শিক্ষার মানোন্নয়নে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ, পাকুন্দিয়ায় মেধা অন্বেষণ বৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত
সংগ্রহীত ছবি
কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়ায় ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে মেধা অন্বেষণ বৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে। উপজেলার পাটুয়াভাঙ্গা ইউনিয়নের পাঁচটি মাদ্রাসা ও চারটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়সহ মোট নয়টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের এক হাজার ৫০ জন শিক্ষার্থী এ পরীক্ষায় অংশ নেয়।
শনিবার (২৫ জুলাই) সকাল ১১টায় উপজেলার শিমুলিয়া উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে সামাজিক ও সেবামূলক সংগঠন ‘জুনায়েত ভূঁইয়া ফাউন্ডেশন’-এর উদ্যোগে এ বৃত্তি পরীক্ষার আয়োজন করা হয়।
পরীক্ষা উপলক্ষে সকাল থেকেই শিমুলিয়া উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে পরীক্ষার্থী, অভিভাবক ও শিক্ষকদের উপস্থিতিতে প্রাণচাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। পরীক্ষা সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও নকলমুক্ত পরিবেশে সম্পন্ন করতে পুলিশ, আনসার বাহিনী এবং স্বেচ্ছাসেবকেরা দায়িত্ব পালন করেন।
আয়োজক সূত্রে জানা যায়, ১৯টি পরীক্ষাকক্ষে ৬০ জন কক্ষ পরিদর্শক, ১০ জন হল সুপার এবং চারজন সহকারী হল সুপার দায়িত্ব পালন করেন।
পরীক্ষাকেন্দ্র পরিদর্শন করেন পাকুন্দিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রূপম দাস। এ সময় উপস্থিত ছিলেন পাকুন্দিয়া সরকারি কলেজের প্রভাষক চিত্ত রঞ্জন বর্মন ও মো. সাইফুল্লাহ, পাকুন্দিয়া সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আফসার উদ্দিন আহমদ, কালিয়াচাপড়া চিনিকল উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আমজাদ হোসেন তরুণ, পাকুন্দিয়া আদর্শ মহিলা কলেজের প্রভাষক মোহাম্মদ কামাল উদ্দিন ছোটনসহ উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষকবৃন্দ।
এ সময় পাকুন্দিয়া পৌর বিএনপির সভাপতি এসএএম মিনহাজ উদ্দিন, সহ-সভাপতি মাহফুজুর রহমান, ৫ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি জসিম উদ্দিন, উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক রাকিবুল আলম ছোটন এবং উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মাজহারুল হক উজ্জ্বলসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরাও উপস্থিত ছিলেন।
জুনায়েত ভূঁইয়া ফাউন্ডেশনের পরিচালক আনম তানভীর হায়দার ভূঁইয়া বলেন, পাটুয়াভাঙ্গা ইউনিয়নে বিভিন্ন সামাজিক ও উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনার ধারাবাহিকতায় এবার শিক্ষার মানোন্নয়নের লক্ষ্যে এই মেধা অন্বেষণ বৃত্তি পরীক্ষার আয়োজন করা হয়েছে। মেধার ভিত্তিতে নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের বৃত্তি প্রদান করা হবে।
ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান মো. জুনায়েত ভূঁইয়া মোহন বলেন, শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রতিযোগিতামূলক মনোভাব সৃষ্টি এবং মেধার বিকাশ ঘটানোই আমাদের মূল লক্ষ্য। ভবিষ্যতে এ কার্যক্রম পুরো পাকুন্দিয়া উপজেলায় সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি শিক্ষা ও সমাজকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডও অব্যাহত থাকবে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রূপম দাস বলেন, এ ধরনের মেধা অন্বেষণ বৃত্তি পরীক্ষা শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ায় আরও উৎসাহিত করবে এবং সুস্থ প্রতিযোগিতার মনোভাব গড়ে তুলবে। একই সঙ্গে স্থানীয় পর্যায়ে শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়নে এ উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।














Warning: Array to string conversion in /home/dkishoreganj/public_html/wp-content/plugins/gs-facebook-comments/public/class-wpfc-public.php on line 311
Array