বুধবার, ১২ আগস্ট ২০২৬, ২৭ শ্রাবণ ১৪৩৩
[gtranslate]
বুধবার, ১২ আগস্ট ২০২৬, ২৭ শ্রাবণ ১৪৩৩

ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহকারী হিসেবে আওয়ামী লীগ নেতার নাম

তথ্য সংগ্রহকারী নিয়োগে প্রশাসনের অনিয়ম-দুর্নীতির বিরুদ্ধে পথসভা ও মানববন্ধন

শেখ উবাইদুল হক সম্রাট প্রকাশিত: বুধবার, ১২ আগস্ট, ২০২৬, ৫:৩৬ অপরাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
তথ্য সংগ্রহকারী নিয়োগে প্রশাসনের অনিয়ম-দুর্নীতির বিরুদ্ধে পথসভা ও মানববন্ধন

কিশোরগঞ্জের নিকলীতে ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহকারী ও সুপারভাইজার নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ তুলে মানববন্ধন ও পথসভা করেছেন উপজেলা বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত নেতাকর্মীরা। একই সঙ্গে উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে অনিয়ম-দুর্নীতি, অবৈধ বালু উত্তোলন, ফসলি জমি ও জলাশয় ভরাট এবং সরকারি জায়গা দখলের অভিযোগ তুলে এসব বন্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান তারা।

বুধবার (১২ আগস্ট) সকাল ১১টার দিকে নিকলী গার্লস স্কুল মোড়ে পূর্বঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে এ পথসভা ও মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি ও প্রধান বক্তা ছিলেন উপজেলা বিএনপির বহিষ্কৃত সিনিয়র সহসভাপতি অ্যাডভোকেট মানিক মিয়া। উপজেলার সাতটি ইউনিয়নের বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত নেতাকর্মীরা কর্মসূচিতে অংশ নেন।

প্রধান বক্তার বক্তব্যে অ্যাডভোকেট মানিক মিয়া বলেন, সম্প্রতি নিকলী উপজেলায় ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহকারী এবং প্রতিটি ইউনিয়নে সুপারভাইজার নিয়োগের প্রক্রিয়া চূড়ান্ত করেছে উপজেলা প্রশাসন। এ নিয়োগে ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতি হয়েছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।

তিনি বলেন, নিয়োগের তালিকায় উপজেলা প্রশাসনের স্থানীয় কর্মচারীদের পরিবারের সদস্য, আওয়ামী লীগের সঙ্গে সম্পৃক্ত এবং বিভিন্নভাবে প্রশ্নবিদ্ধ ব্যক্তিদের নাম রয়েছে বলে তারা দেখতে পেয়েছেন। এসব নিয়োগ বাতিল করে যোগ্য ব্যক্তিদের নিয়োগ দেওয়ার পাশাপাশি প্রশাসনের অনিয়ম ও দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত কর্মকর্তাদের অপসারণের দাবি জানান তিনি।

মানিক মিয়া আরও বলেন, প্রশাসনের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে অনিয়ম-দুর্নীতি বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত পর্যায়ক্রমে আন্দোলন-সংগ্রাম চালিয়ে যাবেন তারা।

মানববন্ধনে বক্তারা অভিযোগ করেন, প্রশাসনের কর্মকর্তাদের যোগসাজশে উপজেলার বিভিন্ন নদ-নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন, ফসলি জমি ভরাট, উপজেলা সদরসহ বিভিন্ন ইউনিয়নে পুরোনো পুকুর ও জলাশয় ভরাট এবং সরকারি রাস্তার পাশে অবৈধভাবে স্থাপনা নির্মাণ করা হচ্ছে।

এসব বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে অবহিত করা হলেও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না বলেও অভিযোগ করেন তারা।

কর্মসূচিতে উপজেলা বিএনপির বহিষ্কৃত সহসভাপতি হারুন-অল-কাইয়ুম, সদর ইউনিয়ন বিএনপির বহিষ্কৃত সাধারণ সম্পাদক আল মামুন, কারপাশা ইউনিয়ন বিএনপির বহিষ্কৃত সভাপতি আবদুল ওয়াদুদ, সিংপুর ইউনিয়ন বিএনপির বহিষ্কৃত সভাপতি হারুন আর রশীদ, দামপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির বহিষ্কৃত সভাপতি আলী হোসেনসহ সাত ইউনিয়ন থেকে আসা শতাধিক নেতাকর্মী অংশ নেন।

