রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬, ১১ শ্রাবণ ১৪৩৩
[gtranslate]
রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬, ১১ শ্রাবণ ১৪৩৩

হিমেল হাওয়ায় ফাগুনের গান: বসন্ত উৎসবে রঙিন কিশোরগঞ্জ উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়

নূর আহাম্মদ পলাশ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ৫:৪৫ অপরাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
হিমেল হাওয়ায় ফাগুনের গান: বসন্ত উৎসবে রঙিন কিশোরগঞ্জ উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়

“হিমেল হাওয়ায় ফাগুনের গান, বসন্ত এলো রাঙাতে প্রাণ”—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে কিশোরগঞ্জ উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ে আনন্দঘন পরিবেশে উদযাপিত হয়েছে বসন্ত উৎসব ১৪৩২।

বৃহস্পতিবার (০৯ এপ্রিল ২০২৬) সকাল ১০টা ৩০ মিনিটে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে উৎসবটির আয়োজন করা হয়। শুরু থেকেই পুরো ক্যাম্পাস জুড়ে ছিল রঙিন সাজসজ্জা, শিক্ষার্থীদের উচ্ছ্বাস এবং উৎসবমুখর আবহ।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদ, কিশোরগঞ্জের প্রশাসক খালেদ সাইফুল্লাহ সোহেল খান। বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা শামছুন নাহার মাকছুদা। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিদ্যালয়ের পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি মাসুদুল হাসান।

কিশোরগঞ্জের প্রাণকেন্দ্র ইশাখাঁ রোডে অবস্থিত ঐতিহ্যবাহী এ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটিতে বসন্ত উৎসব উপলক্ষে দিনব্যাপী নানা আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানের শুরুতে বিদ্যালয়ের কোমলমতি শিক্ষার্থীরা অতিথিদের ফুল দিয়ে বরণ করে নেয়।

পরে অতিথিরা শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য প্রদান করেন। বক্তব্যে তারা বলেন, পাঠ্যবইয়ের পাশাপাশি সংস্কৃতি চর্চা শিক্ষার্থীদের মানসিক বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। বসন্ত উৎসবের মতো আয়োজন শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতা ও দেশীয় সংস্কৃতির প্রতি ভালোবাসা বাড়াতে সহায়ক।

অনুষ্ঠানের অন্যতম আকর্ষণ ছিল বর্ণাঢ্য সাংস্কৃতিক পর্ব। এতে বিদ্যালয়ের বিভিন্ন শ্রেণির শিক্ষার্থীরা নৃত্য, সংগীত, আবৃত্তিসহ নানা পরিবেশনায় অংশগ্রহণ করে। মনোমুগ্ধকর এসব পরিবেশনায় উপস্থিত দর্শনার্থীরা মুগ্ধ হন এবং বারবার করতালিতে মুখরিত হয়ে ওঠে অনুষ্ঠানস্থল।

দিনব্যাপী এ বসন্ত উৎসব আনন্দ-উচ্ছ্বাসের মধ্য দিয়ে শেষ হয়, যা শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অভিভাবকদের মাঝে দারুণ সাড়া ফেলে।

বাজিতপুরে খেলতে গিয়ে খালে ডুবে প্রাণ গেল দুই শিশুর

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: রবিবার, ২৬ জুলাই, ২০২৬, ৫:৫২ অপরাহ্ণ
বাজিতপুরে খেলতে গিয়ে খালে ডুবে প্রাণ গেল দুই শিশুর

কিশোরগঞ্জের বাজিতপুরে খালে ডুবে দুই শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। শনিবার (২৫ জুলাই) দুপুর আড়াইটার দিকে পৌর এলাকার মিরারবন্দ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত দুই শিশু হলো— মিরারবন্দ এলাকার মো. সুজন মিয়ার তিন বছর বয়সী ছেলে তাহসিন মিয়া এবং একই এলাকার মো. শাউন মিয়ার সাড়ে তিন বছর বয়সী মেয়ে মাওয়া আক্তার।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শনিবার দুপুরে খেলার ছলে পরিবারের সদস্যদের অগোচরে শিশু দুটি বাড়ির সামনের খালের পানিতে পড়ে যায়। দীর্ঘ সময় তাদের দেখতে না পেয়ে স্বজনেরা খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। একপর্যায়ে বাড়ির সামনের খাল থেকে শিশু দুটিকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।

পরে তাদের দ্রুত ভাগলপুর জহুরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক দুজনকেই মৃত ঘোষণা করেন।

খবর পেয়ে বাজিতপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে এবং প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শুরু করে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে বাজিতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস. এম. শহীদুল্লাহ বলেন, ‘ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।’

স্থানীয়দের ভাষ্য, বাড়ির সামনের খালটি বর্ষা মৌসুমে পানিতে পূর্ণ থাকায় শিশুদের জন্য এটি ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে ওঠে। অসাবধানতাবশত পানিতে পড়ে যাওয়ায় এ মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। তবে ঘটনার প্রকৃত কারণ জানতে পুলিশ বিষয়টি খতিয়ে দেখছে।

