বুধবার, ১০ জুন ২০২৬, ২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
বুধবার, ১০ জুন ২০২৬, ২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

১১ দলীয় জোট সরকার গঠন করলে ইশতেহার বাস্তবায়নের চেষ্টা করব: নাহিদ ইসলাম

ডেস্ক রিপোর্ট প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারি, ২০২৬, ৫:৪৭ অপরাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
১১ দলীয় জোট সরকার গঠন করলে ইশতেহার বাস্তবায়নের চেষ্টা করব: নাহিদ ইসলাম

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, ১১ দলীয় জোট সরকার গঠন করলে সরকারের অংশীদার হিসেবে থেকে ঘোষিত ইশতেহার বাস্তবায়নের সর্বাত্মক চেষ্টা করা হবে। তিনি বলেন, “সরকারে থাকার সময় আমি অনেক কিছু অর্জন করেছি, আবার কিছু ক্ষেত্রে ব্যর্থও হয়েছি। আমাদের ইশতেহারে অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে ৩৬টি বিষয় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। সরকারের অংশীদার হলে এসব বিষয় বাস্তবায়নে আমরা কাজ করব।”

শুক্রবার বিকেলে রাজধানীর গুলশানের একটি হোটেলে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য এনসিপির নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানের আয়োজন করে দলের কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটি।

ইশতেহার ঘোষণার আগে নাহিদ ইসলাম বলেন, জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে জোট করার কারণে নতুন বন্দোবস্তের আকাঙ্ক্ষা নিয়ে নানা প্রশ্ন ও সমালোচনা এসেছে। তিনি বলেন, “নতুন বন্দোবস্তের লড়াই আমরা শুরু করেছিলাম এবং এখনো সেই দাবিতেই অনড় আছি। অন্তর্বর্তী সরকারের সময় আমাদের প্রথম লক্ষ্য ছিল সাংবিধানিক পরিবর্তন। আমরা নতুন সংবিধান চেয়েছিলাম, তবে পরবর্তীতে সংস্কারের মাধ্যমে সমাধানে পৌঁছানো হয়। সেখানে আমরা পুরো লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে পারিনি।”

তিনি আরও বলেন, নতুন বন্দোবস্ত একটি দীর্ঘমেয়াদি সংগ্রাম এবং ধারাবাহিক আন্দোলনের মধ্য দিয়েই তা অর্জন করতে হবে। “আমরা অনেক সুযোগ হারিয়েছি, আবার অনেক অর্জনও করেছি। সংস্কারের বহু প্রতিশ্রুতি আমরা পেয়েছি, যা গণভোটের মাধ্যমে বাস্তবায়িত হবে,” বলেন তিনি।

এনসিপি আহ্বায়ক বলেন, ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্য মূলত একটি নির্বাচনী জোট। এই জোটের দলগুলোর মধ্যে ন্যূনতম রাজনৈতিক বিষয়ে ঐক্যমত্য রয়েছে। তিনি স্পষ্ট করেন, “এই জোট সরকার গঠন করলে কোনো নির্দিষ্ট দলের আদর্শ বা নীতি সরকার পরিচালনায় এককভাবে প্রভাব ফেলবে না। বরং সংস্কার, বিচার, দুর্নীতি ও আধিপত্যবাদবিরোধী ন্যূনতম রাজনৈতিক কর্মসূচিতে আমরা ঐকমত্যে থাকব।”

তিনি বলেন, এনসিপির ইশতেহার বিচ্ছিন্ন কোনো চিন্তার ফল নয়। জাতীয় নাগরিক কমিটি, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন, এনসিপি ও জুলাই পদযাত্রার মাধ্যমে দেশব্যাপী মানুষের মতামত নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি সেমিনার ও বিশেষজ্ঞ মতামতের ভিত্তিতে এই ইশতেহার প্রণয়ন করা হয়েছে। এতে তারুণ্য ও মর্যাদার বিষয়টি বিশেষভাবে গুরুত্ব পেয়েছে।

