কিশোরগঞ্জ-২ আসনে ‘ময়ূর পাখি’ প্রতীক নিয়ে মাঠে সাবেক সাংসদ আনিসুজ্জামান খোকন
বুধবার (২১ জানুয়ারি) কিশোরগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে অবস্থিত রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে প্রতীক বরাদ্দ অনুষ্ঠানে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে আনিসুজ্জামান খোকন ‘ময়ূর পাখি’ প্রতীক পান।
কিশোরগঞ্জ-২ (কটিয়াদী–পাকুন্দিয়া) আসনে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন সাবেক সংসদ সদস্য আনিসুজ্জামান খোকন। তিনি ‘ময়ূর পাখি’ প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন।
উল্লেখ্য, আনিসুজ্জামান খোকন ১৯৭৯ সালে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) থেকে কটিয়াদী উপজেলা নিয়ে গঠিত আসনে বিপুল ভোটে জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। সংসদ সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে তিনি কটিয়াদী উপজেলার অবকাঠামো উন্নয়ন, শিক্ষা বিস্তার, যোগাযোগ ব্যবস্থা ও সামাজিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন বলে স্থানীয়ভাবে পরিচিত।
দীর্ঘদিন পর আবার নির্বাচনী রাজনীতিতে সক্রিয় হওয়ায় কটিয়াদী ও পাকুন্দিয়া উপজেলায় ব্যাপক আলোচনা ও আগ্রহ তৈরি হয়েছে। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, তার দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, জনপ্রিয়তা এবং অতীতের নির্বাচনী সাফল্য এবারের নির্বাচনে তাকে একজন শক্তিশালী প্রার্থী হিসেবে উপস্থাপন করছে।
প্রার্থিতা প্রসঙ্গে আনিসুজ্জামান খোকন বলেন,
“১৯৭৯ সালে বিএনপির মনোনয়নে কটিয়াদীর মানুষ আমাকে বিপুল ভোটে নির্বাচিত করেছিলেন। সেই আস্থা ও ভালোবাসা আজও আমার শক্তি। দল-মতের ঊর্ধ্বে উঠে কটিয়াদী ও পাকুন্দিয়ার মানুষের উন্নয়ন ও অধিকার রক্ষাই আমার প্রধান লক্ষ্য।”
তিনি আরও জানান, নির্বাচিত হলে শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, কৃষি উন্নয়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।
এদিকে কটিয়াদী ও পাকুন্দিয়া উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় তার প্রার্থিতা নিয়ে সাধারণ ভোটারদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনা চলছে। সমর্থকদের মধ্যেও দেখা যাচ্ছে উৎসাহ-উদ্দীপনা। অনেকেই আশাবাদ ব্যক্ত করছেন, সাবেক এই সংসদ সদস্য এবারের নির্বাচনে বিপুল ভোটে বিজয়ী হবেন।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে ‘ময়ূর পাখি’ প্রতীক নিয়ে আনিসুজ্জামান খোকনের অংশগ্রহণ এই আসনের নির্বাচনী সমীকরণে নতুন মাত্রা যোগ করেছে এবং ভোটের মাঠকে আরও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ করে তুলেছে।




