শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩
[gtranslate]
শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩

মালয়েশিয়াগামী কর্মীদের মেডিক্যাল ফি ৮ হাজার টাকা

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: শনিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:৫৯ পূর্বাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
মালয়েশিয়াগামী কর্মীদের মেডিক্যাল ফি ৮ হাজার টাকা

মালয়েশিয়ায় কর্মসংস্থানের উদ্দেশ্যে যেতে ইচ্ছুক বাংলাদেশি কর্মীদের মেডিক্যাল পরীক্ষার ফি জনপ্রতি ৮ হাজার টাকা নির্ধারণ করেছে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়। নির্ধারিত ফির অতিরিক্ত কোনো অর্থ নেওয়া যাবে না বলে নির্দেশনা দিয়েছে মন্ত্রণালয়।

মঙ্গলবার (২৮ অক্টোবর) মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জারি করা এক নির্দেশনায় এ তথ্য জানানো হয়।

নির্দেশনায় বলা হয়েছে, মালয়েশিয়াগামী কর্মীদের মেডিক্যাল পরীক্ষার জন্য নির্ধারিত ৮ হাজার টাকার বেশি অর্থ দেওয়া যাবে না। একই সঙ্গে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করানোর ক্ষেত্রে কোনো দালাল বা মধ্যস্বত্বভোগীর সঙ্গে যোগাযোগ না করার জন্য কর্মীদের সতর্ক করা হয়েছে।

মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, কোনো মেডিক্যাল সেন্টার নির্দিষ্ট কোনো রিক্রুটিং এজেন্সির অধীনে কাজ করবে না। মালয়েশিয়ায় যাওয়ার জন্য নির্বাচিত কর্মীরা অনুমোদিত যেকোনো মেডিক্যাল সেন্টার থেকে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করাতে পারবেন।

নির্দেশনায় আরো বলা হয়েছে, কোনো এজেন্সি মেডিক্যাল স্লিপ দেওয়ার পর সংশ্লিষ্ট কর্মী অন্য কোনো এজেন্সির মাধ্যমে বিদেশে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিলে আগের এজেন্সিকে বিলম্ব না করে তাঁর মেডিক্যাল রিপোর্ট পাঠিয়ে দিতে হবে। এ ক্ষেত্রে স্লিপ প্রদানকারী এজেন্সির কোনো অজুহাত বা আপত্তি গ্রহণযোগ্য হবে না।

কোনো মেডিক্যাল সেন্টার নির্ধারিত ৮ হাজার টাকার বেশি দাবি করলে কিংবা কর্মীদের হয়রানি, টালবাহানা বা অন্য কোনো অনিয়ম করলে তাৎক্ষণিকভাবে মন্ত্রণালয়কে জানানোর অনুরোধ করা হয়েছে। এ জন্য মন্ত্রণালয়ের ইমেইল ঠিকানা দেওয়া হয়েছে secretary@probashi.gov.bd।

নির্দেশনায় আরো জানানো হয়েছে, মাইগ্রামস (MIGRAMS) স্লিপের জন্য কোনো ফি দিতে হয় না। পাশাপাশি মেডিক্যাল সেন্টারগুলোর কার্যক্রম নিয়মিত পর্যবেক্ষণ ও পরিদর্শন করা হবে। কোনো অনিয়ম বা অসংগতি পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট মেডিক্যাল সেন্টারের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মালয়েশিয়াগামী কর্মী, রিক্রুটিং এজেন্সি ও মেডিক্যাল সেন্টারগুলোকে মন্ত্রণালয়ের এসব নির্দেশনা যথাযথভাবে অনুসরণের আহ্বান জানানো হয়েছে।

চৌগাছার ধানে আর্সেনিকের শঙ্কা, নিরাপদ চাষে নতুন পদ্ধতি

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: শনিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৬, ১:৫৫ অপরাহ্ণ
চৌগাছার ধানে আর্সেনিকের শঙ্কা, নিরাপদ চাষে নতুন পদ্ধতি

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) নির্দেশনা অনুযায়ী, পানিতে আর্সেনিকের সর্বোচ্চ গ্রহণযোগ্য মাত্রা প্রতি লিটারে ০.০১ মিলিগ্রাম। বাংলাদেশে সরকারি মানদণ্ডে এ মাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ০.০৫ মিলিগ্রাম। তবে যশোরের চৌগাছা উপজেলায় পানিতে আর্সেনিকের উপস্থিতি উদ্বেগজনক বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। এ ছাড়া এখানকার ধানেও সহনীয় মাত্রার চেয়ে বেশি আর্সেনিকের উপস্থিতি পাওয়া গেছে।

এ পরিস্থিতি মোকাবেলায় কাজ করছে জাপানের জাইকা ও জাপান সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি এজেন্সি (জেএসটি)। সংস্থা দুটির কারিগরি ও আর্থিক সহায়তায় বেসরকারি সংস্থা এশিয়া আর্সেনিক নেটওয়ার্ক সেচ পদ্ধতি নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে নিরাপদ ধান উৎপাদনে কার্যক্রম পরিচালনা করছে।

আন্তর্জাতিক সংস্থা কোডেক্স অ্যালিমেন্টারিয়াস কমিশনের (সিএসি) নির্ধারিত মান অনুযায়ী, চালে অজৈব আর্সেনিকের সর্বোচ্চ গ্রহণযোগ্য মাত্রা প্রতি কেজিতে ০.৩৫ মিলিগ্রাম। তবে চৌগাছা উপজেলার ধানে এর চেয়ে বেশি আর্সেনিকের উপস্থিতি পাওয়া যাচ্ছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে। এ ক্ষেত্রে ধানে আর্সেনিকের উপস্থিতি ৫৬ থেকে ৭০ শতাংশ পর্যন্ত বেশি বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

এশিয়া আর্সেনিক নেটওয়ার্ক সূত্রে জানা গেছে, ধান ও ভাতে আর্সেনিকের উপস্থিতি সহনীয় পর্যায়ে রাখতে সেচ নিয়ন্ত্রণের বিকল্প নেই। এ জন্য কৃষকদের থ্রিএফফোরডি (তিন দিন জমি ভেজানো, চার দিন জমি শুকানো) পদ্ধতি ব্যবহারে সচেতন করা হচ্ছে।

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (বাকৃবি) উদ্ভাবিত এ পদ্ধতি ‘নিরাপদ ও পুষ্টিকর ধান’ (সানরাইজ) প্রকল্পের অধীনে তৈরি করা হয়েছে। জাইকা ও জেএসটির কারিগরি ও আর্থিক সহযোগিতায় প্রকল্পটির মাধ্যমে চৌগাছায় আর্সেনিক সহনীয় মাত্রায় রেখে নিরাপদ ধান উৎপাদনে কাজ করছে এশিয়া আর্সেনিক নেটওয়ার্ক।

উপজেলার ১১টি ইউনিয়ন ও পৌরসভার বিভিন্ন গ্রামে ১২টি মডেল প্লট তৈরি করা হয়েছে। পৌরসভার হুদোপাড়া, চৌগাছা ইউনিয়নের কয়ারপাড়া, সিংহঝুলী ইউনিয়নের মাজালি, ফুলসারা ইউনিয়নের আড়ারদহ, জগদীশপুর ইউনিয়নের মাড়ুয়া, পাতিবিলা ইউনিয়নের সাদিপুর, হাকিমপুর ইউনিয়নের বকশিপুর, নারায়ণপুর ইউনিয়নের নারায়ণপুর, স্বরূপদাহ ইউনিয়নের স্বরূপদাহ, সুখপুকুরিয়া ইউনিয়নের মাকাপুর, ধুলিয়ানী ইউনিয়নের কুষ্টিয়া ও পাশাপোল ইউনিয়নের রঘুনাথপুর গ্রামের মাঠে এসব প্লট প্রস্তুত করা হয়েছে। এ কার্যক্রমে যুক্ত রয়েছেন ১৪৪ জন কৃষক।

এ ছাড়া প্রতিটি ইউনিয়ন ও পৌরসভায় সেচপাম্পের ৬০ জন মালিকের মাধ্যমে আগামী ইরি-বোরো মৌসুমে নিজ উদ্যোগে থ্রিএফফোরডি পদ্ধতি ব্যবহারের পরিকল্পনা রয়েছে। এরই মধ্যে তাঁদের সচেতন করতে সভা, সেমিনার ও প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হয়েছে।

সংস্থাটির উপজেলা সমন্বয়কারী আমিরুল ইসলাম বলেন, ‘আমাদের নিরাপদ ও পুষ্টিকর চাল দিয়ে ভাত খেতে হবে। এ কারণে আর্সেনিকমুক্ত বা সহনীয় মাত্রার আর্সেনিকযুক্ত ধান উৎপাদন করা জরুরি।’

তিনি বলেন, দুটি পদ্ধতির মাধ্যমে তাঁরা কাজ করছেন। তবে মূল বিষয় হলো ধানের জমিতে পানির ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ করা। এ জন্য কৃষকদের আধুনিক কৃষিপদ্ধতি ও থ্রিএফফোরডি পদ্ধতি ব্যবহারে উৎসাহিত করা হচ্ছে। এ পদ্ধতিতে ২০ শতাংশ পানি সাশ্রয় হওয়ার পাশাপাশি ৮ শতাংশ বেশি ফলন পাওয়া সম্ভব বলে জানান তিনি।