এনসিপি ‘তারুণ্য ও মর্যাদার ইশতেহার’ শিরোনামে ৩৬ দফার নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করে। এতে নাজুক জনগোষ্ঠীর দারিদ্র্যের চক্র ভাঙতে বিশেষ প্রকল্প গ্রহণের অঙ্গীকার করা হয়েছে।

ইশতেহার ঘোষণার অনুষ্ঠানে এনসিপির মুখপাত্র ও কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান আসিফ মাহমুদসহ দলের শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া বিভিন্ন দেশের কূটনীতিক, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি এবং দেশি-বিদেশি গণমাধ্যমের সাংবাদিকরাও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

কক্সবাজারের মাদক পাচারচক্রের চার সদস্য কিশোরগঞ্জে গ্রেপ্তার, উদ্ধার বিপুল ইয়াবা

রেজাউল হক প্রকাশিত: বুধবার, ১০ জুন, ২০২৬, ৯:৫৪ পূর্বাহ্ণ
কক্সবাজারের মাদক পাচারচক্রের চার সদস্য কিশোরগঞ্জে গ্রেপ্তার, উদ্ধার বিপুল ইয়াবা

কিশোরগঞ্জে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অভিযানে একটি যাত্রীবাহী বাস থেকে ৭ হাজার ৬৯০ পিস ইয়াবাসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। উদ্ধারকৃত ইয়াবার আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ২৬ লাখ ৯১ হাজার ৫০০ টাকা বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

মঙ্গলবার (৯ জুন) রাত ৮টা থেকে ৯টার মধ্যে কিশোরগঞ্জ মডেল থানার বিন্নাটি বাজার এলাকায় ঈশাখা ট্রান্সপোর্ট অফিসের পশ্চিম পাশে ঢাকা মেট্রো-ব-১২-১৬০১ নম্বরের ‘সাগরিকা’ পরিবহনের একটি বাসে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সহকারী পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) মো. এনায়েত হোসেনের নেতৃত্বে একটি বিশেষ অভিযানে ওই বাসে তল্লাশি চালানো হয়। অভিযানে বাসের বিভিন্ন আসনে বসা চার যাত্রীর কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন- দেলুয়ারা বেগম (৩৪), আব্দুল গফুর (৩৯), রশিদা বেগম (৩৮) ও আব্দুল আজিজ (৪৫)। তাদের সবার বাড়ি কক্সবাজার জেলার মহেশখালী উপজেলার দক্ষিণ সিপাহীর পাড়া (দক্ষিণ নলবিলা) এলাকায়।

অভিযানকালে দেলুয়ারা বেগমের কাছ থেকে ৪ হাজার পিস, আব্দুল গফুরের কাছ থেকে ১ হাজার পিস, রশিদা বেগমের কাছ থেকে ১ হাজার পিস এবং আব্দুল আজিজের কাছ থেকে ১ হাজার ৬৯০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। এসব ইয়াবা বিশেষ কৌশলে শরীর ও পোশাকের ভেতরে লুকিয়ে রাখা হয়েছিল বলে জানিয়েছে অভিযানকারী দল।

উদ্ধারকৃত ইয়াবার মোট ওজন ৭৯৬ গ্রাম। পাশাপাশি মাদক ব্যবসায় ব্যবহারের অভিযোগে চারটি বাটন মোবাইল ফোনও জব্দ করা হয়েছে।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপ-পরিদর্শক মো. ওবায়দুল্লাহ খান এ ঘটনায় কিশোরগঞ্জ মডেল থানায় মামলা দায়ের করেছেন। মামলাটি মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর ৩৬(১) ধারার সারণির ১০(ক), ১০(খ) এবং ৪১ ধারায় রুজু করা হয়েছে।

এজাহারে উল্লেখ করা হয়, গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা পরস্পরের আত্মীয় এবং দীর্ঘদিন ধরে সংঘবদ্ধভাবে ইয়াবা ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। তারা বিক্রির উদ্দেশ্যে বিপুল পরিমাণ ইয়াবা বহন ও সংরক্ষণ করছিলেন বলে প্রাথমিক তদন্তে তথ্য পাওয়া গেছে।

