মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬, ৯ আষাঢ় ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬, ৯ আষাঢ় ১৪৩৩

দুই বছর ধরে পরিত্যক্ত সরারচর ডাকবাংলো, আবাসন সংকটে ভোগান্তি

সাব্বির আহমদ মানিক প্রকাশিত: সোমবার, ২২ জুন, ২০২৬, ৬:৩৩ অপরাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
দুই বছর ধরে পরিত্যক্ত সরারচর ডাকবাংলো, আবাসন সংকটে ভোগান্তি

কিশোরগঞ্জের বাজিতপুর উপজেলার সরারচর ইউনিয়নের রেলওয়ে স্টেশনের পেছনে অবস্থিত ঐতিহ্যবাহী সরারচর ডাকবাংলো দীর্ঘদিন ধরে পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে আছে। প্রায় দুই বছরেরও বেশি সময় ধরে ভবনটি ব্যবহারের অনুপযোগী থাকায় সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী, বিভিন্ন দপ্তরের অতিথি এবং সাধারণ যাত্রীদের আবাসন-সংকটে পড়তে হচ্ছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, সংস্কারের অভাবে একসময়কার গুরুত্বপূর্ণ এই সরকারি স্থাপনাটি এখন ধীরে ধীরে ধ্বংসের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে।
জানা গেছে, জেলা পরিষদের অধীনে পরিচালিত ডাকবাংলোটির অবকাঠামো বর্তমানে অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। ভবনের বিভিন্ন অংশে ফাটল, ক্ষয় এবং জীর্ণতা দেখা দেওয়ায় এটি পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হয়েছে। নিরাপত্তাজনিত কারণে সেখানে অবস্থান কিংবা কোনো ধরনের সরকারি কার্যক্রম পরিচালনা করা সম্ভব হচ্ছে না।
স্থানীয় প্রবীণদের ভাষ্য, স্বাধীনতারও আগে প্রতিষ্ঠিত সরারচর ডাকবাংলো একসময় এ অঞ্চলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সরকারি বিশ্রামাগার হিসেবে পরিচিত ছিল। তিন কক্ষবিশিষ্ট এই ভবনে বিভিন্ন জেলা ও উপজেলা থেকে আগত সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী, ভ্রমণকারী এবং সাধারণ যাত্রীরা রাতযাপনের সুযোগ পেতেন। তবে দীর্ঘদিন ধরে প্রয়োজনীয় সংস্কার ও রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে ভবনটি আজ ব্যবহার অনুপযোগী হয়ে পড়েছে।
এলাকাবাসী জানান, বাজিতপুর উপজেলা সদর থেকে সরারচরের দূরত্ব প্রায় ৮ কিলোমিটার। ফলে রাতে ট্রেনে আগত যাত্রী কিংবা সরকারি কাজে আসা কর্মকর্তাদের জন্য এ এলাকায় নিরাপদ আবাসনের তেমন কোনো ব্যবস্থা নেই। এমন পরিস্থিতিতে পুরোনো ডাকবাংলোটি সংস্কার অথবা আধুনিক সুযোগ-সুবিধাসম্পন্ন নতুন ভবন নির্মাণের দাবি দীর্ঘদিনের।
স্থানীয় বিএনপি নেতা হাবিবুর রহমান হাবিব জানান, এলাকার বিশিষ্ট ব্যক্তি গেদু মিয়া ডাকবাংলো নির্মাণের জন্য নিজের জমি থেকে উল্লেখযোগ্য অংশ দান করেছিলেন। তাঁর দেওয়া জমির ওপরই পরবর্তীতে সরকারি উদ্যোগে ডাকবাংলোটি নির্মিত হয়। স্থানীয় ইতিহাস অনুযায়ী, তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান আমলে ময়মনসিংহ জেলা পরিষদের উদ্যোগে এ প্রকল্প বাস্তবায়নের প্রক্রিয়া শুরু হয়। সে সময় জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান খুশিদ উদ্দিন আহমদ খান ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন এবং পরে ১৯৬৮ সালে তৎকালীন গভর্নর আবদুল মোনায়েম খানের উদ্যোগে তিন কক্ষবিশিষ্ট ভবনটি নির্মাণ সম্পন্ন হয়।
স্থানীয়দের দাবি, জমিদাতা পরিবারের সদস্যরা দীর্ঘদিন ধরে ডাকবাংলোর দেখভালের সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকলেও সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ভবনটির রক্ষণাবেক্ষণ কার্যত বন্ধ হয়ে যায়। ফলে এটি এখন পরিত্যক্ত ও ঝুঁকিপূর্ণ স্থাপনায় পরিণত হয়েছে।
এলাকাবাসীর মতে, পুরোনো ভবনটি অপসারণ করে আধুনিক নকশায় বহুতল বা অন্তত দ্বিতল ডাকবাংলো নির্মাণ করা হলে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী, পর্যটক, ব্যবসায়ী এবং সাধারণ যাত্রীদের আবাসন-সুবিধা নিশ্চিত হবে। পাশাপাশি সরারচর এলাকায় প্রশাসনিক কার্যক্রম সহজতর হওয়ার পাশাপাশি স্থানীয় অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড ও পর্যটনের সম্ভাবনাও বৃদ্ধি পাবে।
এ বিষয়ে বাজিতপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জালাল উদ্দিন বলেন, “সরারচর ডাকবাংলোর বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের উদ্যোগ নেওয়া হবে।”
স্থানীয়দের প্রত্যাশা, দীর্ঘদিনের অবহেলার অবসান ঘটিয়ে ঐতিহাসিক গুরুত্বসম্পন্ন সরারচর ডাকবাংলো দ্রুত সংস্কার অথবা পুনর্নির্মাণ করা হবে, যাতে এটি আবারও জনসাধারণ ও সরকারি কাজে ব্যবহার উপযোগী হয়ে উঠতে পারে।

