শুক্রবার, ৯ অক্টোবর ২০২৬, ২৫ আশ্বিন ১৪৩৩
[gtranslate]
শুক্রবার, ৯ অক্টোবর ২০২৬, ২৫ আশ্বিন ১৪৩৩

উন্নয়ন পরিকল্পনায় আগামী দিনের জলবায়ু ঝুঁকি বিবেচনার তাগিদ

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর, ২০২৬, ১:৫০ অপরাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
উন্নয়ন পরিকল্পনায় আগামী দিনের জলবায়ু ঝুঁকি বিবেচনার তাগিদ

জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি বিবেচনায় না নিয়ে উন্নয়ন পরিকল্পনা করা হলে ভবিষ্যতে বিনিয়োগের সুফল টেকসই হবে না। তাই বর্তমানের উন্নয়ন ও অবকাঠামোগত সিদ্ধান্তে আগামী কয়েক দশকের জলবায়ু ঝুঁকি বিবেচনায় নেওয়া জরুরি বলে মন্তব্য করেছেন বক্তারা।

গতকাল বুধবার রাজধানীর একটি হোটেলে দুই দিনব্যাপী বাংলাদেশ ক্লাইমেট ডেভেলপমেন্ট পার্টনারশিপ (বিসিডিপি) নলেজ কনফারেন্সের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তাঁরা এসব কথা বলেন। পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের আয়োজনে এবং এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) সহযোগিতায় সম্মেলনটি অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এতে দেশি-বিদেশি পাঁচ শতাধিক জলবায়ু বিশেষজ্ঞ, নীতিনির্ধারক, উন্নয়ন সহযোগী, বেসরকারি খাতের প্রতিনিধি, শিক্ষাবিদ ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা অংশ নিয়েছেন।

অনুষ্ঠানে বিসিডিপি ওয়েব পোর্টালের উদ্বোধন করেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু। নতুন এ ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে জলবায়ু-সম্পর্কিত প্রকল্প ও বিনিয়োগের তথ্য ব্যবস্থাপনা, রিয়েল-টাইম প্রকল্প পর্যবেক্ষণ, প্রকল্পের পাইপলাইন তৈরি এবং বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের মধ্যে সমন্বয়ের সুযোগ থাকবে। এর মাধ্যমে দেশীয় ও আন্তর্জাতিক জলবায়ু অর্থায়ন সংগ্রহের প্রক্রিয়া আরও কার্যকর হবে বলে জানান আয়োজকরা।

পরিবেশমন্ত্রী বলেন, জাতীয় জলবায়ু নীতি ও পরিকল্পনাকে সমন্বিত কর্মসূচি, মানসম্মত প্রকল্প, উপযুক্ত অর্থায়ন এবং পরিমাপযোগ্য ফলাফলে রূপ দেওয়াই এখন বড় চ্যালেঞ্জ।

তিনি বলেন, অভিযোজনমূলক বিনিয়োগের অনেক ক্ষেত্রে সরাসরি বাণিজ্যিক মুনাফা থাকে না। তবে এসব বিনিয়োগ মানুষের জীবন ও জীবিকা রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। ফলে বাংলাদেশের উন্নয়ন অগ্রাধিকার ও আর্থিক সক্ষমতার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে জলবায়ু অর্থায়নের কাঠামো তৈরি করতে হবে।

