কিশোরগঞ্জের ইটনা উপজেলার এলংজুরী ইউনিয়নের নূরুপুর গ্রামে মাদক কারবারে বাধা দেওয়াকে কেন্দ্র করে রুফ মিয়া (৪০) নামে এক ব্যক্তিকে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার প্রায় তিন ঘণ্টার মধ্যেই প্রধান অভিযুক্ত শ্যামল মিয়াকে আটক করেছে পুলিশ।

নিহত রুফ মিয়া নূরুপুর গ্রামের আবদুল মোতালিবের ছেলে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রোববার (৫ জুলাই) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে মাদক কারবারকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট বিরোধের জেরে শ্যামল মিয়া ও তার সহযোগীরা রুফ মিয়ার ওপর হামলা চালায় বলে অভিযোগ রয়েছে। হামলায় তিনি গুরুতর আহত হন।

স্থানীয়রা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে ইটনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

হত্যাকাণ্ডের খবর পেয়ে ইটনা থানা পুলিশ তাৎক্ষণিক অভিযান চালিয়ে ঘটনার প্রায় তিন ঘণ্টার মধ্যে প্রধান অভিযুক্ত শ্যামল মিয়াকে আটক করে। তিনি নূরুপুর গ্রামের চুন্নু মিয়ার ছেলে।

স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দার দাবি, শ্যামল মিয়া দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় মাদক কারবারের সঙ্গে জড়িত। তবে এ বিষয়ে পুলিশের পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো মন্তব্য করা হয়নি।

পুলিশ জানিয়েছে, হত্যাকাণ্ডের পেছনের প্রকৃত কারণ উদঘাটন এবং এ ঘটনায় অন্য কেউ জড়িত রয়েছে কি না, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অন্যদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

ইটনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাবিবুল্লাহ খান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, “এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। আটক আসামিকে আদালতে সোপর্দ করা হবে।”

এ হত্যাকাণ্ডের পর নূরুপুর গ্রামসহ আশপাশের এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়রা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং জড়িত সকলের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *