শুক্রবার, ৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩
[gtranslate]
শুক্রবার, ৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩

কিশোরগঞ্জে বেলুন উড়িয়ে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’-এর উদ্বোধন

সঞ্জিত চন্দ্র শীল প্রকাশিত: শুক্রবার, ৬ নভেম্বর, ২০২৬, ১০:০৯ পূর্বাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
কিশোরগঞ্জে বেলুন উড়িয়ে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’-এর উদ্বোধন

শিশু-কিশোরদের ক্রীড়াচর্চায় উৎসাহিত করা, তাদের সুপ্ত প্রতিভা অন্বেষণ ও বিকাশের সুযোগ সৃষ্টি এবং খেলাধুলাকে পেশা হিসেবে প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে দেশব্যাপী শুরু হয়েছে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস (সিজন-২)’। গতকাল বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, এমপির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে এ আয়োজনের যাত্রা শুরু হয়।

এ উপলক্ষে কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার মিনি স্টেডিয়ামে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে যুক্ত হন জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সোহানা নাসরিন। এ সময় তিনি রঙিন বেলুন উড়িয়ে কিশোরগঞ্জে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস (সিজন-২)’-এর আনুষ্ঠানিক সূচনা করেন।

অনুষ্ঠানে বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, ক্রীড়াবিদ, ক্রীড়া সংগঠক, সাংবাদিক, শিশু-কিশোর খেলোয়াড়, অভিভাবকসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন। তাঁদের উপস্থিতিতে মিনি স্টেডিয়ামজুড়ে উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা ও প্রত্যাশার আলোকে কিশোরগঞ্জ জেলায় এ ক্রীড়া আয়োজন সুষ্ঠু, সুন্দর ও সফলভাবে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টা ও দায়িত্বশীল ভূমিকার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

বক্তারা বলেন, খেলাধুলা শিশু-কিশোর ও তরুণ প্রজন্মকে শারীরিক ও মানসিকভাবে সুস্থ রাখার পাশাপাশি শৃঙ্খলা, আত্মবিশ্বাস ও নেতৃত্বের গুণাবলি বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। মাদক ও মোবাইল ফোনের আসক্তি থেকে শিশু-কিশোরদের দূরে রাখতে খেলাধুলার কোনো বিকল্প নেই।

তাঁরা আরও বলেন, ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে ছড়িয়ে থাকা প্রতিভাবান শিশু-কিশোরদের জাতীয় পর্যায়ে নিজেদের যোগ্যতা তুলে ধরার সুযোগ সৃষ্টি করবে। এর মাধ্যমে গ্রাম থেকে উঠে আসা প্রতিভাবান খেলোয়াড়েরা একদিন জাতীয় দলের হয়ে দেশের মুখ উজ্জ্বল করবে বলে তাঁরা প্রত্যাশা করেন।

‘ক্রীড়া হলে পেশা, পরিবার পাবে ভরসা’ প্রতিপাদ্য সামনে রেখে আয়োজিত এবারের সিজন-২-এ কিশোরগঞ্জ জেলার সব উপজেলার শিশু-কিশোরেরা বিভিন্ন ইভেন্টে অংশ নেবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

কিশোরগঞ্জে আমার বাংলা সাংস্কৃতিক পরিষদের আয়োজনে গুণীজন সম্মাননা ও সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা

নূর আহাম্মদ পলাশ প্রকাশিত: শুক্রবার, ৬ নভেম্বর, ২০২৬, ৯:০৬ অপরাহ্ণ
কিশোরগঞ্জে আমার বাংলা সাংস্কৃতিক পরিষদের আয়োজনে গুণীজন সম্মাননা ও সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা

‘সংস্কৃতির আলোয় এগিয়ে যাক বাংলা’—এই স্লোগানকে সামনে রেখে কিশোরগঞ্জে অনুষ্ঠিত হয়েছে আলোচনা সভা, গুণীজন সম্মাননা ও সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা। শুক্রবার (৬ নভেম্বর) সন্ধ্যায় জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে ‘আমার বাংলা সাংস্কৃতিক পরিষদ’-এর উদ্যোগে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদের প্রশাসক খালেদ সাইফুল্লাহ সোহেল খান। তিনি বলেন, বাংলাদেশের সংস্কৃতিকে আরও সমৃদ্ধ করার লক্ষ্যে জেলা পরিষদের পক্ষ থেকে সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করা হবে।

অনুষ্ঠানে উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা কালচারাল অফিসার তানিয়া ইসলাম ঝুমুর। প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য দেন নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১, কিশোরগঞ্জের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) অ্যাডভোকেট এ. এম. ছাজ্জাদুল হক (সাজ্জাদ)।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয়তাবাদী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংস্থার (জাসাস) কিশোরগঞ্জের আহ্বায়ক ইফতেখার আহমেদ বাবুল।

আমার বাংলা সাংস্কৃতিক পরিষদের সভাপতি মাহবুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে যৌথভাবে পরিচালনা ও উপস্থাপনা করেন রুমা অঞ্জলী ও মোখলেছুর রহমান।

