বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬, ৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬, ৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

ইতালি পাঠানোর নামে প্রতারণা, ভৈরবে নারীসহ আটক ২

জয়নাল আবেদীন রিটন প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২১ মে, ২০২৬, ২:৫৮ অপরাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
ইতালি পাঠানোর নামে প্রতারণা, ভৈরবে নারীসহ আটক ২

কিশোরগঞ্জের ভৈরবে পৃথক মানবপাচার মামলায় এক নারীসহ দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে থানা পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃতদের বৃহস্পতিবার (২১ মে) দুপুরে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

এর আগে বুধবার (২০ মে) দিবাগত রাত ৩টার দিকে উপজেলার গজারিয়া ইউনিয়নের নামাপাড়া এলাকা থেকে শিরিনা বেগম (৪৮) নামে এক নারীকে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি ওই এলাকার আসাদ মিয়ার স্ত্রী।

একই রাতে পৌর শহরের কমলপুর এলাকা থেকে মোস্তাকিম ওরফে বিজয় (২৬) নামে আরও এক আসামিকে আটক করা হয়। তিনি কমলপুর এলাকার সাজিদ মিয়ার ছেলে।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত বছরের ডিসেম্বর মাসে কুদ্দুস মিয়া নামের এক ব্যক্তি সাতজনকে আসামি করে ভৈরব থানায় মানবপাচারের অভিযোগে মামলা দায়ের করেন। মামলায় উল্লেখ করা হয়, তার ছেলে রনি মিয়াকে ইউরোপের দেশ ইতালিতে পাঠানোর কথা বলে একটি দালালচক্র ১৭ লাখ টাকা নেয়। পরে তাকে লিবিয়ায় নেওয়া হলেও ইতালিতে পাঠানো হয়নি।

অপরদিকে, ভৈরবের ভবানীপুর এলাকার আলাল মিয়াও তার ছেলে তারিকুল ইসলামকে লিবিয়া হয়ে ইতালিতে পাঠানোর আশ্বাসে শিরিনা বেগমসহ তার পরিবারের সদস্যদের কাছে প্রায় দেড় বছর আগে ৯ লাখ টাকা দেন। পরবর্তীতে তার ছেলেকেও লিবিয়ায় নেওয়া হলেও ইতালিতে পাঠানো হয়নি বলে অভিযোগ করা হয়। এ ঘটনায় আলাল মিয়া শিরিনা বেগমসহ চারজনকে আসামি করে ভৈরব থানায় আরেকটি মামলা দায়ের করেন।

গ্রেপ্তারের পর থানা চত্বরে শিরিনা বেগম ও মোস্তাকিম ওরফে বিজয় নিজেদের নির্দোষ দাবি করেন। তারা বলেন, ভুক্তভোগী পরিবারের সঙ্গে তাদের আপোষ-মীমাংসা হয়েছে। মামলা নিষ্পত্তি না হওয়ায় পুলিশ তাদের গ্রেপ্তার করেছে।

এ বিষয়ে ভৈরব থানার উপপরিদর্শক (এসআই) নূরুল হুদা বলেন, আদালতের নির্দেশে ভৈরব থানায় মামলাগুলো গ্রহণ করা হয়। তদন্তে অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ার পর পুলিশ অভিযান পরিচালনা করে। দীর্ঘদিন পলাতক থাকার পর গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এক নারীসহ দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, গ্রেপ্তারকৃতরা মানবপাচার মামলার এজাহারভুক্ত আসামি। আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

ঈদ উপলক্ষে হোসেনপুর পৌরসভায় দুস্থদের মাঝে চাল বিতরণ

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২১ মে, ২০২৬, ১:১২ অপরাহ্ণ
ঈদ উপলক্ষে হোসেনপুর পৌরসভায় দুস্থদের মাঝে চাল বিতরণ

আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে কিশোরগঞ্জের হোসেনপুর পৌরসভায় ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরের মানবিক সহায়তা কর্মসূচির আওতায় বিনামূল্যে ভিজিএফ (VGF) চাল বিতরণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। সরকারের এ কর্মসূচির অংশ হিসেবে পৌর এলাকার দুস্থ, অসহায় ও নিম্নআয়ের পরিবারের মাঝে খাদ্য সহায়তা প্রদান করা হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার (২১ মে) সকাল থেকে হোসেনপুর পৌরসভা কার্যালয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে চাল বিতরণ কার্যক্রম শুরু হয়। পৌরসভা সূত্রে জানা গেছে, এ কার্যক্রম আগামী তিন থেকে চার দিন চলমান থাকবে।