জলবায়ু প্রকল্পের পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নে স্থানীয় জনগোষ্ঠীর অভিজ্ঞতাকে গুরুত্ব দেওয়ার ওপরও জোর দেন মন্ত্রী। প্রকল্প প্রণয়ন, বাস্তবায়ন ও পরিবীক্ষণে নারী, তরুণ, প্রতিবন্ধী ব্যক্তি এবং প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর অর্থবহ অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার আহ্বান জানান তিনি।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে উপকূলীয় এলাকায় লবণাক্ততা বাড়ছে, ফসল উৎপাদন কমছে এবং মানুষের জীবন-জীবিকার ওপর চাপ বাড়ছে। এসব সমস্যা মোকাবিলায় সরকার প্রকৃতিনির্ভর সমাধানকে গুরুত্ব দিচ্ছে। খাল খনন ও বৃক্ষরোপণের পাশাপাশি কম কার্বন নিঃসরণকারী পরিবহন এবং সৌরবিদ্যুতের ব্যবহার বাড়ানোর কথাও তুলে ধরেন তিনি। বিসিডিপির কার্যক্রম আরও গতিশীল করতে উন্নয়ন সহযোগীদের সক্রিয় সহযোগিতা চান প্রতিমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রীর পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনবিষয়ক বিশেষ সহকারী ড. মো. সাইমুম পারভেজ বলেন, বাংলাদেশের জলবায়ু অভিযোজনের অভিজ্ঞতা সাহস ও মানুষের সম্মিলিত উদ্যোগের গল্প। অভিযোজন কার্যক্রমে স্থানীয় জনগোষ্ঠীর নেতৃত্ব ও মালিকানা নিশ্চিত করা জরুরি।

তিনি সহজলভ্য ও ন্যায্য অনুদানভিত্তিক অর্থায়ন, স্থানীয় পর্যায়ে সক্ষমতা বৃদ্ধি, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেন। বাংলাদেশের আগাম সতর্কীকরণ ব্যবস্থা ও জনগোষ্ঠীভিত্তিক অভিযোজনের অভিজ্ঞতা অন্যদের সঙ্গে বিনিময়ের আহ্বান জানান তিনি।

এডিবির নির্বাহী পরিচালক সত্যা শ্রীনিবাস লোল্লা বলেন, বাংলাদেশের জাতীয় জলবায়ু পরিকল্পনাগুলো বাস্তবায়নে সরকারি ও বেসরকারি উভয় খাত থেকেই বড় ধরনের বিনিয়োগ প্রয়োজন। এ সম্মেলনের সাফল্য শুধু আলোচনায় নয়; বরং সম্মেলন শেষে কী ধরনের পদক্ষেপ ও বিনিয়োগ আসে, তার ওপর নির্ভর করবে।

সম্মেলনের প্রথম দিনে তিনটি পূর্ণাঙ্গ অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়। এসব অধিবেশনে জলবায়ু সহনশীলতা ও নিম্ন কার্বন প্রবৃদ্ধি, জাতীয় অভিযোজন পরিকল্পনা ২০২৩-২০৫০ বাস্তবায়ন এবং জাতীয়ভাবে নির্ধারিত অবদান (এনডিসি) ৩.০ বাস্তবায়নে অর্থায়ন নিয়ে আলোচনা হয়।

আলোচনায় জাতীয় অভিযোজন পরিকল্পনা স্থানীয় পর্যায়ে বাস্তবায়ন, খাতভিত্তিক ব্যয় নির্ধারণ এবং জাতীয় বাজেট বরাদ্দের সঙ্গে সমন্বয়ের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। পাশাপাশি বহুপক্ষীয় উন্নয়ন ব্যাংকের আর্থিক সরঞ্জাম এবং সরকারি-বেসরকারি যৌথ বিনিয়োগের মাধ্যমে এনডিসি ৩.০ বাস্তবায়নের কৌশল নিয়েও আলোচনা হয়।

আজ বৃহস্পতিবার সম্মেলনের দ্বিতীয় দিনে জ্বালানি রূপান্তর, কম কার্বন নিঃসরণকারী পরিবহন, পানিসম্পদ ব্যবস্থাপনা, জলবায়ু-সহনশীল কৃষি ও বিনিয়োগযোগ্য প্রকল্প তৈরিসহ বিভিন্ন বিষয়ে কারিগরি অধিবেশন এবং বিশেষায়িত ওয়ার্কিং গ্রুপের আলোচনা হবে।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব ড. ফাহমিদা খানম। স্বাগত বক্তব্য দেন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মোহাম্মদ নাভিদ শফিউল্লাহ। সঞ্চালনা করেন যুগ্ম সচিব মুনিরা সুলতানা।

কুলিয়ারচরে মাদকসহ আটক ৩ জনকে ছেড়ে দিলেন ইউএনও

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: শুক্রবার, ৯ অক্টোবর, ২০২৬, ৮:৪১ অপরাহ্ণ
কুলিয়ারচরে মাদকসহ আটক ৩ জনকে ছেড়ে দিলেন ইউএনও

সুন্দরবনে কোস্ট গার্ডের অভিযানে অস্ত্র-গোলাবারুদ উদ্ধার

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর, ২০২৬, ২:৩০ অপরাহ্ণ
সুন্দরবনে কোস্ট গার্ডের অভিযানে অস্ত্র-গোলাবারুদ উদ্ধার

সুন্দরবনে ডাকাতির প্রস্তুতি নেওয়া একটি দলের আস্তানা থেকে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার করেছে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড। বুধবার রাতে বাগেরহাটের মোংলা থানার সুন্দরবনের শেলা নদী ফরেস্ট অফিসসংলগ্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে এসব অস্ত্র উদ্ধার করা হয়। তবে কোস্ট গার্ডের উপস্থিতি টের পেয়ে ডাকাত দলের সদস্যরা সুন্দরবনের গহিনে পালিয়ে যাওয়ায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।

উদ্ধার করা অস্ত্রের মধ্যে রয়েছে ছয়টি একনলা বন্দুক, তিনটি এয়ারগান, একটি পাইপগানের ট্রিগার ও ১৪ রাউন্ড তাজা কার্তুজ।

বৃহস্পতিবার সকালে মোংলায় কোস্ট গার্ড পশ্চিম জোনের সদর দপ্তরে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান পশ্চিম জোনের স্টাফ অফিসার (অপারেশনস) লে. কমান্ডার শওকত আহম্মদ।

কোস্ট গার্ড সূত্র জানায়, সুন্দরবনের সক্রিয় বনদস্যুদের নির্মূল এবং উপকূলীয় অঞ্চলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কোস্ট গার্ডের নেতৃত্বে ‘অপারেশন রিস্টোর পিস ইন সুন্দরবন’ ও ‘অপারেশন ম্যানগ্রোভ শিল্ড’ নামে বিশেষ অভিযান চলছে।

এরই ধারাবাহিকতায় বুধবার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কোস্ট গার্ড জানতে পারে, একটি ডাকাত দল ডাকাতির উদ্দেশ্যে শেলা নদী ফরেস্ট অফিসসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে। খবরের ভিত্তিতে রাত ৮টার দিকে কোস্ট গার্ড বেইস মোংলার একটি দল সেখানে অভিযান চালায়।

অভিযান চলাকালে কোস্ট গার্ডের উপস্থিতি টের পেয়ে সন্দেহভাজনরা সুন্দরবনের গহিনে পালিয়ে যায়। পরে ওই এলাকায় তল্লাশি চালিয়ে পরিত্যক্ত অবস্থায় অস্ত্র ও গোলাবারুদগুলো উদ্ধার করা হয়।

উদ্ধার করা অস্ত্র ও গোলাবারুদ মোংলা থানা-পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

সুন্দরবনকে সম্পূর্ণরূপে দস্যুমুক্ত করতে সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী স্থানীয় জনগণের সহযোগিতা এবং অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় করে অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে কোস্ট গার্ড।

ইয়েমেনে সংঘাতের মধ্যে সৌদির দুই বিমানবন্দরে হামলা, নিহত ৩

আন্তর্জাতিক ডেস্ক প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর, ২০২৬, ২:২০ অপরাহ্ণ
ইয়েমেনে সংঘাতের মধ্যে সৌদির দুই বিমানবন্দরে হামলা, নিহত ৩

ইয়েমেনে ইরান-সমর্থিত হুতি বিদ্রোহী ও সৌদি-সমর্থিত সরকারি বাহিনীর মধ্যে সংঘাত তীব্র হওয়ার মধ্যে সৌদি আরবের দুটি বিমানবন্দরে হামলায় তিনজন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন ৩৬ জন।

