মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩
[gtranslate]
মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩

হাসপাতালে নার্সকে মারধরের অভিযোগ, বিচারের দাবিতে সহকর্মীদের বিক্ষোভ

সাব্বির আহমদ মানিক প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর, ২০২৬, ৪:৪৫ অপরাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
হাসপাতালে নার্সকে মারধরের অভিযোগ, বিচারের দাবিতে সহকর্মীদের বিক্ষোভ

কিশোরগঞ্জের বাজিতপুর উপজেলার ভাগলপুরে জহুরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে সিনিয়র স্টাফ নার্স রিমা আক্তারের ওপর হামলার অভিযোগকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। এ ঘটনার প্রতিবাদে হাসপাতালের নার্স ও নার্সিং কলেজের শিক্ষার্থীরা মানববন্ধন ও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেছেন। অন্যদিকে, একই ঘটনায় রোগীর স্বজনদের পক্ষ থেকেও হাসপাতালের নিরাপত্তাকর্মীদের বিরুদ্ধে মারধরের অভিযোগ তুলে পৃথক মানববন্ধন করা হয়েছে। দুই পক্ষের পাল্টাপাল্টি অভিযোগ ও কর্মসূচিতে হাসপাতাল এলাকায় উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।

মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) সকাল ১০টার দিকে হাসপাতাল প্রাঙ্গণে নার্স ও নার্সিং কলেজের শিক্ষার্থীদের আয়োজনে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রায় ৫০০ থেকে ৬০০ জন অংশ নেন। তাঁরা নার্স রিমা আক্তারের ওপর হামলার ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের দ্রুত গ্রেপ্তার, সুষ্ঠু তদন্ত এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।

মানববন্ধনে নেতৃত্ব দেন জহুরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নার্সিং সুপারভাইজার তপন কুমার। তিনি বলেন, দায়িত্ব পালনরত একজন নার্সের ওপর হামলার ঘটনা অত্যন্ত নিন্দনীয়। নার্সরা রোগীদের সেবায় নিয়োজিত থাকেন। কর্মক্ষেত্রে তাঁদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দায়িত্ব। তিনি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে জড়িত ব্যক্তিদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি জানান।

মানববন্ধনে বক্তব্য দেন হাসপাতালের সিনিয়র স্টাফ নার্স তাসফিয়া আক্তার অন্তরা, সালমা আক্তার, মেহেরিন নেসা শাওন, জসীমউদ্দীন, মাহবুবুর রহমান নয়ন ও মাকসুদুর রহমান রকি। এ ছাড়া নার্সিং কলেজের শিক্ষার্থী আফজাল হোসেন শান্ত, সাদিয়া সুলতানা ও চম্পা আক্তারসহ অনেকে বক্তব্য দেন।

বক্তারা বলেন, রোগীদের সেবা দিতে গিয়ে নার্সদের ওপর হামলার ঘটনা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে হাসপাতালের নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করতে হবে। একই সঙ্গে ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।

হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, গত ১ নভেম্বর স্ট্রোকজনিত অসুস্থতার কারণে মো. রায়হান উদ্দিন (৭৫) নামের এক ব্যক্তিকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তিনি বাজিতপুর উপজেলার সরারচর ইউনিয়নের মীরেরগাঁও গ্রামের আব্দুল লতিফের ছেলে। হাসপাতালের নতুন ভবনের ষষ্ঠ তলার ৬০১ নম্বর কেবিনে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ২ নভেম্বর বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে তাঁর মৃত্যু হয়।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দায়ের করা এজাহারে বলা হয়েছে, রোগীর মৃত্যুর পর তাঁর মেয়ে প্রিয়াঙ্কা আক্তার (৪০), জামাতা কামাল উদ্দিন এবং অজ্ঞাতনামা আরও দুই থেকে তিনজনের সঙ্গে দায়িত্বপ্রাপ্ত সিনিয়র স্টাফ নার্স রিমা আক্তারের বাগ্‌বিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে তাঁরা রিমা আক্তারের চুলের মুঠি ধরে শরীরের বিভিন্ন স্থানে কিল-ঘুষি ও লাথি মারেন। তাঁকে রক্ষা করতে এগিয়ে গেলে নিরাপত্তাকর্মী হায়দার মিয়াও হামলার শিকার হন বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।

তবে রোগীর স্বজন প্রিয়াঙ্কা আক্তার ও তাঁর স্বামী কামাল উদ্দিনের অভিযোগ, হাসপাতালের নিরাপত্তাকর্মীরা তাঁদের মারধর করেছেন। তাঁদের এ অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে রোগীর পরিবারের পক্ষ থেকেও মঙ্গলবার সকাল ১১টার দিকে পৃথক মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয় বলে জানা গেছে।

এদিকে, ঘটনার পর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সহযোগিতায় আলোচনা শেষে রোগীর মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়। এ ঘটনায় আহত নার্স রিমা আক্তার হাসপাতালের বিশেষ ওয়ার্ডের ১২ নম্বর শয্যায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।

একই ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের পাল্টাপাল্টি অভিযোগ ও পৃথক মানববন্ধনের ঘটনায় হাসপাতাল এলাকায় আলোচনা-সমালোচনা সৃষ্টি হয়েছে। ঘটনার প্রকৃত কারণ উদ্‌ঘাটনে নিরপেক্ষ তদন্ত, উভয় পক্ষের অভিযোগ যাচাই এবং সংশ্লিষ্ট সবার বক্তব্যের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।

ভৈরবে স্বাস্থ্যসেবা ও বাজার ব্যবস্থাপনা উন্নয়নে জেলা পরিষদ প্রশাসকের উদ্যোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর, ২০২৬, ৬:০১ অপরাহ্ণ
ভৈরবে স্বাস্থ্যসেবা ও বাজার ব্যবস্থাপনা উন্নয়নে জেলা পরিষদ প্রশাসকের উদ্যোগ

কিশোরগঞ্জের ভৈরবে জেলা পরিষদের সম্পদ ব্যবস্থাপনা ও সেবামূলক কার্যক্রমের অগ্রগতি পর্যালোচনা করতে বিভিন্ন মার্কেট ও স্বাস্থ্য উপকেন্দ্রের চ্যারিটেবল ডিসপেনসারি পরিদর্শন করেছেন জেলা পরিষদের প্রশাসক খালেদ সাইফুল্লাহ সোহেল খান এবং প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোছাঃ মোস্তারী কাদেরী। পরিদর্শনকালে তাঁরা স্থানীয় উন্নয়ন, স্বাস্থ্যসেবার পরিবেশ, বাজার ব্যবস্থাপনা ও জননিরাপত্তার বিভিন্ন বিষয় নিয়ে খোঁজখবর নেন।

সোমবার (৩ নভেম্বর) সকালে এ পরিদর্শন অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় জেলা পরিষদের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের পাশাপাশি ভৈরব উপজেলা বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ এবং এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

পরিদর্শন শেষে আয়োজিত সংক্ষিপ্ত মতবিনিময় সভায় জেলা পরিষদ প্রশাসক খালেদ সাইফুল্লাহ সোহেল খান বলেন, এলাকার সার্বিক উন্নয়ন, জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়া, রাস্তাঘাট যানজট ও হকারমুক্ত রাখা এবং ব্যবসায়ীদের ব্যবসা সম্প্রসারণে জেলা পরিষদ কাজ করে যাচ্ছে। বিশেষ করে যুবসমাজকে মাদকের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে রক্ষায় মাদক নির্মূলের কার্যক্রমে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।

তিনি আরও বলেন, সাধারণ মানুষের খোঁজখবর রাখা এবং সেবামূলক উদ্যোগগুলোর পরিধি বাড়াতে জেলা পরিষদের প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।

পরিদর্শনের সময় স্বাস্থ্য উপকেন্দ্রের পরিবেশ ও নিরাপত্তা নিয়েও উদ্বেগের বিষয় উঠে আসে। সংশ্লিষ্টদের মতে, স্বাস্থ্য উপকেন্দ্রের ভেতরে ভবঘুরে ও মাদকসেবীদের অবস্থান এবং মশার প্রজননস্থল তৈরি হওয়ার সুযোগ থাকলে তা রোগীদের চিকিৎসাসেবা ও স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়াতে পারে। এ পরিস্থিতি থেকে উপকেন্দ্রকে মুক্ত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া, অননুমোদিত অবস্থান ও আস্তানা অপসারণ এবং রোগীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।

সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা আশা করছেন, জেলা পরিষদ প্রশাসন ও স্থানীয় পর্যায়ে সমন্বিত তদারকি এবং কার্যকর পদক্ষেপের মাধ্যমে ভৈরবের স্বাস্থ্যসেবার পরিবেশ উন্নত হবে। পাশাপাশি বাজার ব্যবস্থাপনা, জননিরাপত্তা ও স্থানীয় উন্নয়ন কার্যক্রমেও ইতিবাচক অগ্রগতি আসবে।

শুধু চাকরির পেছনে না ছুটে উদ্যোক্তা হওয়ার আহ্বান জেলা পরিষদ প্রশাসকের

নূর আহাম্মদ পলাশ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর, ২০২৬, ৫:৩৭ অপরাহ্ণ
শুধু চাকরির পেছনে না ছুটে উদ্যোক্তা হওয়ার আহ্বান জেলা পরিষদ প্রশাসকের

