রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬, ১১ শ্রাবণ ১৪৩৩
[gtranslate]
রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬, ১১ শ্রাবণ ১৪৩৩

ঝিনাইদহ-৪ এ ধানের শীষে রাশেদ খানের নাম আলোচনায়

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৬ ডিসেম্বর, ২০২৫, ৪:৪৮ অপরাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
ঝিনাইদহ-৪ এ ধানের শীষে রাশেদ খানের নাম আলোচনায়

ঝিনাইদহ-৪ (কালীগঞ্জ) আসনে গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে অংশ নিতে পারেন—এমন গুঞ্জন উঠেছে রাজনৈতিক অঙ্গনে। যদিও রাশেদ খান শুরুতে ঝিনাইদহ-২ আসনে প্রার্থী হতে আগ্রহী ছিলেন, তবে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ঝিনাইদহ-৪ আসনে তার পক্ষে নির্বাচনী সভা করবেন—এমন প্রতিশ্রুতি দিলে তিনি ওই আসনে প্রার্থী হতে সম্মত হন বলে জানা গেছে।

বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) রাশেদ খান নিজেই গণমাধ্যমকর্মীদের কাছে এসব তথ্য নিশ্চিত করেন।

রাশেদ খান ঝিনাইদহ-৪ আসনে বিএনপির প্রার্থী হলে জেলার চারটি আসনের মধ্যে তিনটিতে প্রার্থী চূড়ান্ত করবে দলটি। এর আগে ঝিনাইদহ-২ আসনে অ্যাডভোকেট এম এ মজিদ এবং ঝিনাইদহ-৩ আসনে সাবেক সংসদ সদস্য শহিদুল ইসলাম মাস্টারের ছেলে মেহেদী হাসান রনিকে মনোনয়ন দেয় বিএনপি।

তবে ঝিনাইদহ-৪ আসনে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে রাশেদ খানের নাম ছড়িয়ে পড়ার পর কালীগঞ্জের সাধারণ ভোটারদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। যদিও দলের নীতিনির্ধারকদের মতে, এই প্রতিক্রিয়া সাময়িক।

দেখা যায়, নতুন করে রাশেদ খানের নাম আলোচনায় আসায় কালীগঞ্জের সাধারণ ভোটার ও বিএনপির তৃণমূল পর্যায়ের কর্মীদের মধ্যে কিছুটা নেতিবাচক মনোভাব সৃষ্টি হয়েছে। তাদের দাবি, বিগত দিনে কালীগঞ্জে বিএনপির আন্দোলন-সংগ্রামে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হামিদুল ইসলাম হামিদ এবং কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম ফিরোজ।

স্থানীয় বিএনপির রাজনীতিতে এই দুই নেতা হেভিওয়েট হিসেবে পরিচিত। তাদের পাশ কাটিয়ে রাশেদ খানকে প্রার্থী করায় ভোটারদের মধ্যে অসন্তোষ বাড়ছে বলে দাবি করছেন অনেকে। সাধারণ ভোটারদের ধারণা, এর প্রভাব নির্বাচনের ফলাফলেও পড়তে পারে।

কালীগঞ্জের একাধিক তৃণমূল পর্যায়ের বিএনপি নেতাকর্মী জানান, ঝিনাইদহ-৪ আসনে বিএনপির মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে জামায়াতের সঙ্গে। বর্তমান নির্বাচনী হালচালও সে ইঙ্গিত দিচ্ছে। তাদের মতে, এই আসনে দলের ত্যাগী ও মাঠপর্যায়ের নেতাদের প্রার্থী করা হলে বিএনপির ভোটের পাল্লা আরও ভারি হতো। তবে রাশেদ খান প্রার্থী হলে তৃণমূল নেতাকর্মীদের প্রতিক্রিয়া কী হবে, সেটিই এখন দেখার বিষয়।

এদিকে গুঞ্জন রয়েছে, রাশেদ খান ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে অংশ নেবেন। তিনি যদি বিএনপিতে যোগ দিয়ে ওই প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন, তাহলে নির্বাচনী সমীকরণ আমূল বদলে যেতে পারে। সাধারণ ভোটারদের একটি অংশ মনে করছেন, সেক্ষেত্রে রাশেদ খান বিপুল ভোটে বিজয়ী হতে পারেন।

কালীগঞ্জের সাধারণ ভোটার শাহ আলম বলেন, “কালীগঞ্জে বিএনপির রাজনীতি বলতে হামিদ ভাই ও ফিরোজ ভাইকেই আমরা চিনি। তাদের যেকোনো একজনকে প্রার্থী হিসেবে পাবো বলে আশা করেছিলাম। কিন্তু সে আশা পূরণ হয়নি।”

ঝিনাইদহ জেলা গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি শাখাওয়াত হোসেন বলেন, “বিএনপির সঙ্গে আমাদের জোট রয়েছে। সে কারণেই বিএনপি ঝিনাইদহ-৪ আসন রাশেদ খানের জন্য ছেড়ে দিয়েছে বলে আমরা জেনেছি। তিনি ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে লড়বেন—এমন কথাও শোনা যাচ্ছে। তবে বিষয়টি এখনো নিশ্চিত নয়। গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি ভিপি নূর ও সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানাবেন।”

মনোনয়নের বিষয়ে রাশেদ খান বলেন, “মঙ্গলবার রাতে গুলশানে বিএনপির কার্যালয়ে আলোচনা হয়েছে। সেখানে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ, খুলনা বিভাগীয় ভারপ্রাপ্ত সাংগঠনিক সম্পাদক অনিন্দ্য ইসলাম অমিত এবং ঝিনাইদহ জেলা বিএনপির সভাপতি এম এ মজিদ উপস্থিত ছিলেন। ওই আলোচনায় ঝিনাইদহ-৪ আসনে আমাকে প্রার্থী করার বিষয়ে প্রাথমিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।”

ঝিনাইদহ জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জাহিদুজ্জামান মনা বলেন, “ঝিনাইদহ-৪ আসনে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে রাশেদ খানই লড়বেন। তিনি বিএনপি নেতৃত্বাধীন গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও ফ্যাসিবাদবিরোধী যুগপৎ আন্দোলনের সহযোদ্ধা। তিনি যদি ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে ভোট করেন, তাহলে তিনি আমাদেরই প্রার্থী। সে ক্ষেত্রে বিএনপির সব নেতাকর্মী তার পক্ষেই কাজ করবেন। জেলা বিএনপির পক্ষ থেকেও আমরা সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা চালাবো।”

মৎস্য দিবসের কেন্দ্রীয় আয়োজনের প্রস্তুতি দেখতে কটিয়াদীতে দুই প্রতিমন্ত্রী

মাইনুল হক মেনু প্রকাশিত: রবিবার, ২৬ জুলাই, ২০২৬, ৯:২২ অপরাহ্ণ
মৎস্য দিবসের কেন্দ্রীয় আয়োজনের প্রস্তুতি দেখতে কটিয়াদীতে দুই প্রতিমন্ত্রী

আগামী ১৬ আগস্ট জাতীয় মৎস্য দিবস-২০২৬ উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য কটিয়াদী সফরকে সামনে রেখে সম্ভাব্য কেন্দ্রীয় অনুষ্ঠানস্থল, উন্মুক্ত জলাশয় ও সংশ্লিষ্ট অবকাঠামো পরিদর্শন করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালা উদ্দিন টুকু এবং পাট ও বস্ত্র মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. শরিফুল আলম। রোববার (২৬ জুলাই) এ পরিদর্শনকে কেন্দ্র করে কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীজুড়ে প্রস্তুতিমূলক কার্যক্রম আরও জোরদার হয়েছে।

বিকেলে প্রতিমন্ত্রীদ্বয় প্রথমে উপজেলার জালালপুর ও লোহাজারী ইউনিয়নের সংযোগস্থলে অবস্থিত জিয়ার কাটা খালের খননকাজ পরিদর্শন করেন। পরে তারা চারিপাড়া সরকারি মৎস্য হ্যাচারি ঘুরে দেখেন এবং মৎস্যসম্পদ উন্নয়ন, অবকাঠামোগত প্রস্তুতি ও কেন্দ্রীয় অনুষ্ঠান আয়োজনের বিভিন্ন দিক নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।

এরপর সম্ভাব্য কেন্দ্রীয় অনুষ্ঠানস্থল হিসেবে কটিয়াদী সরকারি কলেজ মাঠ, কটিয়াদী সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠ এবং আচমিতা জর্জ ইনস্টিটিউটের খেলার মাঠ পরিদর্শন করেন। এ সময় নিরাপত্তা ব্যবস্থা, জনসমাগম ধারণক্ষমতা, যোগাযোগব্যবস্থা, অবকাঠামোগত সুবিধা এবং সার্বিক আয়োজনের উপযোগিতা পর্যালোচনা করা হয়।

এ ছাড়া প্রধানমন্ত্রীর সম্ভাব্য মাছের পোনা অবমুক্তকরণ কর্মসূচির স্থান হিসেবে উপজেলার মসুয়া ইউনিয়নের বেতাল দিঘিও পরিদর্শন করেন তারা।

পরিদর্শনে উপস্থিত ছিলেন কিশোরগঞ্জ-১ (কিশোরগঞ্জ সদর-হোসেনপুর) আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মো. মাজহারুল ইসলাম, কিশোরগঞ্জ-২ (কটিয়াদী-পাকুন্দিয়া) আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ জালাল উদ্দিন, জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সোহানা নাসরিন, জেলা পরিষদের প্রশাসক খালেদ সাইফুল্লাহ (ভিপি সোহেল), জেলা বিএনপির সাবেক সহসভাপতি আশফাক আহমেদ জুন, কেন্দ্রীয় যুবদলের সাবেক সহসভাপতি মো. রুহুল আমিন আকিল, কটিয়াদী উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আরিফুর রহমান কাঞ্চন, মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মোহাম্মদ খালেদ কনক, পরিচালক (প্রশাসন) এস. এম. রেজাউল করিম, ঢাকা বিভাগের পরিচালক মো. আহসান হাসিব খান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শামীমা আফরোজ মারলিজ, জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. শহিদুল ইসলাম, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) লাবনী আক্তার তারানা, উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. কাউসারসহ জেলা প্রশাসন, মৎস্য অধিদপ্তর, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতারা।

পরিদর্শন শেষে প্রতিমন্ত্রীদ্বয় সাংবাদিকদের বলেন, সম্ভাব্য অনুষ্ঠানস্থল ও উন্মুক্ত জলাশয় পরিদর্শন করা হয়েছে। সার্বিক বিষয় পর্যালোচনা শেষে ঢাকায় গিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানানো হবে।

মৎস্য অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা জানান, জাতীয় মৎস্য দিবসের কেন্দ্রীয় অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী দিবসটির উদ্বোধন করবেন। একই অনুষ্ঠানে দেশের বিভিন্ন জেলার পাঁচ হাজার শ্রেষ্ঠ মৎস্যচাষীর হাতে সম্মাননা ও পুরস্কার তুলে দেওয়ার পাশাপাশি উন্মুক্ত জলাশয়ে মাছের পোনা অবমুক্ত করার কর্মসূচি রয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর সম্ভাব্য সফরকে সামনে রেখে জেলা প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, মৎস্য অধিদপ্তর এবং সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তরগুলো সমন্বিতভাবে প্রস্তুতি শুরু করেছে। অনুষ্ঠানটি সুষ্ঠু, নিরাপদ ও সফলভাবে সম্পন্ন করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।

ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে গাঁজা সেবনকারী যুবকের জেল

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: রবিবার, ২৬ জুলাই, ২০২৬, ৬:৫৪ অপরাহ্ণ
ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে গাঁজা সেবনকারী যুবকের জেল

কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়ায় গাঁজা সেবনের দায়ে সোয়েব উদ্দিন শরীফ (৩৫) নামে এক যুবককে ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। একই সঙ্গে তাকে ৩০০ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

রোববার (২৬ জুলাই) সকালে পাকুন্দিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রূপম দাস ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে এ দণ্ডাদেশ দেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত সোয়েব উদ্দিন শরীফ কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার বিন্নাটি ইউনিয়নের কয়ারখালী গ্রামের আবদুল বারিকের ছেলে।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, রোববার সকালে শরীফ পাকুন্দিয়া উপজেলার ঠুটারজঙ্গল এলাকায় গাঁজা সেবন করছিলেন। এ সময় স্থানীয় লোকজন তাকে গাঁজাসহ আটক করেন। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে হেফাজতে নেয়।

পরবর্তীতে তাকে ভ্রাম্যমাণ আদালতে হাজির করা হলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রূপম দাস মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং ৩০০ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেন।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রূপম দাস বলেন, ‘অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে তাকে এ দণ্ড দেওয়া হয়েছে। মাদকের বিরুদ্ধে উপজেলা প্রশাসনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।’

বাজিতপুরে খেলতে গিয়ে খালে ডুবে প্রাণ গেল দুই শিশুর

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: রবিবার, ২৬ জুলাই, ২০২৬, ৫:৫২ অপরাহ্ণ
বাজিতপুরে খেলতে গিয়ে খালে ডুবে প্রাণ গেল দুই শিশুর

কিশোরগঞ্জের বাজিতপুরে খালে ডুবে দুই শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। শনিবার (২৫ জুলাই) দুপুর আড়াইটার দিকে পৌর এলাকার মিরারবন্দ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত দুই শিশু হলো— মিরারবন্দ এলাকার মো. সুজন মিয়ার তিন বছর বয়সী ছেলে তাহসিন মিয়া এবং একই এলাকার মো. শাউন মিয়ার সাড়ে তিন বছর বয়সী মেয়ে মাওয়া আক্তার।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শনিবার দুপুরে খেলার ছলে পরিবারের সদস্যদের অগোচরে শিশু দুটি বাড়ির সামনের খালের পানিতে পড়ে যায়। দীর্ঘ সময় তাদের দেখতে না পেয়ে স্বজনেরা খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। একপর্যায়ে বাড়ির সামনের খাল থেকে শিশু দুটিকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।

পরে তাদের দ্রুত ভাগলপুর জহুরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক দুজনকেই মৃত ঘোষণা করেন।

খবর পেয়ে বাজিতপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে এবং প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শুরু করে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে বাজিতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস. এম. শহীদুল্লাহ বলেন, ‘ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।’

স্থানীয়দের ভাষ্য, বাড়ির সামনের খালটি বর্ষা মৌসুমে পানিতে পূর্ণ থাকায় শিশুদের জন্য এটি ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে ওঠে। অসাবধানতাবশত পানিতে পড়ে যাওয়ায় এ মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। তবে ঘটনার প্রকৃত কারণ জানতে পুলিশ বিষয়টি খতিয়ে দেখছে।


Warning: Constant WP_USE_THEMES already defined in /home/dkishoreganj/public_html/index.php on line 41