বুধবার, ৭ অক্টোবর ২০২৬, ২৩ আশ্বিন ১৪৩৩
[gtranslate]
বুধবার, ৭ অক্টোবর ২০২৬, ২৩ আশ্বিন ১৪৩৩

দেনমোহর আদায়ে স্ত্রীকে আদালতে যেতে বাধ্য করলে ক্ষতিপূরণ

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: বুধবার, ৭ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:৪০ পূর্বাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
দেনমোহর আদায়ে স্ত্রীকে আদালতে যেতে বাধ্য করলে ক্ষতিপূরণ

স্বামীর আর্থিক সামর্থ্য থাকা সত্ত্বেও দেনমোহর পরিশোধ না করে স্ত্রীকে তা আদায়ের জন্য আদালতের দ্বারস্থ হতে বাধ্য করা হলে, পারিবারিক আদালত তার বিবেচনাধিকার প্রয়োগ করে স্ত্রীকে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ দিতে পারবেন বলে রায় দিয়েছেন হাইকোর্ট।

‘ইয়াকুব আলী বনাম সানজিদা নাসরিন’ দেওয়ানি রিভিশন মামলায় গত ৩ সেপ্টেম্বর হাইকোর্ট এ রায় দেন। ৩২ পৃষ্ঠার পূর্ণাঙ্গ রায়ের অনুলিপি মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে।

রায়ে হাইকোর্ট বলেছেন, মুসলিম পারিবারিক আইনে স্ত্রীর সম্মতি ছাড়া নিকাহনামায় ‘বিলম্বিত দেনমোহর’ নির্ধারণের কোনো সুযোগ নেই। স্ত্রী দেনমোহর দাবি করলে তা ‘তৎক্ষণাৎ প্রদেয় দেনমোহর’ হিসেবে গণ্য হবে এবং তা অবিলম্বে পরিশোধযোগ্য।

দেনমোহর ও খোরপোশ সংক্রান্ত পারিবারিক আদালতের একটি রায়ের বিরুদ্ধে স্বামীর দায়ের করা দেওয়ানি রিভিশন আবেদন খারিজ করে বিচারপতি মো. আব্দুর রহমানের একক হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় দেন।

আদালতে আবেদনকারীর পক্ষে ছিলেন আইনজীবী মো. নাজের উদ্দিন। বিবাদীপক্ষে ছিলেন আইনজীবী ইশরাত হাসান ও তানজিলা রহমান জুঁই। তাঁদের সঙ্গে ছিলেন আইনজীবী ইফফাত হাসান শাম্মী।

দুর্গাপূজায় বিশৃঙ্খলার ষড়যন্ত্রের অভিযোগ আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: বুধবার, ৭ অক্টোবর, ২০২৬, ৫:০০ অপরাহ্ণ
দুর্গাপূজায় বিশৃঙ্খলার ষড়যন্ত্রের অভিযোগ আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে

আসন্ন শারদীয় দুর্গোৎসবে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির জন্য আওয়ামী লীগ ভারতে বসে ষড়যন্ত্র করছে বলে অভিযোগ করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন। তিনি বলেন, সরকারের কাছে তথ্য রয়েছে, আওয়ামী লীগ নির্বাচিত বিএনপি সরকারের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে।

বুধবার দুপুরে ঝিনাইদহ শিশু একাডেমি মিলনায়তনে শারদীয় দুর্গোৎসব উদযাপনের প্রস্তুতিমূলক সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

রাশেদ খাঁন বলেন, ‘দুর্গোৎসব চলাকালে কেউ বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির পাঁয়তারা করলে তাদের কঠোরভাবে মোকাবিলা করতে হবে।’ এ সময় তিনি আওয়ামী লীগের ষড়যন্ত্র মোকাবিলায় বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের প্রস্তুত থাকার আহ্বান জানান। পাশাপাশি সবাইকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেন।

আওয়ামী লীগের সমালোচনা করে প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী বলেন, ‘বিগত ১৬ বছর স্বৈরাচারী আওয়ামী লীগ সরকার ভারতের আশীর্বাদ নিয়ে ক্ষমতা দখল করে বসেছিল। ভারতের আশ্রয়-প্রশ্রয়ে আওয়ামী লীগ দেশে ফ্যাসিবাদ কায়েম করেছিল।’

তিনি অভিযোগ করেন, বিগত সময়ে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ওপর হামলা ও তাদের জমিজমা দখল করা হয়েছে। মন্দিরে হামলার মতো ঘটনাও আওয়ামী লীগ সরকারের আমলেই বেশি হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। অথচ আওয়ামী লীগ এখন ভারতে বসে দেশের নির্বাচিত বিএনপি সরকারের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে বলেও অভিযোগ করেন রাশেদ খাঁন।

তিনি বলেন, দেশে হিন্দু, মুসলিম, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টানসহ সব ধর্ম ও সম্প্রদায়ের মানুষ শান্তিতে মিলেমিশে বসবাস করছে। এই সম্প্রীতি বজায় রাখতে আসন্ন দুর্গাপূজায় বিএনপিসহ সব রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের সতর্ক থাকতে হবে। ষড়যন্ত্র রুখে দিতে হবে।

জামায়াতে ইসলামীর সমালোচনা করে রাশেদ খাঁন বলেন, ‘ঢাকা শহরের জন্য ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা একটি বিড়ম্বনা। অটোরিকশার কারণে যানজটে ঢাকা এখন বসবাসের অনুপযোগী হয়ে উঠেছে। সরকার অটোরিকশা চলাচলে নীতিমালা করতে যাচ্ছে। ফুটপাত দখলমুক্ত করতেও সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করছে। কিন্তু জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল এ নিয়ে রাজনীতি শুরু করেছেন।’

জামায়াত অটোরিকশাচালকদের নেপথ্যে থেকে আন্দোলনে ইন্ধন দিচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

এর আগে ঝিনাইদহ শিশু একাডেমি মিলনায়তনে শারদীয় দুর্গাপূজা নির্বিঘ্নে উদযাপনের লক্ষ্যে আয়োজিত প্রস্তুতিমূলক সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দেন রাশেদ খাঁন।

জেলা প্রশাসক মো. নোমান হোসেনের সভাপতিত্বে সভায় উপস্থিত ছিলেন জেলা পুলিশ সুপার মিয়া মোহাম্মদ আশিষ বিন হাছান, জেলা পরিষদ প্রশাসক অ্যাডভোকেট এমএ মজিদ, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জাহিদুজ্জামান মনা, সহসভাপতি মুন্সি কামাল আজাদ পান্নু, জেলা হিন্দু বৌদ্ধ ঐক্য পরিষদের আহ্বায়ক চন্দন বসু মুক্ত এবং জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক বিনয় কৃষ্ণ বিশ্বাস।

অপরাধ স্বীকার না করলে আওয়ামী লীগের সঙ্গে পুনর্মিলন কঠিন

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: বুধবার, ৭ অক্টোবর, ২০২৬, ৪:২৫ অপরাহ্ণ
অপরাধ স্বীকার না করলে আওয়ামী লীগের সঙ্গে পুনর্মিলন কঠিন

প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান বলেছেন, আওয়ামী লীগের সঙ্গে রাজনৈতিক পুনর্মিলন বা ‘রিকনসিলিয়েশন’ অসম্ভব নয়। তবে এ প্রক্রিয়া শুরুর আগে দলটিকে নিজেদের অপরাধ স্বীকার করে মৌলিক শর্ত পূরণ করতে হবে।

গতকাল মঙ্গলবার সচিবালয়ে সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে আয়োজিত নিয়মিত প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। তথ্য উপদেষ্টা বলেন, রাজনৈতিক কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকা আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে ক্রমাগত হুমকি ও পাল্টা ব্যবস্থা নেওয়ার বক্তব্যের মধ্যে সরকারের পক্ষ থেকে পুনর্মিলনের আলোচনা করা কঠিন। আওয়ামী লীগকেই এ বিষয়ে প্রথমে এগিয়ে আসতে হবে। দেশের অনেক মানুষ এখনও আওয়ামী লীগকে সমর্থন করেন। তারা বাংলাদেশেরই নাগরিক। দলের সক্রিয় কর্মী-সমর্থকদের সঙ্গে পুনর্মিলনের উদ্যোগ নেওয়া খারাপ কোনো ধারণা নয়। বরং এমন উদ্যোগ হলে ভালো হতো। তবে এর আগে রিকনসিলিয়েশনের মৌলিক ভিত্তি নিশ্চিত করতে হবে।

