সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ৭ বৈশাখ ১৪৩৩
সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ৭ বৈশাখ ১৪৩৩

চুয়াডাঙ্গায় সেনা হেফাজতে মৃত বিএনপি নেতা ডাবলুর জানাজা অনুষ্ঠিত

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: বুধবার, ১৪ জানুয়ারি, ২০২৬, ৬:৩০ অপরাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
চুয়াডাঙ্গায় সেনা হেফাজতে মৃত বিএনপি নেতা ডাবলুর জানাজা অনুষ্ঠিত

চুয়াডাঙ্গায় সেনা হেফাজতে মারা যাওয়া জীবননগর পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শামসুজ্জামান ডাবলুর জানাজা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (১৪ জানুয়ারি) বেলা ১১টায় জীবননগর পৌর ঈদগাহ ময়দানে এ জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।

ডাবলুর ছোট ভাই ও মা লন্ডন থেকে দেশে ফেরার পর বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) সকাল ১০টায় দ্বিতীয় জানাজা শেষে তাকে দাফন করা হবে বলে পরিবার সূত্রে জানা গেছে।

জানাজায় উপস্থিত ছিলেন চুয়াডাঙ্গার অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক বি এম তারিক-উজ-জামান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মো. মোস্তাফিজুর রহমান, সহকারী পুলিশ সুপার (দামুড়হুদা সার্কেল) মো. আনোয়ারুল কবীর, চুয়াডাঙ্গা জেলা বিএনপি ও বিজিএমইএর সভাপতি এবং চুয়াডাঙ্গা-২ আসনে বিএনপির প্রার্থী মাহমুদ হাসান খান।

এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও চুয়াডাঙ্গা-১ আসনে বিএনপির প্রার্থী শরীফুজ্জামান শরীফ, সিআইপি আলহাজ সাহিদুজ্জামান টরিক, চুয়াডাঙ্গা জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি ও পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) মারুফ সারোয়ার বাবু, সাধারণ সম্পাদক খন্দকার অহিদুল আলমসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মী, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধি এবং স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।

জানাজার আগে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে জেলা বিএনপির সভাপতি মাহমুদ হাসান খান ও সাধারণ সম্পাদক শরীফুজ্জামান শরীফ বলেন,
‘আমরা আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। এই দেশে আমরা এ ধরনের মৃত্যু প্রত্যাশা করি না। ডাবলুর মৃত্যুর সঠিক বিচার চাই। ভবিষ্যতে যেন আর কাউকে এভাবে প্রাণ দিতে না হয়।’

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মো. মোস্তাফিজুর রহমান বলেন,
‘জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে আমরা অত্যন্ত মর্মাহত। পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাচ্ছি। আইনের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে এই ঘটনার সুষ্ঠু বিচারে পুলিশের পক্ষ থেকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করা হবে।’

পরিবারের সদস্য ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, গত সোমবার দিবাগত রাত সাড়ে ১০টার দিকে জীবননগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনে অবস্থিত ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান হাফিজা ফার্মেসির সামনে থেকে ডাবলুকে আটক করা হয়। পরে রাত ১২টার পর তাকে জীবননগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে জরুরি বিভাগের চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

উদ্ধারকৃত চোরাই মোবাইল হস্তান্তর জেলা পুলিশের

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: সোমবার, ২০ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:৫৭ অপরাহ্ণ
উদ্ধারকৃত চোরাই মোবাইল হস্তান্তর জেলা পুলিশের

কিশোরগঞ্জ জেলা পুলিশ গত এক মাসে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে উদ্ধার করা প্রায় ৫০টি চোরাই মোবাইল ফোন প্রকৃত মালিকদের কাছে হস্তান্তর করেছে। সোমবার (২০ এপ্রিল ২০২৬) সকাল ১১টায় জেলা পুলিশ কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এসব মোবাইল হস্তান্তর করা হয়।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কিশোরগঞ্জ জেলার পুলিশ সুপার ড. এস. এম. ফরহাদ হোসেন। তিনি বলেন, প্রযুক্তির সহায়তায় চোরাই মোবাইল উদ্ধারে জেলা পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে এবং ভবিষ্যতেও এ কার্যক্রম চলমান থাকবে।

পুলিশ সুপার এ ধরনের সফল অভিযানে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে সংশ্লিষ্ট সকল পুলিশ সদস্যকে ধন্যবাদ জানান। বিশেষ করে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস্) এর নেতৃত্বে পরিচালিত কার্যক্রমের প্রশংসা করেন তিনি।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ভুক্তভোগীরা তাদের হারানো মোবাইল ফিরে পেয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন এবং জেলা পুলিশের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অর্থ ও প্রশাসন) মুকিত সরকার, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস্) মোহাম্মদ মাহমুদুল হাসান তালুকদারসহ জেলা পুলিশের অন্যান্য সদস্য এবং উদ্ধার হওয়া মোবাইলের প্রকৃত মালিকরা।

লিবিয়ার উপকূলে বাংলাদেশিসহ ১৭ অভিবাসীর মরদেহ উদ্ধার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক প্রকাশিত: সোমবার, ২০ এপ্রিল, ২০২৬, ১০:৫৯ পূর্বাহ্ণ
লিবিয়ার উপকূলে বাংলাদেশিসহ ১৭ অভিবাসীর মরদেহ উদ্ধার

লিবিয়ার রাজধানী ত্রিপোলির পশ্চিমাঞ্চলীয় উপকূল থেকে গত কয়েক দিনে অন্তত ১৭ জন অভিবাসীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধারকৃতদের মধ্যে একজন বাংলাদেশি নাগরিক রয়েছেন বলে নিশ্চিত করেছে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ।

রোববার (১৯ এপ্রিল) লিবিয়ার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ ‘ইমার্জেন্সি মেডিসিন অ্যান্ড সাপোর্ট সেন্টার’ (Emergency Medicine and Support Center) এ তথ্য নিশ্চিত করে। সংস্থাটি জানায়, ত্রিপোলি থেকে প্রায় ১১৭ কিলোমিটার পশ্চিমে অবস্থিত Zuwara Coast এলাকা থেকে এসব মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

উদ্ধারকৃত ১৭ জনের মধ্যে এখন পর্যন্ত একজনের পরিচয় নিশ্চিত হওয়া গেছে, যিনি বাংলাদেশের নাগরিক। তার মরদেহ ত্রিপোলিতে বসবাসরত পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

বাকি মরদেহগুলোর মধ্যে ১৪ জনকে যথাযথ ধর্মীয় ও আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করে দাফন করা হয়েছে। অন্য দুই জনের পরিচয় এখনো শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। সংস্থাটি তাদের ফেসবুক পেজে উদ্ধার অভিযানের কিছু ছবি প্রকাশ করেছে, যেখানে স্বাস্থ্যকর্মীদের মরদেহ উদ্ধার করে অ্যাম্বুলেন্সে তুলতে দেখা যায়।

লিবিয়ার সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে ইউরোপে যাওয়ার পথে নৌকাডুবি অথবা দীর্ঘ সমুদ্রযাত্রায় খাদ্য ও পানির সংকটের কারণে এসব অভিবাসীর মৃত্যু হয়ে থাকতে পারে। তবে মৃত্যুর সুনির্দিষ্ট কারণ নিশ্চিত করতে তদন্ত চলছে।

উল্লেখ্য, ২০১১ সালে মুয়াম্মার গাদ্দাফির পতনের পর থেকে লিবিয়া ইউরোপগামী অবৈধ অভিবাসীদের জন্য একটি প্রধান ট্রানজিট রুটে পরিণত হয়েছে। বাংলাদেশসহ এশিয়া ও আফ্রিকার বিভিন্ন দেশের হাজারো মানুষ উন্নত জীবনের আশায় দালালচক্রের মাধ্যমে এই ঝুঁকিপূর্ণ পথ বেছে নিচ্ছেন। প্রতিবছরই এই রুটে বহু অভিবাসীর প্রাণহানির ঘটনা ঘটছে।

আগামীকাল শুরু এসএসসি, কিশোরগঞ্জে কালবৈশাখীর বিদ্যুৎ সংকটে দুশ্চিন্তায় পরীক্ষার্থীরা

রেজাউল হক প্রকাশিত: সোমবার, ২০ এপ্রিল, ২০২৬, ১০:০০ পূর্বাহ্ণ
আগামীকাল শুরু এসএসসি, কিশোরগঞ্জে কালবৈশাখীর বিদ্যুৎ সংকটে দুশ্চিন্তায় পরীক্ষার্থীরা

“এসো হে বৈশাখ, এসো এসো”—এই আহ্বানে নতুন বছরকে বরণ করলেও ১৪৩৩ বঙ্গাব্দের শুরুতেই কিশোরগঞ্জবাসীর জীবনে নেমে এসেছে দুর্ভোগ। বিশেষ করে আসন্ন এসএসসি পরীক্ষাকে সামনে রেখে কালবৈশাখীর তাণ্ডবে বিদ্যুৎ বিপর্যয়ে পড়েছে জেলার হাজারো শিক্ষার্থী।

আগামীকাল মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) সারাদেশে শুরু হতে যাচ্ছে মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমানের পরীক্ষা। এর ঠিক আগে টানা ৩–৪ দিন ধরে বিদ্যুৎহীন অবস্থায় কিশোরগঞ্জের বিভিন্ন গ্রামীণ জনপদের মানুষ চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।

জানা গেছে, বাংলা নববর্ষের প্রথম রাতেই কিশোরগঞ্জ জেলার বিভিন্ন এলাকায় ভয়াবহ কালবৈশাখী ঝড় বয়ে যায়। এতে পল্লী বিদ্যুতের লাইনের ওপর গাছ পড়ে অসংখ্য স্থানে তার ছিঁড়ে যায়। কোথাও ভেঙে পড়ে বৈদ্যুতিক খুঁটি, কোথাও লাইনের ওপর পড়ে থাকে গাছগাছালি।

এর ফলে জেলার কিশোরগঞ্জ সদর, হোসেনপুর, পাকুন্দিয়া, কটিয়াদী, করিমগঞ্জ, তাড়াইল, নিকলী, বাজিতপুর, ইটনা, মিঠামইন ও অষ্টগ্রাম উপজেলার বিস্তীর্ণ এলাকা দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎবিচ্ছিন্ন থাকে।

প্রচণ্ড গরমের মধ্যে বিদ্যুৎ না থাকায় জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। ফ্রিজে রাখা পচনশীল খাবার নষ্ট হয়ে যাচ্ছে, দেখা দিয়েছে তীব্র পানির সংকট। মোবাইল ফোনসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় ইলেকট্রনিক যন্ত্রপাতি চার্জের অভাবে অচল হয়ে পড়েছে।

স্থানীয়রা জানান, দিনের বেলা তীব্র গরমে ঘরে থাকা দায় হয়ে পড়েছে, আর রাতের অন্ধকারে বাড়ছে চুরি ও নিরাপত্তাহীনতার শঙ্কা।

সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছেন এসএসসি পরীক্ষার্থীরা। বিদ্যুৎ না থাকায় তাদের প্রস্তুতিতে মারাত্মক ব্যাঘাত ঘটছে।

সদর উপজেলার মহিনন্দ ইউনিয়নের বাসিন্দা বিল্লাল হোসেন বলেন, “আমাদের এলাকায় তিন দিন ধরে বিদ্যুৎ নেই। পানির সংকটও তীব্র। আমার ছোট বোন এসএসসি পরীক্ষার্থী—পড়াশোনার ক্ষতি হওয়ায় তাকে শহরে আত্মীয়ের বাসায় পাঠিয়েছি।”

হোসেনপুরের আল-আমীন বলেন, “আমার ছেলে এসএসসি পরীক্ষার্থী। বিদ্যুৎ না থাকায় পড়াশোনায় সমস্যা হচ্ছে। মোমবাতি বা হারিকেনে পড়া এখনকার ছেলেমেয়েদের জন্য খুব কষ্টকর।”

এসএসসি পরীক্ষার্থী মুকিম বলেন, “মোমবাতির আলোয় পড়তে খুব অসুবিধা হয়। সামনে পরীক্ষা—এভাবে প্রস্তুতি নেওয়া কঠিন।”

অন্য পরীক্ষার্থী সানজিদা জানায়, “ছোটবেলা থেকে কখনো হারিকেন দেখিনি। মোমবাতি দিয়ে পড়লে বাইরের বাতাসে আলো দুলে যায়, তাই বাবা হারিকেন নিয়ে আসছে। দীর্ঘ সময়ের জন্য বিদ্যুৎ চলে গেলে যখন আইপিএস লাইটের চার্জ শেষ হয়ে যায়, তখন তা ব্যবহার করি।”

অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) জেসমিন আক্তার জানান, “এ বছর জেলায় ৭৫টি কেন্দ্রে প্রায় ৩০ হাজার পরীক্ষার্থী এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় অংশ নেবে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে।”

গাইটাল এলাকার বাসিন্দা হাবিবুর রহমান জানান, “আমার মেয়ে এসএসসি পরীক্ষার্থী। শনিবার আমি পিডিবির লাইন ব্যবহার করলেও পল্লী বিদ্যুতের মতো আমার বাসায় বিদ্যুৎ ছিল না। কিন্তু আমার পাশের মহল্লাতেই বিদ্যুৎ ছিল। ছেলে-মেয়েদের পড়াশোনা ও বাসার ভাড়াটিয়াসহ সবাই পানির কষ্টে ছিলাম।”

কিশোরগঞ্জ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ আবদুর রউফ বলেন, “কালবৈশাখী ঝড় ও বজ্রপাতের কারণে বিদ্যুৎ লাইনে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। বিশেষ করে শনিবার যশোদল সাব-স্টেশনের ৩৩ কেভি ব্রেকার নষ্ট হওয়ায় অনেক এলাকা দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎবিচ্ছিন্ন ছিল।”

তিনি আরও বলেন, “এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিষয়টি আমরা গুরুত্ব দিচ্ছি। প্রকৃতির ওপর নিয়ন্ত্রণ না থাকলেও আমাদের সক্ষমতার মধ্যে সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।”

কিশোরগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জেনারেল ম্যানেজার (জিএম) মো. আতিকুজ্জামান চৌধুরী বলেন, “পহেলা বৈশাখের রাতে ঝড়ে লাইনের ওপর গাছ পড়ে তার ছিঁড়ে যাওয়ায় সমস্যা তৈরি হয়। পরবর্তী ঝড়েও কিছু ক্ষতি হয়েছে। দ্রুত সংস্কারকাজ চালিয়ে অধিকাংশ এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক করা হয়েছে। নতুন করে ক্ষতি হলে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

তিনি আরও বলেন, “পরীক্ষার্থীরা আমাদেরই সন্তান। তাদের কথা বিবেচনায় রেখে সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।”

এসএসসি পরীক্ষার ঠিক আগে এমন বিদ্যুৎ সংকটে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে। দ্রুত বিদ্যুৎ পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হলে পরীক্ষার্থীদের প্রস্তুতিতে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।