এবারের কর্মসূচিতে হোসেনপুর পৌরসভার ৩ হাজার ৮৫টি তালিকাভুক্ত পরিবারের প্রত্যেককে ১০ কেজি করে চাল প্রদান করা হচ্ছে। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের বাস্তবায়নে স্থানীয় প্রশাসনের সার্বিক তত্ত্বাবধানে সুশৃঙ্খল পরিবেশে চাল বিতরণ করা হচ্ছে।

বিতরণ কার্যক্রম পরিদর্শনকালে পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা এ কে এম হাবিবুল্লাহ বলেন, “পবিত্র ঈদুল আজহার আনন্দ যেন সমাজের প্রতিটি পরিবারের মাঝে পৌঁছে যায়, সে লক্ষ্যেই সরকারের পক্ষ থেকে এই মানবিক সহায়তা কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। শতভাগ স্বচ্ছতা নিশ্চিত করে প্রকৃত উপকারভোগীদের হাতে চাল পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে।”

তিনি আরও বলেন, কোনো ধরনের অনিয়ম বা ভোগান্তি ছাড়াই যাতে সুবিধাভোগীরা তাদের প্রাপ্য সহায়তা পান, সে বিষয়টি বিশেষভাবে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, কার্ডধারীরা নির্ধারিত কুপন ও পরিচয়পত্র প্রদর্শনের মাধ্যমে সুশৃঙ্খলভাবে তাদের চাল সংগ্রহ করছেন। চাল পেয়ে অনেক সুবিধাভোগী পরিবার সরকারের এ উদ্যোগের প্রশংসা করেন এবং সন্তোষ প্রকাশ করেন।

বিতরণ কার্যক্রমে উপস্থিত ছিলেন হোসেনপুর মডেল প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক সঞ্জিত চন্দ্র শীল, মফস্বল সাংবাদিক ইউনিয়ন হোসেনপুর শাখার সভাপতি এস কে শাহীন নবাব, স্বাস্থ্য সহকারী মো. সৈয়দুজ্জামান, অফিস সহকারী মো. আ. হান্নানসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

স্কুল মাঠে নিকলীর সাজনপুর হাট, দ্বিগুণ খাজনায় দূর্ভোগে ব্যবসায়ী

শেখ উবাইদুল হক সম্রাট প্রকাশিত: বুধবার, ২০ মে, ২০২৬, ১১:৪৭ অপরাহ্ণ
স্কুল মাঠে নিকলীর সাজনপুর হাট, দ্বিগুণ খাজনায় দূর্ভোগে ব্যবসায়ী

কিশোরগঞ্জের নিকলী উপজেলার জারইতলা ইউনিয়নের সাজনপুর আঠারোবাড়িয়া এলাকার গোপীরায় বাজারে বসা গরুর হাটকে কেন্দ্র করে সৃষ্টি হয়েছে নানা অনিয়ম ও জনদুর্ভোগ। স্কুল মাঠ ও সড়ক দখল করে দীর্ঘদিন ধরে হাট পরিচালনার অভিযোগ উঠেছে। একই সঙ্গে চলতি মৌসুমে গরু, ছাগল ও মহিষের ওপর দ্বিগুণ খাজনা আদায়ের অভিযোগে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী ও বিক্রেতারা।

স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রায় ১৭ বছর ধরে সাজনপুর আঠারোবাড়িয়া এলাকায় প্রতি বুধবার গরুর হাট বসছে। হাটের কারণে স্কুল মাঠ, আশপাশের রাস্তা ও জনসাধারণের চলাচলের স্থান দখল হয়ে যায়। এতে শিক্ষার্থীদের স্বাভাবিক শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। অনেক শিক্ষার্থী নিয়মিত স্কুলে যেতে না পারায় ঝরে পড়ার ঘটনাও বাড়ছে বলে দাবি স্থানীয় অভিভাবকদের।