অভিযান শেষে উদ্ধারকৃত আলামত থেকে নমুনা সংগ্রহ করে রাসায়নিক পরীক্ষার জন্য সংরক্ষণ করা হয়েছে। বাকি আলামতও যথাযথ প্রক্রিয়ায় সিলগালা করে বিভাগীয় হেফাজতে রাখা হয়েছে।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর জানিয়েছে, গ্রেপ্তারদের জিজ্ঞাসাবাদ এবং তথ্য-উপাত্ত যাচাইয়ের মাধ্যমে তাদের সঙ্গে জড়িত অন্য ব্যক্তি ও মাদক চক্রের সদস্যদের শনাক্তে তদন্ত চলছে। একই সঙ্গে মাদকের উৎস, সরবরাহ নেটওয়ার্ক এবং সম্ভাব্য গন্তব্য সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে।

কিশোরগঞ্জে মাদকবিরোধী অভিযান আরও জোরদার করা হবে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

বাজিতপুরে ব্র্যাকের উদ্যোগে কিশোরীদের হাঁস-মুরগি পালন বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালা

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৯ জুন, ২০২৬, ৭:২৪ অপরাহ্ণ
বাজিতপুরে ব্র্যাকের উদ্যোগে কিশোরীদের হাঁস-মুরগি পালন বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালা

কিশোরীদের আত্মকর্মসংস্থান, দক্ষতা উন্নয়ন এবং আর্থিক সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে কিশোরগঞ্জের বাজিতপুরে হাঁস-মুরগি পালন বিষয়ক এক দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ব্র্যাকের সামাজিক ক্ষমতায়ন ও আইনি সুরক্ষা কর্মসূচি এবং ব্র্যাক মাইক্রোফাইন্যান্স কর্মসূচির যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এ প্রশিক্ষণে প্রকল্পভুক্ত ‘স্বপ্নসারথী’ দলের ১৪ জন কিশোরী অংশগ্রহণ করেন।

প্রশিক্ষণ কর্মশালাটি পরিচালনা করেন বাজিতপুর উপজেলা যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের সহকারী যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা নজরুল ইসলাম। তিনি কিশোরীদের হাঁস-মুরগি পালনকে একটি লাভজনক ও সম্ভাবনাময় উদ্যোক্তা কার্যক্রম হিসেবে গড়ে তোলার বিভিন্ন দিক সম্পর্কে বিস্তারিত ধারণা দেন।

প্রশিক্ষণে হাঁস-মুরগির রোগব্যাধি প্রতিরোধ, খাদ্য ব্যবস্থাপনা, খামার পরিচালনা, উৎপাদন বৃদ্ধি এবং বাজারজাতকরণ কৌশল সম্পর্কে হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। অংশগ্রহণকারী কিশোরীরা আগ্রহের সঙ্গে প্রশিক্ষণে অংশ নিয়ে নিজেদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর ও বাস্তবমুখী পরামর্শ গ্রহণ করেন।

অনুষ্ঠানটি সফলভাবে সম্পন্ন করতে সার্বিক সহযোগিতা করেন ব্র্যাকের সামাজিক ক্ষমতায়ন ও আইনি সুরক্ষা কর্মসূচির অফিসার মো. জুয়েল মিয়া এবং কমিউনিটি অর্গানাইজার কহিনুর আক্তার।

এ ছাড়া প্রশিক্ষণ কর্মশালায় উপস্থিত থেকে কিশোরীদের উৎসাহ ও দিকনির্দেশনা প্রদান করেন ব্র্যাক মাইক্রোফাইন্যান্স কর্মসূচির সহকারী শাখা ব্যবস্থাপক (দাবি) মিজানুর রহমান এবং শাখা ব্যবস্থাপক (দাবি) মো. আব্দুল মান্নান।

বক্তারা বলেন, কিশোরীদের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সম্পৃক্ত করা গেলে তারা পরিবার ও সমাজে আরও গুরুত্বপূর্ণ ও কার্যকর ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবে। অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হওয়ার মাধ্যমে তারা বাল্যবিবাহ, শিক্ষাঝরে পড়া এবং বিভিন্ন সামাজিক প্রতিবন্ধকতা মোকাবিলায় অধিক সক্ষম হয়ে উঠবে।

তারা আরও বলেন, দক্ষতা উন্নয়নমূলক এ ধরনের প্রশিক্ষণ কিশোরীদের আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি করে এবং তাদের উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে উঠতে সহায়তা করে। পাশাপাশি এটি ভবিষ্যতে আয়বর্ধক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত হওয়ার সুযোগ সৃষ্টি করে, যা তাদের আর্থিক স্বনির্ভরতার পথে এগিয়ে নিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

অংশগ্রহণকারী কিশোরীরা জানান, প্রশিক্ষণ থেকে অর্জিত জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে তারা নিজেদের উদ্যোগে হাঁস-মুরগি পালন শুরু করতে আগ্রহী। ভবিষ্যতে এ ধরনের আরও প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হলে তারা উপকৃত হবে বলেও আশা প্রকাশ করেন।

ধুলিহরে সড়কে নেমে বিক্ষোভ এলাকাবাসীর; মামলার বাদীর পরিবারকে হুমকির অভিযোগ

সঞ্জিত চন্দ্র শীল প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৯ জুন, ২০২৬, ৫:০৩ অপরাহ্ণ
ধুলিহরে সড়কে নেমে বিক্ষোভ এলাকাবাসীর; মামলার বাদীর পরিবারকে হুমকির অভিযোগ

কিশোরগঞ্জের হোসেনপুর উপজেলায় ১০ বছর বয়সী এক শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে অভিযুক্ত ব্যক্তির দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। ব্যানার, ফেস্টুন ও বিভিন্ন স্লোগানে মুখর এ কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে শত শত নারী-পুরুষ, শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষ অভিযুক্তের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।

মঙ্গলবার (৮ জুলাই) বিকেলে উপজেলার ধুলিহর এলাকায় হোসেনপুর-কিশোরগঞ্জ সড়কে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে ধুলিহরসহ আশপাশের বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দারা অংশ নেন।

মানববন্ধনে বক্তারা অভিযোগ করেন, গত ৩ জুন উপজেলার ধুলিহর এলাকায় ১০ বছর বয়সী এক শিশুকে ধর্ষণের চেষ্টা করা হয়। এ ঘটনায় শিশুটির মা রোজিনা খাতুন বাদী হয়ে হোসেনপুর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীদের দাবি, মামলার পর থেকে অভিযুক্ত ব্যক্তি ও তার পরিবারের সদস্যদের পক্ষ থেকে বাদী পরিবারকে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি প্রদর্শন, হুমকি ও চাপ প্রয়োগ করা হচ্ছে।

বক্তারা বলেন, “একটি শিশুর ওপর এমন ন্যাক্কারজনক ঘটনার অভিযোগ শুধু একটি পরিবারের নয়, পুরো সমাজের জন্য উদ্বেগের বিষয়। আমরা চাই, ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে দোষী প্রমাণিত হলে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করা হোক।”

মানববন্ধনে অংশ নেওয়া কয়েকজন নারী বলেন, “শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা রাষ্ট্র ও সমাজের দায়িত্ব। এ ধরনের ঘটনার অভিযোগের দ্রুত বিচার এবং কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা গেলে ভবিষ্যতে এমন অপরাধ প্রবণতা কমবে।”

মানববন্ধনে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, শিক্ষক, অভিভাবক, শিক্ষার্থী এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন। তারা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত, ভুক্তভোগী পরিবারের নিরাপত্তা এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার দাবি জানান।

এ বিষয়ে হোসেনপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ রাশেদুল ইসলাম বলেন, “অভিযোগ পাওয়ার পর পুলিশ বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করছে। অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। তদন্তের অগ্রগতি অনুযায়ী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

এলাকাবাসী জানান, মামলার অগ্রগতি এবং অভিযুক্তের গ্রেপ্তারের বিষয়ে দৃশ্যমান পদক্ষেপ না দেখা গেলে তারা আরও বৃহত্তর কর্মসূচি ঘোষণা করতে পারেন। একই সঙ্গে তারা ঘটনার দ্রুত নিষ্পত্তি ও বিচারিক প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করার আহ্বান জানিয়েছেন।