বুধবার, ৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ২৩ ১৪৩২
বুধবার, ৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ২৩ ১৪৩২

রাজনীতি, মামলা আর ক্রিকেট—সাকিবকে ফেরানোর জটিল সমীকরণ

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারি, ২০২৬, ২:০০ অপরাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
রাজনীতি, মামলা আর ক্রিকেট—সাকিবকে ফেরানোর জটিল সমীকরণ

সাকিব আল হাসান আগেও দেশে ফিরে জাতীয় দলে খেলার আগ্রহ প্রকাশ করেছিলেন। তবে নানা জটিলতায় তা সম্ভব হয়নি। ফারুক আহমেদ বোর্ড সভাপতি থাকার সময় থেকেই বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) তাঁকে ফেরাতে চাইলেও এখন পর্যন্ত সফল হয়নি। তবে এবার প্রকাশ্যেই সাকিবকে জাতীয় দলের জন্য বিবেচনায় রাখার ঘোষণা দিয়েছে বিসিবি। পাশাপাশি তাঁর ফেরার একটি সময়ও নির্ধারণ করেছে বোর্ড। আগামী মার্চে পাকিস্তানের বিপক্ষে ঘরের মাঠের ওয়ানডে সিরিজ দিয়েই সাকিবকে জাতীয় দলে ফেরানোর ইচ্ছা বিসিবির।

২০২৪ সালের ৫ আগস্টের গণ–অভ্যুত্থানের পর আর দেশে ফিরতে পারেননি সাকিব। ওই বছরের জানুয়ারিতে অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। তিনি চেয়েছিলেন ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে ঘরের মাঠে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে টেস্ট ম্যাচ খেলে আন্তর্জাতিক টেস্ট ক্রিকেটকে বিদায় জানাতে। কিন্তু তত দিনে তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক মামলা হওয়ায় দেশে এলে গ্রেপ্তার হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়। পাশাপাশি বিরোধীদের রোষানলে পড়ার ভয়ও ছিল। ফলে ফারুক আহমেদের নেতৃত্বাধীন বোর্ড চাইলেও সাকিবের সেই ইচ্ছা পূরণ করতে পারেনি।

বর্তমান বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলামের বোর্ডেও শুরু থেকেই সাকিবকে ফেরানোর আকাঙ্ক্ষা ছিল। পরিচালকদের মধ্যে অনানুষ্ঠানিকভাবে এ বিষয়ে একাধিকবার আলোচনা হলেও প্রথমবারের মতো ২৪ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত বোর্ড সভায় বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে উত্থাপিত হয়।

সভা শেষে বিসিবির মিডিয়া কমিটির প্রধান আমজাদ হোসেন সাংবাদিকদের জানান, ফর্ম ও ফিটনেস সন্তোষজনক হলে সাকিবকে আবার জাতীয় দলে বিবেচনায় নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। একই সংবাদ সম্মেলনে বিসিবি পরিচালক আসিফ আকবর জানান, বিষয়টি নিয়ে সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ শুরু করেছেন বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম।

সাকিবকে ফেরানোর প্রক্রিয়ার সর্বশেষ অবস্থা সম্পর্কে জানতে চাইলে আসিফ আকবর প্রথম আলোকে বলেন, ‘এ বিষয়ে আমাদের বোর্ড সভাপতি সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করছেন। আমরা আশা করছি, আগামী মার্চে ঘরের মাঠে পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজেই সাকিবকে আবার জাতীয় দলে দেখা যাবে।’

এই সিরিজই কি সাকিবের শেষ আন্তর্জাতিক সিরিজ হবে—এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘আমরা চাই সাকিব দেশের হয়ে আবার খেলুক এবং সেটা এই পাকিস্তান সিরিজ থেকেই। এরপর সে খেলা চালিয়ে যাবে কি না, সেটা পুরোপুরি তার সিদ্ধান্ত।’

বাংলাদেশে পাকিস্তান দলের সফরটি দুই ধাপে অনুষ্ঠিত হবে। মার্চে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ খেলে তারা দেশে ফিরে যাবে। এরপর ২৬ মার্চ থেকে শুরু হওয়া পিএসএল শেষ করে মে মাসে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজ খেলতে আবার বাংলাদেশে আসবে।