জাহাঙ্গীর হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন না হলে এমপি পদ ছাড়ব: ফজলুর রহমান

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: রবিবার, ২৬ জুলাই, ২০২৬, ১১:০৪ পূর্বাহ্ণ
জাহাঙ্গীর হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন না হলে এমপি পদ ছাড়ব: ফজলুর রহমান

মিঠামইন উপজেলা বিএনপির সভাপতি জাহিদুল আলম জাহাঙ্গীর হত্যা মামলার প্রকৃত রহস্য উদঘাটন করতে না পারলে সংসদ সদস্য (এমপি) পদ ছেড়ে দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন কিশোরগঞ্জ-৪ (ইটনা-অষ্টগ্রাম-মিঠামইন) আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমান। একই অনুষ্ঠানে তিনি জামায়াতে ইসলামীকে স্বাধীনতাবিরোধী দল হিসেবে উল্লেখ করে দলটির বিরুদ্ধে কঠোর মন্তব্যও করেন।

শনিবার (২৫ জুলাই) বিকেলে কিশোরগঞ্জের মিঠামইন বাজারের বালুর মাঠে উপজেলা বিএনপির সভাপতি জাহিদুল আলম জাহাঙ্গীরের স্মরণে আয়োজিত নাগরিক শোকসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

জাহাঙ্গীর হত্যা মামলার তদন্ত প্রসঙ্গে ফজলুর রহমান বলেন, এখন পর্যন্ত তিনি তদন্তে কোনো ধরনের হস্তক্ষেপ করেননি। কারণ মিঠামইন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি), কিশোরগঞ্জের পুলিশ সুপার এবং গোয়েন্দা সংস্থার কর্মকর্তারা তাকে আশ্বস্ত করেছেন যে, হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন করা হবে। তাদের পরামর্শ অনুযায়ী তিনি ধৈর্য ধরে অপেক্ষা করছেন। ইতোমধ্যে গ্রেপ্তার তিন আসামিকে আবারও পাঁচ দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

তিনি বলেন, ‘আমি অপেক্ষা করছি। তারা যদি হত্যার রহস্য উদঘাটন করতে না পারে, তাহলে আমি যেখানে যাওয়ার, সেখানে যাব। বাংলাদেশে এমন কোনো উঁচু জায়গা নেই, যেখানে আমার নাগাল নেই। জাহাঙ্গীর হত্যার প্রকৃত রহস্য আমি বের করবই। যদি এই হত্যাকাণ্ডের সঠিক তদন্ত ও বিচার নিশ্চিত করতে না পারি, তাহলে আমি এমপিগিরি ছেড়ে দেব।’

বক্তব্যের একপর্যায়ে জামায়াতে ইসলামী প্রসঙ্গে ফজলুর রহমান বলেন, ‘আরেকটা শয়তানের পার্টি আছে। এই পার্টির নাম স্বাধীনতাবিরোধী জামায়াতে ইসলামী। সেই জামায়াতে ইসলামী মিঠামইন থানায় ২৪ হাজার ভোট পেয়েছে। মিঠামইনে জামায়াত কোথা থেকে এলো? কে জামায়াতকে ভোট দিল? কারা তাদের সঙ্গে মিলল? যে লোকটা নৌকা ছেড়ে দাঁড়িপাল্লায় ভোট দিতে পারে, তার তো জন্মেরই ঠিক নেই। তার নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, আর সে ভোট দেয় দাঁড়িপাল্লায়?’

গত নির্বাচনের ফলাফলের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, মিঠামইন ইউনিয়নে তিনি মাত্র ৯ ভোটের ব্যবধানে পরাজিত হন। পাশের গোপদিঘী ইউনিয়নের একটি কেন্দ্র ছাড়া প্রায় সব কেন্দ্রেই তিনি পিছিয়ে ছিলেন।

কামালপুর কেন্দ্রের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আপনারা বুকে হাত দিয়ে বলেন, এই কেন্দ্র কার? এখানে কারা ভোট দেয়? আমাকে ভোট না দিলেও সমস্যা নেই, কিন্তু তাই বলে দাঁড়িপাল্লায় ভোট দেবেন কেন? স্বাধীনতাবিরোধীরা গভীরভাবে ষড়যন্ত্র করে কাজ করে। বিষয়টি সবাইকে মাথায় রাখতে হবে।’

শোকসভায় উপস্থিত ছিলেন কিশোরগঞ্জ-১ (কিশোরগঞ্জ সদর-হোসেনপুর) আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মো. মাজহারুল ইসলাম, জেলা বিএনপির সাবেক সহসভাপতি রুহুল হোসাইন, জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক ইটনা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট আমিনুল ইসলাম রতন, জেলা পরিষদের প্রশাসক ও বিএনপি নেতা খালেদ সাইফুল্লাহ সোহেল, পৌর বিএনপির সভাপতি মো. আমিনুল ইসলাম আশফাক এবং ইটনা উপজেলা বিএনপির নেতা ঠাকুরসহ বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা।

