রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬, ১ ১৪৩২
রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬, ১ ১৪৩২

ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচন ও গণভোটে ব্যয় ৩,১৫০ কোটি

ডেস্ক রিপোর্ট প্রকাশিত: সোমবার, ২৬ জানুয়ারি, ২০২৬, ১১:০০ পূর্বাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচন ও গণভোটে ব্যয় ৩,১৫০ কোটি

সরকার আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট আয়োজনের জন্য মোট ৩ হাজার ১৫০ কোটি টাকা ব্যয় করবে। এর মধ্যে এক-তৃতীয়াংশ অর্থ চলতি বাজেটের ‘অপ্রত্যাশিত খাত’ থেকে জোগান দেওয়া হবে।

জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট একই দিনে অনুষ্ঠিত হওয়ায় পূর্বনির্ধারিত বরাদ্দের চেয়ে অতিরিক্ত অর্থের প্রয়োজন দেখা দিয়েছে। এ অতিরিক্ত চাহিদা পূরণে অপ্রত্যাশিত খাতের ৪ হাজার কোটি টাকা থেকে ১ হাজার ৭০ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হচ্ছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ সম্প্রতি এই প্রস্তাবে অনুমোদন দিয়েছেন।

চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন পরিচালনার জন্য ২ হাজার ৮০ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছিল। অপ্রত্যাশিত খাত থেকে অতিরিক্ত বরাদ্দ যুক্ত হওয়ায় নির্বাচনের জন্য সরকারের মোট ব্যয় দাঁড়িয়েছে ৩ হাজার ১৫০ কোটি টাকায়।

সূত্র অনুযায়ী, অর্থ বিভাগ থেকে অর্থ উপদেষ্টার কাছে ব্যয় অনুমোদনের জন্য একটি সারসংক্ষেপ উপস্থাপন করা হয়। এতে উল্লেখ করা হয়, বাজেটে নির্বাচন কমিশনের বিশেষ কার্যক্রমের জন্য বরাদ্দকৃত ২ হাজার ৮০ কোটি টাকা শুধুমাত্র ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য নির্ধারিত। এর মধ্যে ৫০ শতাংশ অর্থ, অর্থাৎ ১ হাজার ৪০ কোটি টাকা ইতোমধ্যে ছাড় করা হয়েছে। বাকি অর্থ ছাড় প্রক্রিয়াধীন।

জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পাশাপাশি একই দিনে গণভোট অনুষ্ঠিত হওয়ায়, প্রবাসী ভোটার এবং প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে অভ্যন্তরীণ ভোটারদের জন্য পোস্টাল ব্যালট ব্যবস্থায় ভোটগ্রহণ চালু করতে নির্বাচন কমিশন অতিরিক্ত ১ হাজার ৭০ কোটি টাকা চেয়েছে। এই চাহিদাকে যৌক্তিক বলে সারসংক্ষেপে উল্লেখ করা হয়েছে।

চলতি অর্থবছরে নির্বাচন কমিশনের জন্য জাতীয় বাজেটে মোট বরাদ্দ রয়েছে ২ হাজার ৭২৬ কোটি টাকা। তবে এই বরাদ্দ দিয়ে অতিরিক্ত ব্যয় মেটানো সম্ভব না হওয়ায় অপ্রত্যাশিত খাত থেকে অর্থ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

অর্থ বিভাগের ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা জানান, মূল বরাদ্দের প্রথম কিস্তি হিসেবে ১ হাজার ৪০ কোটি টাকা ছাড় করা হয়েছে। পাশাপাশি বর্ধিত ব্যয়ের প্রথম কিস্তি হিসেবে ২৬৭ কোটি টাকা ইতোমধ্যে অপ্রত্যাশিত খাত থেকে দেওয়া হয়েছে। অবশিষ্ট ৮০২ কোটি টাকা ধাপে ধাপে ছাড় দেওয়া হবে।