ডা. জাহেদ বলেন, মাঝখান থেকে কেউ যদি রিকনসিলিয়েশন চান এবং মনে করেন এটি ভালো উদ্যোগ, তাহলে আমারও মনে হয় এটি ভালো। তাদের উচিত আওয়ামী লীগের সঙ্গে যোগাযোগ করা। আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে কথা বলে রিকনসিলিয়েশন শুরুর মৌলিক জায়গাটি নিশ্চিত করতে হবে। সেটি হলে এ নিয়ে আলোচনা হতে পারে।
তিনি বলেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর থেকে আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতৃত্বের বক্তব্যে সরকারের প্রতি হুমকি ও পাল্টা ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বারবার এসেছে। এমন পরিস্থিতিতে সরকারের দিক থেকে পুনর্মিলনের আলোচনা শুরু করা কঠিন।
তথ্য উপদেষ্টা বলেন, আমরা খুব অবাক হয়ে ৫ আগস্টের পর থেকে এখন পর্যন্ত দেখছি, সেই দলটি, সেই দলের প্রধান নেত্রী– তিনি এখনও দোষারোপ করছেন, আমাদের হুমকি দিচ্ছেন।

আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানির দামে অস্থিরতার মধ্যেও বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) নির্ধারিত দামে এলপিজি ও অটোগ্যাস বিক্রি নিশ্চিত করতে সারাদেশে নজরদারি জোরদার করেছে সরকার। এ জন্য সব জেলা প্রশাসককে প্রয়োজনীয় নির্দেশ দেওয়া হয়েছে জানিয়ে তথ্য উপদেষ্টা বলেন, কোথাও কোথাও সমন্বয় করা দামে এলপিজি পাওয়া যাচ্ছে না– এমন অভিযোগ পাওয়া গেছে। খোলাবাজারে সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা এবং নির্ধারিত দামে বিক্রি নিশ্চিত করতেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

চট্টগ্রাম বন্দর ও তিস্তা মহাপরিকল্পনা নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে জাহেদ উর রহমান বলেন, রাষ্ট্র ও জনগণের বৃহত্তম স্বার্থ বিবেচনা করেই সরকার যে কোনো সিদ্ধান্ত নেবে। তিস্তা প্রকল্পে শুধু নদীশাসন নয়, বর্ষার পানি কীভাবে ধরে রাখা যায়– ওয়াটার রিটেনশনের বিষয়টিও গুরুত্ব দিয়ে নতুন করে সম্ভাব্যতা যাচাই করা হচ্ছে। স্বাধীন-সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশ নিজস্ব স্বার্থ রক্ষা করেই পদক্ষেপ নেবে।
বাজার তদারকি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, কেবল ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান চালালেই সব সমস্যার সমাধান হবে– সরকার এমনটি মনে করে না। আমদানিকারক ও উৎপাদনকারীরা যাতে পণ্যের ন্যায্য মূল্য পান এবং বাজারে সরবরাহ ব্যাহত না হয়, সেদিকে নজর রাখা হচ্ছে।
ভিজিএফের চাল ২০ কেজি করার উদ্যোগ
নিম্ন আয়ের মানুষের কষ্ট লাঘবে ভিজিএফ কর্মসূচির আওতায় চালের বরাদ্দ ১০ কেজি থেকে বাড়িয়ে ২০ কেজি করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলেও জানান তথ্য উপদেষ্টা। ব্রিফিংয়ে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব ড. আলম মোস্তফা প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
শিরোনাম সহ সম্পাদনা

বৈদেশিক ঋণের অর্থ রাখতে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের এফসি হিসাব খোলার সুযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: বুধবার, ৭ অক্টোবর, ২০২৬, ৪:১৫ অপরাহ্ণ
বৈদেশিক ঋণের অর্থ রাখতে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের এফসি হিসাব খোলার সুযোগ

অনুমোদিত মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি বৈদেশিক ঋণের অর্থ বৈদেশিক মুদ্রায় সংরক্ষণের জন্য যোগ্য বেসরকারি শিল্পপ্রতিষ্ঠানের নামে ফরেন কারেন্সি (এফসি) হিসাব খোলা ও পরিচালনার সুযোগ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

বৈদেশিক অর্থায়নের আওতায় আন্তঃসীমান্ত পরিশোধের কার্যক্রম সহজ করতে বুধবার এ-সংক্রান্ত একটি সার্কুলার জারি করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

সার্কুলার অনুযায়ী, বেসরকারি শিল্পপ্রতিষ্ঠান সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমোদন সাপেক্ষে মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি বৈদেশিক অর্থায়ন গ্রহণ করতে পারবে। এ ক্ষেত্রে প্রযোজ্য অনুযায়ী ইনভেস্ট বাংলাদেশ অথরিটির (আইবিএ) ফরেন লোন/সাপ্লায়ার্স ক্রেডিট-সংক্রান্ত স্ক্রুটিনি কমিটি, বাংলাদেশ ব্যাংক এবং/অথবা স্ট্যান্ডিং কমিটি অন নন-কনসেশনাল লোনের অনুমোদন নিতে হবে।

অনুমোদিত বৈদেশিক ঋণের অর্থ বৈদেশিক মুদ্রায় সংরক্ষণ এবং সংশ্লিষ্ট ঋণের অনুমোদন ও বিদেশি ঋণদাতার সঙ্গে সম্পাদিত চুক্তির শর্ত অনুযায়ী ব্যবহারের জন্য নির্ধারিত অনুমোদিত ডিলার (এডি) ব্যাংকগুলো যোগ্য ঋণগ্রহীতার নামে এফসি হিসাব খুলতে পারবে।

সার্কুলারে বলা হয়েছে, এ ধরনের হিসাবে সংরক্ষিত বৈদেশিক মুদ্রা প্রচলিত আমদানি নীতি আদেশ ও বৈদেশিক মুদ্রা-সংক্রান্ত বিধিবিধান অনুসরণ করে আমদানি মূল্য পরিশোধে ব্যবহার করা যাবে। একই সঙ্গে অনুমোদিত বৈদেশিক ঋণের আওতায় বাস্তবায়নাধীন কাজের জন্য প্রয়োজনীয় প্রকৃত সেবার মূল্য পরিশোধেও এসব অর্থ ব্যবহার করা যাবে।

অনুমোদিত স্থানীয় ক্রয় বা সংগ্রহের ক্ষেত্রে এফসি হিসাবের বৈদেশিক মুদ্রা টাকায় ভাঙানো যাবে। এ ছাড়া ব্যাংকার-গ্রাহক সম্পর্কের প্রযোজ্য শর্ত অনুযায়ী এসব হিসাবের স্থিতির ওপর সুদ বা মুনাফা অর্জনের সুযোগ থাকবে।

বৈদেশিক ঋণের কিস্তি পরিশোধের জন্য বৈদেশিক মুদ্রা সংরক্ষণের সুযোগও রাখা হয়েছে সার্কুলারে। ঋণচুক্তিতে ঋণ পরিশোধের জন্য অর্থ সংরক্ষণের শর্ত থাকলে ঋণের মেয়াদ পর্যন্ত এফসি হিসাব চালু রাখা যাবে। তবে এ ক্ষেত্রে পরবর্তী তিনটি কিস্তি পরিশোধের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থের বেশি স্থিতি রাখা যাবে না।

বাংলাদেশ ব্যাংকের এ উদ্যোগ অনুমোদিত বৈদেশিক অর্থায়নের অর্থ ব্যবস্থাপনায় বেসরকারি শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য পরিচালনাগত নমনীয়তা বাড়াবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন। বিশেষ করে আমদানি ও সেবা মূল্য পরিশোধ, অনুমোদিত স্থানীয় ক্রয় এবং বৈদেশিক ঋণের নির্ধারিত কিস্তি পরিশোধে বৈদেশিক মুদ্রার তারল্য ব্যবস্থাপনা সহজ হবে।