উল্লেখ্য, গত মঙ্গলবার (১৫ জুলাই) রাত পৌনে ১০টার দিকে মিঠামইন সদর এলাকায় নিজ বাড়ির সামনে উপজেলা বিএনপির সভাপতি জাহিদুল আলম জাহাঙ্গীরের ওপর ধারালো অস্ত্র নিয়ে হামলা চালায় দুর্বৃত্তরা। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে কিশোরগঞ্জ শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক রাত সাড়ে ১১টার দিকে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

হত্যাকাণ্ডের পর স্থানীয়রা ঘটনাস্থল থেকে বরগুনার বামনা উপজেলার চাকাতাসুনিয়া গ্রামের মৃত সুলতান মীরনের ছেলে মো. হেলালকে (২৪) আটক করেন। পরে পুলিশ অভিযান চালিয়ে হেলাল, লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জ উপজেলার সুধামপুর গ্রামের নূর হোসেনের ছেলে মহিন উদ্দিন (৩২) এবং একই উপজেলার মধ্যপাড়া গ্রামের রহমত উল্লাহ খোকনের ছেলে মো. শাহিন আলম ওরফে শাকিলকে (২৭) গ্রেপ্তার করে।

এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী তসলিমা আক্তার চৌধুরী বাদী হয়ে তিনজনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা আরও ১০ থেকে ১২ জনকে আসামি করে মিঠামইন থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার তদন্তের স্বার্থে আদালত গ্রেপ্তার তিন আসামিকে পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন।

নীলগঞ্জে নদীতে গোসল করতে নেমে তাবলিগের মুসল্লির মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: রবিবার, ২৬ জুলাই, ২০২৬, ৮:৪৮ পূর্বাহ্ণ
নীলগঞ্জে নদীতে গোসল করতে নেমে তাবলিগের মুসল্লির মৃত্যু

কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার নিলগঞ্জ এলাকায় ধলেশ্বরী নদীতে গোসল করতে নেমে মোহাম্মদ ফয়সাল (২৩) নামে তাবলিগ জামাতের এক মুসল্লির মৃত্যু হয়েছে।

শনিবার (২৫ জুলাই) দুপুরে জোহরের নামাজের আগে নীলগঞ্জ পুরাতন বাজার জামে মসজিদের পাশের ধলেশ্বরী নদীতে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত ফয়সাল কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার গাইটাল ডুবাইল এলাকার বাসিন্দা।

স্থানীয় সূত্র ও স্বজনরা জানান, ফয়সালসহ কয়েকজন তাবলিগ জামাতের সাথী আগের দিন নীলগঞ্জ পুরাতন বাজার জামে মসজিদে অবস্থান করছিলেন। শনিবার জোহরের নামাজের আগে তারা ধলেশ্বরী নদীতে গোসল করতে নামেন। একপর্যায়ে পাকা ঘাট থেকে কিছুটা সামনে নদীর মাঝামাঝি অংশে সাঁতার কাটতে গেলে ফয়সাল হঠাৎ পানিতে তলিয়ে যেতে থাকেন। সঙ্গে থাকা দুই সাথী তাকে উদ্ধারের চেষ্টা করলেও ব্যর্থ হন। পরে তিনি নদীর পানিতে নিখোঁজ হয়ে যান।

ঘটনার পর তার সঙ্গীরা জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করে কিশোরগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসকে বিষয়টি জানান। অভিযোগ রয়েছে, খবর দেওয়ার প্রায় দুই ঘণ্টা পার হলেও ফায়ার সার্ভিস ঘটনাস্থলে পৌঁছায়নি। পরে স্থানীয় সাংবাদিক জামাল উদ্দিন বিষয়টি নিয়ে যোগাযোগ করলে প্রায় ৩০ মিনিট পর ফায়ার সার্ভিসের একটি উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান শুরু করে।

কিশোরগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের লিডার আমিনুর রহমানের নেতৃত্বে উদ্ধারকর্মী আনোয়ার হোসেন ও কবির হোসেন প্রায় ১০ মিনিট অভিযান চালিয়ে নদী থেকে ফয়সালের মরদেহ উদ্ধার করেন। পরে মরদেহটি কিশোরগঞ্জ সদর মডেল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আশিকের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

নিহতের চাচাতো ভাই ও তাবলিগ জামাতের সাথী মোহাম্মদ রুবেল মিয়া বলেন, ‘ফয়সাল আমার চাচাতো ভাই। সে ডুবাইল এলাকার মোহাম্মদ হেলালের ছেলে। আমরা একসঙ্গে তাবলিগ জামাতে এসেছিলাম। এমন মর্মান্তিক ঘটনা ঘটবে, কখনো ভাবিনি।’

কিশোরগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের সিনিয়র স্টেশন কর্মকর্তা মোহাম্মদ মুর্শেদ বলেন, ‘খবর পাওয়ার পর আমাদের উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে গিয়ে অভিযান চালায়। পরে নদী থেকে মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।’


Warning: Constant WP_USE_THEMES already defined in /home/dkishoreganj/public_html/index.php on line 41