এ ছাড়া অনুষ্ঠানে বিশেষ সম্মাননাপ্রাপ্ত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ বেতার ও টেলিভিশনের স্পেশাল গ্রেডের শিল্পী এবং নজরুল সংগীত শিল্পী পরিষদ, কিশোরগঞ্জের সভাপতি শিল্পী আবুল হাশেম।

আলোচনা সভা শেষে অতিথিদের উপস্থিতিতে গুণীজনদের সম্মাননা প্রদান করা হয়। পরে পরিবেশিত হয় মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।

৭ নভেম্বর বাংলাদেশের পথ নির্ণয়ের দিন: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: শুক্রবার, ৬ নভেম্বর, ২০২৬, ৮:৩২ অপরাহ্ণ
৭ নভেম্বর বাংলাদেশের পথ নির্ণয়ের দিন: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

১৯৭৫ সালের ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বরকে বাংলাদেশের পথ নির্ণয়ের দিন হিসেবে অভিহিত করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, ৭ নভেম্বরের বৈপ্লবিক চেতনাই হোক বাংলাদেশের আগামী নির্মাণের প্রেরণা ও পাথেয়।

শুক্রবার (৬ নভেম্বর) ঐতিহাসিক জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। দিবসটি যথাযোগ্য মর্যাদায় উদযাপনে সরকার বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। একই সঙ্গে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) থেকেও কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে।

বাণীতে তারেক রহমান বলেন, ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর দেশের সিপাহি-জনতা ঐক্যবদ্ধভাবে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের বিরুদ্ধে সব ষড়যন্ত্র রুখে দিয়েছিল। দেশের ইতিহাসে ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর ছিল শত্রু-মিত্র চিহ্নিত করার দিন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, সব সময় ইতিহাসচর্চায় মশগুল থাকা সমীচীন নয়। একইভাবে ভবিষ্যতের পথ রচনায় ইতিহাস থেকে শিক্ষা গ্রহণ না করাও একটি ঐতিহাসিক ভুল।

তিনি বলেন, ১৯৭৫ সালের ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর বাংলাদেশের পথ নির্ণয়ের দিন। যারা বাংলাদেশকে তাঁবেদার রাষ্ট্রে পরিণত করে রাখতে চেয়েছিল, জনগণের গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক অধিকার হরণ করে একদলীয় স্বৈরাচারী শাসন কায়েম করতে চেয়েছিল এবং দেশের শৌর্য, বীর্য, সাহস ও সম্মানের প্রতীক সেনাবাহিনীর গৌরব ভূলুণ্ঠিত করতে চেয়েছিল, দেশপ্রেমিক সিপাহি-জনতার ঐতিহাসিক বিপ্লবের মধ্য দিয়ে ৭ নভেম্বর তাদের পরাজয় ঘটেছিল।

বাণীতে প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ইতিহাস সাক্ষী, দীর্ঘ ষড়যন্ত্রের পথ ধরে ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর পরাজিত সেই অপশক্তি মহাজোটের নামে একজোট হয়ে দেশকে তাঁবেদার রাষ্ট্রে পরিণত করেছিল। বিডিআর পিলখানায় পরিকল্পিত সেনা হত্যাযজ্ঞের মাধ্যমে সেনাবাহিনীর গৌরব ও মর্যাদা ভূলুণ্ঠিত করা হয়েছিল। জনগণের ভোটাধিকার ও গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক অধিকার কেড়ে নিয়ে দেশে ফ্যাসিবাদী শাসন কায়েম করা হয়েছিল। হাজারো শহীদের আত্মত্যাগ এবং বীর ছাত্র-জনতার রক্তক্ষয়ী গণ-অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে দীর্ঘ দেড় দশকের বেশি সময় পর দেশ ফ্যাসিবাদমুক্ত হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

তারেক রহমান বলেন, ১৯৭১ সালের যুদ্ধ ছিল স্বাধীনতা অর্জনের জন্য, আর ২০২৪ সালের আন্দোলন ছিল দেশ ও জনগণের স্বাধীনতা রক্ষার জন্য। দেশ ও জনগণের স্বাধীনতা রক্ষায় ২০২৪ সালে যেভাবে সর্বস্তরের মানুষ রাজপথে নেমে এসেছিল, একইভাবে ১৯৭৫ সালেও সিপাহি-জনতা ঐক্যবদ্ধভাবে রাজপথে নেমে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ববিরোধী ষড়যন্ত্র রুখে দিয়েছিল।

তিনি বলেন, ভবিষ্যতে যাতে কেউ দেশ ও জনগণের অধিকার হরণ করতে না পারে এবং দেশকে তাঁবেদার রাষ্ট্রে পরিণত করতে না পারে, সেটিই হোক এবারের ৭ নভেম্বরের প্রধান অঙ্গীকার। এ অঙ্গীকার বাস্তবায়নে জাতীয় ঐক্য প্রয়োজন।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, বাংলাদেশের আর্থসামাজিক ও ভূরাজনৈতিক বাস্তবতায় জাতীয় ঐক্য সমুন্নত রাখতে হলে ৭ নভেম্বরের মতো সিপাহি-জনতার বিপ্লবের চেতনা মনে-প্রাণে ধারণ করতে হবে।