বুধবার সৌদি আরবের বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, রাজধানী রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হামলায় একজন নিহত ও আটজন আহত হয়েছেন। আবহা বিমানবন্দরের স্থাপনায় হামলায় নিহত হয়েছেন আরও দুজন এবং আহত হয়েছেন ২৮ জন।

কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, হামলা দুটি মঙ্গলবার ও বুধবার চালানো হয়েছে। তবে কোন দিন কোন বিমানবন্দরে হামলা হয়েছে, তা জানানো হয়নি।

হুতিদের বিরুদ্ধে লড়াইরত সৌদি-নেতৃত্বাধীন জোট জানিয়েছে, এসব হামলার জবাব দেওয়া হবে। বুধবার গভীর রাতে এক বিবৃতিতে জোটটি জানায়, ইয়েমেনের সা’দা, হোদেইদাহ, জাওফ ও মারিব অঞ্চলে হুতিদের ৮০টির বেশি সামরিক স্থাপনায় হামলা চালানো হয়েছে।

এর আগে হুতিরা ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও বিস্ফোরকবাহী ড্রোন ব্যবহার করে ইয়েমেনের এডেন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরেও হামলা চালায়। ইয়েমেনের পরিবহন মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, কায়রো থেকে একটি ফ্লাইট অবতরণের কয়েক মিনিট আগে এডেন বিমানবন্দরের রানওয়ের কাছে একটি ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানে। হুতিদের নিয়ন্ত্রণের বাইরে থাকা ইয়েমেনের বিভিন্ন অঞ্চলের মানুষের জন্য এডেন বিমানবন্দরটি প্রধান আন্তর্জাতিক প্রবেশপথ।

সৌদি-নেতৃত্বাধীন জোট আরও জানিয়েছে, সৌদি রাজধানী রিয়াদের উত্তরে হুতিদের একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত ও ধ্বংস করা হয়েছে। জোটের দাবি, হুতি-নিয়ন্ত্রিত সানা থেকে ক্ষেপণাস্ত্রটি উৎক্ষেপণ করা হয়। উৎক্ষেপণকারী প্ল্যাটফর্মটির ওপর নজর রাখা হচ্ছে এবং সেটি ধ্বংস করা হবে। তবে এতে হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতির বিস্তারিত জানানো হয়নি।

হুতিদের সামরিক মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি এক বিবৃতিতে দাবি করেছেন, তাদের গোষ্ঠী বেশ কয়েকটি ড্রোন দিয়ে রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে।

সাম্প্রতিক দিনগুলোতে ইয়েমেনের লড়াই মূলত বাব আল-মান্দাব প্রণালীর আশপাশের এলাকাকে কেন্দ্র করে তীব্র হয়েছে। হরমুজ প্রণালী দিয়ে বাণিজ্য সীমিত হয়ে পড়ায় জ্বালানি রপ্তানির ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথটি আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

চলতি সপ্তাহে সৌদি-নেতৃত্বাধীন জোটের বিমান সহায়তায় ইয়েমেনের সরকারি বাহিনী বাব আল-মান্দাব প্রণালী ও মোচা শহরের আশপাশের কৌশলগত এলাকাগুলো পুনরুদ্ধারে পাল্টা অভিযান শুরু করেছে। গত সেপ্টেম্বরে হুতিরা এসব এলাকা দখল করে নিয়েছিল। তবে সরকারি বাহিনীর অগ্রযাত্রা কতটা স্থায়ী হবে, তা এখনো স্পষ্ট নয়।

ইয়েমেনি সামরিক ও সরকারি সূত্র জানিয়েছে, পশ্চিমাঞ্চলের রণাঙ্গনে লড়াই মূলত বাব আল-মান্দাব প্রণালীর দিকে নজর রাখা ধুবাব জেলাকে কেন্দ্র করে সীমাবদ্ধ রয়েছে। সেখানে সরকারি বাহিনী উপকূলীয় সমভূমির পূর্বদিকে অবস্থিত কৌশলগত পাহাড়গুলোতে অগ্রসর হওয়ার চেষ্টা করছে।

