শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২০ ভাদ্র ১৪৩৩
[gtranslate]
শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২০ ভাদ্র ১৪৩৩

স্কুল মাঠে নিকলীর সাজনপুর হাট, দ্বিগুণ খাজনায় দূর্ভোগে ব্যবসায়ী

শেখ উবাইদুল হক সম্রাট প্রকাশিত: বুধবার, ২০ মে, ২০২৬, ১১:৪৭ অপরাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
স্কুল মাঠে নিকলীর সাজনপুর হাট, দ্বিগুণ খাজনায় দূর্ভোগে ব্যবসায়ী

কিশোরগঞ্জের নিকলী উপজেলার জারইতলা ইউনিয়নের সাজনপুর আঠারোবাড়িয়া এলাকার গোপীরায় বাজারে বসা গরুর হাটকে কেন্দ্র করে সৃষ্টি হয়েছে নানা অনিয়ম ও জনদুর্ভোগ। স্কুল মাঠ ও সড়ক দখল করে দীর্ঘদিন ধরে হাট পরিচালনার অভিযোগ উঠেছে। একই সঙ্গে চলতি মৌসুমে গরু, ছাগল ও মহিষের ওপর দ্বিগুণ খাজনা আদায়ের অভিযোগে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী ও বিক্রেতারা।

স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রায় ১৭ বছর ধরে সাজনপুর আঠারোবাড়িয়া এলাকায় প্রতি বুধবার গরুর হাট বসছে। হাটের কারণে স্কুল মাঠ, আশপাশের রাস্তা ও জনসাধারণের চলাচলের স্থান দখল হয়ে যায়। এতে শিক্ষার্থীদের স্বাভাবিক শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। অনেক শিক্ষার্থী নিয়মিত স্কুলে যেতে না পারায় ঝরে পড়ার ঘটনাও বাড়ছে বলে দাবি স্থানীয় অভিভাবকদের।

এলাকাবাসী জানান, গরুর হাটটি “গোপীরায় বাজার” নামে ইজারা দেওয়া হলেও মূল গোপীরায় বাজারের জায়গা এখনো প্রভাবশালীদের দখলে রয়েছে। সেখানে স্থায়ী দোকানপাট নির্মাণ করা হলেও সরকারি জায়গা উদ্ধারে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। অথচ সরকার প্রতিবছর এই বাজার থেকে কোটি টাকার রাজস্ব আদায় করছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, হাটের দিন পুরো এলাকায় তীব্র যানজট ও জনদুর্ভোগ সৃষ্টি হয়। সড়কের ওপর গরু বেচাকেনা হওয়ায় যান চলাচল প্রায় অচল হয়ে পড়ে। স্কুলগামী শিশু, নারী ও সাধারণ পথচারীদের দুর্ভোগে পড়তে হয়।

হাটে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা, বিশুদ্ধ পানির সুবিধা, গণশৌচাগার কিংবা ব্যাংকিং সেবাও নেই। এমনকি জাল নোট শনাক্তকরণ মেশিনও দেখা যায়নি। অথচ প্রতি হাটে কোটি কোটি টাকার পশু কেনাবেচা হয় বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।

দূরদূরান্ত থেকে আসা ক্রেতা ও বিক্রেতারা জানান, ব্যাংকিং সুবিধা না থাকায় বড় অঙ্কের নগদ টাকা বহনে নিরাপত্তা ঝুঁকিতে থাকতে হচ্ছে তাদের।

ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, গত বছর হাটটির ইজারা মূল্য ছিল প্রায় ৩ কোটি ৭৫ লাখ ৯০ হাজার টাকা। কিন্তু চলতি বছর ইজারা মূল্য কমে প্রায় ১ কোটি ২৫ লাখ টাকায় নেমে এলেও গবাদিপশুর খাজনা দ্বিগুণ করা হয়েছে।

অভিযোগ রয়েছে, ঈদুল আজহা উপলক্ষে অনুষ্ঠিত সর্বশেষ হাটে গরু, ছাগল ও মহিষ বিক্রির ক্ষেত্রে ক্রেতা ও বিক্রেতা উভয়ের কাছ থেকে ৬০০ টাকা করে মোট ১ হাজার ২০০ টাকা খাজনা আদায় করা হয়েছে। অথচ গত সপ্তাহেও প্রতি পশুর জন্য মোট ৬০০ টাকা খাজনা নেওয়া হয়েছিল।

গরু ব্যবসায়ী রহিম মিয়া বলেন, “গত বছর এবং আগের হাটেও খাজনা অনেক কম ছিল। এবার হঠাৎ দ্বিগুণ করায় ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা বড় ক্ষতির মুখে পড়েছেন।”

করগাঁও গ্রামের সাবিনা বেগম বলেন, “৩ হাজার টাকার একটি ছাগল বিক্রি করেছি। কিন্তু ৬০০ টাকা খাজনা দিতে হয়েছে। এতে কোনো লাভ থাকছে না।”

এ বিষয়ে ইজারাদার পক্ষের পরিচালক আঙ্গুর মিয়ার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। তবে ইজারাদার পক্ষের একটি সূত্র দাবি করেছে, ঈদকে কেন্দ্র করে অতিরিক্ত লোকবল, নিরাপত্তা ও ব্যবস্থাপনা ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় কিছুটা বেশি খাজনা নেওয়া হচ্ছে। তবে কাউকে জোরপূর্বক হয়রানি করা হচ্ছে না বলেও দাবি তাদের।

নিকলী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রেহানা মজুমদার মুক্তি বলেন, “খাজনা আদায়ের বিষয়ে অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

তবে ব্যবসায়ী ও স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখনো দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। দ্রুত অতিরিক্ত খাজনা আদায় বন্ধ এবং স্কুল ও সড়ক দখলমুক্ত করার দাবি জানিয়েছেন তারা।

হোসেনপুরে আগুনে পুড়ে ছাই তরুণ ব্যবসায়ীর স্বপ্ন

সঞ্জিত চন্দ্র শীল প্রকাশিত: শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:২১ অপরাহ্ণ
হোসেনপুরে আগুনে পুড়ে ছাই তরুণ ব্যবসায়ীর স্বপ্ন

কিশোরগঞ্জের হোসেনপুরে অগ্নিকাণ্ডে তরুণ ব্যবসায়ী ইমরান মিয়ার দোকানে থাকা বিপুল পরিমাণ বিস্কুট ও খাদ্যসামগ্রী পুড়ে গেছে। এতে প্রায় ৪ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। প্রবাস থেকে দেশে ফিরে নতুন করে ব্যবসা শুরু করা এই তরুণের স্বপ্ন আগুনে অনেকটাই ভস্মীভূত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) রাতে উপজেলার আড়াইবাড়িয়া ইউনিয়নের ধনকুড়া গ্রামের হেলিপ্যাডসংলগ্ন একটি দোকানে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ী ইমরান মিয়া উপজেলার নিরাহারগাতী গ্রামের বাসিন্দা।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রবাস থেকে দেশে ফিরে প্রায় তিন মাস আগে অলিম্পিক ও হক নামের দুটি কোম্পানির বিস্কুটসহ বিভিন্ন খাদ্যসামগ্রীর ডিলারশিপ নেন ইমরান মিয়া। তাঁর দোকান থেকে হোসেনপুর উপজেলার বিভিন্ন এলাকার খুচরা দোকানে এসব পণ্য সরবরাহ করা হতো।

বৃহস্পতিবার রাতে প্রতিদিনের মতো দোকান বন্ধ করে তালা দিয়ে বাড়ি চলে যান ইমরান। পরে গভীর রাতে ওই এলাকা দিয়ে যাওয়ার সময় এক রিকশাচালক দোকানে আগুন জ্বলতে দেখতে পান। বিষয়টি তিনি দোকানের মালিককে জানালে দ্রুত ফায়ার সার্ভিসে খবর দেওয়া হয়।

খবর পেয়ে হোসেনপুর ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। তবে এর আগেই দোকানে থাকা বিপুল পরিমাণ খাদ্যসামগ্রী পুড়ে যায়।

ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ী ইমরান মিয়া বলেন, “দুটি কোম্পানির প্রায় ৮ লাখ টাকার মালামাল দোকানে ছিল। কিছু মালামাল উদ্ধার করা গেলেও অধিকাংশই পুড়ে গেছে। নতুন করে ব্যবসা শুরু করেছিলাম। আগুনে আমার অনেক বড় ক্ষতি হয়ে গেল।”

তিনি বলেন, অগ্নিকাণ্ডে ব্যবসার পুঁজি ও পণ্যসামগ্রীর বড় একটি অংশ নষ্ট হয়ে যাওয়ায় তিনি আর্থিকভাবে ক্ষতির মুখে পড়েছেন।

হোসেনপুর ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার শামসুল হক বলেন, “খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে ফায়ার সার্ভিস আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। প্রাথমিকভাবে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।”

অগ্নিকাণ্ডের প্রকৃত কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্ত বা মূল্যায়নের পর আরও স্পষ্ট হবে।

তাড়াইলে শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমীতে বর্ণাঢ্য র‍্যালি

রুহুল আমিন প্রকাশিত: শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:২৬ অপরাহ্ণ
তাড়াইলে শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমীতে বর্ণাঢ্য র‍্যালি

সনাতন ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী উপলক্ষে কিশোরগঞ্জের তাড়াইলে বর্ণাঢ্য র‍্যালি অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টায় উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে পৃথক র‍্যালি বের হয়ে তাড়াইল সদর বাজারের কেন্দ্রীয় শ্রীশ্রী কালী মন্দির প্রাঙ্গণে এসে একত্রিত হয়।

সাচাইল শ্রীশ্রী রাধাগোবিন্দ মন্দির, হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান কল্যাণ ফ্রন্ট, তাড়াইল শ্রীশ্রী কেন্দ্রীয় কালী মন্দির এবং বরুহা শ্রীশ্রী পঞ্চতত্ত্ব মন্দিরের যৌথ আয়োজনে এ র‍্যালির আয়োজন করা হয়।

আয়োজকদের উদ্যোগে নিজ নিজ এলাকা থেকে বের হওয়া র‍্যালিগুলো তাড়াইল সদর বাজারের কেন্দ্রীয় শ্রীশ্রী কালী মন্দির প্রাঙ্গণে এসে মিলিত হয়। পরে কেন্দ্রীয় কালী মন্দির কমিটির সভাপতি শ্রী শীতল প্রসাদ পাল আগত ভক্তদের ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান।

এরপর সম্মিলিত র‍্যালিটি কেন্দ্রীয় কালী মন্দির প্রাঙ্গণ থেকে বের হয়ে তাড়াইল সদর বাজারের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে কালনা আখড়ায় গিয়ে শেষ হয়। র‍্যালিতে সনাতন ধর্মাবলম্বী নারী-পুরুষ, শিশু-কিশোরসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।

র‍্যালিতে শঙ্খধ্বনি, উলুধ্বনি, কীর্তন ও ধর্মীয় সংগীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়। পুরো আয়োজনজুড়ে ভক্তদের মধ্যে ছিল উৎসাহ-উদ্দীপনা।

র‍্যালিতে উপস্থিত ছিলেন হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান কল্যাণ ফ্রন্ট তাড়াইল উপহোজেলা শাখার সভাপতি অজয় সরকার ও সাধারণ সম্পাদক অনুকুল বিশ্বাস। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন তাড়াইল উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি মাজহারুল ইসলাম মুকুল, সহ-সাধারণ সম্পাদক সামির সেন সাকি, কেন্দ্রীয় কালী মন্দির কমিটির সভাপতি শ্রী শীতল প্রসাদ পালসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।

হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান কল্যাণ ফ্রন্টের সভাপতি অজয় সরকার বলেন, শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী সত্য, ন্যায়, মানবতা ও শান্তির শিক্ষা দেয়। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে পারস্পরিক সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্য বজায় রেখে সবাইকে এগিয়ে যেতে হবে।

ফ্রন্টের সাধারণ সম্পাদক অনুকুল বিশ্বাস বলেন, শ্রীকৃষ্ণের আদর্শ মানুষের মধ্যে মানবিকতা, ন্যায়বোধ ও ভ্রাতৃত্ববোধ জাগ্রত করে। সব ধর্মের মানুষের শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান ও পারস্পরিক সম্প্রীতিই সমাজের সৌন্দর্য। জন্মাষ্টমীর এ আয়োজনের মাধ্যমে শান্তি ও সম্প্রীতির বার্তা ছড়িয়ে পড়ুক—এটাই তাঁদের প্রত্যাশা।

র‍্যালি শেষে কালনা আখড়ায় ধর্মীয় আলোচনা, নামসংকীর্তন ও প্রার্থনার আয়োজন করা হয়। দেশ ও জাতির শান্তি, সমৃদ্ধি এবং কল্যাণ কামনার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি হয়।

রেকর্ডের ঠিকানা বদলায়, সঙ্গী বদলায় না: তামিম-হৃদয়ের মহাকাব্যের নীরব সাক্ষী রাজা

শাহীন আলম প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:৪০ অপরাহ্ণ
রেকর্ডের ঠিকানা বদলায়, সঙ্গী বদলায় না: তামিম-হৃদয়ের মহাকাব্যের নীরব সাক্ষী রাজা

বাংলাদেশের লাল বলের ক্রিকেটে ইতিহাসের পাতায় লেখা দুটি মহাকাব্যিক ইনিংস—তামিম ইকবালের ৩৩৪ এবং তাওহীদ হৃদয়ের ৩৫০। বিস্ময়করভাবে, দুই ঐতিহাসিক কীর্তির সঙ্গেই কোনো না কোনোভাবে জড়িয়ে আছে রেজাউর রহমান রাজার নাম।

২০২০ সালে তামিম ইকবালের ৩৩৪ রানের অবিস্মরণীয় ইনিংসের পর মাঠে দাঁড়িয়ে গার্ড অব অনার দেওয়ার গৌরবময় মুহূর্তের সাক্ষী ছিলেন রাজা। সময়ের স্রোত পেরিয়ে এবার নিজেই হয়ে উঠলেন আরেক ইতিহাসের অংশ- তাওহীদ হৃদয়ের ৩৫০ রানের মহাকাব্যিক ইনিংসে ছিলেন তাঁর ব্যাটিং সঙ্গী, দৃঢ় হাতে সামলেছেন অন্য প্রান্ত।

একবার ইতিহাসের সামনে দাঁড়িয়ে সম্মান জানিয়েছেন, আরেকবার ইতিহাসের পাশে দাঁড়িয়ে গড়েছেন স্মরণীয় মুহূর্ত।

তামিমের ৩৩৪ থেকে হৃদয়ের ৩৫০—দুই প্রজন্মের দুই মহাকাব্য, আর দুটির মাঝখানে এক রাজা।
বাংলাদেশের লাল বলের ক্রিকেটের এই গল্পে রেজাউর রহমান রাজা তাই শুধু একজন ক্রিকেটার নন—তিনি হয়ে থাকলেন ইতিহাসের দুই স্মরণীয় অধ্যায়ের নীরব সাক্ষী ও সহযাত্রী।