শুক্রবার, ৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩
[gtranslate]
শুক্রবার, ৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩

যোগীরখালী মিনি ফুটবল টুর্নামেন্টে এক গোলের রোমাঞ্চকর জয়

ক্রীড়া ডেস্ক প্রকাশিত: শুক্রবার, ৬ নভেম্বর, ২০২৬, ৮:২৩ অপরাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
যোগীরখালী মিনি ফুটবল টুর্নামেন্টে এক গোলের রোমাঞ্চকর জয়

কিশোরগঞ্জে জমজমাট আয়োজনে অনুষ্ঠিত যোগীরখালী মিনি ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২৬-এর এক উত্তেজনাপূর্ণ ম্যাচে ১-০ গোলে জয় পেয়েছে যোগীরখালী উত্তর পূর্বপাড়া মাস্টার ফুটবল একাডেমি। প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ম্যাচে তাদের প্রতিপক্ষ আতকাপাড়া লায়ন স্টার শেষ পর্যন্ত গোলের দেখা না পাওয়ায় পরাজয় বরণ করে।

শুক্রবার (৬ নভেম্বর) বিকেল ৩টায় যোগীরখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠ প্রাঙ্গণে এ খেলা অনুষ্ঠিত হয়। ম্যাচের শুরু থেকেই দুই দলের খেলোয়াড়দের মধ্যে ছিল জয়ের তীব্র আকাঙ্ক্ষা। আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণে মাঠজুড়ে তৈরি হয় টানটান উত্তেজনা। উভয় দলই গোলের সুযোগ তৈরির চেষ্টা চালায়। তবে শেষ পর্যন্ত প্রতিপক্ষের জালে একবার বল পাঠিয়ে ১-০ গোলের ব্যবধানে জয় নিশ্চিত করে যোগীরখালী উত্তর পূর্বপাড়া মাস্টার ফুটবল একাডেমি।

টুর্নামেন্টে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দৈনিক কিশোরগঞ্জ পত্রিকার সহকারী সম্পাদক মো. শাহীন আলম। সভাপতিত্ব করেন প্রমিজ সৃজনশীল কোচিং সেন্টার, যোগীরখালীর পরিচালক মো. হাদিউল ইসলাম (হাবিব)। উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জিয়া মঞ্চ কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও ৬নং ওয়ার্ড যোগীরখালীর মেম্বার পদপ্রার্থী মো. আনিছুর রহমান মামুন।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মো. আলমগীর হোসেন, মো. মতিউর রহমান সোহাগ ও মো. রবিউল হকসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।

খেলাধুলার মাধ্যমে তরুণ সমাজকে মাদক ও বিভিন্ন সামাজিক অপরাধ থেকে দূরে রেখে সুস্থ বিনোদন এবং শারীরিক ও মানসিক বিকাশের সুযোগ তৈরি করাই এ ধরনের আয়োজনের অন্যতম উদ্দেশ্য বলে আয়োজকরা জানান।

টুর্নামেন্টটি পরিচালনায় ছিলেন রাকিবুল হাসান। সার্বিক সহযোগিতায় ছিলেন শামছুল আলম জুয়েল ও নুর ফ্যাশন কর্নার। স্থানীয় ক্রীড়াপ্রেমীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে আয়োজনটি প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে।

কিশোরগঞ্জে আমার বাংলা সাংস্কৃতিক পরিষদের আয়োজনে গুণীজন সম্মাননা ও সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা

নূর আহাম্মদ পলাশ প্রকাশিত: শুক্রবার, ৬ নভেম্বর, ২০২৬, ৯:০৬ অপরাহ্ণ
কিশোরগঞ্জে আমার বাংলা সাংস্কৃতিক পরিষদের আয়োজনে গুণীজন সম্মাননা ও সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা

‘সংস্কৃতির আলোয় এগিয়ে যাক বাংলা’—এই স্লোগানকে সামনে রেখে কিশোরগঞ্জে অনুষ্ঠিত হয়েছে আলোচনা সভা, গুণীজন সম্মাননা ও সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা। শুক্রবার (৬ নভেম্বর) সন্ধ্যায় জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে ‘আমার বাংলা সাংস্কৃতিক পরিষদ’-এর উদ্যোগে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদের প্রশাসক খালেদ সাইফুল্লাহ সোহেল খান। তিনি বলেন, বাংলাদেশের সংস্কৃতিকে আরও সমৃদ্ধ করার লক্ষ্যে জেলা পরিষদের পক্ষ থেকে সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করা হবে।

