শনিবার, ৬ জুন ২০২৬, ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
শনিবার, ৬ জুন ২০২৬, ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

ডেঙ্গুমুক্ত পরিবেশ গড়তে জহুরুল ইসলাম মেডিকেলে র‌্যালি ও আলোচনা

বাজিতপুর প্রতিনিধি প্রকাশিত: শনিবার, ৬ জুন, ২০২৬, ১:০১ অপরাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
ডেঙ্গুমুক্ত পরিবেশ গড়তে জহুরুল ইসলাম মেডিকেলে র‌্যালি ও আলোচনা

ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে কিশোরগঞ্জের বাজিতপুর উপজেলার জহুরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে সচেতনতামূলক র‌্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (৬ জুন) সকাল ১০টায় হাসপাতাল প্রাঙ্গণে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

কর্মসূচির অংশ হিসেবে হাসপাতালের মেডিকেল করিডোর থেকে একটি সচেতনতামূলক র‌্যালি বের করা হয়। র‌্যালিটি হাসপাতাল চত্বরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় নির্ধারিত স্থানে এসে শেষ হয়। এতে জহুরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, নার্সিং ইনস্টিটিউট এবং সংশ্লিষ্ট বিভাগের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, চিকিৎসক, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও স্টাফ নার্সরা অংশগ্রহণ করেন।

র‌্যালিতে নেতৃত্ব দেন জহুরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক অধ্যাপক ডা. মো. বাহার উদ্দিন ভূঞা।

র‌্যালি শেষে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক ডা. মো. বাহার উদ্দিন ভূঞা বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে ব্যক্তিগত ও সামাজিক সচেতনতার কোনো বিকল্প নেই। এডিস মশার বংশবৃদ্ধি রোধ করতে হলে বাড়ির আশপাশ সব সময় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে। বিশেষ করে টব, ভাঙা পাত্র, ড্রাম, ট্যাংক বা অন্য যেকোনো পাত্রে জমে থাকা পানি নিয়মিত পরিষ্কার করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, রাস্তা-ঘাটের পাশে জমে থাকা ময়লা-আবর্জনা অপসারণ, ড্রেন পরিষ্কার রাখা এবং পানি জমতে না দেওয়ার মাধ্যমে মশার প্রজনন অনেকাংশে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। ডেঙ্গু প্রতিরোধে সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি সাধারণ জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণও অত্যন্ত জরুরি।

আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, বর্ষা মৌসুমকে কেন্দ্র করে ডেঙ্গুর ঝুঁকি বেড়ে যায়। তাই এখন থেকেই সচেতনতা বৃদ্ধি এবং পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদার করা প্রয়োজন। ডেঙ্গু সম্পর্কে সঠিক তথ্য জানা এবং প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে এ রোগের বিস্তার অনেকাংশে কমানো সম্ভব।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন অধ্যাপক ডা. মো. সাঈদ হাসান, সহকারী পরিচালক ডা. এস. এম. ইউসুফ ভূঁইয়া, নার্সিং ইনস্টিটিউটের অধ্যক্ষ আল্পনা আক্তার, বিভিন্ন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান, চিকিৎসক, স্টাফ নার্স, কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং নার্সিং ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থীরা।

কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারীরা ডেঙ্গু প্রতিরোধে নিজেদের পাশাপাশি সমাজের অন্যান্য মানুষকে সচেতন করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। আয়োজকরা জানান, জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় ভবিষ্যতেও এ ধরনের সচেতনতামূলক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদে রাস্তায় এলাকাবাসী, আসামিদের দ্রুত গ্রেপ্তারের আহ্বান

সঞ্জিত চন্দ্র শীল প্রকাশিত: শনিবার, ৬ জুন, ২০২৬, ৬:১৫ অপরাহ্ণ
সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদে রাস্তায় এলাকাবাসী, আসামিদের দ্রুত গ্রেপ্তারের আহ্বান

কিশোরগঞ্জের হোসেনপুর উপজেলার দক্ষিণ গোবিন্দপুর গ্রামে অটোরিকশাচালক মো. সোহেলের ওপর সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেছেন এলাকাবাসী। হামলার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে শুক্রবার (৫ জুন) বিকেলে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারী স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযোগ করেন, দক্ষিণ গোবিন্দপুর গ্রামের বাসিন্দা ও অটোরিকশাচালক মো. সোহেলের ওপর পূর্বপরিকল্পিতভাবে হামলা চালানো হয়। হামলায় গুরুতর আহত সোহেল বর্তমানে ঢাকার পঙ্গু হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক ক্ষোভ ও উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে।

ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা জানান, আহত সোহেলের মা মোছা. হাজেরা খাতুন গত ১৩ মে ২০২৬ তারিখে হোসেনপুর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলার নম্বর-০৭।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, একজন সাধারণ শ্রমজীবী মানুষের ওপর এ ধরনের নৃশংস হামলা কোনো সভ্য সমাজে গ্রহণযোগ্য নয়। অভিযুক্ত মো. জাহিদুল ইসলাম, মো. আল-আমীন, মো. মাজিম উদ্দিন ও মো. ফুল চাঁদসহ অন্যরা প্রকাশ্যে ঘোরাফেরা করলেও অধিকাংশের বিরুদ্ধে এখনো দৃশ্যমান কোনো কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ করেন তারা।

বক্তারা আরও বলেন, হামলাকারীদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা না হলে সাধারণ মানুষের মধ্যে নিরাপত্তাহীনতা বাড়বে। একই সঙ্গে এলাকার শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে প্রশাসনের আরও সক্রিয় ভূমিকা প্রয়োজন।

মানববন্ধনে নারী-পুরুষসহ বিভিন্ন বয়সী মানুষ অংশ নেন। এ সময় তারা বিভিন্ন স্লোগানের মাধ্যমে হামলার প্রতিবাদ ও ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

স্থানীয়রা জানান, সোহেল দীর্ঘদিন ধরে অটোরিকশা চালিয়ে পরিবারের জীবিকা নির্বাহ করে আসছেন। তার ওপর হামলার ঘটনায় পরিবারটি চরম আর্থিক ও মানসিক সংকটের মধ্যে পড়েছে। তারা দ্রুত তদন্ত সম্পন্ন করে প্রকৃত অপরাধীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।

মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীরা বলেন, অপরাধীদের বিচার নিশ্চিত হলে সাধারণ মানুষের আইনের প্রতি আস্থা আরও সুদৃঢ় হবে। তাই প্রশাসনের উচিত দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করে জড়িতদের গ্রেপ্তার করে বিচারের মুখোমুখি করা।

এ বিষয়ে হোসেনপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ রাশেদুল ইসলামের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, “উক্ত মামলার একজন আসামিকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। তাদেরও দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে।”

‘প্রতি শনিবার পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে অংশ নিন’-পাকুন্দিয়ায় সংসদ সদস্য জালাল উদ্দীন

তোফায়েল আহমেদ প্রকাশিত: শনিবার, ৬ জুন, ২০২৬, ৬:০৪ অপরাহ্ণ
‘প্রতি শনিবার পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে অংশ নিন’-পাকুন্দিয়ায় সংসদ সদস্য জালাল উদ্দীন

কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়ায় ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং পরিচ্ছন্ন পরিবেশ গড়ে তোলার লক্ষ্যে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও সচেতনতামূলক শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার (৬ জুন) সকাল ১০টায় উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে ‘নিজ পরিবেশ পরিচ্ছন্ন করি, ডেঙ্গুমুক্ত বাংলাদেশ গড়ি’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে পৌর সদরে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

কর্মসূচির অংশ হিসেবে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা পৌরসভার গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে। শোভাযাত্রায় বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, শিক্ষার্থী এবং সচেতন নাগরিকরা অংশগ্রহণ করেন। অংশগ্রহণকারীরা ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে বিভিন্ন স্লোগানসংবলিত ব্যানার, ফেস্টুন ও প্ল্যাকার্ড বহন করেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কিশোরগঞ্জ-২ (পাকুন্দিয়া-কটিয়াদী) আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মো. জালাল উদ্দীন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন পাকুন্দিয়া পৌর প্রশাসক ও উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) রিফাত জাহান, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা নূর-ই-আলম, উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা স্বর্ণা চক্রবর্তী, পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির পাকুন্দিয়া জোনাল অফিসের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (ডিজিএম) নিতাই দাস, পাকুন্দিয়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) জাহাঙ্গীর আলম, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক এমদাদুল হক মাসুদসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।

শোভাযাত্রা শেষে অনুষ্ঠিত সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মো. জালাল উদ্দীন বলেন, “ডেঙ্গু প্রতিরোধে ব্যক্তিগত সচেতনতার কোনো বিকল্প নেই। নিজেদের বাসাবাড়ি, আঙিনা এবং আশপাশের পরিবেশ নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে। জমে থাকা পানি এডিস মশার প্রজননের অন্যতম প্রধান উৎস। তাই ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।”

তিনি আরও বলেন, “প্রতি শনিবার পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালনার আহ্বান জানানো হয়েছে। তবে শুধু একটি দিন নয়, প্রতিদিনই নিজ নিজ পরিবেশ পরিষ্কার রাখার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে। সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমেই ডেঙ্গুমুক্ত সমাজ গঠন সম্ভব।”

বক্তারা বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে প্রশাসনের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের সক্রিয় অংশগ্রহণ অত্যন্ত জরুরি। বাড়ির আঙিনা, ছাদ, ফুলের টব, ডাবের খোসা, পরিত্যক্ত টায়ারসহ যেসব স্থানে পানি জমে থাকতে পারে, সেগুলো নিয়মিত পরিষ্কার রাখলে এডিস মশার বিস্তার অনেকাংশে রোধ করা সম্ভব।

অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারীরা ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতা বৃদ্ধির পাশাপাশি পরিচ্ছন্ন পরিবেশ গড়ে তোলার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

অস্ত্রোপচার সক্ষমতা বাড়াতে জহুরুল ইসলাম মেডিকেলে আধুনিক ওটি কমপ্লেক্স

সাব্বির আহমদ মানিক প্রকাশিত: শনিবার, ৬ জুন, ২০২৬, ৫:২৬ অপরাহ্ণ
অস্ত্রোপচার সক্ষমতা বাড়াতে জহুরুল ইসলাম মেডিকেলে আধুনিক ওটি কমপ্লেক্স

কিশোরগঞ্জের বাজিতপুরে অবস্থিত জহুরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আধুনিক চিকিৎসাসেবার পরিধি সম্প্রসারণ এবং রোগীদের উন্নত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে নতুন ওটি (অপারেশন থিয়েটার) কমপ্লেক্সের উদ্বোধন করা হয়েছে। হাসপাতালের বিদ্যমান অপারেশন থিয়েটার কমপ্লেক্সের সঙ্গে নতুন করে চারটি অত্যাধুনিক অপারেশন থিয়েটার সংযোজন করা হয়েছে, যা হাসপাতালের অস্ত্রোপচার সক্ষমতাকে আরও সমৃদ্ধ করবে।

সম্প্রতি আয়োজিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন হাসপাতালের পরিচালক অধ্যাপক ডা. মো. বাহার উদ্দিন ভূঞা। এ সময় উপস্থিত ছিলেন জহুরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. মো. সাঈদ হাসান, উপাধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. মো. খালিকুল ইসলাম, হাসপাতালের সহকারী পরিচালক ডা. এস. এম. ইউসুফ ভূঁইয়া, বিভিন্ন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান, চিকিৎসক, নার্স এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক ডা. মো. বাহার উদ্দিন ভূঞা বলেন, “চিকিৎসাসেবার মানোন্নয়নে আধুনিক প্রযুক্তির কোনো বিকল্প নেই। নতুন এই অপারেশন থিয়েটারগুলো হাসপাতালের সক্ষমতা বৃদ্ধির পাশাপাশি রোগীদের জন্য আরও নিরাপদ, উন্নত ও আন্তর্জাতিক মানের অস্ত্রোপচার সেবা নিশ্চিত করবে। আমাদের লক্ষ্য, দেশের বড় বড় হাসপাতালের মতো আধুনিক চিকিৎসাসেবা এখানেই নিশ্চিত করা।”

তিনি আরও বলেন, “রোগীদের আস্থা ও সন্তুষ্টিই আমাদের সবচেয়ে বড় অর্জন। তাই চিকিৎসক, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মীদের দায়িত্বশীলতা, আন্তরিকতা এবং পেশাদারিত্বের সঙ্গে কাজ করতে হবে। মানবিক ও মানসম্পন্ন চিকিৎসাসেবার মাধ্যমে জহুরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালকে দেশের অন্যতম সেরা স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানে পরিণত করাই আমাদের লক্ষ্য।”

অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. মো. সাঈদ হাসান। তিনি আধুনিক চিকিৎসাসেবায় সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণের গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, “আন্তর্জাতিক মানের চিকিৎসা নিশ্চিত করতে জীবাণুমুক্ত পরিবেশ বজায় রাখা অত্যন্ত জরুরি। এ ক্ষেত্রে অপারেশন থিয়েটার ব্যবস্থাপনায় সর্বোচ্চ সতর্কতা এবং আধুনিক সংক্রমণ প্রতিরোধ ব্যবস্থা অনুসরণ করতে হবে।”

অন্যান্য বক্তারাও আধুনিক চিকিৎসা প্রযুক্তির ব্যবহার, রোগীবান্ধব সেবা নিশ্চিতকরণ এবং হাসপাতালের সার্বিক চিকিৎসা কার্যক্রম আরও উন্নত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, নতুন চারটি অত্যাধুনিক অপারেশন থিয়েটার চালুর ফলে বিভিন্ন ধরনের অস্ত্রোপচার আরও দ্রুত ও দক্ষতার সঙ্গে সম্পন্ন করা সম্ভব হবে। এতে কিশোরগঞ্জসহ আশপাশের জেলার রোগীরা উন্নত ও বিশেষায়িত চিকিৎসাসেবা গ্রহণের বাড়তি সুযোগ পাবেন।

অনুষ্ঠান শেষে অতিথিরা নতুন ওটি কমপ্লেক্স পরিদর্শন করেন এবং সেখানে স্থাপিত আধুনিক চিকিৎসা সরঞ্জাম ও সুবিধাসমূহ ঘুরে দেখেন। উপস্থিত চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীরা নতুন এই সংযোজনকে হাসপাতালের চিকিৎসাসেবার মানোন্নয়নে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে অভিহিত করেন।