মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩
[gtranslate]
মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩

দুই হাজার কোটি টাকার প্রকল্পে লিকেজ, তিন মাসেও পানি পাচ্ছেন না গ্রাহক

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর, ২০২৬, ৩:২৬ অপরাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
দুই হাজার কোটি টাকার প্রকল্পে লিকেজ, তিন মাসেও পানি পাচ্ছেন না গ্রাহক

প্রায় দুই হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে বাস্তবায়িত ভাণ্ডালজুড়ি পানি সরবরাহ প্রকল্পের পাইপলাইনে লিকেজ দেখা দেওয়ার তিন মাসের বেশি সময় পার হলেও তা শনাক্ত ও মেরামত করতে পারেনি চট্টগ্রাম ওয়াসা। ফলে কর্ণফুলী উপজেলার শিকলবাহা ও মইজ্জারটেক এলাকার প্রায় ২৫০টি সংযোগে পানি সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। এতে আনুমানিক দুই থেকে আড়াই হাজার মানুষ পানিসংকটে পড়েছেন। কবে নাগাদ সরবরাহ স্বাভাবিক হবে, তা নিশ্চিত করে বলতে পারছেন না ওয়াসার কর্মকর্তারা।

বাংলানিউজের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দিনের পর দিন পানি সরবরাহ বন্ধ থাকায় আবাসিক ও বাণিজ্যিক গ্রাহকেরা ভোগান্তিতে পড়েছেন। বিশেষ করে যেসব পরিবার ওয়াসার পানি পাওয়ার পর বিকল্প পানির উৎস বন্ধ করে দিয়েছিল, তাদের দুর্ভোগ বেড়েছে। পানি না থাকায় রেস্টুরেন্টসহ বিভিন্ন ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানও সংকটে পড়েছে। তিন মাস ধরে চলা এ পরিস্থিতিতে ক্ষুব্ধ স্থানীয় গ্রাহকেরা।

জানা গেছে, দক্ষিণ চট্টগ্রামের বোয়ালখালী, পটিয়া, আনোয়ারা ও কর্ণফুলী উপজেলার আবাসিক গ্রাহক এবং শিল্পকারখানায় পানি সরবরাহের লক্ষ্যে ভাণ্ডালজুড়ি পানি সরবরাহ প্রকল্প হাতে নেয় চট্টগ্রাম ওয়াসা।

২০১৬ সালের ৫ জানুয়ারি জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় প্রকল্পটি অনুমোদন পায়। শুরুতে প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছিল এক হাজার ৩৬ কোটি ৩০ লাখ টাকা। পরে তা বেড়ে দাঁড়ায় প্রায় এক হাজার ৯৯৪ কোটি ১৪ লাখ টাকা। অর্থাৎ প্রকল্পের ব্যয় বেড়েছে প্রায় ৯৫৮ কোটি টাকা বা ৯২ শতাংশের বেশি।

পাঁচ বছর মেয়াদি প্রকল্পটির কাজ ২০২০ সালের সেপ্টেম্বরে শেষ হওয়ার কথা ছিল। নির্ধারিত সময়ে কাজ শেষ না হওয়ায় প্রকল্পের মেয়াদ ও ব্যয়—দুটিই বাড়ানো হয়। প্রকল্পের আওতায় প্রায় ১৩৩ কিলোমিটার ট্রান্সমিশন ও ডিস্ট্রিবিউশন পাইপলাইন স্থাপন করা হয়েছে। পানি শোধনাগারটির দৈনিক উৎপাদনক্ষমতা ছয় কোটি লিটার।

প্রকল্পের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে পটিয়ার শিকলবাহা খালের তলদেশে কালারপোল সেতুর পাশে বিশেষ টানেল তৈরি করে পাইপলাইন স্থাপন করা হয়। ২০২২ সালের অক্টোবরে শুরু হওয়া এ কাজ ২০২৩ সালের শেষ দিকে সম্পন্ন হয়। পরে ২০২৪ সালের অক্টোবর-নভেম্বরে পুরো পাইপলাইনের জোড়াতালি পরীক্ষা ও পরীক্ষামূলক পানি সরবরাহ কার্যক্রম শেষ হয়। তবে পাইপলাইন স্থাপনের দুই বছর পার না হতেই সংশ্লিষ্ট লাইনে লিকেজ দেখা দেওয়ায় প্রকল্পের নির্মাণমান ও তদারকি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