সোমবার ইয়েমেন সরকার দাবি করেছিল, তারা মোচা শহরে পৌঁছেছে। শহরটি গুরুত্বপূর্ণ যুদ্ধক্ষেত্র তাইজের সঙ্গে সংযোগকারী একটি সরবরাহপথের সংযোগস্থলে অবস্থিত। তবে মাঠপর্যায়ের ইয়েমেনি সামরিক কর্মকর্তা ও বিশ্লেষকদের মতে, ওই দাবি ছিল অকালপক্ব।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার বৃহত্তর সংঘাতের রেশ হিসেবে ছড়িয়ে পড়া এই লড়াই ইয়েমেনের দীর্ঘ ১২ বছরের যুদ্ধকে নতুন করে উসকে দিয়েছে। এতে দেশটিতে ভয়াবহ মানবিক সংকট তৈরি হয়েছে।

আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম) বুধবার জানিয়েছে, লড়াইয়ের সর্বশেষ পর্যায় শুরুর পর থেকে ইয়েমেনে বাস্তুচ্যুত মানুষের সংখ্যা ২ লাখ ছাড়িয়েছে। সংস্থাটির মহাপরিচালক অ্যামি পোপ বলেন, মানুষ জীবন বাঁচাতে ছুটছে, কিন্তু নিরাপদ কোনো আশ্রয় খুঁজে পাচ্ছে না। খাদ্য ও আশ্রয়ের ক্রমবর্ধমান চাহিদা মোকাবিলায় তিনি আরও অর্থায়নের আহ্বান জানিয়েছেন।

উভয় পক্ষই কোনো বিস্তারিত তথ্য ছাড়াই দাবি করেছে, লড়াইয়ে শত শত মানুষ নিহত হয়েছেন। জাতিসংঘের তথ্যমতে, ইয়েমেনের কিছু এলাকায় প্রতি চারটি পরিবারের মধ্যে তিনটি পরিবার অনাহারের শিকার হচ্ছে।

হুতিরা এর আগে সৌদি আরবের বিমানবন্দর, তেল শোধনাগার ও পাইপলাইনসহ বিভিন্ন অবকাঠামোতে বারবার হামলা চালিয়েছে। বাব আল-মান্দাব প্রণালীকে কেন্দ্র করে সংঘাত আরও তীব্র হলে নৌ চলাচল ও বিশ্বব্যাপী তেল সরবরাহ হুমকির মুখে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

হুতিদের প্রতিহত করতে সৌদি আরব আন্তর্জাতিক সহায়তা চাইছে। তুরস্ক মূলত প্রতিরক্ষামূলক ও কারিগরি সহায়তা পাঠাচ্ছে বলে বুধবার দুজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন। ন্যাটো সদস্য তুরস্ক ও পাকিস্তান তাদের নবগঠিত জোটের আওতায় যৌথ প্রতিরক্ষা প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের অঙ্গীকার করার পর এই পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।

এদিকে হুতিদের সঙ্গে সংঘাত তীব্র হওয়ার প্রেক্ষাপটে মিত্র সৌদি আরবকে সামরিক সহায়তা দেওয়ার বিষয়টি সিরিয়া গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছে বলে জানিয়েছেন বিষয়টি সম্পর্কে অবগত একজন মার্কিন কর্মকর্তা ও একজন সিরীয় সামরিক কর্মকর্তা।

বিবেচনাধীন বিকল্পগুলোর মধ্যে সৌদি আরবকে হামলা থেকে রক্ষায় প্রতিরক্ষামূলক সহায়তা দেওয়া অথবা হুতিদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে সৌদি-সমর্থিত ইয়েমেনি বাহিনীকে সহায়তার জন্য সেনা মোতায়েনের বিষয়টি রয়েছে। ওই মার্কিন কর্মকর্তা জানান, হুতিদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের জন্য সেনা মোতায়েন করতে সৌদি আরব সিরিয়ার কাছে অনুরোধ জানিয়েছিল।

মন্তব্যের জন্য সিরিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে একজন সিরীয় কূটনীতিক বলেন, হুতি হামলার মুখে সিরিয়া দৃঢ়ভাবে সৌদি আরবের পাশে রয়েছে। তবে সরকারের মূল মনোযোগ এখন দেশের অভ্যন্তরীণ অগ্রাধিকার, যার মধ্যে গৃহযুদ্ধ-পরবর্তী পরিস্থিতি কাটিয়ে ওঠার বিষয়টিও রয়েছে।

ইয়েমেনের উত্তরাঞ্চলের বড় অংশের নিয়ন্ত্রণকারী হুতিরা ২০১৪ সালে রাজধানী সানা দখল করে নেয়। এরপর সৌদি আরবের নেতৃত্বাধীন একটি সামরিক জোট ইয়েমেনে হস্তক্ষেপ করে। জোটটির আশঙ্কা ছিল, ইয়েমেনে ইরানের প্রভাব বাড়তে পারে এবং সৌদি সীমান্তে অস্থিতিশীলতা তৈরি হতে পারে।

সৌদি-নেতৃত্বাধীন জোটের অভিযোগ, ইরান হুতিদের অস্ত্র ও অর্থ সহায়তার পাশাপাশি প্রশিক্ষণও দিচ্ছে। পাহাড়ি অঞ্চলে গড়ে ওঠা হুতিরা বর্তমানে হাজার হাজার যোদ্ধার একটি শক্তিশালী বাহিনীতে পরিণত হয়েছে। তাদের হাতে থাকা ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন পুরো অঞ্চলের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে বলে সৌদি জোটের দাবি।

তবে হুতিরা ইরানের মধ্যপ্রাচ্যকেন্দ্রিক প্রতিনিধি নেটওয়ার্কের অংশ হওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করে নিজেদের অস্ত্র নিজেরাই তৈরি করে বলে দাবি করেছে। তেহরানও হুতিদের অস্ত্র ও অর্থ সহায়তা দেওয়ার অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছে।

ইয়েমেনে ইরান-সমর্থিত হুতি বিদ্রোহী ও সৌদি-সমর্থিত সরকারি বাহিনীর মধ্যে সংঘাত তীব্র হওয়ার মধ্যে সৌদি আরবের দুটি বিমানবন্দরে হামলায় তিনজন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন ৩৬ জন।

বুধবার সৌদি আরবের বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, রাজধানী রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হামলায় একজন নিহত ও আটজন আহত হয়েছেন। আবহা বিমানবন্দরের স্থাপনায় হামলায় নিহত হয়েছেন আরও দুজন এবং আহত হয়েছেন ২৮ জন।

কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, হামলা দুটি মঙ্গলবার ও বুধবার চালানো হয়েছে। তবে কোন দিন কোন বিমানবন্দরে হামলা হয়েছে, তা জানানো হয়নি।

হুতিদের বিরুদ্ধে লড়াইরত সৌদি-নেতৃত্বাধীন জোট জানিয়েছে, এসব হামলার জবাব দেওয়া হবে। বুধবার গভীর রাতে এক বিবৃতিতে জোটটি জানায়, ইয়েমেনের সা’দা, হোদেইদাহ, জাওফ ও মারিব অঞ্চলে হুতিদের ৮০টির বেশি সামরিক স্থাপনায় হামলা চালানো হয়েছে।

এর আগে হুতিরা ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও বিস্ফোরকবাহী ড্রোন ব্যবহার করে ইয়েমেনের এডেন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরেও হামলা চালায়। ইয়েমেনের পরিবহন মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, কায়রো থেকে একটি ফ্লাইট অবতরণের কয়েক মিনিট আগে এডেন বিমানবন্দরের রানওয়ের কাছে একটি ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানে। হুতিদের নিয়ন্ত্রণের বাইরে থাকা ইয়েমেনের বিভিন্ন অঞ্চলের মানুষের জন্য এডেন বিমানবন্দরটি প্রধান আন্তর্জাতিক প্রবেশপথ।