অনুষ্ঠানে উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা কালচারাল অফিসার তানিয়া ইসলাম ঝুমুর। প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য দেন নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১, কিশোরগঞ্জের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) অ্যাডভোকেট এ. এম. ছাজ্জাদুল হক (সাজ্জাদ)।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয়তাবাদী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংস্থার (জাসাস) কিশোরগঞ্জের আহ্বায়ক ইফতেখার আহমেদ বাবুল।

আমার বাংলা সাংস্কৃতিক পরিষদের সভাপতি মাহবুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে যৌথভাবে পরিচালনা ও উপস্থাপনা করেন রুমা অঞ্জলী ও মোখলেছুর রহমান।

এ ছাড়া অনুষ্ঠানে বিশেষ সম্মাননাপ্রাপ্ত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ বেতার ও টেলিভিশনের স্পেশাল গ্রেডের শিল্পী এবং নজরুল সংগীত শিল্পী পরিষদ, কিশোরগঞ্জের সভাপতি শিল্পী আবুল হাশেম।

আলোচনা সভা শেষে অতিথিদের উপস্থিতিতে গুণীজনদের সম্মাননা প্রদান করা হয়। পরে পরিবেশিত হয় মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।

৭ নভেম্বর বাংলাদেশের পথ নির্ণয়ের দিন: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: শুক্রবার, ৬ নভেম্বর, ২০২৬, ৮:৩২ অপরাহ্ণ
৭ নভেম্বর বাংলাদেশের পথ নির্ণয়ের দিন: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

১৯৭৫ সালের ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বরকে বাংলাদেশের পথ নির্ণয়ের দিন হিসেবে অভিহিত করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, ৭ নভেম্বরের বৈপ্লবিক চেতনাই হোক বাংলাদেশের আগামী নির্মাণের প্রেরণা ও পাথেয়।

শুক্রবার (৬ নভেম্বর) ঐতিহাসিক জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। দিবসটি যথাযোগ্য মর্যাদায় উদযাপনে সরকার বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। একই সঙ্গে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) থেকেও কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে।

বাণীতে তারেক রহমান বলেন, ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর দেশের সিপাহি-জনতা ঐক্যবদ্ধভাবে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের বিরুদ্ধে সব ষড়যন্ত্র রুখে দিয়েছিল। দেশের ইতিহাসে ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর ছিল শত্রু-মিত্র চিহ্নিত করার দিন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, সব সময় ইতিহাসচর্চায় মশগুল থাকা সমীচীন নয়। একইভাবে ভবিষ্যতের পথ রচনায় ইতিহাস থেকে শিক্ষা গ্রহণ না করাও একটি ঐতিহাসিক ভুল।

তিনি বলেন, ১৯৭৫ সালের ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর বাংলাদেশের পথ নির্ণয়ের দিন। যারা বাংলাদেশকে তাঁবেদার রাষ্ট্রে পরিণত করে রাখতে চেয়েছিল, জনগণের গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক অধিকার হরণ করে একদলীয় স্বৈরাচারী শাসন কায়েম করতে চেয়েছিল এবং দেশের শৌর্য, বীর্য, সাহস ও সম্মানের প্রতীক সেনাবাহিনীর গৌরব ভূলুণ্ঠিত করতে চেয়েছিল, দেশপ্রেমিক সিপাহি-জনতার ঐতিহাসিক বিপ্লবের মধ্য দিয়ে ৭ নভেম্বর তাদের পরাজয় ঘটেছিল।

বাণীতে প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ইতিহাস সাক্ষী, দীর্ঘ ষড়যন্ত্রের পথ ধরে ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর পরাজিত সেই অপশক্তি মহাজোটের নামে একজোট হয়ে দেশকে তাঁবেদার রাষ্ট্রে পরিণত করেছিল। বিডিআর পিলখানায় পরিকল্পিত সেনা হত্যাযজ্ঞের মাধ্যমে সেনাবাহিনীর গৌরব ও মর্যাদা ভূলুণ্ঠিত করা হয়েছিল। জনগণের ভোটাধিকার ও গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক অধিকার কেড়ে নিয়ে দেশে ফ্যাসিবাদী শাসন কায়েম করা হয়েছিল। হাজারো শহীদের আত্মত্যাগ এবং বীর ছাত্র-জনতার রক্তক্ষয়ী গণ-অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে দীর্ঘ দেড় দশকের বেশি সময় পর দেশ ফ্যাসিবাদমুক্ত হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

তারেক রহমান বলেন, ১৯৭১ সালের যুদ্ধ ছিল স্বাধীনতা অর্জনের জন্য, আর ২০২৪ সালের আন্দোলন ছিল দেশ ও জনগণের স্বাধীনতা রক্ষার জন্য। দেশ ও জনগণের স্বাধীনতা রক্ষায় ২০২৪ সালে যেভাবে সর্বস্তরের মানুষ রাজপথে নেমে এসেছিল, একইভাবে ১৯৭৫ সালেও সিপাহি-জনতা ঐক্যবদ্ধভাবে রাজপথে নেমে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ববিরোধী ষড়যন্ত্র রুখে দিয়েছিল।

তিনি বলেন, ভবিষ্যতে যাতে কেউ দেশ ও জনগণের অধিকার হরণ করতে না পারে এবং দেশকে তাঁবেদার রাষ্ট্রে পরিণত করতে না পারে, সেটিই হোক এবারের ৭ নভেম্বরের প্রধান অঙ্গীকার। এ অঙ্গীকার বাস্তবায়নে জাতীয় ঐক্য প্রয়োজন।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, বাংলাদেশের আর্থসামাজিক ও ভূরাজনৈতিক বাস্তবতায় জাতীয় ঐক্য সমুন্নত রাখতে হলে ৭ নভেম্বরের মতো সিপাহি-জনতার বিপ্লবের চেতনা মনে-প্রাণে ধারণ করতে হবে।

তিনি বলেন, ১৯৭১ সালের স্বাধীনতাযুদ্ধ, ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর তাঁবেদার অপশক্তির বিরুদ্ধে সিপাহি-জনতার বিপ্লব, ১৯৯০ সালের স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন কিংবা ২০২৪ সালের ফ্যাসিবাদবিরোধী গণ-অভ্যুত্থান—ইতিহাসের বিভিন্ন সময়ে প্রতিটি বিপ্লব ও অভ্যুত্থানের মূল আকাঙ্ক্ষা ছিল স্বাধীন বাংলাদেশে জনগণের গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক অধিকার প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে একটি স্বনির্ভর, নিরাপদ ও কল্যাণমূলক রাষ্ট্র গড়ে তোলা।

বাণীতে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ঐতিহাসিক এই দিনে দেশপ্রেমিক গণতন্ত্রকামী জনগণের দীপ্ত উচ্চারণ হোক, ‘দিল্লি নয়, পিণ্ডি নয়, নয় অন্য কোনো দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ।’

জাতীয়ভাবে ৭ নভেম্বর উদযাপন উপলক্ষে নেওয়া সব কর্মসূচির সাফল্য কামনা করে তারেক রহমান বলেন, ৭ নভেম্বরের বৈপ্লবিক চেতনাই হোক বাংলাদেশের আগামী নির্মাণের প্রেরণা ও পাথেয়।

জাতীয় যুব দিবস উপলক্ষ্যে বিন্নাটিতে বায়োগ্যাস প্ল্যান্ট উদ্বোধন

শাহীন আলম প্রকাশিত: শুক্রবার, ৬ নভেম্বর, ২০২৬, ৭:৫৩ অপরাহ্ণ
জাতীয় যুব দিবস উপলক্ষ্যে বিন্নাটিতে বায়োগ্যাস প্ল্যান্ট উদ্বোধন

বর্তমান জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় বিকল্প জ্বালানির ব্যবহার বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. কামরুল হাসান মারুফ। তিনি বলেছেন, বায়োগ্যাস প্ল্যান্টের মাধ্যমে পরিবার পর্যায়ে জ্বালানির চাহিদা পূরণের পাশাপাশি বিদ্যুৎ উৎপাদনেরও সুযোগ রয়েছে। এ ধরনের উদ্যোগ সম্প্রসারণ করা গেলে প্রচলিত জ্বালানির ওপর নির্ভরতা কমানোর পাশাপাশি গ্রামীণ অর্থনীতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে।

শুক্রবার (৬ নভেম্বর) দুপুরে জাতীয় যুব দিবস ২০২৬ উপলক্ষে কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার বিন্নাটি ইউনিয়নের যোগীরখালী গ্রামে বায়োগ্যাস প্ল্যান্ট উদ্বোধন ও স্থানীয় পর্যায়ে উদ্বুদ্ধকরণ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি আরও বলেন, বর্তমান বিশ্ব পরিস্থিতিতে জ্বালানি সংকট একটি বড় চ্যালেঞ্জ। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রচলিত জ্বালানির পাশাপাশি বিকল্প উৎসের ব্যবহার বাড়াতে হবে। সরকার দেশের বিভিন্ন এলাকায় বায়োগ্যাস প্ল্যান্ট স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছে। গ্রাম থেকে শহর পর্যন্ত এ প্রযুক্তির সম্প্রসারণ করা গেলে মানুষের জ্বালানি চাহিদা পূরণে নতুন সম্ভাবনা তৈরি হবে।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মো. আলাউদ্দীন বলেন, পরিবেশ সুরক্ষা ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় বায়োগ্যাস একটি কার্যকর ও সময়োপযোগী উদ্যোগ। যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে তৃণমূল পর্যায়ের তরুণদের এ খাতে উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তোলার সুযোগ সৃষ্টি হচ্ছে। আবু তাহেরের মতো সফল উদ্যোক্তারা এ ক্ষেত্রে অন্যদের জন্য অনুপ্রেরণা হতে পারেন।

তিনি জানান, মাত্র তিনটি গরু থাকলেও একটি পরিবারে বায়োগ্যাস প্ল্যান্ট স্থাপন করা সম্ভব। এর মাধ্যমে পারিবারিক জ্বালানির চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি জ্বালানি আমদানিনির্ভরতা কমাতেও ভূমিকা রাখা সম্ভব।

সভাপতির বক্তব্যে সদর উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা মো. মাহবুবুর আলম বলেন, সময়ের চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের প্রশিক্ষণ কার্যক্রম আধুনিক ও যুগোপযোগী করা হচ্ছে। যুবকদের আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টিতে প্রশিক্ষণের পাশাপাশি সহজ শর্তে ঋণ দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ঋণের পরিমাণ বাড়ানোর বিষয়েও নীতিগত সিদ্ধান্ত রয়েছে। দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে যুবকদের সম্পৃক্ত করে বায়োগ্যাসসহ সম্ভাবনাময় বিভিন্ন খাতে উদ্যোক্তা তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

সভায় বক্তারা বলেন, স্থানীয় পর্যায়ে বায়োগ্যাস প্ল্যান্ট স্থাপনের উদ্যোগ ছড়িয়ে দেওয়া গেলে একদিকে যেমন বিকল্প জ্বালানির ব্যবহার বাড়বে, অন্যদিকে পরিবেশ সুরক্ষা, কর্মসংস্থান ও গ্রামীণ উদ্যোক্তা উন্নয়নেও ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে। এ ক্ষেত্রে সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি বেসরকারি উদ্যোক্তাদেরও এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তাঁরা।

স্থানীয় উদ্যোক্তারা জানান, স্থাপিত বায়োগ্যাস প্ল্যান্ট থেকে নিজ পরিবারের চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি আশপাশের অন্য পরিবারেও গ্যাস সরবরাহের সুযোগ রয়েছে। প্রয়োজনীয় সরকারি সহযোগিতা ও কারিগরি সহায়তা পাওয়া গেলে ভবিষ্যতে গ্যাস সরবরাহের পরিধি বাড়ানোর পাশাপাশি বিদ্যুৎ উৎপাদনও সম্ভব হতে পারে।

অনুষ্ঠানে স্থানীয় ইউপি সদস্য শেখ ফারুকসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। জেলা প্রশাসন, কিশোরগঞ্জ ও যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর, কিশোরগঞ্জ যৌথভাবে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।