৭ নভেম্বর ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ উদযাপনে কিশোরগঞ্জে প্রস্তুতি সভা
‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস-২০২৬’ যথাযথ মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যের সঙ্গে উদযাপনের লক্ষ্যে কিশোরগঞ্জে প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ সোমবার (২ নভেম্বর) সকালে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে এ সভা হয়।
জেলা প্রশাসক সোহানা নাসরিনের সভাপতিত্বে সভায় উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদের প্রশাসক খালেদ সাইফুল্লাহ সোহেল, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) ইশতিয়াক ইমন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) নাজমুস সাকিব খান, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. কামরুল হাসান মারুফ ও সদর উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মো. নাজমুল করিম। এ ছাড়া জেলা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের প্রতিনিধিরা সভায় যোগ দেন।
সভায় আগামী ৭ নভেম্বর (শনিবার) দিবসটি উদযাপনে সরকারি বিভিন্ন দপ্তর এবং সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের আয়োজনে কর্মসূচি গ্রহণ ও তা বাস্তবায়নের রূপরেখা নিয়ে আলোচনা হয়।
অতিথিরা ও সভাপতি বক্তব্যে দিবসটির ঐতিহাসিক গুরুত্ব ও তাৎপর্য তুলে ধরেন। বক্তারা বলেন, দিনটির ভাবগাম্ভীর্য রক্ষা করে যথাযথ মর্যাদায় পালনের জন্য সংশ্লিষ্ট সবার সমন্বিত প্রচেষ্টা ও আন্তরিক সহযোগিতা প্রয়োজন। নির্ধারিত কর্মসূচি যাতে বিঘ্ন ছাড়া সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করা যায়, সে লক্ষ্যে জেলা প্রশাসন সাংগঠনিক প্রস্তুতি নিয়েছে বলে সভায় জানানো হয়।
১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বরকে সরকারিভাবে সিপাহি-জনতার অভ্যুত্থানের দিন হিসেবে উল্লেখ করা হয়। এ উপলক্ষে প্রতিবছর ৭ নভেম্বর ‘বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ পালন করা হয়। সরকারি ভাষ্যে দিনটিকে জাতীয় ঐক্য, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রতীক হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
গত ১৬ এপ্রিল প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার বৈঠকে ৭ নভেম্বরকে পুনরায় ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত হয়। একই বৈঠকে দিনটিকে ‘ক’ শ্রেণিভুক্ত জাতীয় দিবস হিসেবে অন্তর্ভুক্ত এবং সরকারি ছুটি পুনর্বহালের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। ২১ এপ্রিল মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ এ বিষয়ে পরিপত্র জারি করে।
পরে ৫ অক্টোবরের মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্তের পরিপ্রেক্ষিতে ৭ অক্টোবর সরকার প্রজ্ঞাপন জারি করে। এতে প্রতিবছর ৭ নভেম্বর সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়।













Disqus comments are not configured yet.