তিনি বলেন, ১৯৭১ সালের স্বাধীনতাযুদ্ধ, ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর তাঁবেদার অপশক্তির বিরুদ্ধে সিপাহি-জনতার বিপ্লব, ১৯৯০ সালের স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন কিংবা ২০২৪ সালের ফ্যাসিবাদবিরোধী গণ-অভ্যুত্থান—ইতিহাসের বিভিন্ন সময়ে প্রতিটি বিপ্লব ও অভ্যুত্থানের মূল আকাঙ্ক্ষা ছিল স্বাধীন বাংলাদেশে জনগণের গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক অধিকার প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে একটি স্বনির্ভর, নিরাপদ ও কল্যাণমূলক রাষ্ট্র গড়ে তোলা।

বাণীতে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ঐতিহাসিক এই দিনে দেশপ্রেমিক গণতন্ত্রকামী জনগণের দীপ্ত উচ্চারণ হোক, ‘দিল্লি নয়, পিণ্ডি নয়, নয় অন্য কোনো দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ।’

জাতীয়ভাবে ৭ নভেম্বর উদযাপন উপলক্ষে নেওয়া সব কর্মসূচির সাফল্য কামনা করে তারেক রহমান বলেন, ৭ নভেম্বরের বৈপ্লবিক চেতনাই হোক বাংলাদেশের আগামী নির্মাণের প্রেরণা ও পাথেয়।

যোগীরখালী মিনি ফুটবল টুর্নামেন্টে এক গোলের রোমাঞ্চকর জয়

ক্রীড়া ডেস্ক প্রকাশিত: শুক্রবার, ৬ নভেম্বর, ২০২৬, ৮:২৩ অপরাহ্ণ
যোগীরখালী মিনি ফুটবল টুর্নামেন্টে এক গোলের রোমাঞ্চকর জয়

কিশোরগঞ্জে জমজমাট আয়োজনে অনুষ্ঠিত যোগীরখালী মিনি ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২৬-এর এক উত্তেজনাপূর্ণ ম্যাচে ১-০ গোলে জয় পেয়েছে যোগীরখালী উত্তর পূর্বপাড়া মাস্টার ফুটবল একাডেমি। প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ম্যাচে তাদের প্রতিপক্ষ আতকাপাড়া লায়ন স্টার শেষ পর্যন্ত গোলের দেখা না পাওয়ায় পরাজয় বরণ করে।

শুক্রবার (৬ নভেম্বর) বিকেল ৩টায় যোগীরখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠ প্রাঙ্গণে এ খেলা অনুষ্ঠিত হয়। ম্যাচের শুরু থেকেই দুই দলের খেলোয়াড়দের মধ্যে ছিল জয়ের তীব্র আকাঙ্ক্ষা। আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণে মাঠজুড়ে তৈরি হয় টানটান উত্তেজনা। উভয় দলই গোলের সুযোগ তৈরির চেষ্টা চালায়। তবে শেষ পর্যন্ত প্রতিপক্ষের জালে একবার বল পাঠিয়ে ১-০ গোলের ব্যবধানে জয় নিশ্চিত করে যোগীরখালী উত্তর পূর্বপাড়া মাস্টার ফুটবল একাডেমি।

টুর্নামেন্টে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দৈনিক কিশোরগঞ্জ পত্রিকার সহকারী সম্পাদক মো. শাহীন আলম। সভাপতিত্ব করেন প্রমিজ সৃজনশীল কোচিং সেন্টার, যোগীরখালীর পরিচালক মো. হাদিউল ইসলাম (হাবিব)। উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জিয়া মঞ্চ কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও ৬নং ওয়ার্ড যোগীরখালীর মেম্বার পদপ্রার্থী মো. আনিছুর রহমান মামুন।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মো. আলমগীর হোসেন, মো. মতিউর রহমান সোহাগ ও মো. রবিউল হকসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।

খেলাধুলার মাধ্যমে তরুণ সমাজকে মাদক ও বিভিন্ন সামাজিক অপরাধ থেকে দূরে রেখে সুস্থ বিনোদন এবং শারীরিক ও মানসিক বিকাশের সুযোগ তৈরি করাই এ ধরনের আয়োজনের অন্যতম উদ্দেশ্য বলে আয়োজকরা জানান।

টুর্নামেন্টটি পরিচালনায় ছিলেন রাকিবুল হাসান। সার্বিক সহযোগিতায় ছিলেন শামছুল আলম জুয়েল ও নুর ফ্যাশন কর্নার। স্থানীয় ক্রীড়াপ্রেমীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে আয়োজনটি প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে।