বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬, ৮ শ্রাবণ ১৪৩৩
[gtranslate]
বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬, ৮ শ্রাবণ ১৪৩৩

পাকুন্দিয়ায় কৃষক হত্যা মামলার দুই পলাতক আসামি গাজীপুর থেকে গ্রেপ্তার

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: বুধবার, ২২ জুলাই, ২০২৬, ৫:২৩ অপরাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
পাকুন্দিয়ায় কৃষক হত্যা মামলার দুই পলাতক আসামি গাজীপুর থেকে গ্রেপ্তার

কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া উপজেলার আলোচিত কৃষক নুর ইসলাম (৭০) হত্যা মামলার দুই পলাতক আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব-১৪। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিচালিত পৃথক অভিযানে গাজীপুরের জয়দেবপুর থানার পোড়াবাড়ি এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার হওয়া আসামিরা হলেন— হাতিছ মিয়া (৪০) ও রশিদ মিয়া (৬৫)। তারা উভয়েই কিশোরগঞ্জ জেলার বাসিন্দা।

র‍্যাব জানায়, নিহত নুর ইসলাম কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া উপজেলার মজিদপুর এলাকার বাসিন্দা ছিলেন। দীর্ঘদিন ধরে অভিযুক্তদের সঙ্গে তার সম্পত্তি নিয়ে বিরোধ চলছিল। অভিযোগ রয়েছে, অভিযুক্তরা প্রায়ই নুর ইসলামের আবাদি জমির ফসল গবাদিপশু দিয়ে নষ্ট করতেন। এ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে একাধিকবার বিরোধ ও বাকবিতণ্ডা হয়।

গত ২৩ জুন ২০২৬ সকাল আনুমানিক ৯টার দিকে নুর ইসলাম নিজ ফসলি জমিতে যাওয়ার পথে অভিযুক্তরা তার ওপর অতর্কিত হামলা চালায় বলে মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে। হামলার সময় ইট দিয়ে তার মাথায় আঘাত করলে তিনি গুরুতর আহত হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন।

স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে কিশোরগঞ্জের শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। পরে অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

এ ঘটনায় নিহতের ছেলে মোবারক মিয়া বাদী হয়ে ২৪ জুন পাকুন্দিয়া থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলাটি দণ্ডবিধির ৩৪১, ৩২৩, ৩২৫, ৩০৭, ১১৪, ৫০৬ ও ৩৪ ধারার সঙ্গে পরবর্তীতে ৩০২ ধারা সংযুক্ত করে রুজু করা হয়।

মামলা দায়েরের পর র‍্যাব-১৪-এর সিপিসি-২ ছায়া তদন্ত শুরু করে এবং পলাতক আসামিদের অবস্থান শনাক্তে গোয়েন্দা নজরদারি অব্যাহত রাখে।

এরই ধারাবাহিকতায় মঙ্গলবার (২১ জুলাই) রাত আনুমানিক ৯টা ৫০ মিনিটে র‍্যাব-১-এর সিপিএসসি পোড়াবাড়ি ক্যাম্পের সহায়তায় গাজীপুরের জয়দেবপুর থানার পোড়াবাড়ি এলাকায় অভিযান চালিয়ে মামলার দুই পলাতক আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়।

র‍্যাব জানায়, গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

ধর্ষণ ও ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার মামলায় চাচাতো ভাইকে যাবজ্জীবন

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই, ২০২৬, ৫:০৯ অপরাহ্ণ
ধর্ষণ ও ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার মামলায় চাচাতো ভাইকে যাবজ্জীবন

কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জে এক এসএসসি পরীক্ষার্থীকে ধর্ষণ এবং সেই ঘটনার ভিডিও ধারণ ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার মামলায় অভিযুক্ত চাচাতো ভাই মোহাম্মদ রায়হানকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে দুই লাখ টাকা জরিমানা এবং অনাদায়ে আরও এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে।

বুধবার (২২ জুলাই) দুপুরে কিশোরগঞ্জের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১-এর বিচারক এবং জেলা ও দায়রা জজ উৎপল চৌধুরী জনাকীর্ণ আদালতে আসামির অনুপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করেন।

আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০১৭ সালের ৪ মার্চ এসএসসি পরীক্ষা শেষে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী তার চাচাতো ভাই মোহাম্মদ রায়হানের সঙ্গে বের হন। অভিযোগ অনুযায়ী, রায়হান কৌশলে তাকে করিমগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের একটি পরিত্যক্ত ভবনে নিয়ে গিয়ে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণ করেন। পরে ভুক্তভোগীকে ব্ল্যাকমেইল করার উদ্দেশ্যে ঘটনার ভিডিও ধারণ করেন।

মামলার বিবরণ অনুযায়ী, পরবর্তী সময়ে ভুক্তভোগী বিয়ের বিষয়ে চাপ দিলে অভিযুক্ত নানা অজুহাতে সময়ক্ষেপণ করতে থাকেন। একপর্যায়ে তিনি ওই ভিডিও অন্য কয়েকজনের কাছে প্রদর্শন করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। পরে ভুক্তভোগী বিষয়টি তার পরিবারকে জানালে ২০১৭ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর করিমগঞ্জ থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করা হয়।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা করিমগঞ্জ থানার তৎকালীন পুলিশ পরিদর্শক জহিরুল ইসলাম তদন্ত শেষে ২০১৮ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করেন।

দীর্ঘ সাক্ষ্যগ্রহণ, জেরা ও শুনানি শেষে আদালত এ রায় প্রদান করেন।

রাষ্ট্রপক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন স্পেশাল পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট সাজ্জাদুল হক।

আদালতের পেশকার মোহাম্মদ শাহাদাৎ হোসেন কবীর রায়ের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

সবুজ কিশোরগঞ্জ গড়তে সপ্তাহব্যাপী বৃক্ষমেলা ও বৃক্ষরোপণ অভিযান

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই, ২০২৬, ২:০৩ অপরাহ্ণ
সবুজ কিশোরগঞ্জ গড়তে সপ্তাহব্যাপী বৃক্ষমেলা ও বৃক্ষরোপণ অভিযান

“বৃক্ষরোপণে সাজাই দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ”—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে কিশোরগঞ্জে সপ্তাহব্যাপী বৃক্ষরোপণ অভিযান ও বৃক্ষমেলা-২০২৬ শুরু হয়েছে। পরিবেশ সংরক্ষণ, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলা এবং একটি সবুজ, নিরাপদ ও বাসযোগ্য বাংলাদেশ গড়ে তোলার লক্ষ্যে বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) দিনব্যাপী নানা কর্মসূচির মাধ্যমে এ আয়োজনের উদ্বোধন করা হয়।

কর্মসূচির শুরুতে কিশোরগঞ্জের জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সোহানা নাসরিনের নেতৃত্বে একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালি জেলা শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে। পরে তিনি সপ্তাহব্যাপী বৃক্ষরোপণ অভিযান ও বৃক্ষমেলা-২০২৬-এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।

উদ্বোধনের পর জেলা প্রশাসক মেলায় অংশ নেওয়া বিভিন্ন নার্সারি, সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান এবং উদ্যোক্তাদের স্টল পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি দেশীয়, ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা উৎপাদন, সংরক্ষণ ও ব্যাপকভাবে রোপণে সংশ্লিষ্টদের উৎসাহিত করেন।

এরপর জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন কিশোরগঞ্জ-১ (সদর-হোসেনপুর) আসনের সংসদ সদস্য মো. মাজহারুল ইসলাম।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ময়মনসিংহ বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা কাজী মুহাম্মদ নূরুল করিম। এছাড়া কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক, সিভিল সার্জনের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, জেলার বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের প্রধান, জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিক এবং বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সোহানা নাসরিন।

সভাপতির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক বলেন, “কিশোরগঞ্জকে আরও সবুজ, পরিবেশবান্ধব ও বাসযোগ্য জেলা হিসেবে গড়ে তুলতে শুধু বৃক্ষরোপণ করলেই হবে না; রোপণ করা প্রতিটি গাছের যথাযথ পরিচর্যা ও সংরক্ষণ নিশ্চিত করতে হবে। বিশেষ করে হাওরাঞ্চলের পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় হিজল, করচ, বরুণসহ দেশীয় জলসহিষ্ণু বৃক্ষের রোপণ ও সংরক্ষণে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে।”

তিনি আরও বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি সাধারণ মানুষ, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, সামাজিক সংগঠন এবং তরুণদেরও ব্যাপকভাবে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে সম্পৃক্ত হতে হবে। একটি টেকসই ও সবুজ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সবার সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন।

অনুষ্ঠান শেষে অতিথিরা বৃক্ষমেলা ঘুরে দেখেন এবং পরিবেশ সংরক্ষণে সবাইকে অন্তত একটি করে গাছ লাগানো ও তার পরিচর্যা নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।

কটিয়াদীতে অসহায় ও প্রতিবন্ধীদের মাঝে সরকারি চিকিৎসা সহায়তার চেক বিতরণ

মাইনুল হক মেনু প্রকাশিত: বুধবার, ২২ জুলাই, ২০২৬, ৬:৫৯ অপরাহ্ণ
কটিয়াদীতে অসহায় ও প্রতিবন্ধীদের মাঝে সরকারি চিকিৎসা সহায়তার চেক বিতরণ

সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের বিশেষ অনুদান কর্মসূচির আওতায় কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী উপজেলায় অসহায়, অসুস্থ ও প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের মাঝে চিকিৎসা সহায়তার চেক বিতরণ করা হয়েছে। অসচ্ছল মানুষের চিকিৎসা ব্যয় লাঘব এবং সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতা আরও বিস্তৃত করার লক্ষ্যে এ সহায়তা প্রদান করা হয়।

বুধবার(২২ জুলাই) কটিয়াদী উপজেলা পরিষদ হলরুমে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে অনুষ্ঠিত চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে উপকারভোগীদের হাতে চিকিৎসা সহায়তার চেক তুলে দেন কিশোরগঞ্জ-২ (কটিয়াদী-পাকুন্দিয়া) আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ জালাল উদ্দিন।

অনুষ্ঠানে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শামীমা আফরোজ মারলিজের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন কটিয়াদী উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আরিফুর রহমান কাঞ্চন, কটিয়াদী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. রফিকুল ইসলাম, পৌর বিএনপির সভাপতি আশরাফুল হক দাদন, সাধারণ সম্পাদক সজল সরকার, উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম জাইদুল, উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক মাহবুবুল আলম মাসুদ এবং উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক তাছরিফুল হাছিব।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ জালাল উদ্দিন বলেন, সরকার দরিদ্র, অসহায় ও পিছিয়ে পড়া মানুষের জীবনমান উন্নয়নে বিভিন্ন সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে। চিকিৎসার অভাবে যাতে কোনো মানুষ কষ্ট না পায়, সে লক্ষ্যেই সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর মাধ্যমে বিভিন্ন সময়ে চিকিৎসা সহায়তা ও বিশেষ অনুদান প্রদান করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, আধুনিক ও মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে সরকার দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে। এসব উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে দেশের প্রতিটি নাগরিক আরও উন্নত স্বাস্থ্যসেবা গ্রহণের সুযোগ পাবে।

তিনি আরও বলেন, অসচ্ছল মানুষের চিকিৎসা ব্যয় অনেক সময় তাদের জন্য বড় ধরনের আর্থিক সংকট সৃষ্টি করে। সেই কষ্ট লাঘব করতেই সরকার বিশেষ অনুদানের ব্যবস্থা করেছে। এ ধরনের সহায়তা শুধু আর্থিক সহযোগিতাই নয়, বরং অসহায় মানুষের প্রতি রাষ্ট্রের দায়িত্ববোধ ও মানবিক অঙ্গীকারেরও প্রতিফলন।

বক্তারা বলেন, একটি কল্যাণরাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়ানো রাষ্ট্রের অন্যতম দায়িত্ব। সরকারের সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচিগুলোর সুফল ইতোমধ্যে লাখো মানুষ পাচ্ছেন। চিকিৎসা সহায়তার এ বিশেষ অনুদান কর্মসূচিও দরিদ্র ও অসহায় মানুষের দুর্ভোগ লাঘবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে তারা আশা প্রকাশ করেন।

অনুষ্ঠানে আটজন অসহায়, অসুস্থ ও প্রতিবন্ধী ব্যক্তির প্রত্যেককে চিকিৎসা সহায়তা বাবদ ১০ হাজার টাকা করে মোট ৮০ হাজার টাকার চেক প্রদান করা হয়। উপকারভোগীরা সরকারের এ সহায়তার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং ভবিষ্যতেও এ ধরনের কর্মসূচি অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠানে বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতা, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব, উপকারভোগী, সুধীজন এবং স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।


Warning: Constant WP_USE_THEMES already defined in /home/dkishoreganj/public_html/index.php on line 41