সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭ আশ্বিন ১৪৩৩
[gtranslate]
সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭ আশ্বিন ১৪৩৩

কিশোরগঞ্জে মুখে মাস্ক পরে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দিয়ে গ্রামীণ ব্যাংকে অগ্নিসংযোগ

রেজাউল হক প্রকাশিত: সোমবার, ১৭ নভেম্বর, ২০২৫, ২:১১ অপরাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
কিশোরগঞ্জে মুখে মাস্ক পরে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দিয়ে গ্রামীণ ব্যাংকে অগ্নিসংযোগ

কিশোরগঞ্জ শহরের স্টেশন রোড এলাকায় অবস্থিত গ্রামীণ ব্যাংকের যশোদল শাখায় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দিতে দিতে অগ্নিসংযোগ করেন মুখে সাদা মাস্ক পরা এক ব্যক্তি। সোমবার গভীর রাতে এ ঘটনা ঘটে।

পাশের একটি দোকানের সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়—মুখে সাদা মাস্ক পরা ওই ব্যক্তি ব্যাংকের নিচতলায় কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দ্রুত সটকে পড়েন। তবে আশপাশের লোকজন দ্রুত ছুটে এসে আগুন নেভাতে সক্ষম হওয়ায় বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি হয়নি।

খবর পেয়ে কিশোরগঞ্জ মডেল থানা পুলিশ তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয়।
থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন,
“আগুনে কোনো উল্লেখযোগ্য ক্ষতি হয়নি। অজ্ঞাতনামা ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলার প্রস্তুতি চলছে। ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে।”

কটিয়াদীতে ক্রিকেট ফাইনাল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৮:২৪ অপরাহ্ণ
কটিয়াদীতে ক্রিকেট ফাইনাল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত

‘ক্রীড়াই শক্তি, ক্রীড়াই বল’—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীতে ড্রিম হলি মডেল একাডেমির উদ্যোগে ক্রিকেট টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ফাইনালে তারা মিয়া স্মৃতি সংসদ চ্যাম্পিয়ন এবং ফুটন্ত কলি সোশ্যাল অর্গানাইজেশন রানার্সআপ হওয়ার গৌরব অর্জন করেছে।

রোববার বিকেলে উপজেলার উত্তর চরপুক্ষিয়া ৮৮ নম্বর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হয়। খেলা দেখতে মাঠের চারপাশে স্থানীয় ক্রীড়াপ্রেমী মানুষের ভিড় জমে। ফাইনাল খেলাকে ঘিরে এলাকায় উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়।

ড্রিম হলি মডেল একাডেমির প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালক মো. সাখাওয়াত হোসেন ফুলুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কিশোরগঞ্জ-২ (কটিয়াদী-পাকুন্দিয়া) আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মো. জালাল উদ্দিন। তিনি অনুষ্ঠানে বক্তব্যও দেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মো. জালাল উদ্দিন বলেন, খেলাধুলা তরুণ সমাজকে মাদক থেকে দূরে রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। একটি মাদকমুক্ত দেশ ও সমাজ গঠনে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে এগিয়ে আসতে হবে। তরুণ প্রজন্মকে খেলাধুলার সঙ্গে সম্পৃক্ত করতে স্থানীয় পর্যায়ে নিয়মিত ক্রীড়া আয়োজনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, কিছুদিনের মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট শুরু হবে। এ উপলক্ষে কটিয়াদী উপজেলায় কটিয়াদী, বোয়ালিয়া, আচমিতা, মসূয়া ও বনগ্রাম—এই পাঁচটি মাঠকে খেলার উপযোগী করে তোলার জন্য বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

এ সময় তিনি কটিয়াদীর তরুণ ও যুবসমাজকে বিভিন্ন ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের আহ্বান জানান। তিনি বলেন, শুধু শারীরিক সুস্থতার জন্য নয়, খেলাধুলা তরুণদের মধ্যে শৃঙ্খলা, নেতৃত্বের গুণাবলি, পারস্পরিক সহযোগিতা ও সৌহার্দ্যবোধ গড়ে তুলতে সহায়তা করে। তাই প্রতিটি এলাকায় খেলার মাঠ সংরক্ষণ ও নিয়মিত ক্রীড়া আয়োজনের প্রয়োজন রয়েছে।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কটিয়াদী বিএনপির সভাপতি ও সাবেক পৌর মেয়র তোফাজ্জল হোসেন খান দিলীপ, কটিয়াদী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম, উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি মো. শফিকুল ইসলাম শফিক, মিজানুর রহমান স্বপন, শেখ জসিম উদ্দিন মেনু, মো. আতিকুর রহমান আতিক, উত্তর চরপুক্ষিয়া ৮৮ নম্বর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি এম. এ. আমিন, উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক মাহাবুবুল আলম মাসুদ ও সদস্যসচিব রফিকুল ইসলাম সেতু, জালালপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি শফিকুল ইসলাম ভূঞা শ্যামল, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আবু নায়েম বাবুল, জালালপুর ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি মো. আরিফুল ইসলাম সবুজ ও সাধারণ সম্পাদক মো. তাজুল ইসলাম হিমেলসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা।