বিসিবির সঙ্গে সাকিবের যোগাযোগ শুরু হয় প্রায় এক মাস আগে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক বোর্ড পরিচালক জানান, সাকিব নিজেই আবার দেশের হয়ে খেলার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। তাঁর ভাষায়, ‘সরকারে কিছু পরিবর্তন আসায় সে হয়তো আত্মবিশ্বাসী হয়েছে। সে খুব আগ্রহ দেখিয়েছে যে এবার কিছু হতে পারে।’

বিসিবির ধারণা, জাতীয় দলের হয়ে সাকিবের খেলায় কোনো বাধা থাকা উচিত নয়। বাংলাদেশের ক্রিকেটে তাঁর অবদান বিবেচনায় নিয়ে দেশের মাটিতে খেলে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় জানানোর সুযোগ দেওয়া উচিত বলেও মনে করে বোর্ড।

যদিও সাকিবের বিরুদ্ধে মামলা এখনো বহাল রয়েছে। তবে সাবেক ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়া সরকারে না থাকায় বড় কোনো বাধা আসবে না বলে বিশ্বাস বিসিবির। বর্তমানে আইন উপদেষ্টা অধ্যাপক আসিফ নজরুল একই সঙ্গে যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টার দায়িত্বে থাকায় বিসিবির পক্ষে বিষয়টি এগিয়ে নেওয়া তুলনামূলক সহজ হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। সরকারের মনোভাবও ইতিবাচক বলে মনে করছে বিসিবি।

তবে ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় নির্বাচনের আগে বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের হাতে সময় খুব বেশি নেই। এত অল্প সময়ের মধ্যে সাকিবের ফেরার প্রক্রিয়া কতটা মসৃণ হবে—এ নিয়ে প্রশ্ন থাকলেও এক বোর্ড পরিচালক বলেন, ‘মার্চের আগে এখনো যথেষ্ট সময় আছে। নির্বাচনের পর বিষয়টি আরও সহজও হতে পারে।’

বিসিবির সিদ্ধান্ত জানার পর নিউইয়র্কে অবস্থানরত সাকিব আল হাসানের সঙ্গে মুঠোফোনে কথা হয়। তিনি আনুষ্ঠানিক বক্তব্য না দিলেও স্পষ্টভাবে জানান, দেশের হয়ে আবার খেলতে চান। সরকারের সঙ্গে বিসিবির আলোচনার মাধ্যমে দেশে ফেরা ও জাতীয় দলে খেলার সুযোগ তৈরি হবে বলে আশাবাদী সাকিব। পাকিস্তান সিরিজকেই আপাতত পাখির চোখ করছেন তিনি।

ভৈরবে ট্রাকচাপায় ইউনিয়ন বিএনপি নেতা নিহত, চালক আটক

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: বুধবার, ৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৭:০০ পূর্বাহ্ণ
ভৈরবে ট্রাকচাপায় ইউনিয়ন বিএনপি নেতা নিহত, চালক আটক

প্রতীকী ছবি

কিশোরগঞ্জের ভৈরবে ট্রাকচাপায় আব্দুস সাদেক (৭০) নামে এক ইউনিয়ন বিএনপি নেতা নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় ট্রাকচালককে আটক করেছে পুলিশ।

মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে ঢাকা–সিলেট মহাসড়কের ভৈরব দুর্জয়ের মোড় এলাকায় নূরানি মসজিদের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত আব্দুস সাদেক ভৈরব উপজেলার শ্রীনগর ইউনিয়নের জাফরনগর গ্রামের বাসিন্দা। তিনি শ্রীনগর উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির অভিভাবক সদস্য ছিলেন। পাশাপাশি শ্রীনগর ইউনিয়ন বিএনপির ৪ নম্বর ওয়ার্ডের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।

আটক ট্রাকচালক মো. হেলিম মিয়া (৪০) ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার আশুগঞ্জ থানার চরচারতলা গ্রামের জিতু মিয়ার ছেলে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভৈরববাজারে কাজ শেষে ভৈরব দুর্জয়ের মোড়ের নূরানি মসজিদে জোহরের নামাজ আদায় করে বাড়ি ফেরার পথে রাস্তা পারাপারের সময় একটি দ্রুতগতির ট্রাক তাকে চাপা দেয়। এতে তিনি ঘটনাস্থলেই মারা যান।