স্থানীয় রাজনৈতিক সূত্র ও নেতাকর্মীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কিশোরগঞ্জ-৫ (নিকলী-বাজিতপুর) আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী সৈয়দ এহসানুল হুদা ধানের শীষ প্রতীকে নির্বাচন করে পরাজিত হন। অন্যদিকে, দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নিয়ে হাঁস প্রতীকে জয়ী হন বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত নেতা শেখ মজিবুর রহমান ইকবাল।

নির্বাচনের পর স্থানীয় বিএনপিতে ধানের শীষপন্থী ও ইকবালপন্থী—এমন দুটি বলয় তৈরি হয়েছে বলে দলীয় নেতাকর্মীরা জানান। দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার অভিযোগে বিএনপির কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্তে স্থানীয় বেশ কয়েকজন নেতাকর্মী বহিষ্কৃত হন। এ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধও রয়েছে।

শীর্ষস্থানীয় ও সুবিধাবঞ্চিত বিএনপি নেতাদের দাবি, নির্বাচনের পর থেকে ইকবালপন্থীদের উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে প্রভাব বিস্তার রয়েছে। এর ফলে সাধারণ সেবাগ্রহীতারা প্রশাসনিক সেবা পেতে বিড়ম্বনায় পড়ছেন বলেও তারা দাবি করেন।

এ বিষয়ে কিশোরগঞ্জ-৫ আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নেওয়া সৈয়দ এহসানুল হুদা উপজেলা প্রশাসনের সমালোচনা করেন। তিনি নিকলী উপজেলা প্রশাসনকে ‘মেরুদণ্ডহীন প্রশাসন’ আখ্যা দিয়ে বলেন, প্রশাসন দলীয় নেতাকর্মীদের গুরুত্ব না দিয়ে বিএনপি থেকে বহিষ্কৃতদের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে পুনর্বাসন করছে।

তিনি অভিযোগ করেন, ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহকারী নিয়োগের ক্ষেত্রেও বহিষ্কৃত ইকবালপন্থীদের বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

তবে সৈয়দ এহসানুল হুদার এসব অভিযোগের বিষয়ে শেখ মজিবুর রহমান ইকবালের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তাঁর মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি সাড়া দেননি।

অভিযোগের বিষয়ে নিকলী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রেহানা মজুমদার মুক্তি বলেন, উপজেলার সাতটি ইউনিয়নে মোট ৫০ জন তথ্য সংগ্রহকারীকে চূড়ান্ত তালিকায় রাখা হয়েছে। তাঁর দাবি, উভয় পক্ষের সমঝোতার ভিত্তিতেই তালিকা তৈরি করা হয়েছে।

তিনি বলেন, তালিকাভুক্ত ব্যক্তিদের ব্যক্তিগত তথ্য নিয়ে কেউ অভিযোগ করলে তা তদন্ত করে দেখা হবে। অভিযোগ যাচাই করে প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির নিয়োগ বাতিল করা হবে।

ইউএনও স্বীকার করে আরও বলেন, সরকার নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের সদস্যদের কর্মকাণ্ডে সরকারি বিধিনিষেধ রয়েছে। তাই এমন কোনো ব্যক্তিকে ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহকারী হিসেবে নিয়োগ দেওয়ার সুযোগ নেই।

সালমান শাহ হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার ডনের জামিন নামঞ্জুর

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: বুধবার, ১২ আগস্ট, ২০২৬, ২:৩৮ অপরাহ্ণ
সালমান শাহ হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার ডনের জামিন নামঞ্জুর

চিত্রনায়ক সালমান শাহ হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে যাওয়ার তিন দিনের মাথায় খলনায়ক আশরাফুল হক ডনের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেছেন আদালত।

বুধবার (১২ আগস্ট) ঢাকার একটি আদালত উভয় পক্ষের শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।

ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ এহসানুল ইসলাম ডনের জামিন আবেদনের ওপর শুনানি গ্রহণ করেন। শুনানিতে ডনের পক্ষে জামিনের আবেদন করে যুক্তি তুলে ধরেন তার আইনজীবী তারিকুল ইসলাম জুয়েল। অন্যদিকে, রাষ্ট্রপক্ষে জামিন আবেদনের বিরোধিতা করেন ঢাকা মহানগর পাবলিক প্রসিকিউটর ওমর ফারুক ফারুকী।

উভয় পক্ষের বক্তব্য শুনে আদালত আশরাফুল হক ডনের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেন।

এর আগে গত রোববার (৯ আগস্ট) ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ডনকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে ওই দিনই তাকে আদালতে হাজির করা হলে আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

গ্রেপ্তারের পর থেকে ডন কারাগারে রয়েছেন। তিন দিনের মাথায় জামিনের আবেদন করা হলেও আদালত তা মঞ্জুর করেননি।

সালমান শাহ হত্যা মামলা দীর্ঘদিন ধরে দেশের চলচ্চিত্র অঙ্গন ও সাধারণ মানুষের মধ্যে আলোচিত। ১৯৯৬ সালে চিত্রনায়ক সালমান শাহর মৃত্যুর পর থেকে ঘটনাটি নিয়ে নানা সময়ে বিভিন্ন প্রশ্ন ও বিতর্ক তৈরি হয়েছে। মামলার তদন্ত ও বিচারিক কার্যক্রমের বিভিন্ন পর্যায়ে নতুন করে আলোচনায় এসেছে তার মৃত্যুর ঘটনা।

শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে জিয়া পরিবার ধ্বংসের ষড়যন্ত্রের অভিযোগ রিজভীর

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: বুধবার, ১২ আগস্ট, ২০২৬, ২:১৩ অপরাহ্ণ
শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে জিয়া পরিবার ধ্বংসের ষড়যন্ত্রের অভিযোগ রিজভীর

প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা ও বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, মুক্তিযুদ্ধবিরোধী কোনো শক্তিকে দেশের জনগণ আর সুযোগ দেবে না। তিনি অভিযোগ করেন, মুক্তিযুদ্ধের সময় শেখ হাসিনা ও তার পরিবার পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর আশ্রয়-প্রশ্রয়ে ঢাকায় অবস্থান করেছিল। এ কারণে স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের পরিবারকে নিয়ে শেখ হাসিনা নানামুখী ষড়যন্ত্র করেছেন।

বুধবার (১২ আগস্ট) সকালে রাজধানীর বনানীতে প্রয়াত আরাফাত রহমান কোকোর ৫৭তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে তার কবরে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে রিজভী এসব কথা বলেন।

রিজভী বলেন, ফ্যাসিবাদের চূড়ান্ত বহিঃপ্রকাশের সময় আরাফাত রহমান কোকোর মৃত্যু হয়েছে। একটি পরিবারকে নানাভাবে বিপর্যস্ত করতে শেখ হাসিনা কোনো কিছুই বাদ রাখেননি বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

তিনি বলেন, মুক্তিযোদ্ধা পরিবার হওয়ার কারণে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের উত্তরসূরিদের পরিকল্পিতভাবে ধ্বংস করার চেষ্টা করা হয়েছিল। জিয়া পরিবারের দেশপ্রেম শেখ হাসিনা কোনোভাবেই বরদাশত করতে পারেননি। জনগণের আন্দোলন ও প্রতিরোধের মুখে শেখ হাসিনাকে দেশ ছেড়ে পালাতে হয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

জিয়াউর রহমানের স্বাধীনতার ঘোষণা ও মুক্তিযুদ্ধে তার ভূমিকার প্রসঙ্গ তুলে রিজভী বলেন, ‘জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছেন। তিনি এ দেশের একজন বরেণ্য মুক্তিযোদ্ধা। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াও মুক্তিযুদ্ধের সময় নানা প্রতিকূলতার মধ্যে ছিলেন। এই মুক্তিযোদ্ধা পরিবারকে ধ্বংস করার জন্য শেখ হাসিনা এমন কোনো কাজ নেই, যা করেননি।’

রিজভী আরও বলেন, শেখ হাসিনা ও তার পরিবারের মুক্তিযুদ্ধে অবদান নেই। তার ভাষ্য অনুযায়ী, শেখ হাসিনা ও তার বাবা পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর আশ্রয়-প্রশ্রয়ে ঢাকায় অবস্থান করেছিলেন। জিয়াউর রহমান কেন স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছেন—এ কারণে তার পরিবারকে প্রতিহিংসার শিকার হতে হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।

জিয়াউর রহমানের দেশপ্রেম ও জনপ্রিয়তা শেখ হাসিনা কখনো মেনে নিতে পারেননি দাবি করে রিজভী বলেন, এ কারণে জিয়া পরিবারের সদস্যদের একের পর এক নির্যাতন ও হয়রানির শিকার হতে হয়েছে। তার জ্যেষ্ঠ পুত্র ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকেও শারীরিকভাবে নির্যাতন করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। পরে চিকিৎসার জন্য তারেক রহমান লন্ডনে চলে যান বলেও উল্লেখ করেন রিজভী।

রিজভী বলেন, ‘আজকে কী হয়েছে? জনগণের ধাওয়া খেয়ে শেখ হাসিনাকে পালিয়ে যেতে হয়েছে। আর শহীদ জিয়া ও দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার জ্যেষ্ঠ পুত্র তারেক রহমান আজ প্রধানমন্ত্রী। তিনি অত্যন্ত জনপ্রিয়।’

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সরকারের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের কথা তুলে ধরে রিজভী বলেন, জনকল্যাণমূলক বিভিন্ন কাজ দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই সরকার বাস্তবায়ন শুরু করেছে।

আরাফাত রহমান কোকোর ক্রীড়া সংগঠক হিসেবে ভূমিকার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, ক্রীড়ার উন্নয়নে কোকোর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল। ক্রীড়াবিদদের খেলাধুলাকে পেশা হিসেবে গ্রহণের সুযোগ তৈরি করা এবং তাদের জীবন-জীবিকার ব্যবস্থা করার বিষয়েও তিনি কাজ করেছেন।

রিজভী বলেন, ‘আজকে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী এখানে আছেন। আমি মনে করি, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের একজন একান্ত সহকর্মী ও সতীর্থ হিসেবে যোগ্য ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী ক্রীড়া উন্নয়নে কোকোর স্বপ্ন বাস্তবায়নে কাজগুলো যথাযথভাবে সম্পন্ন করবেন। সময়ের মধ্যেই তিনি তা করতে পারবেন। এসব কাজ বাস্তবায়িত হলেই আরাফাত রহমান কোকোর আত্মা শান্তি পাবে।’

সিলেটে একই বাসা থেকে স্বামী-স্ত্রীসহ তিনজনের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: বুধবার, ১২ আগস্ট, ২০২৬, ১:৫৭ অপরাহ্ণ
সিলেটে একই বাসা থেকে স্বামী-স্ত্রীসহ তিনজনের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার

সিলেট মহানগরের রায়নগর মিতালি আবাসিক এলাকার একটি বাসা থেকে স্বামী-স্ত্রী ও এক কিশোরী গৃহকর্মীর গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

বুধবার (১২ আগস্ট) সকাল ৯টার দিকে নগরীর মিতালি আবাসিক এলাকার ১১১ নম্বর বাসা থেকে তাদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

নিহতরা হলেন—এমএ সাত্তার (৮২), তার স্ত্রী সুরাইয়া বেগম (৭২) এবং গৃহকর্মী তাহমিনা (১৫)।

সিলেট মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপকমিশনার (মিডিয়া) মো. মনজুরুল আলম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, হত্যাকাণ্ডের খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যাচ্ছে। ঘটনাস্থলে পৌঁছে বিস্তারিত তথ্য জানানো হবে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ১১১ নম্বর বাসাটির বাসিন্দা হাজী আব্দুস সাত্তার মিয়া। তিনি এলাকায় মুরব্বি হিসেবে পরিচিত ছিলেন।

কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খান মো. মঈনুল জাকির বলেন, স্থানীয়দের কাছ থেকে বাসাটিতে তিনজনের মরদেহ উদ্ধারের খবর পেয়েছেন। পুলিশ ঘটনাস্থলে রয়েছে। বিষয়টি খতিয়ে দেখে বিস্তারিত জানানো হবে।

তিনজনের মৃত্যুর ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। তবে কীভাবে এবং কী কারণে তাদের মৃত্যু হয়েছে, এ বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশ বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি। ঘটনাটির প্রকৃত কারণ উদঘাটনে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।


Warning: Constant WP_USE_THEMES already defined in /home/dkishoreganj/public_html/index.php on line 41