বুধবার, ২৬ আগস্ট ২০২৬, ১১ ভাদ্র ১৪৩৩
[gtranslate]
বুধবার, ২৬ আগস্ট ২০২৬, ১১ ভাদ্র ১৪৩৩

নিকলী হাওড়ে নিখোঁজের দুই দিন পর পর্যটকের মরদেহ উদ্ধার

শেখ উবাইদুল হক প্রকাশিত: রবিবার, ১২ জুলাই, ২০২৬, ৭:২৭ অপরাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
নিকলী হাওড়ে নিখোঁজের দুই দিন পর পর্যটকের মরদেহ উদ্ধার

কিশোরগঞ্জের নিকলী হাওড়ে গোসল করতে নেমে নিখোঁজ হওয়া এক পর্যটকের মরদেহ দুই দিন পর উদ্ধার করা হয়েছে। রোববার (১২ জুলাই) ভোরে স্থানীয় জেলেরা ধনু নদীতে ভাসমান অবস্থায় মরদেহটি দেখতে পান। পরে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা মরদেহ উদ্ধার করলে সঙ্গে থাকা স্বজন ও সহযাত্রীরা সেটি নিখোঁজ পর্যটক শফিকুল ইসলাম তুলুর (২৬) বলে শনাক্ত করেন।

নিহত শফিকুল ইসলাম তুলু গাজীপুর জেলার কাপাসিয়া উপজেলার কান্দানিয়া গ্রামের বাসিন্দা। তিনি হাবিবুর রহমানের ছেলে।

জানা গেছে, শুক্রবার (১০ জুলাই) গাজীপুর থেকে ২০ থেকে ২৫ জনের একটি পর্যটক দল ইঞ্জিনচালিত নৌকায় নিকলী উপজেলার বেরিবাঁধ এলাকা থেকে মিঠামইন হাওরের উদ্দেশে রওনা দেন। পথে নিকলী উপজেলার দামপাড়া ইউনিয়নের কাঁঠালিয়া হাওর এলাকায় নৌকার ইঞ্জিনে যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দেয়।

এ সময় নৌকার মাঝি ইঞ্জিন মেরামতের কাজে ব্যস্ত থাকায় কয়েকজন পর্যটক হাওরের পানিতে গোসল করতে নামেন। গোসল শেষে সবাই নৌকায় ফিরে এলেও শফিকুল ইসলাম তুলু আর ফিরে আসেননি। পরে তাকে বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও না পেয়ে বিষয়টি নিকলী থানা ও উপজেলা প্রশাসনকে জানানো হয়।

খবর পেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার অতিরিক্ত দায়িত্বে থাকা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. শহীদ উল্লাহ নিখোঁজ ব্যক্তিকে উদ্ধারে স্থানীয়দের সহযোগিতা চেয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেন।

এরপর নিকলী ফায়ার সার্ভিসের সদস্য, কিশোরগঞ্জ থেকে আসা ডুবুরি দল এবং স্থানীয় লোকজন দুই দিন ধরে হাওরের বিভিন্ন স্থানে তল্লাশি অভিযান চালালেও তার কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।

রোববার ভোরে স্থানীয় জেলেরা ধনু নদীতে মাছ ধরার সময় একটি মরদেহ ভাসতে দেখে পুলিশ ও উপজেলা প্রশাসনকে খবর দেন। সকাল ৬টার দিকে নিকলী ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশনের উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে।

পরে মরদেহটি ফায়ার সার্ভিস ঘাটে নিয়ে এলে সঙ্গে থাকা কয়েকজন পর্যটক সেটি শফিকুল ইসলাম তুলুর বলে শনাক্ত করেন।

নিকলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহবুবুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা দায়ের করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ কিশোরগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

‘শরিয়াহবিরোধী কোনো আইন মেনে নেওয়ার প্রশ্নই আসে না’- বায়তুল মোকাররম খতিব

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: বুধবার, ২৬ আগস্ট, ২০২৬, ৭:২০ অপরাহ্ণ
‘শরিয়াহবিরোধী কোনো আইন মেনে নেওয়ার প্রশ্নই আসে না’- বায়তুল মোকাররম খতিব