এলাকাবাসী জানান, গরুর হাটটি “গোপীরায় বাজার” নামে ইজারা দেওয়া হলেও মূল গোপীরায় বাজারের জায়গা এখনো প্রভাবশালীদের দখলে রয়েছে। সেখানে স্থায়ী দোকানপাট নির্মাণ করা হলেও সরকারি জায়গা উদ্ধারে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। অথচ সরকার প্রতিবছর এই বাজার থেকে কোটি টাকার রাজস্ব আদায় করছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, হাটের দিন পুরো এলাকায় তীব্র যানজট ও জনদুর্ভোগ সৃষ্টি হয়। সড়কের ওপর গরু বেচাকেনা হওয়ায় যান চলাচল প্রায় অচল হয়ে পড়ে। স্কুলগামী শিশু, নারী ও সাধারণ পথচারীদের দুর্ভোগে পড়তে হয়।

হাটে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা, বিশুদ্ধ পানির সুবিধা, গণশৌচাগার কিংবা ব্যাংকিং সেবাও নেই। এমনকি জাল নোট শনাক্তকরণ মেশিনও দেখা যায়নি। অথচ প্রতি হাটে কোটি কোটি টাকার পশু কেনাবেচা হয় বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।

দূরদূরান্ত থেকে আসা ক্রেতা ও বিক্রেতারা জানান, ব্যাংকিং সুবিধা না থাকায় বড় অঙ্কের নগদ টাকা বহনে নিরাপত্তা ঝুঁকিতে থাকতে হচ্ছে তাদের।

ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, গত বছর হাটটির ইজারা মূল্য ছিল প্রায় ৩ কোটি ৭৫ লাখ ৯০ হাজার টাকা। কিন্তু চলতি বছর ইজারা মূল্য কমে প্রায় ১ কোটি ২৫ লাখ টাকায় নেমে এলেও গবাদিপশুর খাজনা দ্বিগুণ করা হয়েছে।

অভিযোগ রয়েছে, ঈদুল আজহা উপলক্ষে অনুষ্ঠিত সর্বশেষ হাটে গরু, ছাগল ও মহিষ বিক্রির ক্ষেত্রে ক্রেতা ও বিক্রেতা উভয়ের কাছ থেকে ৬০০ টাকা করে মোট ১ হাজার ২০০ টাকা খাজনা আদায় করা হয়েছে। অথচ গত সপ্তাহেও প্রতি পশুর জন্য মোট ৬০০ টাকা খাজনা নেওয়া হয়েছিল।

গরু ব্যবসায়ী রহিম মিয়া বলেন, “গত বছর এবং আগের হাটেও খাজনা অনেক কম ছিল। এবার হঠাৎ দ্বিগুণ করায় ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা বড় ক্ষতির মুখে পড়েছেন।”

করগাঁও গ্রামের সাবিনা বেগম বলেন, “৩ হাজার টাকার একটি ছাগল বিক্রি করেছি। কিন্তু ৬০০ টাকা খাজনা দিতে হয়েছে। এতে কোনো লাভ থাকছে না।”

এ বিষয়ে ইজারাদার পক্ষের পরিচালক আঙ্গুর মিয়ার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। তবে ইজারাদার পক্ষের একটি সূত্র দাবি করেছে, ঈদকে কেন্দ্র করে অতিরিক্ত লোকবল, নিরাপত্তা ও ব্যবস্থাপনা ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় কিছুটা বেশি খাজনা নেওয়া হচ্ছে। তবে কাউকে জোরপূর্বক হয়রানি করা হচ্ছে না বলেও দাবি তাদের।

নিকলী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রেহানা মজুমদার মুক্তি বলেন, “খাজনা আদায়ের বিষয়ে অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

তবে ব্যবসায়ী ও স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখনো দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। দ্রুত অতিরিক্ত খাজনা আদায় বন্ধ এবং স্কুল ও সড়ক দখলমুক্ত করার দাবি জানিয়েছেন তারা।

টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ টেবিলে ভারতের ওপরে টাইগাররা

পাকিস্তানকে হোয়াইটওয়াশ করে ইতিহাস গড়ল বাংলাদেশ

শাহীন আলম প্রকাশিত: বুধবার, ২০ মে, ২০২৬, ৭:০২ অপরাহ্ণ
পাকিস্তানকে হোয়াইটওয়াশ করে ইতিহাস গড়ল বাংলাদেশ

সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ইতিহাস গড়েছে বাংলাদেশ। দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে পাকিস্তানকে ৭৮ রানে হারিয়ে ২-০ ব্যবধানে সিরিজ জিতেছে নাজমুল হোসেন শান্তর দল। এর মধ্য দিয়ে পাকিস্তানের বিপক্ষে প্রথমবারের মতো টেস্ট সিরিজে হোয়াইটওয়াশের কীর্তি গড়ল টাইগাররা।

এই জয়ের ফলে আইসিসি বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ (ডব্লিউটিসি) পয়েন্ট টেবিলেও বড় অগ্রগতি হয়েছে বাংলাদেশের। পয়েন্ট তালিকায় ভারতকে পেছনে ফেলে ইতিহাসের সর্বোচ্চ অবস্থানে উঠে এসেছে টাইগাররা।

মঙ্গলবার ম্যাচের পঞ্চম দিনে জয়ের জন্য পাকিস্তানের প্রয়োজন ছিল আরও ১৬৩ রান, হাতে ছিল ৫ উইকেট। তবে দিনের শুরুতেই বাংলাদেশের বোলাররা ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নিয়ে নেন। বিশেষ করে স্পিনার তাইজুল ইসলামের দুর্দান্ত বোলিংয়ে গুটিয়ে যায় পাকিস্তানের দ্বিতীয় ইনিংস।

সংক্ষিপ্ত স্কোরঃ বাংলাদেশ ১ম ইনিংস: ২৭৮ (লিটন দাস ১২৬); পাকিস্তান ১ম ইনিংস: ২৩২; বাংলাদেশ ২য় ইনিংস: ৩৯০ (মুশফিকুর রহিম ১৩৭); পাকিস্তান ২য় ইনিংস: ৩৫৮ (মোহাম্মদ রিজওয়ান ৯৪, সালমান আলী আগা ৭১; তাইজুল ইসলাম ৬/১২০) ফল: বাংলাদেশ ৭৮ রানে জয়ী।

৪০১ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে আগের দিনই ৫ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে পাকিস্তান। শেষ দিনে মোহাম্মদ রিজওয়ান ও সালমান আলী আগা প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করেন। তবে রিজওয়ানকে ৯৪ রানে ফিরিয়ে গুরুত্বপূর্ণ ব্রেকথ্রু এনে দেন শরিফুল ইসলাম।

এরপর ম্যাচ পুরোপুরি বাংলাদেশের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে যান তাইজুল ইসলাম। বাঁহাতি এই স্পিনার দ্বিতীয় ইনিংসে ৬ উইকেট শিকার করেন। ম্যাচে তার মোট শিকার ৯ উইকেট।

বাংলাদেশের জয়ের ভিত্তি গড়ে দেন দুই অভিজ্ঞ ব্যাটার লিটন দাস ও মুশফিকুর রহিম। প্রথম ইনিংসে লিটনের ১২৬ রানের ইনিংসে লড়াইয়ে ফিরে বাংলাদেশ। এরপর দ্বিতীয় ইনিংসে মুশফিকের ১৩৭ রানের ইনিংসে পাকিস্তানের সামনে বড় লক্ষ্য দাঁড় করায় স্বাগতিকরা।

ব্যাটিংয়ের পাশাপাশি বোলারদের নিয়ন্ত্রিত পারফরম্যান্স এবং ফিল্ডারদের দৃঢ়তায় পুরো ম্যাচেই আধিপত্য দেখিয়েছে বাংলাদেশ।

পাকিস্তানের মাটিতে সিরিজ জয়ের পর ঘরের মাঠেও একই প্রতিপক্ষকে হারিয়ে আত্মবিশ্বাসী বাংলাদেশ। ক্রিকেট বিশ্লেষকদের মতে, এটি দেশের টেস্ট ইতিহাসের অন্যতম সেরা সাফল্য।

ঐতিহাসিক এই জয়ের পর সিলেট স্টেডিয়ামে উচ্ছ্বাসে মেতে ওঠেন দর্শকরা। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও প্রশংসায় ভাসছে বাংলাদেশ দল।