ভৈরব হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শওকত হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

কিশোরগঞ্জের গাইটালে আগুন, ব্যাটারিচালিত অটোরিকশাসহ পুড়ল ২ দোকান

রেজাউল হক প্রকাশিত: বুধবার, ৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১:৪৩ পূর্বাহ্ণ
কিশোরগঞ্জের গাইটালে আগুন, ব্যাটারিচালিত অটোরিকশাসহ পুড়ল ২ দোকান

মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) রাতে পবিত্র শবে বরাত উপলক্ষে যখন ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা মসজিদে নামাজ ও দোয়া-ইবাদতে ব্যস্ত, ঠিক সেই সময় কিশোরগঞ্জ শহরের গাইটাল এলাকায় সংঘটিত হয় এক ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা। দমকল বাহিনীর দ্রুত পদক্ষেপে আগুন নিয়ন্ত্রণে এলেও দুই ব্যবসায়ীর প্রায় ১০ লক্ষাধিক টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

কিশোরগঞ্জ পৌর এলাকার গাইটাল পুকুরপাড়ে ভূঁইয়া প্লাজার দক্ষিণ পাশে অবস্থিত একটি সেমি-পাকা মার্কেটের মেসার্স মোস্তফা ট্রেডার্স এবং বিসমিল্লাহ ইলেকট্রিক অ্যান্ড হার্ডওয়্যার নামক দু’টি দোকানে আগুন লাগে। এতে দু’টি ব্যাটারি চালিত অটোরিকশা, একটি মোটরসাইকেলসহ দোকান দু’টির প্রায় সব মালামাল পুড়ে যায়।

প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, মঙ্গলবার রাত ৮টা থেকে সাড়ে ৮টার মধ্যে এশার নামাজের পর বিভিন্ন মসজিদে দোয়া ও আলোচনা চলাকালীন সময়ে রাস্তায় চলাচলকারী স্থানীয় কয়েকজন ব্যক্তি বন্ধ থাকা দোকানের ভেতরে আগুনের উপস্থিতি টের পান। সঙ্গে সঙ্গে তারা দোকান মালিক ও ফায়ার সার্ভিসে খবর দেন।

খবর পেয়ে কিশোরগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে দোকানের শাটারের তালা ভেঙে প্রায় ১৫–২০ মিনিটের মধ্যে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

কিশোরগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ খালিদের সঙ্গে কথা বলা হলে তাকে স্টেশনে ভেজা পাঞ্জাবি পরিহিত অবস্থায় পাওয়া যায়। তিনি জানান, ঘটনার সময় দমকল বাহিনীর সদস্যরা নামাজ শেষে নামাজের পোশাকেই ছিলেন। গাইটাল এলাকায় অগ্নিকাণ্ডের খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই তারা দ্রুত দুটি ইউনিট নিয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছান। সেখানে পৌঁছে দুটি দোকানের শাটারের তালা ভেঙে প্রায় ১৫–২০ মিনিটের মধ্যে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। প্রাথমিকভাবে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকেই আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

মেসার্স মোস্তফা ট্রেডার্সের মালিক আব্দুল কাদির জানান, তার দোকানে একটি নতুন ও একটি পুরাতন ব্যাটারি চালিত অটোরিকশা ছিল, যা সম্পূর্ণ পুড়ে গেছে। এছাড়া তার প্রতিবেশী বন্ধু গোলাপের একটি মোটরসাইকেলও আগুনে ভস্মীভূত হয়েছে। দোকানের হিসাব সংক্রান্ত কিছু খাতাও আংশিকভাবে পুড়ে গেছে বলে তিনি জানান।

বিসমিল্লাহ ইলেকট্রিক অ্যান্ড হার্ডওয়্যারের মালিক শরিফুল ইসলাম রুবেল মুঠোফোনে জানান, তার দোকানে থাকা রং, স্যানিটারি পাইপসহ বিভিন্ন ধরনের লোহার সামগ্রী সম্পূর্ণভাবে পুড়ে গেছে। এই ঘটনায় তার প্রায় ২০ লক্ষাধিক টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।

ঘটনাস্থলে উপস্থিত স্থানীয়দের কেউ কেউ গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণের কথা বললেও বাস্তবে মালিকপক্ষ, এলাকাবাসী কিংবা দমকল বাহিনীর কেউই বিষয়টি নিশ্চিত করেননি। জানা যায়, দোকানে কয়েকটি খালি গ্যাস সিলিন্ডার ও ড্রাম ভর্তি টারপিন থাকলেও সেগুলো অক্ষত ছিল।

এলাকাবাসীর ভাষ্য অনুযায়ী, বরকতময় এই রজনীতে সৃষ্টিকর্তার অশেষ রহমতে বড় ধরনের অগ্নিকাণ্ড সত্ত্বেও জানমালের কোনো ক্ষতি হয়নি। ঘটনাস্থলের পাশে একটি বেসরকারি চক্ষু হাসপাতাল, আবাসিক ভবন ও পাকা মার্কেট থাকায় আগুন ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা ছিল।

ভৈরবে ৫ বছরের সাজাপ্রাপ্ত আসামিসহ গ্রেপ্তার ৯

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: বুধবার, ৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১:০০ পূর্বাহ্ণ
ভৈরবে ৫ বছরের সাজাপ্রাপ্ত আসামিসহ গ্রেপ্তার ৯

কিশোরগঞ্জের ভৈরবে পুলিশ ও সেনাবাহিনীর যৌথ অভিযানে বিভিন্ন মামলায় নারী–পুরুষসহ মোট ৯ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে মাদককারবারি, সন্দেহভাজন আসামি এবং পাঁচ বছরের সাজাপ্রাপ্ত এক আসামি রয়েছেন।

মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে তাদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এর আগে একই দিন ভোররাত ৩টার দিকে পৌর শহরের পঞ্চবটী পুকুরপাড় এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন ভৈরব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতাউর রহমান আকন্দ।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন— পৌর শহরের পঞ্চবটী পুকুরপাড় এলাকার ওমর আলীর মেয়ে মনিষা (১৮), একই এলাকার কালা মিয়ার স্ত্রী চায়না বেগম (৬০), মৃত ইসমত মিয়ার ছেলে বাবুল মিয়া (৫৪), মৃত আনার মিয়ার ছেলে মুন্না মিয়া (২০), পণ্ডিত মিয়ার ছেলে সবুজ মিয়া (৩০), মৃত ইব্রাহীম মিয়ার ছেলে মো. রবিন মিয়া (৫২), রিপন মিয়ার ছেলে শরীফ মিয়া (৩০), মোহাম্মদ আলীর ছেলে উজ্জ্বল মিয়া (৩৩) এবং উত্তরপাড়া এলাকার মুছা আলমের ছেলে মাসুম আলম (৪০)।

ওসি আতাউর রহমান আকন্দ জানান, গত এক সপ্তাহ ধরে ভৈরবে যৌথ অভিযানে ৪০ জনের অধিক শীর্ষ সন্ত্রাসী, মাদককারবারি, মাদকাসক্ত, ডাকাত দলের সদস্য, কিশোর গ্যাং ও চোরাকারবারিকে আটক করা হয়েছে। এদের মধ্যে সন্দেহভাজন আসামিও রয়েছে।

তিনি আরও জানান, মঙ্গলবার ভোররাত ৩টায় ভৈরব সেনাবাহিনী ক্যাম্পের সদস্যদের সহায়তায় পঞ্চবটী পুকুরপাড় এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে নারী–পুরুষসহ ৯ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। অভিযানে পুকুরপাড় এলাকার একটি বাড়ি থেকে দেড়শ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়েছে। এছাড়া ভৈরবপুর উত্তরপাড়া এলাকা থেকে পাঁচ বছরের সাজাপ্রাপ্ত আসামি মাসুম আলমকে গ্রেপ্তার করা হয়।

ওসি বলেন, ভৈরবে বেড়ে যাওয়া চুরি ও ছিনতাই রোধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছে প্রশাসন। এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।