নির্বাচন কমিশনের হিসাব অনুযায়ী, ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের ব্যয় আগের নির্বাচনের তুলনায় উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। ২০২৪ সালের দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে মোট ব্যয় হয়েছিল ২ হাজার ২৭৬ কোটি টাকা।

অর্থ উপদেষ্টা জানিয়েছেন, দেশের অর্থনীতি কিছুটা চাপের মুখে থাকলেও নির্বাচন ব্যয় নিয়ে কোনো সংকট হবে না। নির্বাচন কমিশনের চাহিদা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ দেওয়া হবে।

অর্থনীতিবিদ ও সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) সম্মাননীয় ফেলো অধ্যাপক ড. মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ‘ভালো নির্বাচন আয়োজন করতে পর্যাপ্ত অর্থ প্রয়োজন। অপ্রত্যাশিত খাত থেকে অর্থ বরাদ্দ দেওয়া হলে সমস্যা নেই। তবে শিক্ষা, স্বাস্থ্য বা যোগাযোগ খাতের বরাদ্দ কমিয়ে নির্বাচন ব্যয় বাড়ালে তা উদ্বেগজনক হতো। নির্বাচনী ব্যয়ে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা জরুরি।’

এদিকে অর্থ মন্ত্রণালয় নির্বাচন কমিশনের জন্য বরাদ্দকৃত অর্থ ব্যবহারে কিছু শর্ত দিয়েছে। এতে বলা হয়েছে, পাবলিক প্রকিউরমেন্ট অ্যাক্ট-২০২৬ ও পাবলিক প্রকিউরমেন্ট রুলস-২০২৫সহ সব আর্থিক বিধিবিধান অনুসরণ করতে হবে। বরাদ্দকৃত অর্থ সাশ্রয় হলে ৩০ জুনের মধ্যে তা কোষাগারে ফেরত দিতে হবে। কোনো অনিয়ম ধরা পড়লে দায় নির্বাচন কমিশনের ওপর বর্তাবে।

অর্থ বিভাগের এক কর্মকর্তা জানান, জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে মোট ১৮টি খাতে ব্যয় করা হবে।

নির্বাচন কমিশনের ব্যয় বিশ্লেষণে দেখা গেছে, সবচেয়ে বেশি ব্যয় হবে সংশ্লিষ্টদের দৈনিক খোরাকি ভাতায়—৭৩০ কোটি টাকা। সরকারি গাড়ির জ্বালানি বাবদ ব্যয় ধরা হয়েছে ২৯৮ কোটি টাকা এবং চুক্তিভিত্তিক যানবাহনে ২০১ কোটি টাকা। মনিহারি পণ্য ক্রয়ে ব্যয় হবে ৫৮১ কোটি টাকা, সম্মানি বাবদ ৫১৫ কোটি, যন্ত্রপাতি ও সরঞ্জাম ক্রয়ে ১৬২ কোটি, মুদ্রণ ও বাঁধাইয়ে ১০৮ কোটি, যাতায়াত ভাতায় ১০৯ কোটি এবং বিজ্ঞাপন ও প্রচারে ১০৩ কোটি টাকা। এছাড়া আপ্যায়ন খাতে ১৮৪ কোটি, পরিবহণ ব্যয় ৮০ কোটি, শ্রমিক মজুরি ৩১ কোটি, স্ট্যাম্প ও সিল ১৭ কোটি, মেশিন ভাড়া ১৫ কোটি, প্রশিক্ষণ ৭ কোটি, ব্যালট বাক্স ৫ কোটি এবং অন্যান্য খাতে ৩ কোটি টাকা ব্যয় ধরা হয়েছে।

ইসি সূত্র জানিয়েছে, সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে ভোট দেওয়ার জন্য বিশ্বের ১২৩টি দেশ থেকে ১৫ লাখ ৩৩ হাজার ৬৮২ জন প্রবাসী ভোটার নিবন্ধন করেছেন। প্রতিটি ভোট গ্রহণে সরকারের গড় ব্যয় হচ্ছে প্রায় ৭০০ টাকা।