সংস্থাটির পক্ষ থেকে আরও বলা হয়, ইরি-বোরো মৌসুমে সাধারণত ভূগর্ভস্থ পানি তুলে সেচ দেওয়া হয়। ভূগর্ভস্থ পানির স্তর কমে গেলে আর্সেনিকের ঘনত্ব বেড়ে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে। ফলে ধানে আর্সেনিকের পরিমাণও বাড়তে পারে।

থ্রিএফফোরডি পদ্ধতিতে প্রচলিত নিয়মে জমি সব সময় জলাবদ্ধ না রেখে তিন দিন পানি ধরে রাখা হয় এবং পরবর্তী চার দিন জমি শুকানো হয়। এতে মাটিতে অক্সিডেটিভ পরিবেশ তৈরি হয়, যা ধানের চারার আর্সেনিক শোষণ কমাতে সহায়তা করে। একই সঙ্গে চালে অজৈব আর্সেনিকের মাত্রাও উল্লেখযোগ্যভাবে কমে।

আড়ারদহ গ্রামের কৃষক ইমদাদুল হক ও মাজালি গ্রামের কৃষক হাফিজুর রহমান তপন জানান, ধানে আর্সেনিক থাকতে পারে, আগে তাঁদের এ বিষয়ে ধারণা ছিল না। আগে যেভাবে ধানের জমিতে পানি দিতেন, এখন আর সেভাবে দেন না। থ্রিএফফোরডি পদ্ধতি ব্যবহার করে তাঁরা ভালো ফল পাচ্ছেন।

উপজেলা জনস্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সহকারী প্রকৌশলী ফেরদৌসী খাতুন বলেন, ধান বা চালে আর্সেনিক নিয়ন্ত্রণে সরকারি কোনো উদ্যোগ নেই। তবে পানিতে আর্সেনিক নিয়ন্ত্রণে সরকারি কার্যক্রম রয়েছে। বর্তমানে উপজেলার ১১টি ইউনিয়নে ৯০টি অগভীর নলকূপ স্থাপন করা হয়েছে। এসব নলকূপ থেকে পানি সংগ্রহ করে আঞ্চলিক পানি পরীক্ষাগারে পাঠানো হচ্ছে। যেসব নলকূপের পানিতে আর্সেনিকের মাত্রা বেশি পাওয়া যাচ্ছে, সেসব এলাকায় পানি পরিশোধনের ভ্যাসেল দেওয়া হচ্ছে।

তিনি বলেন, চৌগাছা উপজেলায় আর্সেনিকের আধিক্য রয়েছে। আগের এক প্রতিবেদনে পানিতে গড়ে প্রতি লিটারে ২০ মিলিগ্রাম আর্সেনিকের উপস্থিতি পাওয়া গিয়েছিল বলে উল্লেখ করা হয়।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আহসানুল মিজান রুমী বলেন, আর্সেনিক আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা সম্পর্কে হালনাগাদ তথ্য নেই। তবে আগের বিভিন্ন জরিপে উপজেলায় প্রায় ১ হাজার ৫০০ রোগী থাকার তথ্য পাওয়া গেছে। উপজেলা হাসপাতালে এখনো আর্সেনিক আক্রান্ত রোগীরা চিকিৎসা নিতে আসছেন। তাঁদের নিয়মিত চিকিৎসা দেওয়া হয়।

তিনি বলেন, ‘প্রাথমিক পর্যায়ে এ রোগ শনাক্ত হলে চিকিৎসার পাশাপাশি আর্সেনিকমুক্ত পানি পান করলে সুস্থ হওয়া সম্ভব। এ রোগ অবহেলা করা উচিত নয়।’

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফারজানা ইসলাম বলেন, ধানে আর্সেনিকের বিষয়ে একটি সংস্থা কাজ করছে বলে তিনি জেনেছেন। তবে এ বিষয়ে সরকারি পর্যায়ে এখনো কোনো উদ্যোগ শুরু হয়নি। পানিতে আর্সেনিক নিয়ন্ত্রণে অগভীর নলকূপ স্থাপন করা হচ্ছে। কোনো নলকূপের পানিতে আর্সেনিক পাওয়া গেলে তা পরিশোধনের জন্য সরকারিভাবে ভ্যাসেল দেওয়া হচ্ছে।

ইউএনও আরও বলেন, চৌগাছা অঞ্চলে আর্সেনিক সমস্যা দীর্ঘদিনের। স্থানীয়ভাবে ব্যবহৃত অনেক নলকূপের পানি এখন আর নিরাপদ নয়। তাই পানি ব্যবহারের ক্ষেত্রে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।

জার্মানির পণ্য আমদানি বাড়ানোর আগ্রহ চীনের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক প্রকাশিত: শনিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৬, ১:৪৯ অপরাহ্ণ
জার্মানির পণ্য আমদানি বাড়ানোর আগ্রহ চীনের