লিকেজ শনাক্তে দীর্ঘসূত্রতা নিয়ে জানতে চাইলে প্রকল্প পরিচালক মাহবুব আলম বলেন, প্রকল্পের কাজ চলছে। কোরিয়ান কোম্পানি লিকেজ শনাক্তে কাজ করছে। নদীর নিচ দিয়ে প্রায় ৮০ ফুট গভীর টানেলের মাধ্যমে পাইপলাইন নেওয়া হয়েছে। ফলে ওই গভীরতায় কাজ করতে হচ্ছে। এ কারণে লিকেজ খুঁজে পেতে সময় লাগছে।

তবে কবে নাগাদ লিকেজ শনাক্ত ও মেরামত করে পানি সরবরাহ স্বাভাবিক করা যাবে, তা নির্দিষ্ট করে জানাতে পারেননি তিনি।

দীর্ঘদিন পানি না থাকায় সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। শিকলবাহা ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা সাইফুল ইসলাম বাংলানিউজকে বলেন, তিন মাস ধরে এলাকায় পানি নেই। বিকল্প পদ্ধতিতে তাঁদের চলতে হচ্ছে। এলাকায় আগে গভীর নলকূপসহ পানির বিভিন্ন ব্যবস্থা ছিল। ওয়াসার পানি আসার পর অনেকে সেগুলো বন্ধ করে দিয়েছেন। এখন মাসের পর মাস পানি ছাড়া তাঁদের দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।

শহরতলি হওয়ায় কর্ণফুলী উপজেলার শিকলবাহা ও মইজ্জারটেক এলাকায় দ্রুত নগরায়ণ হচ্ছে। একদিকে গড়ে উঠেছে ভারী শিল্পকারখানা, অন্যদিকে বাড়ছে আবাসিক ভবন ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান। তুলনামূলক কম খরচে বসবাসের সুযোগ থাকায় এ এলাকায় জনবসতিও বাড়ছে। ফলে পানি সরবরাহ বন্ধ থাকায় আবাসিক গ্রাহকদের পাশাপাশি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলোও বিপাকে পড়েছে।

মইজ্জারটেক এলাকার রেস্টুরেন্ট ব্যবসায়ী জামিল আহমেদ বাংলানিউজকে বলেন, তিন মাস ধরে ওয়াসার পানি বন্ধ থাকায় তাঁদের ব্যবসা পরিচালনা করতে সমস্যা হচ্ছে। ওয়াসায় যোগাযোগ করলে সঞ্চালন লাইনে লিকেজের কথা জানানো হয়েছে। একটি লিকেজ মেরামতে এত সময় লাগা নিয়ে প্রশ্ন তুলে তিনি প্রকল্পে অনিয়ম-দুর্নীতির আশঙ্কা প্রকাশ করেন।

চট্টগ্রাম ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক জানে আলম বাংলানিউজকে বলেন, তিনি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। তবে কোথায় ও কীভাবে লিকেজ হয়েছে, তা এখনো শনাক্ত করা যায়নি। ওয়াসার কর্মীরা কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন।

কোরিয়ান এক্সিম ব্যাংকের ঋণ, সরকারি অর্থ এবং চট্টগ্রাম ওয়াসার নিজস্ব তহবিলে প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হয়েছে। এর মধ্যে কোরিয়ান এক্সিম ব্যাংক থেকে প্রায় এক হাজার ২২৪ কোটি টাকা, সরকার থেকে প্রায় ৭৫০ কোটি টাকা এবং ওয়াসার নিজস্ব তহবিল থেকে ২০ কোটি টাকা দেওয়া হয়েছে।

ভৈরবে স্বাস্থ্যসেবা ও বাজার ব্যবস্থাপনা উন্নয়নে জেলা পরিষদ প্রশাসকের উদ্যোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর, ২০২৬, ৬:০১ অপরাহ্ণ
ভৈরবে স্বাস্থ্যসেবা ও বাজার ব্যবস্থাপনা উন্নয়নে জেলা পরিষদ প্রশাসকের উদ্যোগ