এ ছাড়া অনুষ্ঠানে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিক, ক্রীড়ানুরাগী এবং বিপুলসংখ্যক দর্শক উপস্থিত ছিলেন।

ফাইনাল খেলায় শুরু থেকেই দুই দল জয়ের জন্য মরিয়া হয়ে লড়াই করে। দুই দলের খেলোয়াড়দের আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণে মাঠে দর্শকদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা যায়। শেষ পর্যন্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ খেলায় তারা মিয়া স্মৃতি সংসদ চ্যাম্পিয়ন এবং ফুটন্ত কলি সোশ্যাল অর্গানাইজেশন রানার্সআপ হয়।

খেলা শেষে বিজয়ী ও রানার্সআপ দলের খেলোয়াড়দের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। আয়োজকেরা জানান, তরুণ প্রজন্মকে মাদক ও বিভিন্ন অসামাজিক কর্মকাণ্ড থেকে দূরে রেখে খেলাধুলার প্রতি আগ্রহী করে তোলা এবং স্থানীয় পর্যায়ে ক্রীড়া প্রতিভার বিকাশ ঘটানোর লক্ষ্যেই এ ধরনের আয়োজন অব্যাহত রাখা হবে।

জমি বিরোধে ৫ লাখ টাকা দাবি, বসতবাড়িতে তালা দেওয়ার অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:৩৯ অপরাহ্ণ
জমি বিরোধে ৫ লাখ টাকা দাবি, বসতবাড়িতে তালা দেওয়ার অভিযোগ

কিশোরগঞ্জে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে আবুল বাশার (৪৬) নামে এক ব্যক্তির কাছে ৫ লাখ টাকা দাবি, বসতবাড়ির বারান্দায় তালা ঝুলিয়ে দেওয়া এবং প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় কয়েকজনের বিরুদ্ধে।

এ ঘটনায় ভুক্তভোগী আবুল বাশার কিশোরগঞ্জ সদর মডেল থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। অভিযোগে অভিযুক্ত করা হয়েছে মো. কাউছার (২৯), মোছা. জাহানারা (৫৪), এসতাক (৩৮) ও হিমেলকে (২৪)। তারা সবাই কিশোরগঞ্জ জেলা শহরের নিউটাউন এলাকার বাসিন্দা।

অভিযোগ ও ভুক্তভোগীর বক্তব্য সূত্রে জানা যায়, জেলা শহরের নিউটাউন এলাকায় আবুল বাশারের দুই শতক জমি রয়েছে। ওই জমি নিয়ে অভিযুক্তদের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছে। এ বিরোধের জেরে ২০২৩ সালে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করেন আবুল বাশার। মামলাটি বর্তমানে বিচারাধীন রয়েছে।

আবুল বাশারের অভিযোগ, মামলা দায়েরের পর থেকেই অভিযুক্তরা বিভিন্ন সময় মামলা থেকে অব্যাহতি নেওয়ার জন্য তাকে চাপ ও হুমকি দিয়ে আসছেন। একই সঙ্গে মামলায় জামিনসহ বিভিন্ন কাজে তাদের প্রায় ৫ লাখ টাকা খরচ হয়েছে দাবি করে ওই টাকা পরিশোধের জন্যও তাকে চাপ দেওয়া হচ্ছে।

আবুল বাশার জানান, দাবিকৃত ৫ লাখ টাকা পরিশোধ না করলে ক্রয়কৃত বসতবাড়িতে প্রবেশ করে তালা ঝুলিয়ে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়। এরই ধারাবাহিকতায় গত ৫ সেপ্টেম্বর সকালে অভিযুক্তরা তার বসতবাড়ির বারান্দার গ্রিলে তালা লাগিয়ে দেন বলে অভিযোগ করেন তিনি।