সংসদ নির্বাচনে প্রার্থীরা নিজ নিজ প্রতীক নিয়ে প্রচারণা চালালেও গণভোটে কোনো প্রার্থী বা প্রতীক না থাকায় নির্বাচন কমিশন সচেতনতামূলক প্রচারণা চালাচ্ছে। এতে নির্বাচন কার্যক্রমের পরিধি বাড়ছে এবং ব্যয়ও বৃদ্ধি পেয়েছে। পাশাপাশি প্রিসাইডিং ও পোলিং কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ বাবদ ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ৭ কোটি টাকা।

আগের নির্বাচনের ব্যয়ের তুলনায় দেখা যায়, ২০১৮ সালের একাদশ সংসদ নির্বাচনে ব্যয় হয়েছিল প্রায় ৭০০ কোটি টাকা। দশম সংসদ নির্বাচনে ব্যয় ছিল ২৬৫ কোটি এবং ২০০৮ সালের নবম সংসদ নির্বাচনে ব্যয় হয়েছিল প্রায় ১৬৫ কোটি টাকা। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ব্যবস্থাপনা ও উপকরণের ব্যয় বৃদ্ধি পাওয়ায় নির্বাচন আয়োজনের খরচও ধারাবাহিকভাবে বাড়ছে।

উদ্ধার হওয়া ৫০টি চোরাই মোবাইল মালিকদের হাতে তুলে দিল কিশোরগঞ্জ জেলা পুলিশ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১৫ মার্চ, ২০২৬, ১:০৪ পূর্বাহ্ণ
উদ্ধার হওয়া ৫০টি চোরাই মোবাইল মালিকদের হাতে তুলে দিল কিশোরগঞ্জ জেলা পুলিশ

কিশোরগঞ্জে উদ্ধার হওয়া চোরাই মোবাইলফোন প্রকৃত মালিকদের কাছে হস্তান্তর করেছে জেলা পুলিশ। শনিবার (১৪ মার্চ ২০২৬) দুপুর ১২টায় কিশোরগঞ্জ জেলা পুলিশের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এসব মোবাইলফোন মালিকদের হাতে তুলে দেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কিশোরগঞ্জের পুলিশ সুপার ড. এস. এম. ফরহাদ হোসেন। তিনি জানান, গত এক মাসে জেলার বিভিন্ন স্থানসহ দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে অভিযান চালিয়ে প্রায় ৫০টি চোরাই মোবাইলফোন উদ্ধার করেছে কিশোরগঞ্জ জেলা পুলিশ।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কিশোরগঞ্জ-১ (কিশোরগঞ্জ সদর–হোসেনপুর) আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ মাজহারুল ইসলাম। পুলিশের এ ধরনের কার্যক্রমের প্রশংসা করে তিনি বলেন, প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে অপরাধ দমনে পুলিশের সক্ষমতা বাড়ছে। তিনি ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান জোরদার করার আহ্বান জানান।

পুলিশ সুপার ড. এস. এম. ফরহাদ হোসেন উদ্ধার অভিযানে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িত পুলিশ সদস্যদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, নাগরিকদের জানমাল রক্ষায় এবং হারিয়ে যাওয়া সম্পদ উদ্ধারে জেলা পুলিশ সর্বোচ্চ আন্তরিকতা নিয়ে কাজ করছে। ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও তিনি আশ্বাস দেন। এ সময় তিনি বিশেষভাবে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মোহাম্মদ মাহমুদুল হাসান তালুকদারকে সফল অভিযানের জন্য ধন্যবাদ জানান।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ডিআইও-১ কিশোরগঞ্জ মো. সাইফুল ইসলাম, সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আবুল কালাম ভূঁইয়া, পুলিশের অন্যান্য কর্মকর্তা ও সদস্যবৃন্দ এবং উদ্ধার হওয়া মোবাইলফোনের মালিকরা।

হারিয়ে যাওয়া মোবাইলফোন ফিরে পেয়ে মালিকরা সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং জেলা পুলিশের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান। উপস্থিত অনেকেই বলেন, পুলিশের এ ধরনের উদ্যোগ সাধারণ মানুষের আস্থা বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

কিশোরগঞ্জ মডেল প্রেসক্লাবের উদ্যোগে দোয়া ও ইফতার মাহফিল

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: রবিবার, ১৫ মার্চ, ২০২৬, ১২:৫৪ পূর্বাহ্ণ
কিশোরগঞ্জ মডেল প্রেসক্লাবের উদ্যোগে দোয়া ও ইফতার মাহফিল

কিশোরগঞ্জ মডেল প্রেসক্লাবের উদ্যোগে পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে শতাধিক হেফজ বিভাগের মাদরাসার শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের সঙ্গে দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার (১৪ মার্চ) কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার মহিনন্দ ভাস্করখিলা এলাকার মিছবাহুল উলুম মাদরাসায় হেফজ বিভাগের শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের অংশগ্রহণে এ দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। ইফতারের আগে দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনায় বিশেষ দোয়া করা হয়।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলা বিএনপির তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক মো. ফাইজুল ইসলাম এবং জিয়া সাইবার ফোর্স কিশোরগঞ্জ জেলা শাখার সভাপতি মাহফুজুল হক খান জিকু।

আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কিশোরগঞ্জ সেন্ট্রাল প্রেসক্লাবের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও দৈনিক আজকের পত্রিকার জেলা প্রতিনিধি সাজন আহমেদ পাপন।

অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ইউনিয়ন (বিএমইউজে) কিশোরগঞ্জ জেলা শাখার সভাপতি খায়রুল ইসলাম এবং সভাপতিত্ব করেন কিশোরগঞ্জ মডেল প্রেসক্লাবের সভাপতি মাহবুবুল আলম নজরুল।

অনুষ্ঠানের সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন কিশোরগঞ্জ মডেল প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মো. মাসুদ মিয়া এবং বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ইউনিয়ন (বিএমইউজে) কিশোরগঞ্জ জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক আসাউজ্জামান জুয়েল।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন বিএমইউজে হোসেনপুর উপজেলা সভাপতি এস. কে. শাহীন নবাব, তাড়াইল উপজেলা সাধারণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম রিপন, দৈনিক নওরোজ-এর তাড়াইল প্রতিনিধি মজিবুল হক চুন্নু। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন মহিনন্দ ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. উজ্জ্বল, সদস্য হাবিবুর রহমান, দুলাল, বাবুল ও অলিউল্লাহসহ বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা।

ইফতার মাহফিলে মাদরাসার শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অতিথিরা অংশগ্রহণ করেন। এ সময় দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহর শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনায় বিশেষ মোনাজাত করা হয়।

পরিবেশ পরিষ্কার রাখার আহ্বান, পাকুন্দিয়ায় র‍্যালি ও মশক নিধন কার্যক্রম

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: শনিবার, ১৪ মার্চ, ২০২৬, ৭:৫৯ অপরাহ্ণ
পরিবেশ পরিষ্কার রাখার আহ্বান, পাকুন্দিয়ায় র‍্যালি ও মশক নিধন কার্যক্রম

কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়ায় ডেঙ্গুসহ বিভিন্ন মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও উদ্বুদ্ধকরণ কর্মসূচি পালন করা হয়েছে।

শনিবার (১৪ মার্চ) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুপম দাসের নেতৃত্বে একটি র‍্যালি বের করা হয়। র‍্যালিটি উপজেলা পরিষদের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে।

পরে উপজেলা পরিষদ চত্বর থেকে মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান কর্মসূচির উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুপম দাস। এরপর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, পাকুন্দিয়া থানা এবং পৌরসদর বাজার এলাকায় এ কর্মসূচি পরিচালনা করা হয়।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মিজ রিফাত জাহান, পাকুন্দিয়া পৌরসভার কর্মকর্তা-কর্মচারী, উপজেলা পরিষদের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ রোভার স্কাউটের সদস্যরা।