বুধবার, ৭ অক্টোবর ২০২৬, ২৩ আশ্বিন ১৪৩৩
[gtranslate]
বুধবার, ৭ অক্টোবর ২০২৬, ২৩ আশ্বিন ১৪৩৩

বৈদেশিক ঋণের অর্থ রাখতে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের এফসি হিসাব খোলার সুযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: বুধবার, ৭ অক্টোবর, ২০২৬, ৪:১৫ অপরাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
বৈদেশিক ঋণের অর্থ রাখতে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের এফসি হিসাব খোলার সুযোগ

অনুমোদিত মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি বৈদেশিক ঋণের অর্থ বৈদেশিক মুদ্রায় সংরক্ষণের জন্য যোগ্য বেসরকারি শিল্পপ্রতিষ্ঠানের নামে ফরেন কারেন্সি (এফসি) হিসাব খোলা ও পরিচালনার সুযোগ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

বৈদেশিক অর্থায়নের আওতায় আন্তঃসীমান্ত পরিশোধের কার্যক্রম সহজ করতে বুধবার এ-সংক্রান্ত একটি সার্কুলার জারি করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

সার্কুলার অনুযায়ী, বেসরকারি শিল্পপ্রতিষ্ঠান সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমোদন সাপেক্ষে মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি বৈদেশিক অর্থায়ন গ্রহণ করতে পারবে। এ ক্ষেত্রে প্রযোজ্য অনুযায়ী ইনভেস্ট বাংলাদেশ অথরিটির (আইবিএ) ফরেন লোন/সাপ্লায়ার্স ক্রেডিট-সংক্রান্ত স্ক্রুটিনি কমিটি, বাংলাদেশ ব্যাংক এবং/অথবা স্ট্যান্ডিং কমিটি অন নন-কনসেশনাল লোনের অনুমোদন নিতে হবে।

অনুমোদিত বৈদেশিক ঋণের অর্থ বৈদেশিক মুদ্রায় সংরক্ষণ এবং সংশ্লিষ্ট ঋণের অনুমোদন ও বিদেশি ঋণদাতার সঙ্গে সম্পাদিত চুক্তির শর্ত অনুযায়ী ব্যবহারের জন্য নির্ধারিত অনুমোদিত ডিলার (এডি) ব্যাংকগুলো যোগ্য ঋণগ্রহীতার নামে এফসি হিসাব খুলতে পারবে।

সার্কুলারে বলা হয়েছে, এ ধরনের হিসাবে সংরক্ষিত বৈদেশিক মুদ্রা প্রচলিত আমদানি নীতি আদেশ ও বৈদেশিক মুদ্রা-সংক্রান্ত বিধিবিধান অনুসরণ করে আমদানি মূল্য পরিশোধে ব্যবহার করা যাবে। একই সঙ্গে অনুমোদিত বৈদেশিক ঋণের আওতায় বাস্তবায়নাধীন কাজের জন্য প্রয়োজনীয় প্রকৃত সেবার মূল্য পরিশোধেও এসব অর্থ ব্যবহার করা যাবে।

অনুমোদিত স্থানীয় ক্রয় বা সংগ্রহের ক্ষেত্রে এফসি হিসাবের বৈদেশিক মুদ্রা টাকায় ভাঙানো যাবে। এ ছাড়া ব্যাংকার-গ্রাহক সম্পর্কের প্রযোজ্য শর্ত অনুযায়ী এসব হিসাবের স্থিতির ওপর সুদ বা মুনাফা অর্জনের সুযোগ থাকবে।

বৈদেশিক ঋণের কিস্তি পরিশোধের জন্য বৈদেশিক মুদ্রা সংরক্ষণের সুযোগও রাখা হয়েছে সার্কুলারে। ঋণচুক্তিতে ঋণ পরিশোধের জন্য অর্থ সংরক্ষণের শর্ত থাকলে ঋণের মেয়াদ পর্যন্ত এফসি হিসাব চালু রাখা যাবে। তবে এ ক্ষেত্রে পরবর্তী তিনটি কিস্তি পরিশোধের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থের বেশি স্থিতি রাখা যাবে না।

বাংলাদেশ ব্যাংকের এ উদ্যোগ অনুমোদিত বৈদেশিক অর্থায়নের অর্থ ব্যবস্থাপনায় বেসরকারি শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য পরিচালনাগত নমনীয়তা বাড়াবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন। বিশেষ করে আমদানি ও সেবা মূল্য পরিশোধ, অনুমোদিত স্থানীয় ক্রয় এবং বৈদেশিক ঋণের নির্ধারিত কিস্তি পরিশোধে বৈদেশিক মুদ্রার তারল্য ব্যবস্থাপনা সহজ হবে।

গাজী নজরুল ও গাড়িচালক ওবায়দুরের জামিন ফের নামঞ্জুর

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: বুধবার, ৭ অক্টোবর, ২০২৬, ৬:১৫ অপরাহ্ণ
গাজী নজরুল ও গাড়িচালক ওবায়দুরের জামিন ফের নামঞ্জুর

দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়ম আক্তারকে আত্মহত্যায় প্ররোচনার মামলায় সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলাম ও তাঁর গাড়িচালক ওবায়দুর রহমানের জামিন আবেদন ফের নামঞ্জুর করেছেন আদালত। বাদীপক্ষের আপসনামা ও আসামিপক্ষের জামিন আবেদনের ওপর শুনানি শেষে বুধবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুল ইসলাম এ আদেশ দেন।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী হারুন অর রশিদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। আদালত পর্যবেক্ষণে বলেন, গাজী নজরুলকে জামিন দেওয়া হলে সমাজে বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হতে পারে।

এদিন আদালতে আসামিপক্ষের আইনজীবী মাহাবুবুর রহমান জামিন চেয়ে শুনানি করেন। তিনি বলেন, মামলার বাদী মরিয়মের বাবা এস এম মাসুম বিল্লাহর সঙ্গে আসামিদের সমঝোতা হয়েছে। বাদীপক্ষের জামিনে কোনো আপত্তি নেই। এ ছাড়া গাজী নজরুল অসুস্থ ও বয়স্ক হওয়ায় তাঁকে জামিন দেওয়ার আবেদন করেন তিনি।

অন্যদিকে, রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী হারুন অর রশিদ জামিনের বিরোধিতা করেন। তিনি বলেন, মামলাটি অনাপসযোগ্য ধারায় হওয়ায় আপসের ভিত্তিতে জামিন চাওয়া আইনসঙ্গত নয়। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত এটি আত্মহত্যা নাকি হত্যা, তা নিশ্চিত করে বলা সম্ভব নয়।

শুনানি শেষে আদালত গাজী নজরুল ও ওবায়দুরের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেন। পর্যবেক্ষণে আদালত বলেন, আসামি বয়স্ক হলেও ভিকটিম অতি অল্পবয়সী। আসামির হেফাজতে থাকা অবস্থায় ভিকটিম আত্মহত্যা করেছেন। এ মামলায় আসামিকে জামিন দেওয়া হলে সমাজে বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হতে পারে। তাই তাঁর জামিন আবেদন নামঞ্জুর করা হলো।

এর আগে গত ৩০ সেপ্টেম্বর একই মামলায় গাজী নজরুল ইসলাম ও তাঁর প্রথম স্ত্রী মাকছুদা ইসলামের জামিন চাওয়া হয়েছিল। সেদিন আদালত মাকছুদাকে জামিন দিলেও গাজী নজরুলের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেন।

মামলার নথি অনুযায়ী, গত ২০ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় জাতীয় সংসদ ভবনের বিপরীতে ন্যাম ভবনের একটি ফ্ল্যাট থেকে মরিয়ম খাতুনের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে তাঁর বাবা এস এম মাসুম বিল্লাহ শেরেবাংলা নগর থানায় আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে মামলা করেন।

মামলায় গাজী নজরুল ইসলাম, তাঁর প্রথম স্ত্রী মাকছুদা ইসলাম এবং মরিয়মের মামা ওবায়দুর রহমানকে আসামি করা হয়। মামলার পরদিন গাজী নজরুলের চার দিনের এবং মাকছুদার এক দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। পরে মামলাটির তদন্তভার গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) কাছে হস্তান্তর করা হয়। গাজী নজরুলের আরও এক দফা রিমান্ড মঞ্জুর হয়। দুই দফায় মোট আট দিনের রিমান্ড শেষে গত ২৮ সেপ্টেম্বর তাঁকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন আদালত।

অনলাইনে মুহূর্তেই ট্রেনের টিকিট শেষ, সিলেটে স্বপ্রণোদিত মামলা

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: বুধবার, ৭ অক্টোবর, ২০২৬, ৬:০০ অপরাহ্ণ
অনলাইনে মুহূর্তেই ট্রেনের টিকিট শেষ, সিলেটে স্বপ্রণোদিত মামলা

সিলেট-ঢাকা ও সিলেট-চট্টগ্রাম রুটে চলাচলকারী ট্রেনের টিকিট অনলাইন প্ল্যাটফর্মে ছাড়ার পরপরই শেষ হয়ে যাওয়ার ঘটনায় স্বপ্রণোদিত মামলা করেছেন সিলেটের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আবদুল্লাহ আল নোমান। মামলাটি তদন্তের জন্য পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)-এর পুলিশ সুপারকে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

আজ বুধবার মামলার নথিপত্র পিবিআইয়ের কাছে পৌঁছেছে। মামলাটি তদন্ত করছেন পিবিআইয়ের উপপরিদর্শক (এসআই) আবদুল আহাদ। তিনি জানিয়েছেন, আদালতের স্বপ্রণোদিত হয়ে দায়ের করা মামলাটি তিনি তদন্ত করছেন।

সিলেট থেকে ঢাকায় উপবন, কালনী, জয়ন্তিকা, পারাবত এবং চট্টগ্রামে পাহাড়িকা ও উদয়ন এক্সপ্রেস ট্রেন চলাচল করে। সারা দেশের মতো এসব ট্রেনের টিকিটও অনলাইনে কিনতে হয়। তবে অনেক যাত্রী অনলাইনে টিকিট কিনতে না পেরে বিভিন্ন মাধ্যম থেকে অতিরিক্ত দামে টিকিট কিনতে বাধ্য হন।

আদালতের কাছে বিভিন্ন মাধ্যমে অভিযোগ আসে, অনলাইন প্ল্যাটফর্মে টিকিট ছাড়ার কয়েক মিনিটের মধ্যেই এসব ট্রেনের সব টিকিট বিক্রি হয়ে যায়। পরে রেলের ওয়েবসাইটে বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করে আদালতেরও সন্দেহ হয়। এত অল্প সময়ে বিপুলসংখ্যক টিকিট বিক্রি হয়ে যাওয়ার ঘটনায় একটি চক্র জড়িত থাকতে পারে বলে আদালত মনে করেন।

আদালতের ধারণা, ট্রেনের টিকিট বাজারজাতকরণের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের কারও কারও সহায়তায় একটি চক্র মুহূর্তেই টিকিট কিনে নিয়ে পরে তা বেশি দামে যাত্রীদের কাছে বিক্রি করছে। এ ধরনের কর্মকাণ্ড সাধারণ মানুষকে হয়রানির পাশাপাশি সিলেটের পর্যটন শিল্পের বিকাশেও বাধা সৃষ্টি করছে বলে মনে করেন আদালত।

গত মাসের শেষ দিকে স্বপ্রণোদিত হয়ে মামলাটি করেন সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আবদুল্লাহ আল নোমান। এজাহারে টিকিট নিয়ে কালোবাজারি ও মজুতদারির মতো অপরাধ সংঘটিত হয়ে থাকতে পারে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

এ বিষয়ে সিলেট রেলস্টেশনের ব্যবস্থাপক নুরুল ইসলাম বলেন, রেলের টিকিট অনলাইনে কিনতে হয়। কেউ কেউ সরাসরি কাউন্টার থেকেও টিকিট কেনেন। টিকিট বিক্রির প্রক্রিয়ায় তাঁদের কোনো হাত নেই।

সৌদি আরব-আবুধাবি থেকে ১৪ লাখ টন ক্রুড অয়েল আমদানি করবে সরকার

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: বুধবার, ৭ অক্টোবর, ২০২৬, ৫:৫৫ অপরাহ্ণ
সৌদি আরব-আবুধাবি থেকে ১৪ লাখ টন ক্রুড অয়েল আমদানি করবে সরকার

ইস্টার্ন রিফাইনারি পিএলসি (ইআরপিএলসি)তে প্রক্রিয়াকরণের জন্য ২০২৭ সালে সৌদি আরব ও আবুধাবি থেকে ১৪ লাখ মেট্রিক টন অপরিশোধিত জ্বালানি তেল (ক্রুড অয়েল) আমদানির সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। সৌদি আরামকো ও আবুধাবি ন্যাশনাল অয়েল কোম্পানি (এডনক) থেকে সরকার-টু-সরকার (জিটুজি) ভিত্তিতে এ তেল আমদানি করবে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি)।

বুধবার সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অর্থনৈতিক বিষয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে এ-সংক্রান্ত প্রস্তাবে নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়।

বৈঠকে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের প্রস্তাবের পরিপ্রেক্ষিতে সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে (ডিপিএম) সৌদি আরবের সৌদি আরামকো ও আবুধাবির এডনক থেকে ক্রুড অয়েল আমদানির নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়। এ আমদানির অর্থায়নের উৎস হিসেবে আন্তর্জাতিক ইসলামিক বাণিজ্য অর্থায়ন সংস্থার (আইটিএফসি) ঋণের কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

বিপিসি জিটুজি চুক্তির আওতায় দীর্ঘদিন ধরে সৌদি আরামকো ও এডনক থেকে ক্রুড অয়েল আমদানি করে ইস্টার্ন রিফাইনারিতে প্রক্রিয়াজাত করে আসছে। বৈঠকে জানানো হয়, ইআরপিএলসির পুরোনো প্ল্যান্টে ‘অ্যারাবিয়ান লাইট ক্রুড অয়েল’ ও ‘মারবান ক্রুড অয়েল’ প্রক্রিয়াকরণ তুলনামূলকভাবে বেশি উপযোগী ও আর্থিকভাবে লাভজনক।

এ ছাড়া চাহিদা অনুযায়ী অন্য কোনো দেশ বা সরবরাহকারীর কাছ থেকে এসব ক্রুড অয়েল পাওয়ার নিশ্চয়তা নেই। এ কারণে রাষ্ট্রীয় জরুরি প্রয়োজন ও জনস্বার্থে সরকারি ক্রয় আইন (পিপিএ) ২০০৬-এর ৬৮(১) ধারা এবং সরকারি ক্রয় বিধিমালা (পিপিআর) ২০২৫-এর বিধি ১০৭(২) অনুযায়ী ডিপিএমে ক্রুড অয়েল আমদানির প্রস্তাব করা হয়।

অন্যদিকে, ২০২৭ সালের জানুয়ারি থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত জিটুজি প্রক্রিয়ায় পরিশোধিত জ্বালানি তেল সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে আমদানির নীতিগত অনুমোদনের জন্য জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের আরেকটি প্রস্তাব বৈঠকে উপস্থাপন করা হয়। কমিটি প্রস্তাবটি নীতিগত অনুমোদনের জন্য সুপারিশ করেছে।

এ ছাড়া ২০২৭ সালের জানুয়ারি-জুন সময়ে আন্তর্জাতিক উন্মুক্ত দরপত্রের মাধ্যমে বিপিসির পরিশোধিত জ্বালানি তেল আমদানিতে দরপত্র প্রস্তুত ও দাখিলের সময়সীমা ৪২ দিন থেকে কমিয়ে ২১ দিন করার প্রস্তাবও অনুমোদন পেয়েছে। সংশ্লিষ্ট বিভাগের মতে, সময়সীমা কমানো হলে প্রয়োজন অনুযায়ী দ্রুত পরিশোধিত জ্বালানি তেল আমদানির প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা সম্ভব হবে।