো শনাক্ত করা যায়নি। ওয়াসার কর্মীরা কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন।

কোরিয়ান এক্সিম ব্যাংকের ঋণ, সরকারি অর্থ এবং চট্টগ্রাম ওয়াসার নিজস্ব তহবিলে প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হয়েছে। এর মধ্যে কোরিয়ান এক্সিম ব্যাংক থেকে প্রায় এক হাজার ২২৪ কোটি টাকা, সরকার থেকে প্রায় ৭৫০ কোটি টাকা এবং ওয়াসার নিজস্ব তহবিল থেকে ২০ কোটি টাকা দেওয়া হয়েছে।

জ্বালানি খাতে ব্রুনাইয়ের বিনিয়োগ চাইল বাংলাদেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: বুধবার, ৪ নভেম্বর, ২০২৬, ২:১৫ অপরাহ্ণ
জ্বালানি খাতে ব্রুনাইয়ের বিনিয়োগ চাইল বাংলাদেশ

বাংলাদেশে জ্বালানি অনুসন্ধান কার্যক্রমে সরকারি পর্যায়ে (জিটুজি) এবং সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্বের (পিপিপি) ভিত্তিতে বিনিয়োগের জন্য ব্রুনাই দারুসসালামকে আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ। একই সঙ্গে দেশটির সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি জ্বালানি সহযোগিতা গড়ে তুলতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে ঢাকা।

মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) অ্যান্টিগুয়া ও বারবুডায় অনুষ্ঠিত কমনওয়েলথ সরকারপ্রধানদের সম্মেলনের (সিএইচওজিএম) ফাঁকে ব্রুনাইয়ের দ্বিতীয় অর্থমন্ত্রী দাতো সেরি সেতিয়া ড. আওয়াং হাজি মোহাম্মদ আমিন লিউ বিন আবদুল্লাহর সঙ্গে বৈঠক করেন বাংলাদেশের ভারপ্রাপ্ত পররাষ্ট্রমন্ত্রী হুমায়ুন কবির। এ সময় তিনি ব্রুনাইকে বিনিয়োগের আহ্বান জানান।

বুধবার সকালে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বৈঠকে দুই মন্ত্রী বাংলাদেশ ও ব্রুনাইয়ের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের ক্রমবর্ধমান অগ্রগতিতে সন্তোষ প্রকাশ করেন।

বৈঠকে ভারপ্রাপ্ত পররাষ্ট্রমন্ত্রী হুমায়ুন কবির বাংলাদেশের ইসলামী ব্যাংকিং খাতেও বিনিয়োগের জন্য ব্রুনাইকে উৎসাহিত করেন।

জনশক্তি সহযোগিতার বিষয়ে তিনি জানান, ব্রুনাইয়ের শ্রমবাজারের চাহিদা পূরণে আরও দক্ষ, আধা-দক্ষ ও পেশাজীবী কর্মী পাঠাতে বাংলাদেশ প্রস্তুত রয়েছে।

এ সময় ব্রুনাইয়ের দ্বিতীয় অর্থমন্ত্রী দেশটির অর্থনীতিতে প্রবাসী বাংলাদেশিদের গুরুত্বপূর্ণ অবদানের কথা স্বীকার করেন। একই সঙ্গে বাংলাদেশ থেকে কর্মী নিয়োগ অব্যাহত রাখার বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

বৈঠকে হুমায়ুন কবির বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে ব্রুনাইয়ের সুলতানকে সুবিধাজনক সময়ে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানান।

শ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে অচলাবস্থা

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: বুধবার, ৪ নভেম্বর, ২০২৬, ২:০০ অপরাহ্ণ
শ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে অচলাবস্থা

ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের একাধিক স্থানে শ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষের ঘটনায় যান চলাচলে অচলাবস্থা দেখা দিয়েছে। বোর্ডবাজার, চান্দনা চৌরাস্তা ও রাজেন্দ্রপুর এলাকায় সংঘর্ষের কারণে টঙ্গী ও গাজীপুরা থেকে গণপরিবহন ঘুরিয়ে ঢাকার দিকে ফিরিয়ে দেওয়া হচ্ছে।

বুধবার (৪ নভেম্বর) সকাল থেকে এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। যানজটে আটকে পড়া বাসগুলো নিরাপত্তার কারণে যাত্রী নামিয়ে ঢাকাসহ কাছাকাছি নিরাপদ গন্তব্যে ফিরে যাচ্ছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকাল থেকে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের রাজেন্দ্রপুরের বাংলাবাজার, চান্দনা চৌরাস্তা, বাসন, হাড়িকেন ও বোর্ডবাজারের সাইনবোর্ড এলাকায় শ্রমিকদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ হয়। এতে মহাসড়কে দীর্ঘ সময় যানবাহন আটকে থাকে।

এ পরিস্থিতিতে নিরাপত্তার কারণে ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা গণপরিবহন টঙ্গী ও গাজীপুরা থেকে ঘুরিয়ে আবার ঢাকার দিকে পাঠানো হচ্ছে। কিছু বাসের যাত্রীদের নামিয়ে কাছাকাছি নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নিতে দেখা গেছে।

টঙ্গী স্টেশন রোডে ঢাকাগামী ভিআইপি পরিবহনের চালক বাসার মিয়া বলেন, ‘সামনে গোলমাল, তাই ঢাকায় ফিরে যাচ্ছি।’ বসুমতি ও অনাবিল পরিবহনের চালকেরাও একই ধরনের কথা জানিয়েছেন।

টঙ্গীর মিলগেটে ময়মনসিংহগামী যাত্রী বিলকিস আক্তার বলেন, আব্দুল্লাহপুর থেকে ময়মনসিংহে বাড়ি যাওয়ার জন্য বাসে উঠেছিলেন। কিন্তু বাস না যাওয়ায় এবং সামনে সংঘর্ষের খবর পেয়ে তিনি ফিরে যাচ্ছেন।

টঙ্গী স্টেশন রোডে দায়িত্বে থাকা ট্রাফিক পুলিশের টিএসআই মিলন জানান, গাজীপুর চৌরাস্তার দিকে আন্দোলনের কারণে যানবাহন চলাচল করতে পারছে না। এ কারণে কিছু বাস আগেই যাত্রী নামিয়ে ঢাকার দিকে ফিরে যাচ্ছে। অন্য কিছু বাস টঙ্গী স্টেশন রোড থেকে বাইপাস হয়ে গাজীপুর যাচ্ছে।

পাঁচ দিন ধরে গাজীপুর শিল্পাঞ্চলে ন্যূনতম ৩০ হাজার টাকা মজুরির দাবিতে আন্দোলন করছেন শ্রমিকেরা। এ সময় বিভিন্ন স্থানে গাড়ি ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ এবং শ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে সংঘর্ষে আহত এক শ্রমিক গতকাল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যাওয়ার পর বুধবার আন্দোলন আরও জোরালো হয়েছে।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বিপুলসংখ্যক আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য মাঠে রয়েছেন। পাশাপাশি ক্ষমতাসীন দলের অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরাও রাজপথে অবস্থান করছেন।

৫১তম বিশেষ বিসিএসের লিখিত পরীক্ষা ১১ ডিসেম্বর

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: বুধবার, ৪ নভেম্বর, ২০২৬, ১:৪৭ অপরাহ্ণ
৫১তম বিশেষ বিসিএসের লিখিত পরীক্ষা ১১ ডিসেম্বর

৫১তম বিশেষ বিসিএসের লিখিত পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি)। আগামী ১১ ডিসেম্বর সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত রাজধানী ঢাকায় এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

বুধবার (৪ নভেম্বর) পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মো. মনিরুজ্জামানের সই করা বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, পরীক্ষার হল, আসনবিন্যাস ও সংশ্লিষ্ট গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা যথাসময়ে পিএসসির ওয়েবসাইটে (www.bpsc.gov.bd) এবং টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেডের ওয়েবসাইটে (bpsc.teletalk.com.bd) প্রকাশ করা হবে।

এ ছাড়া প্রয়োজন হলে পরীক্ষার সূচি বা নির্দেশনায় সংশোধন আনার অধিকার কমিশন সংরক্ষণ করে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।