সৌদি-নেতৃত্বাধীন জোট আরও জানিয়েছে, সৌদি রাজধানী রিয়াদের উত্তরে হুতিদের একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত ও ধ্বংস করা হয়েছে। জোটের দাবি, হুতি-নিয়ন্ত্রিত সানা থেকে ক্ষেপণাস্ত্রটি উৎক্ষেপণ করা হয়। উৎক্ষেপণকারী প্ল্যাটফর্মটির ওপর নজর রাখা হচ্ছে এবং সেটি ধ্বংস করা হবে। তবে এতে হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতির বিস্তারিত জানানো হয়নি।

হুতিদের সামরিক মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি এক বিবৃতিতে দাবি করেছেন, তাদের গোষ্ঠী বেশ কয়েকটি ড্রোন দিয়ে রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে।

সাম্প্রতিক দিনগুলোতে ইয়েমেনের লড়াই মূলত বাব আল-মান্দাব প্রণালীর আশপাশের এলাকাকে কেন্দ্র করে তীব্র হয়েছে। হরমুজ প্রণালী দিয়ে বাণিজ্য সীমিত হয়ে পড়ায় জ্বালানি রপ্তানির ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথটি আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

চলতি সপ্তাহে সৌদি-নেতৃত্বাধীন জোটের বিমান সহায়তায় ইয়েমেনের সরকারি বাহিনী বাব আল-মান্দাব প্রণালী ও মোচা শহরের আশপাশের কৌশলগত এলাকাগুলো পুনরুদ্ধারে পাল্টা অভিযান শুরু করেছে। গত সেপ্টেম্বরে হুতিরা এসব এলাকা দখল করে নিয়েছিল। তবে সরকারি বাহিনীর অগ্রযাত্রা কতটা স্থায়ী হবে, তা এখনো স্পষ্ট নয়।

ইয়েমেনি সামরিক ও সরকারি সূত্র জানিয়েছে, পশ্চিমাঞ্চলের রণাঙ্গনে লড়াই মূলত বাব আল-মান্দাব প্রণালীর দিকে নজর রাখা ধুবাব জেলাকে কেন্দ্র করে সীমাবদ্ধ রয়েছে। সেখানে সরকারি বাহিনী উপকূলীয় সমভূমির পূর্বদিকে অবস্থিত কৌশলগত পাহাড়গুলোতে অগ্রসর হওয়ার চেষ্টা করছে।

সোমবার ইয়েমেন সরকার দাবি করেছিল, তারা মোচা শহরে পৌঁছেছে। শহরটি গুরুত্বপূর্ণ যুদ্ধক্ষেত্র তাইজের সঙ্গে সংযোগকারী একটি সরবরাহপথের সংযোগস্থলে অবস্থিত। তবে মাঠপর্যায়ের ইয়েমেনি সামরিক কর্মকর্তা ও বিশ্লেষকদের মতে, ওই দাবি ছিল অকালপক্ব।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার বৃহত্তর সংঘাতের রেশ হিসেবে ছড়িয়ে পড়া এই লড়াই ইয়েমেনের দীর্ঘ ১২ বছরের যুদ্ধকে নতুন করে উসকে দিয়েছে। এতে দেশটিতে ভয়াবহ মানবিক সংকট তৈরি হয়েছে।

আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম) বুধবার জানিয়েছে, লড়াইয়ের সর্বশেষ পর্যায় শুরুর পর থেকে ইয়েমেনে বাস্তুচ্যুত মানুষের সংখ্যা ২ লাখ ছাড়িয়েছে। সংস্থাটির মহাপরিচালক অ্যামি পোপ বলেন, মানুষ জীবন বাঁচাতে ছুটছে, কিন্তু নিরাপদ কোনো আশ্রয় খুঁজে পাচ্ছে না। খাদ্য ও আশ্রয়ের ক্রমবর্ধমান চাহিদা মোকাবিলায় তিনি আরও অর্থায়নের আহ্বান জানিয়েছেন।

উভয় পক্ষই কোনো বিস্তারিত তথ্য ছাড়াই দাবি করেছে, লড়াইয়ে শত শত মানুষ নিহত হয়েছেন। জাতিসংঘের তথ্যমতে, ইয়েমেনের কিছু এলাকায় প্রতি চারটি পরিবারের মধ্যে তিনটি পরিবার অনাহারের শিকার হচ্ছে।

হুতিরা এর আগে সৌদি আরবের বিমানবন্দর, তেল শোধনাগার ও পাইপলাইনসহ বিভিন্ন অবকাঠামোতে বারবার হামলা চালিয়েছে। বাব আল-মান্দাব প্রণালীকে কেন্দ্র করে সংঘাত আরও তীব্র হলে নৌ চলাচল ও বিশ্বব্যাপী তেল সরবরাহ হুমকির মুখে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

হুতিদের প্রতিহত করতে সৌদি আরব আন্তর্জাতিক সহায়তা চাইছে। তুরস্ক মূলত প্রতিরক্ষামূলক ও কারিগরি সহায়তা পাঠাচ্ছে বলে বুধবার দুজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন। ন্যাটো সদস্য তুরস্ক ও পাকিস্তান তাদের নবগঠিত জোটের আওতায় যৌথ প্রতিরক্ষা প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের অঙ্গীকার করার পর এই পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।

এদিকে হুতিদের সঙ্গে সংঘাত তীব্র হওয়ার প্রেক্ষাপটে মিত্র সৌদি আরবকে সামরিক সহায়তা দেওয়ার বিষয়টি সিরিয়া গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছে বলে জানিয়েছেন বিষয়টি সম্পর্কে অবগত একজন মার্কিন কর্মকর্তা ও একজন সিরীয় সামরিক কর্মকর্তা।

বিবেচনাধীন বিকল্পগুলোর মধ্যে সৌদি আরবকে হামলা থেকে রক্ষায় প্রতিরক্ষামূলক সহায়তা দেওয়া অথবা হুতিদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে সৌদি-সমর্থিত ইয়েমেনি বাহিনীকে সহায়তার জন্য সেনা মোতায়েনের বিষয়টি রয়েছে। ওই মার্কিন কর্মকর্তা জানান, হুতিদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের জন্য সেনা মোতায়েন করতে সৌদি আরব সিরিয়ার কাছে অনুরোধ জানিয়েছিল।

মন্তব্যের জন্য সিরিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে একজন সিরীয় কূটনীতিক বলেন, হুতি হামলার মুখে সিরিয়া দৃঢ়ভাবে সৌদি আরবের পাশে রয়েছে। তবে সরকারের মূল মনোযোগ এখন দেশের অভ্যন্তরীণ অগ্রাধিকার, যার মধ্যে গৃহযুদ্ধ-পরবর্তী পরিস্থিতি কাটিয়ে ওঠার বিষয়টিও রয়েছে।

ইয়েমেনের উত্তরাঞ্চলের বড় অংশের নিয়ন্ত্রণকারী হুতিরা ২০১৪ সালে রাজধানী সানা দখল করে নেয়। এরপর সৌদি আরবের নেতৃত্বাধীন একটি সামরিক জোট ইয়েমেনে হস্তক্ষেপ করে। জোটটির আশঙ্কা ছিল, ইয়েমেনে ইরানের প্রভাব বাড়তে পারে এবং সৌদি সীমান্তে অস্থিতিশীলতা তৈরি হতে পারে।

সৌদি-নেতৃত্বাধীন জোটের অভিযোগ, ইরান হুতিদের অস্ত্র ও অর্থ সহায়তার পাশাপাশি প্রশিক্ষণও দিচ্ছে। পাহাড়ি অঞ্চলে গড়ে ওঠা হুতিরা বর্তমানে হাজার হাজার যোদ্ধার একটি শক্তিশালী বাহিনীতে পরিণত হয়েছে। তাদের হাতে থাকা ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন পুরো অঞ্চলের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে বলে সৌদি জোটের দাবি।

তবে হুতিরা ইরানের মধ্যপ্রাচ্যকেন্দ্রিক প্রতিনিধি নেটওয়ার্কের অংশ হওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করে নিজেদের অস্ত্র নিজেরাই তৈরি করে বলে দাবি করেছে। তেহরানও হুতিদের অস্ত্র ও অর্থ সহায়তা দেওয়ার অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছে।