সোমবার, ২ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩
[gtranslate]
সোমবার, ২ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩

৭ নভেম্বর ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ উদযাপনে কিশোরগঞ্জে প্রস্তুতি সভা

রেজাউল হক প্রকাশিত: সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
৭ নভেম্বর ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ উদযাপনে কিশোরগঞ্জে প্রস্তুতি সভা

‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস-২০২৬’ যথাযথ মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যের সঙ্গে উদযাপনের লক্ষ্যে কিশোরগঞ্জে প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ সোমবার (২ নভেম্বর) সকালে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে এ সভা হয়।

জেলা প্রশাসক সোহানা নাসরিনের সভাপতিত্বে সভায় উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদের প্রশাসক খালেদ সাইফুল্লাহ সোহেল, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) ইশতিয়াক ইমন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) নাজমুস সাকিব খান, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. কামরুল হাসান মারুফ ও সদর উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মো. নাজমুল করিম। এ ছাড়া জেলা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের প্রতিনিধিরা সভায় যোগ দেন।

সভায় আগামী ৭ নভেম্বর (শনিবার) দিবসটি উদযাপনে সরকারি বিভিন্ন দপ্তর এবং সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের আয়োজনে কর্মসূচি গ্রহণ ও তা বাস্তবায়নের রূপরেখা নিয়ে আলোচনা হয়।

অতিথিরা ও সভাপতি বক্তব্যে দিবসটির ঐতিহাসিক গুরুত্ব ও তাৎপর্য তুলে ধরেন। বক্তারা বলেন, দিনটির ভাবগাম্ভীর্য রক্ষা করে যথাযথ মর্যাদায় পালনের জন্য সংশ্লিষ্ট সবার সমন্বিত প্রচেষ্টা ও আন্তরিক সহযোগিতা প্রয়োজন। নির্ধারিত কর্মসূচি যাতে বিঘ্ন ছাড়া সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করা যায়, সে লক্ষ্যে জেলা প্রশাসন সাংগঠনিক প্রস্তুতি নিয়েছে বলে সভায় জানানো হয়।

১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বরকে সরকারিভাবে সিপাহি-জনতার অভ্যুত্থানের দিন হিসেবে উল্লেখ করা হয়। এ উপলক্ষে প্রতিবছর ৭ নভেম্বর ‘বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ পালন করা হয়। সরকারি ভাষ্যে দিনটিকে জাতীয় ঐক্য, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রতীক হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

গত ১৬ এপ্রিল প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার বৈঠকে ৭ নভেম্বরকে পুনরায় ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত হয়। একই বৈঠকে দিনটিকে ‘ক’ শ্রেণিভুক্ত জাতীয় দিবস হিসেবে অন্তর্ভুক্ত এবং সরকারি ছুটি পুনর্বহালের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। ২১ এপ্রিল মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ এ বিষয়ে পরিপত্র জারি করে।

পরে ৫ অক্টোবরের মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্তের পরিপ্রেক্ষিতে ৭ অক্টোবর সরকার প্রজ্ঞাপন জারি করে। এতে প্রতিবছর ৭ নভেম্বর সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়।

এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন বাড়াতে অর্থ মন্ত্রণালয়ে চিঠি

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬, ১:৫৮ অপরাহ্ণ
এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন বাড়াতে অর্থ মন্ত্রণালয়ে চিঠি

বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের জন্য জাতীয় বেতন স্কেল-২০২৬ বাস্তবায়নে ৩ হাজার ২৬৭ কোটি ৯০ লাখ টাকা অতিরিক্ত বরাদ্দ চেয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। ২০২৬-২৭ অর্থবছরে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের অনুকূলে এ অর্থ বরাদ্দ চেয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠানো হয়েছে।

গতকাল রবিবার (১ নভেম্বর) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ থেকে অর্থ বিভাগের সচিবের কাছে চিঠিটি পাঠানো হয়।

তবে এ-সংক্রান্ত একটি চিঠি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লেও এ বিষয়ে শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন, শিক্ষাসচিব ও তিন অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের (ডিজি) পক্ষ থেকে এখনো কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

অর্থ বিভাগের সচিবকে পাঠানো চিঠিতে বলা হয়, শিক্ষা খাতের উন্নয়নে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত শিক্ষক-কর্মচারীদের অবদান অপরিসীম। সারা দেশের শিক্ষকদের চাকরির সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি, তাঁদের কল্যাণ এবং সার্বিক সেবার মান উন্নয়নে বর্তমান সরকার কাজ করছে। এ লক্ষ্যেই শিক্ষা খাতে আনুপাতিক বাজেট বাড়ানো হচ্ছে। নতুন বেতন স্কেল বাস্তবায়িত হলে শিক্ষক-কর্মচারীদের জীবনযাত্রার মান ও পেশাদারত্ব বৃদ্ধি পাবে।

চিঠিতে আরো উল্লেখ করা হয়, বর্তমানে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত সব এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারী জাতীয় বেতন স্কেল-২০১৫ অনুযায়ী বেতন-ভাতা পাচ্ছেন। জাতীয় বেতন স্কেল-২০২৬ অনুযায়ী বেতন-ভাতা দিতে বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলোর জন্য অতিরিক্ত ২ হাজার ৫৩১ কোটি ৫৪ লাখ টাকা এবং বেসরকারি কলেজগুলোর জন্য ৭৩৬ কোটি ৩৬ লাখ টাকা প্রয়োজন হবে। সব মিলিয়ে অতিরিক্ত অর্থের পরিমাণ দাঁড়াবে ৩ হাজার ২৬৭ কোটি ৯০ লাখ টাকা।

এ অবস্থায় ২০২৬-২৭ অর্থবছরে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের অনুকূলে এই অর্থ বরাদ্দ দেওয়ার জন্য চিঠিতে অনুরোধ জানানো হয়েছে।

এদিকে এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের নতুন বেতন স্কেলের জন্য অর্থ বরাদ্দ চেয়ে পাঠানো চিঠির বিষয়টি ফেসবুকে প্রকাশ করেছেন শিক্ষা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ও কুমিল্লা-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ সেলিম ভূঁইয়া। তিনি লিখেছেন, বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারীদের নতুন বেতন স্কেলে অন্তর্ভুক্ত করতে শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে অর্থ মন্ত্রণালয়ে ৩ হাজার ২৬৭ কোটি ৯০ লাখ টাকা বরাদ্দ চেয়ে চিঠি পাঠানো হয়েছে। শিক্ষকদের সব দাবি পূরণে তিনি কাজ করে যাচ্ছেন বলেও উল্লেখ করেন।

এমপিওভুক্ত শিক্ষা জাতীয়করণ প্রত্যাশী জোটের সদস্যসচিব ও বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষক-কর্মচারী ফোরামের সভাপতি দেলাওয়ার হোসেন আজিজীও ফেসবুকে বিষয়টি নিয়ে পোস্ট দিয়েছেন। তিনি জানান, এমপিওভুক্ত স্কুল-কলেজের শিক্ষক-কর্মচারীদের নবম পে-স্কেল অনুযায়ী বেতন দেওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ চেয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয় অর্থ মন্ত্রণালয়ে চিঠি দিয়েছে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এ উদ্যোগকে ইতিবাচক উল্লেখ করে তিনি আশা প্রকাশ করেন, অর্থ মন্ত্রণালয় দ্রুত প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ দিয়ে এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের দাবি বাস্তবায়নে কার্যকর পদক্ষেপ নেবে।

সাজেকে ১২ দিনের অবরোধ, খাদ্যসংকটে বিপাকে বাসিন্দারা

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬, ১:৪০ অপরাহ্ণ
সাজেকে ১২ দিনের অবরোধ, খাদ্যসংকটে বিপাকে বাসিন্দারা

রাঙামাটির সাজেকে ইউপিডিএফ সমর্থিত দুই সংগঠনের ডাকা অনির্দিষ্টকালের সড়ক অবরোধের ১২তম দিন অতিবাহিত হচ্ছে। রবিবার ১২ ঘণ্টার জন্য অবরোধ শিথিল করা হলেও আজ সোমবার সকাল থেকে আবারও সড়কে গাছের গুঁড়ি ফেলে ও আগুন জ্বালিয়ে বিক্ষোভ করছেন অবরোধকারীরা।

টানা ১২ দিনের অবরোধে পুরো সাজেকজুড়ে চরম দুর্ভোগ দেখা দিয়েছে। তৈরি হয়েছে তীব্র খাদ্যসংকট। গত ১১ দিনে ‘সাজেক গণ-অধিকার রক্ষা কমিটি’ ও ‘কার্বারি অ্যাসোসিয়েশন’-এর পাঁচ দফা দাবি পূরণ না হওয়ায় সংকটের সমাধান হয়নি।

এদিকে দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন সাজেক গণ-অধিকার রক্ষা কমিটির সভাপতি বাবুধন চাকমা। রবিবার সন্ধ্যা ৭টায় ফেসবুক লাইভে এসে তিনি এ কর্মসূচি অব্যাহত রাখার কথা জানান।

অবরোধের পাশাপাশি আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে গত দুই দিনে সাজেকের কলাবুনিয়া ও দূরদুরিছড়ায় জেএসএস এবং ইউপিডিএফের মধ্যে দুই দফায় তীব্র বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটেছে। সাজেক থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তোফাজ্জল হোসেন গোলাগুলির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তবে এলাকাটি পাহাড়ি ও দুর্গম হওয়ায় হতাহতের বিষয়ে সুনির্দিষ্ট তথ্য জানাতে পারেননি তিনি।

স্থানীয়রা জানান, টানা অবরোধ ও গোলাগুলির ঘটনায় সাজেকে থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। সংঘাত ও অবরোধের কারণে রিসোর্ট ও কটেজ মালিকদের পাশাপাশি চরম বিপাকে পড়েছেন সাধারণ বাসিন্দারাও। নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য ও ওষুধের তীব্র সংকট দেখা দেওয়ায় বড় ধরনের মানবিক বিপর্যয়ের আশঙ্কা করছেন তাঁরা।

তাঁরা আরো জানান, পাহাড়ে উৎপাদিত ফলমূল পরিবহন ও বাজারজাত করতে না পারায় সেগুলো পচে যাচ্ছে। অসুস্থ রোগীদের হাসপাতালে নেওয়ারও পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নেই। ফলে চরম অনিশ্চয়তা ও আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ ও পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এরই মধ্যে সাজেক পর্যটনকেন্দ্রে পর্যটক প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে জেলা প্রশাসন। সাধারণ মানুষের জানমালের নিরাপত্তায় প্রশাসন সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।

সাজেক থানার ওসি তোফাজ্জল হোসেন বলেন, অবরোধের ১২তম দিন চলছে। বেশ কয়েকটি স্থানে গাছের গুঁড়ি ফেলে সড়ক অবরোধ করা হয়েছে। তবে কোথাও কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি। প্রশাসন সর্বাত্মক সতর্ক রয়েছে।

পোশাকশিল্পের পরিস্থিতি নিয়ে মালিকদের সঙ্গে বৈঠক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬, ১:২৬ অপরাহ্ণ
পোশাকশিল্পের পরিস্থিতি নিয়ে মালিকদের সঙ্গে বৈঠক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

পোশাকশিল্পের চলমান অস্থিরতা নিরসনে আজ সোমবার বিকেলে শ্রমিক সংগঠনের নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে বসবেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। বৈঠকে শ্রমিকদের চলমান আন্দোলন ও ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণের বিষয়ে আলোচনা হবে।

সোমবার (২ নভেম্বর) সকাল ১১টার পর সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে তৈরি পোশাকশিল্পের মালিকদের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন শ্রম ও কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী এবং প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন। এ ছাড়া তৈরি পোশাকশিল্প মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএ ও বিকেএমইএর নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শ্রমিকদের স্বার্থ সংরক্ষণ ও জীবনমান উন্নয়নের নির্দেশনা দিয়েছেন। শ্রমিকদের সব বিষয় বিবেচনায় নিয়ে সহানুভূতির সঙ্গে ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণের পরামর্শ দিয়েছেন তিনি। উভয় পক্ষের আলোচনার মাধ্যমে বাস্তবতার নিরিখে মজুরি নির্ধারণ করা হবে।

সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, পতিত স্বৈরাচার ও ফ্যাসিবাদের কিছু পক্ষ নিরীহ শ্রমিকদের ব্যবহার করে অস্থিরতা সৃষ্টির পাঁয়তারা করছে।

শ্রমিকদের জন্য মজুরি বোর্ড গঠন করা হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, আজই বোর্ডের প্রথম সভা হতে পারে। তা না হলে শিগগিরই সভা অনুষ্ঠিত হবে। সেখানে আলোচনা করে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণ ও ঘোষণা করা হতে পারে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরো বলেন, মজুরি নির্ধারণের সময়সীমা হিসেবে তিন বছর পূর্ণ হতে ডিসেম্বর পর্যন্ত সময় রয়েছে। আশা করা হচ্ছে, মজুরি বোর্ড সব পক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণ করতে পারবে।