ভৈরবে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের মামলায় অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তা গ্রেপ্তার

জয়নাল আবেদীন রিটন প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৩ জুন, ২০২৬, ৮:২৪ অপরাহ্ণ
ভৈরবে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের মামলায় অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তা গ্রেপ্তার

কিশোরগঞ্জের ভৈরবে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় দেশীয় অস্ত্রসহ হামলার অভিযোগে জিয়া উদ্দিন (৪৮) নামে এক অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (২৩ জুন) ভোরে উপজেলার কালিকাপ্রসাদ ইউনিয়নে বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়।

গ্রেপ্তার জিয়া উদ্দিন উপজেলার কালিকাপ্রসাদ ইউনিয়নের কালিকাপ্রসাদ দক্ষিণপাড়া এলাকার সায়েদ মেম্বারের ছেলে। তিনি বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সাবেক সিনিয়র ওয়ারেন্ট অফিসার বলে জানা গেছে।

গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করে ভৈরব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) লিমন বোস জানান, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় সংঘটিত হামলার ঘটনায় জিয়া উদ্দিনের সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া গেছে। প্রাথমিক তথ্যানুসন্ধানে তিনি আওয়ামী লীগের একজন সক্রিয় কর্মী বলেও জানা যায়।

ওসি আরও বলেন, আন্দোলনে আহত পৌর শহরের জগন্নাথপুর এলাকার বাসিন্দা মামুন মিয়া বাদী হয়ে আদালতে একটি মামলা দায়ের করেছেন। ওই মামলার এজাহারে জিয়া উদ্দিনের নাম না থাকলেও তদন্তে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে তাকে অজ্ঞাতনামা আসামি হিসেবে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

তিনি জানান, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে হামলার ঘটনায় এজাহারভুক্ত এবং তদন্তে সম্পৃক্ত হিসেবে চিহ্নিত অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

অন্যদিকে জিয়া উদ্দিনের গ্রেপ্তারের ঘটনায় তাঁর পরিবারের পক্ষ থেকে তীব্র প্রতিবাদ জানানো হয়েছে। পরিবারের দাবি, মামলার এজাহারে তাঁর নাম না থাকা সত্ত্বেও তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, যা নিয়ে তাদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। তারা অভিযোগের সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।

এ ঘটনায় এলাকায়ও ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়দের একাংশের মতে, তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত তথ্য উদ্‌ঘাটন হওয়া প্রয়োজন।

উল্লেখ্য, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে আহত মামুন মিয়া ২০২৪ সালের ১ সেপ্টেম্বর কিশোরগঞ্জ আদালতে দ্রুত বিচার আইনে একটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় সাবেক যুব ও ক্রীড়ামন্ত্রী এবং কিশোরগঞ্জ-৬ (ভৈরব-কুলিয়ারচর) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য আলহাজ নাজমুল হাসান পাপনকে প্রধান আসামি করে ১১৭ জনের নাম উল্লেখ করা হয়। পাশাপাশি অজ্ঞাতনামা আরও ১৫ জনকে আসামি করা হয়েছে।

গোলের খোঁজে রোনালদো, নকআউটের পথে জিততেই হবে পর্তুগালকে

ক্রীড়া ডেস্ক প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৩ জুন, ২০২৬, ৮:১৪ অপরাহ্ণ
গোলের খোঁজে রোনালদো, নকআউটের পথে জিততেই হবে পর্তুগালকে

হতাশাজনক ড্র দিয়ে ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করা পর্তুগাল এবার মাঠে নামছে প্রথম জয়ের লক্ষ্যে। ‘কে’ গ্রুপের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে তাদের প্রতিপক্ষ বিশ্বকাপে অভিষেক হওয়া উজবেকিস্তান। বাংলাদেশ সময় মঙ্গলবার রাত ১১টায় হিউস্টনে শুরু হবে বহুল প্রতীক্ষিত এই লড়াই।

আসরে এটি দুই দলেরই দ্বিতীয় ম্যাচ। প্রথম ম্যাচে ডিআর কঙ্গোর বিপক্ষে ১-১ গোলে ড্র করে পর্তুগাল, অন্যদিকে বিশ্বকাপের অভিষেক ম্যাচে কলম্বিয়ার কাছে ৩-১ গোলে হেরে যায় উজবেকিস্তান। ফলে নকআউট পর্বের আশা জিইয়ে রাখতে উভয় দলের জন্যই ম্যাচটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

তবে ম্যাচের আগে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন পর্তুগালের অধিনায়ক ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। আন্তর্জাতিক ফুটবলের সর্বোচ্চ গোলদাতা হওয়া সত্ত্বেও বড় টুর্নামেন্টে (বিশ্বকাপ ও ইউরো) দীর্ঘদিন ধরে গোলখরায় ভুগছেন তিনি।

পরিসংখ্যান বলছে, বিশ্বকাপ ও ইউরো মিলিয়ে নিজের সর্বশেষ ১০ ম্যাচে কোনো গোল করতে পারেননি রোনালদো। এই সময়ে তিনি মোট ৩৩টি শট নিলেও লক্ষ্যে রাখতে পেরেছেন ১১টি, কিন্তু একবারও জালের দেখা পাননি।

আরও বিস্ময়কর তথ্য হলো, পেনাল্টি বাদ দিলে বড় টুর্নামেন্টে টানা ১৩ ম্যাচ ধরে গোলহীন রয়েছেন এই পর্তুগিজ মহাতারকা। এ সময় গোলের উদ্দেশ্যে তিনি নিয়েছেন ৪২টি শট।

অন্যদিকে, আন্তর্জাতিক ফুটবলের ইতিহাসে এই প্রথমবার মুখোমুখি হচ্ছে পর্তুগাল ও উজবেকিস্তান। তাই ম্যাচটি দুই দলের জন্যই নতুন অভিজ্ঞতা হয়ে উঠতে যাচ্ছে।

পর্তুগালের সাম্প্রতিক পরিসংখ্যানও খুব স্বস্তিদায়ক নয়। বিশ্বকাপে এশিয়ান কনফেডারেশনের দলগুলোর বিপক্ষে নিজেদের শেষ দুই ম্যাচে জয় পায়নি তারা। ২০১৮ সালে ইরানের সঙ্গে ১-১ গোলে ড্র করার পর ২০২২ সালে দক্ষিণ কোরিয়ার কাছে ২-১ গোলে হেরে যায় ইউরোপের দলটি।

উজবেকিস্তানের রেকর্ডও খুব আশাব্যঞ্জক নয়। উয়েফাভুক্ত দেশগুলোর বিপক্ষে সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে নিজেদের শেষ ২৩ ম্যাচে মাত্র একটি জয় পেয়েছে তারা। বাকি ২২ ম্যাচের মধ্যে ১০টি ড্র এবং ১২টিতে হারতে হয়েছে। একমাত্র জয়টি আসে ২০২২ সালের নভেম্বরে কাজাখস্তানের বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচে ২-০ গোলের ব্যবধানে।

সব মিলিয়ে, ম্যাচটি যেমন পর্তুগালের জন্য প্রথম জয়ের মিশন, তেমনি রোনালদোর জন্যও ব্যক্তিগত গোলখরা কাটানোর বড় সুযোগ। অন্যদিকে, ইতিহাস গড়ার স্বপ্ন নিয়ে মাঠে নামবে বিশ্বকাপের নবাগত উজবেকিস্তান।

পাকুন্দিয়ায় বজ্রপাতের বিকট শব্দে তিন নারী অসুস্থ, একজন হাসপাতালে

তোফায়েল আহমেদ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৩ জুন, ২০২৬, ৭:৩৩ অপরাহ্ণ
পাকুন্দিয়ায় বজ্রপাতের বিকট শব্দে তিন নারী অসুস্থ, একজন হাসপাতালে

কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়ায় বজ্রপাতের ঘটনায় তিন নারী আহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (২৩ জুন) বিকেলে উপজেলার মির্জাপুর ও বটতলা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। আহতদের মধ্যে একজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য কিশোরগঞ্জ শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

আহতরা হলেন উপজেলার চরফরাদী ইউনিয়নের মির্জাপুর গ্রামের মাসুদ মিয়ার স্ত্রী সাবিনা (৩২), এগারসিন্দুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার হৃদয় মিয়ার স্ত্রী জিনিয়া (২৪) এবং হাবিকুলের স্ত্রী স্বপ্না (৪০)।

স্বজন ও হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে তিনজনই নিজ নিজ বাড়ির বারান্দায় বসে কাজ করছিলেন। এ সময় হঠাৎ বৃষ্টি শুরু হলে তার সঙ্গে তীব্র বজ্রপাত হয়। বজ্রপাতের বিকট শব্দে তারা অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং জ্ঞান হারান।

পরে স্বজনরা দ্রুত তাদের উদ্ধার করে পাকুন্দিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক সাবিনা ও স্বপ্নাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে বাড়িতে পাঠিয়ে দেন। তবে জিনিয়ার শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য কিশোরগঞ্জ শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করা হয়।

পাকুন্দিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. বায়জিত মাহমুদ জানান, বজ্রপাতের বিকট শব্দ ও এর প্রভাবে তিন নারী আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে দুজনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে এবং একজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রেফার করা হয়েছে।

এদিকে বর্ষা মৌসুমে বজ্রপাতের ঝুঁকি বাড়ায় আবহাওয়া খারাপ থাকলে খোলা জায়গা ও অরক্ষিত স্থানে অবস্থান না করার পরামর্শ দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।