কোরআন ও হাদিসের স্পষ্ট নির্দেশনার সঙ্গে সাংঘর্ষিক কোনো আইন সংবিধানে থাকলে তা সংশোধন বা বাতিল করা উচিত বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের খতিব মাওলানা আব্দুল মালেক। তিনি বলেছেন, শরিয়াহবিরোধী কোনো আইন মেনে নেওয়ার প্রশ্নই আসে না।

বুধবার (২৬ আগস্ট) সকালে কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে হেফাজতে ইসলাম আয়োজিত শানে রেসালত সম্মেলনে বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি এসব কথা বলেন।

সম্মেলনে মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর পবিত্র জীবন, আদর্শ ও ইসলামী শরিয়াহর বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করা হয়। এতে কোরআন-সুন্নাহর আলোকে ব্যক্তি ও জাতীয় জীবনে ইসলামী মূল্যবোধ অনুসরণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন বক্তারা।

মাওলানা আব্দুল মালেক বলেন, আইন প্রণেতারা পশ্চিমা বিভিন্ন দেশ থেকে আইন ও বিধান গ্রহণ করতে পারেন। তবে দেশীয় ব্যবস্থাপনার কোনো আইনকে ইসলামী শরিয়াহর সমতুল্য মনে করার সুযোগ নেই। ভুলবশত সংবিধানে কোরআন-সুন্নাহর স্পষ্ট নির্দেশনার বিরোধী কোনো ধারা যুক্ত হয়ে থাকলে তা সংশোধন বা বাতিল করা উচিত।

সংসদ সদস্যদের ভূমিকার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, তাঁরা সংবিধান রক্ষা ও সংরক্ষণের শপথ নেন। কিন্তু সংবিধানের কোনো বিধান যদি কোরআন, হাদিস, আকিদা ও ইসলামী শরিয়াহর মৌলিক নীতির সঙ্গে সাংঘর্ষিক হয়, তাহলে তা সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন। শুধু শরিয়াহবিরোধী আইনের প্রতিবাদ করলেই হবে না, সেগুলো পরিবর্তন বা বাতিলের জন্য কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।

সম্মেলনে মাওলানা আব্দুল মালেক তাঁর বক্তব্যের একটি বড় অংশ কাদিয়ানি সম্প্রদায়ের আকিদাগত অবস্থান নিয়ে আলোচনা করেন। তিনি বলেন, কাদিয়ানিরা নিজেদের মুসলমান দাবি করে এবং নামাজ ও জাকাত আদায়ের কথা বলে। তাদের উপাসনালয়েও ইসলামী বিভিন্ন নিদর্শন দেখা যায়। তবে তাদের আকিদা ও বিশ্বাসের সঙ্গে মূলধারার ইসলামী আকিদার মৌলিক পার্থক্য রয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।

বক্তব্যের একপর্যায়ে তিনি কাদিয়ানি সম্প্রদায়কে ‘প্রতারক, বেইমান ও দাজ্জাল’ হিসেবে উল্লেখ করেন। তাঁর এই মন্তব্য তাঁর বক্তব্যের অংশ হিসেবে প্রতিবেদনে উদ্ধৃত করা হলো; কোনো সম্প্রদায় সম্পর্কে এসব অবমাননাকর বিশেষণকে প্রতিবেদনের নিজস্ব বর্ণনা হিসেবে ব্যবহার করা হয়নি।

তিনি আরও বলেন, পৃথিবীতে হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টানসহ বিভিন্ন ধর্মের অনুসারী রয়েছেন এবং তাঁরা নিজ নিজ ধর্মীয় পরিচয়ে পরিচিত। তবে কাদিয়ানিদের বিশ্বাস ও আকিদা নিয়ে মুসলিম সমাজে দীর্ঘদিন ধরে বিতর্ক রয়েছে।

সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন হেফাজতে ইসলাম কিশোরগঞ্জ জেলা শাখার সভাপতি মাওলানা শাব্বির আহমাদ রশিদ। এতে হেফাজতে ইসলামের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী, আলেম-ওলামা ও বিপুলসংখ্যক মুসল্লি উপস্থিত ছিলেন।

সাবেক ইউপি সদস্যের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার, মিঠামইনে মৃত্যুর কারণ নিয়ে গুঞ্জন

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: বুধবার, ২৬ আগস্ট, ২০২৬, ৬:৩৪ অপরাহ্ণ
সাবেক ইউপি সদস্যের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার, মিঠামইনে মৃত্যুর কারণ নিয়ে গুঞ্জন

কিশোরগঞ্জের মিঠামইন উপজেলার গোপদীঘি ইউনিয়নের নতুন চাঁদপুর গ্রামে মো. মুক্তার মিয়া (—) নামে এক সাবেক ইউপি সদস্যের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) দিবাগত রাতে এক আত্মীয়ের বাড়িতে ঘুমাতে যাওয়ার পর বুধবার ভোরে তাঁর ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পান স্বজনরা। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। তাঁর মৃত্যু আত্মহত্যা, নাকি এর পেছনে অন্য কোনো কারণ রয়েছে—এ নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে নানা আলোচনা চলছে।

নিহত মুক্তার মিয়া গোপদীঘি ইউনিয়নের নতুন চাঁদপুর গ্রামের বাসিন্দা। তিনি মৃত কালা মিয়ার ছেলে এবং গোপদীঘি ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক সদস্য ছিলেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাতে মুক্তার মিয়া তাঁর এক আত্মীয়ের বাড়িতে ঘুমাতে যান। ভোররাতে স্বজনরা তাঁকে ঘরের ভেতর ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান। তাঁদের ডাক-চিৎকারে আশপাশের লোকজন ছুটে এসে তাঁকে ঝুলন্ত অবস্থা থেকে নামিয়ে আনেন।

পরে খবর পেয়ে বুধবার (২৬ আগস্ট) সকাল ১১টার দিকে মিঠামইন থানার উপপরিদর্শক (এসআই) রিয়াজ হোসেন ঘটনাস্থলে যান। তিনি মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করেন। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ কিশোরগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।

মুক্তার মিয়ার মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিয়ে এলাকায় নানা আলোচনা ও গুঞ্জন চলছে। স্থানীয় কয়েকজনের দাবি, ঘটনাটি স্বাভাবিক আত্মহত্যা নাও হতে পারে। তাঁদের আশঙ্কা, তাঁকে হত্যা করে পরে মরদেহ ঝুলিয়ে রেখে ঘটনাটিকে আত্মহত্যা হিসেবে দেখানোর চেষ্টা করা হয়ে থাকতে পারে।

তবে এসব অভিযোগের পক্ষে কোনো প্রমাণ বা পুলিশের পক্ষ থেকে নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। ফলে মৃত্যুর কারণ নিয়ে এখনই কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছানো যাচ্ছে না।

মিঠামইন থানা পুলিশও এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিকভাবে মৃত্যুর কারণ নিশ্চিত করেনি। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

সাবেক এই জনপ্রতিনিধির অস্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনায় গোপদীঘি ইউনিয়নে শোকের পাশাপাশি উদ্বেগও দেখা দিয়েছে। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদ্‌ঘাটনে সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

বিএসটিআই পরীক্ষায় মানহীন ১০ পণ্য, বাজার থেকে প্রত্যাহারের নির্দেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: বুধবার, ২৬ আগস্ট, ২০২৬, ৬:১০ অপরাহ্ণ
বিএসটিআই পরীক্ষায় মানহীন ১০ পণ্য, বাজার থেকে প্রত্যাহারের নির্দেশ

ল্যাবরেটরি পরীক্ষায় বাংলাদেশ মান (বিডিএস) অনুযায়ী নির্ধারিত মানদণ্ড পূরণে ব্যর্থ হওয়ায় বম্বে সুইটসের পাঁচ ধরনের মসলা, বাঘাবাড়ি ঘিসহ ১০টি নিম্নমানের পণ্য বাজার থেকে প্রত্যাহারের নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই)।

একই সঙ্গে এসব পণ্যের বিপরীতে বিএসটিআইয়ের দেওয়া লাইসেন্স কেন বাতিল করা হবে না, তা জানতে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে। পরীক্ষায় নিম্নমানের প্রমাণিত হওয়ায় এসব পণ্য না কিনতে ভোক্তাদের পরামর্শ দিয়েছে বিএসটিআই।

সম্প্রতি নিয়মিত সার্ভিল্যান্স কার্যক্রমের অংশ হিসেবে বাজার থেকে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের পণ্য সংগ্রহ করে বিএসটিআইয়ের নিজস্ব অত্যাধুনিক ল্যাবরেটরিতে পরীক্ষা করা হয়। এসব পরীক্ষায় অধিকাংশ পণ্যের মান সন্তোষজনক পাওয়া গেলেও কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের ঘি, বাটার অয়েল ও মসলার মান নির্ধারিত মানদণ্ডের নিচে পাওয়া যায়।

পরীক্ষায় বাঘাবাড়ি ব্র্যান্ডের ঘিতে দুধের চর্বি বা ‘মিল্ক ফ্যাট’ না থাকার বিষয়টি ধরা পড়ে। বিএসটিআইয়ের তথ্য অনুযায়ী, পাম অলিন ও বনস্পতি ব্যবহার করে পণ্যটি ‘ঘি’ নামে বাজারজাত করা হচ্ছে।

অন্যদিকে, বম্বে সুইটস অ্যান্ড কোং লিমিটেডের উৎপাদিত পাঁচ ধরনের মসলা পরীক্ষায় বাংলাদেশ মান অনুযায়ী মোট অ্যাশ ও লবণের মাত্রা নির্ধারিত সীমার চেয়ে বেশি পাওয়া যায়।

ব্যর্থ হওয়া পণ্যগুলো হলো—কারি পাউডার, হাঁসের মাংসের মসলা (ব্যাচ নং-১৪১২২৪), তেহারি মসলা (ব্যাচ নং-১৪০২২৬), কালা ভুনা মসলা (ব্যাচ নং-২৬০৯২৭), গরুর মাংসের মসলা (ব্যাচ-এ) এবং মাছের মসলা (ব্যাচ-এ)।

বিএসটিআইয়ের পরীক্ষায় বাংলাদেশ মানের চেয়ে নিম্নমানের ঘি ও বাটার অয়েল প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে রয়েছে বাঘাবাড়ি প্রিমিয়াম ঘি কোম্পানি, কিশোরগঞ্জ ফুড প্রোডাক্টস, মেসার্স মামুন ফুড প্রোডাক্ট এবং এলডার্স ফুড প্রোডাক্টস অ্যান্ড প্যাকেজিং ইন্ডাস্ট্রিজ।

এসব প্রতিষ্ঠানের সংশ্লিষ্ট পণ্য হলো—বাঘাবাড়ি ব্র্যান্ডের ঘি, অরুন বাঘাবাড়ী ব্র্যান্ডের ঘি, নিউ রাঁধুনী ও সিটি ব্র্যান্ডের ঘি এবং এলডার্স ব্র্যান্ডের বাটার অয়েল।

বিএসটিআইয়ের পরীক্ষায় এসব ঘি ও বাটার অয়েলে রিফ্র্যাক্টিভ ইনডেক্স, আয়োডিন ভ্যালু, স্যাপোনিফিকেশন ভ্যালু ও পলেনস্কে ভ্যালুসহ বিভিন্ন পরামিতি নির্ধারিত সীমার বাইরে পাওয়া গেছে।

বিএসটিআইয়ের মহাপরিচালক (সচিব) কাজী ইমদাদুল হক বলেন, জাতীয় মান অনুযায়ী পণ্যের গুণগত মান বজায় রাখা প্রতিটি লাইসেন্সপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানের আইনগত ও নৈতিক দায়িত্ব। কোনো প্রতিষ্ঠান এ দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হলে বিএসটিআই প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নিতে বদ্ধপরিকর।

তিনি বলেন, পণ্যের মান সনদ দেওয়ার পাশাপাশি নকল ও ভেজাল রোধে নিয়মিত সার্ভিল্যান্সের মাধ্যমে বিএসটিআই কঠোর নজরদারি অব্যাহত রেখেছে।

পণ্য কেনার আগে বিএসটিআইয়ের মানচিহ্ন, লাইসেন্স নম্বর, উৎপাদনের তারিখ, মেয়াদোত্তীর্ণের তারিখ, পণ্যের উপাদানসহ প্রয়োজনীয় তথ্য যাচাই করতে ক্রেতাদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

কোনো পণ্যের মান, ভেজাল, প্রতারণা অথবা বিএসটিআইয়ের মানচিহ্নের অপব্যবহার সংক্রান্ত অভিযোগ থাকলে তা দ্রুত বিএসটিআইয়ের হটলাইন ১৬১১৯-এ কল অথবা dg@bsti.gov.bd ই-মেইলে জানানোর অনুরোধ জানান মহাপরিচালক।