সোমবার, ২২ জুন ২০২৬, ৮ আষাঢ় ১৪৩৩
সোমবার, ২২ জুন ২০২৬, ৮ আষাঢ় ১৪৩৩

কটিয়াদীতে ধানের শীষের পক্ষে গণজোয়ার সৃষ্টির লক্ষে গণমিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত

মাইনুল হক মেনু প্রকাশিত: শনিবার, ২৪ জানুয়ারি, ২০২৬, ৭:১৮ অপরাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
কটিয়াদীতে ধানের শীষের পক্ষে গণজোয়ার সৃষ্টির লক্ষে গণমিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত

কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী উপজেলা বিএনপি’র আয়োজনে ধানের শীষের পক্ষে গণজোয়ার সৃষ্টির লক্ষে গণমিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ সময় কিশোরগঞ্জ-২(কটিয়াদী-পাকুন্দিয়া) সংসদীয় আসনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি’র ধানের শীষের মনোনয়নপ্রত্যাশীদের মধ্যে ঐক্যের ছবি ফুটে উঠেছে।

এ আসনে ধানের শীষের মনোনয়ন না পেলেও দেশ ও দলের স্বার্থে এবং বিএনপি’র চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশে সকল মনোনয়ন প্রত্যাশীরা ঐক্যবদ্ধ হয়ে মিছিলসহ একমঞ্চে এসে ধানের শীষের পক্ষে গণমিছিল ও সমাবেশে যোগদান করেন। সমাবেশ শেষে গণমিছিলটি কটিয়াদী বাসষ্ট্যান্ড থেকে শুরু করে কটিয়াদী বাজারের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে আবার একই স্থানে এসে শেষ হয়।

শনিবার বিকেলে কটিয়াদী বাসষ্ট্যান্ড পেট্রোলপাম্প সংলগ্ন স্থানে অনুষ্ঠিত গণমিছিল ও সমাবেশে কটিয়াদী উপজেলা বিএনপি’র সভাপতি ও সাবেক পৌর মেয়র তোফাজ্জল হোসেন খাঁন দিলীপের সভাপতিত্বে এবং যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহফুজুর রহমান মিটু ও শফিকুল ইসলাম ফুলুর সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন কিশোরগঞ্জ-২(কটিয়াদী-পাকুন্দিয়া) সংসদীয় আসনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী এডভোকেট মোহাম্মদ জালাল উদ্দিন।

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় যুবদলের সাবেক সহ-সভাপতি ও কিশোরগঞ্জ জেলা বিএনপি’র সাবেক সহ-সভাপতি রুহুল আমিন আকিল, কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ও জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. শহিদুজ্জামান কাকন, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল আশিকুজ্জামান নজরুল, কটিয়াদী উপজেলা বিএনপি’র সিনিয়র সহ-সভাপতি ডাঃ জহর লাল সাহা, সহ-সভাপতি মিজানুর রহমান স্বপন, শেখ জসিম উদ্দিন মেনু, পাকুন্দিয়া উপজেলা বিএনপির যুগ্ম-আহ্বায়ক মোঃ কামাল হোসেন, কটিয়াদী উপজেলা বিএনপি’র সাংগঠনিক সম্পাদক মো. খলিলুর রহমান, হাজী মোহাম্মদ আলী প্রমুখ।

উপস্থিত ছিলেন কিশোরগঞ্জ জেলা জজ কোর্টের সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর ও চান্দপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মো. রিয়াজুল ইসলাম সেবক, জালালপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মো. শফিকুল ইসলাম শ্যামল, লোহাজুরী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মো. সাইফুল মতিন জুয়েল, সাধারণ সম্পাদক মোবারক হোসেন সরকার, আচমিতা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মো. আব্দুল হান্নান, জালালপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. রফিকুল আলম রফিক, মুমুরদিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আলা উদ্দীন সাবেরী, চান্দপুর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মো. মাহতাব উদ্দিন, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব মো. শহিদুল ইসলাম সেলিমসহ উপজেলা বিভিন্ন ইউনিয়নের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক এবং বিএনপির সকল অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

বিকেলে ধানের শীষের পক্ষে গণজোয়ার সৃষ্টির লক্ষে উপজেলা বিভিন্ন ইউনিয়নের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকদের নেতৃত্বে পৃথক পৃথক মিছিল নিয়ে সমাবেশস্থলে আসেন। সমাবেশ শেষে গণমিছিলটি কটিয়াদী বাসষ্ট্যান্ড থেকে শুরু করে কটিয়াদী বাজারের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে আবার একই স্থানে এসে শেষ হয়।