জার্মানির কাছ থেকে আরও উন্নত মানের পণ্য আমদানি করতে আগ্রহী চীন। শুক্রবার জার্মানির প্রেসিডেন্ট ফ্রাঙ্ক-ভাল্টার স্টাইনমায়ারের সঙ্গে বৈঠকে এ কথা জানিয়েছেন চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াং।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়, ইউরোপ ও চীনের মধ্যে বাণিজ্য বিরোধ বাড়ছে। একই সঙ্গে দুই পক্ষের মধ্যে সুরক্ষাবাদী নীতিও জোরালো হচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে জার্মানির সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করতে চায় বেইজিং।

শুক্রবার রাতে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রকাশিত এক বিবৃতিতে বলা হয়, লি কিয়াং দুই দেশের মধ্যে মুক্ত বাণিজ্য ও উন্মুক্ত সহযোগিতা বজায় রাখার আহ্বান জানিয়েছেন।

লি কিয়াং বলেন, চীন জার্মানির সঙ্গে একযোগে কাজ করতে আগ্রহী। দুই দেশের সরকারি পর্যায়ের আলোচনার মাধ্যমে গাড়ি, রাসায়নিক, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), ডিজিটাল প্রযুক্তি ও পরিবেশবান্ধব শিল্পে সহযোগিতা বাড়াতে চায় বেইজিং।

এদিকে, শুক্রবার চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংও জার্মানির প্রতি চীনের সঙ্গে ‘যুক্তিসংগত, বাস্তবসম্মত ও বন্ধুত্বপূর্ণ’ নীতি অনুসরণের আহ্বান জানিয়েছেন। জার্মান প্রেসিডেন্ট স্টাইনমায়ারের সঙ্গে বৈঠকে শি দুই দেশের সম্পর্ক আরও ঘনিষ্ঠ করার ওপর গুরুত্ব দেন।

চীন ও ইউরোপের মধ্যে বাণিজ্য বিরোধ বাড়লেও জার্মানির সঙ্গে সম্পর্ক জোরদারে আগ্রহী বেইজিং।

প্র্যাবের সভাপতি ইয়াহিয়া মির্জা, সম্পাদক নজরুল ইসলাম

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: শনিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৬, ১:২৮ অপরাহ্ণ
প্র্যাবের সভাপতি ইয়াহিয়া মির্জা, সম্পাদক নজরুল ইসলাম

দেশের ব্যাংকগুলোর জনসংযোগ বিভাগের কর্মকর্তাদের সংগঠন পাবলিক রিলেশনস অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকসের (প্র্যাব) নতুন সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন সিটি ব্যাংক পিএলসির হেড অব পিআর অ্যান্ড মিডিয়া ইয়াহিয়া মির্জা। সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন ডাচ্-বাংলা ব্যাংকের পাবলিক অ্যাফেয়ার্স অ্যান্ড ব্র্যান্ড কমিউনিকেশন বিভাগের প্রধান নজরুল ইসলাম।

বৃহস্পতিবার রাজধানীর গুলশানের একটি হোটেলে বণিক বার্তা আয়োজিত প্রীতি সম্মেলনে সংগঠনটির নতুন নেতৃত্বের নাম ঘোষণা করা হয়। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্র্যাবের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান টিপু নতুন সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের নাম ঘোষণা করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি আতাউর রহমান, সদ্যবিদায়ী সভাপতি শামসুদ্দোহা শিমু ও সাধারণ সম্পাদক জালাল আহমেদ স্বপনসহ জ্যেষ্ঠ সদস্যরা।

২০১১ সালে দেশের বিভিন্ন ব্যাংকের ব্র্যান্ড ও কমিউনিকেশন বিভাগের কর্মকর্তাদের নিয়ে প্র্যাবের যাত্রা শুরু হয়। সংগঠনটি সাধারণত ৩৩ সদস্যের কার্যনির্বাহী কমিটির মাধ্যমে পরিচালিত হয়। প্রতি দুই বছর পর এ কমিটি গঠন করা হয়। দেশের বিভিন্ন বাণিজ্যিক ব্যাংকের জনসংযোগ ও ব্র্যান্ডিং বিভাগের প্রধান এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের উচ্চপদস্থ জনসংযোগ কর্মকর্তারা কমিটির বিভিন্ন পদে দায়িত্ব পালন করেন।

প্র্যাবের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান টিপু জানান, আগামী নভেম্বরে বার্ষিক সাধারণ সভার (এজিএম) মাধ্যমে সংগঠনটির ৩৩ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন করা হবে।

বণিক বার্তা আয়োজিত প্রীতি সম্মেলনে দেশের সব তফসিলি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের জনসংযোগ বিভাগে কর্মরত দুই শতাধিক কর্মকর্তা অংশ নেন।