শুধু চাকরির পেছনে না ছুটে অন্যের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির লক্ষ্যে উদ্যোক্তা হওয়ার জন্য যুবসমাজের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন কিশোরগঞ্জ জেলা পরিষদের প্রশাসক খালেদ সাইফুল্লাহ সোহেল খান। তিনি বলেছেন, তরুণদের এমনভাবে নিজেদের প্রস্তুত করতে হবে, যাতে তাঁরা শুধু নিজের কর্মসংস্থান নয়, অন্যদের জন্যও কাজের সুযোগ তৈরি করতে পারেন। এ সময় তরুণ উদ্যোক্তাদের সার্বিক আর্থিক সহায়তার আশ্বাস দেন তিনি।

জাতীয় যুব দিবস-২০২৬ উদযাপন উপলক্ষে কিশোরগঞ্জে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের উদ্যোগে পিঠা উৎসব, বিনামূল্যে গাছের চারা বিতরণ ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) বিকেলে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের হলরুমে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে এসব কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়।

যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. রফিকুল ইসলাম শামীমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদের প্রশাসক খালেদ সাইফুল্লাহ সোহেল খান। বিশেষ অতিথি ছিলেন যুব প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের ডেপুটি কো-অর্ডিনেটর প্রজিৎ কুমার ধর এবং যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মো. আলাউদ্দীন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে খালেদ সাইফুল্লাহ সোহেল খান বলেন, “তোমরা শুধু চাকরির পেছনে সময় না দিয়ে বরং অন্যকে কীভাবে চাকরি দেবে, সেই উদ্দেশ্য সামনে রেখে কাজ করো।” যুবসমাজকে আত্মনির্ভরশীল হওয়ার পাশাপাশি উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে ওঠার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, তরুণদের উদ্যোগে নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হতে পারে। এ ক্ষেত্রে তরুণ উদ্যোক্তাদের পাশে থাকার এবং তাঁদের সার্বিক আর্থিক সহায়তা দেওয়ার আশ্বাস দেন তিনি।

আলোচনা সভা শেষে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর প্রাঙ্গণে অতিথিরা একটি আমলকী গাছের চারা রোপণ করেন। পরে প্রশিক্ষণার্থী ও স্থানীয় যুবকদের মধ্যে বিনামূল্যে বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা বিতরণ করা হয়।

কর্মসূচির শেষ পর্বে মহিলা উদ্যোক্তাদের উদ্যোগে আয়োজিত পিঠা উৎসবের উদ্বোধন করেন অতিথিরা। তাঁরা ফিতা কেটে ও কেক কেটে উৎসবের উদ্বোধন করেন। পরে পিঠা উৎসবের বিভিন্ন স্টল ঘুরে দেখেন।

ইয়াবাসহ যুবক গ্রেপ্তারের পর পুলিশের কাজে বাধা, পৃথক মামলায় আরও ৩ জন গ্রেপ্তার

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর, ২০২৬, ৫:২৭ অপরাহ্ণ
ইয়াবাসহ যুবক গ্রেপ্তারের পর পুলিশের কাজে বাধা, পৃথক মামলায় আরও ৩ জন গ্রেপ্তার

কিশোরগঞ্জের নিকলীতে মাদকবিরোধী অভিযানে ৬টি ইয়াবা ট্যাবলেট ও মাদক বিক্রির ৩ হাজার টাকাসহ শাকিল (২২) নামের এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ সময় তাঁকে গ্রেপ্তারে বাধা দেওয়া এবং পুলিশের কাজে বিঘ্ন ঘটানোর অভিযোগে পৃথক মামলায় আরও তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ১ নভেম্বর গ্রেপ্তারি পরোয়ানা তামিল ও মাদক উদ্ধার অভিযানে ছিল নিকলী থানার একটি দল। এ সময় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ জানতে পারে, উপজেলার টিঅ্যান্ডটি মোড়ে কয়েকজন ব্যক্তি মাদক কেনাবেচা করছেন। পরে সেখানে অভিযান চালিয়ে শাকিলকে ৬টি ইয়াবা ট্যাবলেট ও মাদক বিক্রির ৩ হাজার টাকাসহ হাতেনাতে গ্রেপ্তার করা হয়। এ ঘটনায় তাঁর বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করা হয়েছে।

পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, শাকিলকে গ্রেপ্তারের সময় সিয়াম হাসান অক্ষয়, শাহরুখ, আলআমিন, হিমেল, নিলয় ও নির্জনসহ অজ্ঞাতনামা আরও ১০ থেকে ১৫ জন সেখানে জড়ো হন। তাঁরা বেআইনিভাবে সংঘবদ্ধ হয়ে পুলিশের কাজে বাধা দেন এবং মব সৃষ্টি করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

এ ঘটনায় পরে নিকলী থানায় সরকারি কাজে বাধা প্রদান ও পুলিশের ওপর আক্রমণের অভিযোগে আরেকটি মামলা করা হয়। ওই মামলায় এজাহারনামীয় আসামি সিয়াম হাসান অক্ষয়, শাহরুখ ও হিমেলকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তারের পর তাঁদের আজ বিজ্ঞ আদালতে পাঠানো হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।