উল্লেখ্য, কিশোরগঞ্জ-২(কটিয়াদী-পাকুন্দিয়া) সংসদীয় আসনে বিএনপি’র ধানের শীষের মনোনয়নপ্রত্যাশী ছিলেন উপজেলা বিএনপি’র সভাপতি ও সাবেক পৌর মেয়র তোফাজ্জল হোসেন খাঁন দিলীপ, কেন্দ্রীয় যুবদলের সাবেক সহ-সভাপতি ও কিশোরগঞ্জ জেলা বিএনপি’র সাবেক সহ-সভাপতি রুহুল আমিন আকিল এবং কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ও জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. শহিদুজ্জামান কাকন।

আওয়ামী লীগের অপতৎপরতার প্রতিবাদে কটিয়াদীতে ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিল

মাইনুল হক মেনু প্রকাশিত: সোমবার, ২২ জুন, ২০২৬, ১০:১৮ অপরাহ্ণ
আওয়ামী লীগের অপতৎপরতার প্রতিবাদে কটিয়াদীতে  ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিল

কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীতে উপজেলা ছাত্রদলের উদ্যোগে আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ এবং তাদের অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের কথিত অপতৎপরতা, দেশবিরোধী কর্মকাণ্ড ও নাশকতার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। কর্মসূচিতে উপজেলা, পৌর ও বিভিন্ন ইউনিয়ন ছাত্রদলের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী অংশ নেন।

সোমবার বিকেলে কটিয়াদী উপজেলা সড়কসংলগ্ন এলাকা থেকে বিক্ষোভ মিছিলটি বের হয়ে পৌর সদরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মোড় অতিক্রম করে উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গণে গিয়ে শেষ হয়। এ সময় নেতাকর্মীরা বিভিন্ন স্লোগানের মাধ্যমে আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানান এবং কথিত দেশবিরোধী কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে জনমত গড়ে তোলার আহ্বান জানান।

মিছিলে নেতৃত্ব দেন কিশোরগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের সাবেক সহ-সভাপতি মুশফিকুর রহমান ওবায়দুর, কটিয়াদী উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক তসরিফুল হাছিব, সদস্যসচিব আশিকুর রহমান, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক কামরুল ইসলাম, পৌর ছাত্রদলের আহ্বায়ক দিদারুল ইসলাম এবং সদস্যসচিব মো. নাসিম মিয়া। এছাড়া উপজেলা ও পৌর ছাত্রদলের বিভিন্ন ইউনিটের নেতাকর্মীরা এতে অংশগ্রহণ করেন।

পরে উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তারা বলেন, দেশের শান্তি, শৃঙ্খলা ও গণতান্ত্রিক পরিবেশ বিনষ্টের লক্ষ্যে কোনো ধরনের নাশকতা বা অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টির অপচেষ্টা বরদাশত করা হবে না। তাঁদের অভিযোগ, একটি চক্র দেশের উন্নয়ন ও স্থিতিশীলতা ব্যাহত করতে বিভিন্ন ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে। এসব কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে ছাত্রসমাজকে ঐক্যবদ্ধ থেকে সোচ্চার ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান তারা।

বক্তারা আরও বলেন, দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ রক্ষায় ছাত্রদল অতীতের মতো ভবিষ্যতেও রাজপথে সক্রিয় থাকবে। জনগণের জানমাল ও রাষ্ট্রীয় সম্পদের নিরাপত্তা বিঘ্নিত করতে পারে—এমন যেকোনো অপতৎপরতা কঠোরভাবে প্রতিহত করার কথাও তারা উল্লেখ করেন।

এ সময় দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং শান্তিপূর্ণ রাজনৈতিক পরিবেশ বজায় রাখতে প্রশাসনের প্রতি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানানো হয়। একই সঙ্গে ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের সতর্ক ও ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানিয়ে বক্তারা বলেন, গণতন্ত্র, ভোটাধিকার এবং জনগণের মৌলিক অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে ছাত্রদল অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে এবং ভবিষ্যতেও দেশের স্বার্থবিরোধী যেকোনো ষড়যন্ত্র মোকাবিলায় রাজপথে সক্রিয় থাকবে।

কিশোরগঞ্জ জেলা কারাগার পরিদর্শনে জেলা প্রশাসক সোহানা নাসরিন

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: সোমবার, ২২ জুন, ২০২৬, ৯:০৯ অপরাহ্ণ
কিশোরগঞ্জ জেলা কারাগার পরিদর্শনে জেলা প্রশাসক সোহানা নাসরিন

“রাখিব নিরাপদ, দেখাবো আলোর পথ”— এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে সোমবার (২২ জুন ২০২৬) কিশোরগঞ্জ জেলা কারাগার পরিদর্শন করেছেন কিশোরগঞ্জের জেলা প্রশাসক সোহানা নাসরিন।

কারা প্রাঙ্গণে পৌঁছালে জেলা প্রশাসককে কারা কর্তৃপক্ষ আনুষ্ঠানিক গার্ড অব অনার প্রদান করে। পরে তিনি কারাগারের সার্বিক পরিবেশ, বন্দিদের আবাসন ব্যবস্থা, খাদ্যের মান, চিকিৎসাসেবা এবং অন্যান্য কল্যাণমূলক কার্যক্রম সরেজমিনে পরিদর্শন করেন।

পরিদর্শনকালে জেলা প্রশাসক কারাবন্দিদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন এবং তাঁদের বিভিন্ন অভিযোগ, সমস্যা ও প্রত্যাশার কথা মনোযোগ দিয়ে শোনেন। প্রতিকারযোগ্য বিষয়গুলো দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনাও দেন তিনি।

এ সময় তিনি বন্দিদের জন্য সরবরাহকৃত খাদ্যের গুণগত মান বজায় রাখা এবং কারা ক্যান্টিনে বিক্রিত পণ্যের মূল্য ও মান নিয়মিত তদারকির নির্দেশ দেন। পাশাপাশি অসুস্থ বন্দিদের যথাযথ চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করা, প্রয়োজনীয় ওষুধের পর্যাপ্ত সরবরাহ বজায় রাখা এবং নির্ধারিত বিধি অনুযায়ী পুষ্টিকর খাদ্য সরবরাহের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন।

জেলা প্রশাসক কারা কর্তৃপক্ষকে বন্দিদের মানবিক মর্যাদা রক্ষা, পুনর্বাসনমূলক কার্যক্রম জোরদার এবং একটি সংশোধনমুখী পরিবেশ বজায় রাখার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, কারাগার শুধু শাস্তি কার্যকরের স্থান নয়; বরং একজন মানুষকে সৎ, দায়িত্বশীল ও সমাজোপযোগী নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার একটি কার্যকর শোধনাগার হওয়া উচিত।

তিনি আশা প্রকাশ করেন, এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে কারা কর্তৃপক্ষ ভবিষ্যতেও আন্তরিকতা, দায়িত্বশীলতা ও মানবিক দৃষ্টিভঙ্গির সঙ্গে দায়িত্ব পালন করবে।

কিশোরগঞ্জের মিঠামইনে লক্ষাধিক টাকার নিষিদ্ধ জাল পুড়িয়ে ধ্বংস

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: সোমবার, ২২ জুন, ২০২৬, ৬:৫৮ অপরাহ্ণ
কিশোরগঞ্জের মিঠামইনে লক্ষাধিক টাকার নিষিদ্ধ জাল পুড়িয়ে ধ্বংস

কিশোরগঞ্জের মিঠামইনে মৎস্য অধিদপ্তরের অভিযানে তিন লাখ টাকা মূল্যের নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারি (রিং) জাল জব্দ করে, আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়েছে।

আজ সোমবার (২২ জুন) দুপুরে অভিযান শেষে বিকেল ৩টার দিকে মিঠামইন থানার ঘাট এলাকায় জব্দকৃত জাল পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়।

উপজেলা মৎস্য দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, মৎস্য প্রজনন মৌসুমে হাওরে মাছের উৎপাদন বাড়ানো ও নিষিদ্ধ জালের ব্যবহার রোধে মিঠামইন উপজেলার ছোটদিঘা বিল, দেওদাইর, রাফায়েল বিল এলাকায় অভিযান চালিয়ে প্রায় সাড়ে তিন হাজার নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারি জাল জব্দ করা হয়। পরে, উপজেলার সদরে থানার ঘাটে জালগুলো পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়।

এসময় কোন জেলেকে পাওয়া যায়নি। অভিযানকালে, মিঠামইন নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির সহযোগিতায়, উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. নজরুল ইসলামের নেতৃত্বে অভিযানে অংশ নেন উপজেলা মৎস্য অধিদপ্তরের কর্মকর্তা কর্মচারীরা।

এই বিষয়ে উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. নজরুল ইসলাম বলেন, উন্মুক্ত জলাশয়ে মাছের উৎপাদন বৃদ্ধি এবং মৎস্য সম্পদ সংরক্ষণে জন্য চায়না দুয়ারি ও কারেন্ট জালসহ নিষিদ্ধ সকল জাল জব্দ, বন্ধকরণ, অবৈধ বাঁধ ও অন্যান্য স্থায়ী স্থাপনা অপসারণে অভিযান পরিচালনা করা হয়। জব্দ করা জাল পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়। জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।