কিশোরগঞ্জের ভৈরবে জেলা পরিষদের সম্পদ ব্যবস্থাপনা ও সেবামূলক কার্যক্রমের অগ্রগতি পর্যালোচনা করতে বিভিন্ন মার্কেট ও স্বাস্থ্য উপকেন্দ্রের চ্যারিটেবল ডিসপেনসারি পরিদর্শন করেছেন জেলা পরিষদের প্রশাসক খালেদ সাইফুল্লাহ সোহেল খান এবং প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোছাঃ মোস্তারী কাদেরী। পরিদর্শনকালে তাঁরা স্থানীয় উন্নয়ন, স্বাস্থ্যসেবার পরিবেশ, বাজার ব্যবস্থাপনা ও জননিরাপত্তার বিভিন্ন বিষয় নিয়ে খোঁজখবর নেন।

সোমবার (৩ নভেম্বর) সকালে এ পরিদর্শন অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় জেলা পরিষদের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের পাশাপাশি ভৈরব উপজেলা বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ এবং এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

পরিদর্শন শেষে আয়োজিত সংক্ষিপ্ত মতবিনিময় সভায় জেলা পরিষদ প্রশাসক খালেদ সাইফুল্লাহ সোহেল খান বলেন, এলাকার সার্বিক উন্নয়ন, জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়া, রাস্তাঘাট যানজট ও হকারমুক্ত রাখা এবং ব্যবসায়ীদের ব্যবসা সম্প্রসারণে জেলা পরিষদ কাজ করে যাচ্ছে। বিশেষ করে যুবসমাজকে মাদকের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে রক্ষায় মাদক নির্মূলের কার্যক্রমে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।

তিনি আরও বলেন, সাধারণ মানুষের খোঁজখবর রাখা এবং সেবামূলক উদ্যোগগুলোর পরিধি বাড়াতে জেলা পরিষদের প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।

পরিদর্শনের সময় স্বাস্থ্য উপকেন্দ্রের পরিবেশ ও নিরাপত্তা নিয়েও উদ্বেগের বিষয় উঠে আসে। সংশ্লিষ্টদের মতে, স্বাস্থ্য উপকেন্দ্রের ভেতরে ভবঘুরে ও মাদকসেবীদের অবস্থান এবং মশার প্রজননস্থল তৈরি হওয়ার সুযোগ থাকলে তা রোগীদের চিকিৎসাসেবা ও স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়াতে পারে। এ পরিস্থিতি থেকে উপকেন্দ্রকে মুক্ত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া, অননুমোদিত অবস্থান ও আস্তানা অপসারণ এবং রোগীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।

সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা আশা করছেন, জেলা পরিষদ প্রশাসন ও স্থানীয় পর্যায়ে সমন্বিত তদারকি এবং কার্যকর পদক্ষেপের মাধ্যমে ভৈরবের স্বাস্থ্যসেবার পরিবেশ উন্নত হবে। পাশাপাশি বাজার ব্যবস্থাপনা, জননিরাপত্তা ও স্থানীয় উন্নয়ন কার্যক্রমেও ইতিবাচক অগ্রগতি আসবে।

শুধু চাকরির পেছনে না ছুটে উদ্যোক্তা হওয়ার আহ্বান জেলা পরিষদ প্রশাসকের

নূর আহাম্মদ পলাশ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর, ২০২৬, ৫:৩৭ অপরাহ্ণ
শুধু চাকরির পেছনে না ছুটে উদ্যোক্তা হওয়ার আহ্বান জেলা পরিষদ প্রশাসকের

শুধু চাকরির পেছনে না ছুটে অন্যের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির লক্ষ্যে উদ্যোক্তা হওয়ার জন্য যুবসমাজের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন কিশোরগঞ্জ জেলা পরিষদের প্রশাসক খালেদ সাইফুল্লাহ সোহেল খান। তিনি বলেছেন, তরুণদের এমনভাবে নিজেদের প্রস্তুত করতে হবে, যাতে তাঁরা শুধু নিজের কর্মসংস্থান নয়, অন্যদের জন্যও কাজের সুযোগ তৈরি করতে পারেন। এ সময় তরুণ উদ্যোক্তাদের সার্বিক আর্থিক সহায়তার আশ্বাস দেন তিনি।

জাতীয় যুব দিবস-২০২৬ উদযাপন উপলক্ষে কিশোরগঞ্জে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের উদ্যোগে পিঠা উৎসব, বিনামূল্যে গাছের চারা বিতরণ ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) বিকেলে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের হলরুমে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে এসব কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়।

যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. রফিকুল ইসলাম শামীমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদের প্রশাসক খালেদ সাইফুল্লাহ সোহেল খান। বিশেষ অতিথি ছিলেন যুব প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের ডেপুটি কো-অর্ডিনেটর প্রজিৎ কুমার ধর এবং যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মো. আলাউদ্দীন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে খালেদ সাইফুল্লাহ সোহেল খান বলেন, “তোমরা শুধু চাকরির পেছনে সময় না দিয়ে বরং অন্যকে কীভাবে চাকরি দেবে, সেই উদ্দেশ্য সামনে রেখে কাজ করো।” যুবসমাজকে আত্মনির্ভরশীল হওয়ার পাশাপাশি উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে ওঠার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, তরুণদের উদ্যোগে নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হতে পারে। এ ক্ষেত্রে তরুণ উদ্যোক্তাদের পাশে থাকার এবং তাঁদের সার্বিক আর্থিক সহায়তা দেওয়ার আশ্বাস দেন তিনি।

আলোচনা সভা শেষে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর প্রাঙ্গণে অতিথিরা একটি আমলকী গাছের চারা রোপণ করেন। পরে প্রশিক্ষণার্থী ও স্থানীয় যুবকদের মধ্যে বিনামূল্যে বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা বিতরণ করা হয়।

কর্মসূচির শেষ পর্বে মহিলা উদ্যোক্তাদের উদ্যোগে আয়োজিত পিঠা উৎসবের উদ্বোধন করেন অতিথিরা। তাঁরা ফিতা কেটে ও কেক কেটে উৎসবের উদ্বোধন করেন। পরে পিঠা উৎসবের বিভিন্ন স্টল ঘুরে দেখেন।

করিমগঞ্জে মেয়াদোত্তীর্ণ ও ফিজিশিয়ান স্যাম্পল ওষুধ রাখায় ৪ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা

হাবিবুর রহমান বিপ্লব প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর, ২০২৬, ৫:১০ অপরাহ্ণ
করিমগঞ্জে মেয়াদোত্তীর্ণ ও ফিজিশিয়ান স্যাম্পল ওষুধ রাখায় ৪ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা

কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জ উপজেলার গুণধর ইউনিয়নের মরিচখালী বাজারে ওষুধের দোকানে অভিযান চালিয়ে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ ও বিক্রির উদ্দেশ্যে ফিজিশিয়ান স্যাম্পল সংরক্ষণের দায়ে চারটি প্রতিষ্ঠানকে মোট ৯ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন করিমগঞ্জ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অন্তরা সরকার অদ্রি।

অভিযানকালে ওষুধের দোকানগুলোতে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ এবং বিক্রির উদ্দেশ্যে ফিজিশিয়ান স্যাম্পল সংরক্ষণের অনিয়ম শনাক্ত করা হয়। এ ঘটনায় ঔষধ ও কসমেটিকস আইন, ২০২৩-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় চারটি পৃথক মামলা করা হয়। এসব মামলায় চারটি প্রতিষ্ঠানকে মোট ৯ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। জরিমানার অর্থ তাৎক্ষণিকভাবে সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে আদায় করা হয়েছে।

ঔষধ ও কসমেটিকস আইন, ২০২৩-এর ৪০ ধারার (খ) উপধারায় মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ এবং (গ) উপধারায় ফিজিশিয়ান স্যাম্পলজাতীয় ওষুধ বিক্রি, বিক্রির উদ্দেশ্যে মজুত বা প্রদর্শন নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

অভিযানে করিমগঞ্জ থানা পুলিশের একটি দল সার্বিক সহযোগিতা করে।

জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা, নিরাপদ ওষুধ সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং ওষুধ বিক্রিতে আইনানুগ শৃঙ্খলা বজায় রাখার লক্ষ্যে এ ধরনের অভিযান গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ ও চিকিৎসকদের জন্য নির্ধারিত ফিজিশিয়ান স্যাম্পল সাধারণ মানুষের কাছে বিক্রি ঠেকাতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিয়মিত তদারকি প্রয়োজন।