পরে বিষয়টি স্থানীয় লোকজনকে জানিয়ে অভিযুক্তদের তালা খুলে দেওয়ার অনুরোধ করেন আবুল বাশার। এ ঘটনায় তিনি নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন জানিয়ে দ্রুত প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে অভিযুক্ত মো. কাউছার তা অস্বীকার করে বলেন, আবুল বাশারের করা অভিযোগ সঠিক নয়। জমি নিয়ে বিরোধের বিষয়টি আদালতে বিচারাধীন রয়েছে। ৫ লাখ টাকা দাবি এবং বাড়িতে তালা দেওয়ার অভিযোগও তিনি অস্বীকার করেন।

কিশোরগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আবুল কালাম ভূঁইয়া বলেন, এ ঘটনায় একটি লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। অভিযোগটি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

কটিয়াদীতে দেশীয় মাছের উৎপাদন বাড়াতে উন্মুক্ত জলাশয়ে পোনা অবমুক্ত

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৩:২৮ অপরাহ্ণ
কটিয়াদীতে দেশীয় মাছের উৎপাদন বাড়াতে উন্মুক্ত জলাশয়ে পোনা অবমুক্ত

কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীতে দেশীয় মাছের উৎপাদন বৃদ্ধি, বিলুপ্তপ্রায় প্রজাতি সংরক্ষণ এবং প্রাণিজ আমিষের চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে উন্মুক্ত জলাশয় ও প্রাতিষ্ঠানিক পুকুরে মাছের পোনা অবমুক্ত করা হয়েছে। উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তার কার্যালয়ের উদ্যোগে আয়োজিত এ কর্মসূচির আওতায় একটি প্রাতিষ্ঠানিক পুকুর ও একটি উন্মুক্ত জলাশয়ে মোট ৩৩৩ দশমিক ৩৩ কেজি রুইজাতীয় মাছের পোনা অবমুক্ত করা হয়।

সোমবার দুপুরে উপজেলার করগাঁও হাওরে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের রাজস্ব বাজেটের আওতায় এ পোনা অবমুক্তকরণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। কর্মসূচিতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে মাছের পোনা অবমুক্ত করেন কিশোরগঞ্জ-২ (কটিয়াদী-পাকুন্দিয়া) আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মো. জালাল উদ্দিন।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কটিয়াদী উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) লাবনী আক্তার তারানা, উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও সাবেক পৌর মেয়র তোফাজ্জল হোসেন খান দিলীপ, সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. কাউসার মিয়া, উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি মিজানুর রহমান স্বপন, শেখ জসিম উদ্দিন মেনু, শরাফ উদ্দিন লস্কর পারভেজ ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম ফুলুসহ উপজেলা বিএনপি ও সব অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ। এ ছাড়া বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী, প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিক এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ জালাল উদ্দিন বলেন, দেশীয় মাছের উৎপাদন বৃদ্ধি, বিলুপ্তপ্রায় প্রজাতি সংরক্ষণ এবং সাধারণ মানুষের প্রাণিজ আমিষের চাহিদা পূরণে এ ধরনের উদ্যোগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মাছের উৎপাদন বৃদ্ধির পাশাপাশি জলাশয় সংরক্ষণ ও অবৈধভাবে মাছ শিকার বন্ধে সবাইকে সচেতন ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান তিনি।

তিনি বলেন, জলাশয়গুলোতে পরিকল্পিতভাবে মাছের পোনা অবমুক্ত করার পাশাপাশি প্রাকৃতিক জলাশয়ের পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। অবৈধভাবে মাছ শিকার বন্ধ করা গেলে দেশীয় মাছের উৎপাদন আরও বাড়বে এবং এর সুফল পাবে স্থানীয় জনগোষ্ঠী।

সংসদ সদস্য আরও বলেন, সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় কটিয়াদীর জলাশয়গুলো দেশীয় মাছে সমৃদ্ধ হবে এবং এর মাধ্যমে গ্রামীণ অর্থনীতি আরও শক্তিশালী হবে—এটাই প্রত্যাশা।

মৎস্য বিভাগের সংশ্লিষ্টরা জানান, উন্মুক্ত জলাশয়ে মাছের পোনা অবমুক্ত করার মাধ্যমে দেশীয় মাছের প্রজনন ও উৎপাদন বৃদ্ধির পাশাপাশি সাধারণ মানুষের মাছের চাহিদা পূরণে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।