শুক্রবার, ২৮ আগস্ট ২০২৬, ১৩ ভাদ্র ১৪৩৩
[gtranslate]
শুক্রবার, ২৮ আগস্ট ২০২৬, ১৩ ভাদ্র ১৪৩৩

ভৈরবে যুবলীগ নেতা সৈকত হত্যা: তিন দিন পর ২৩ জনের বিরুদ্ধে মামলা

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট, ২০২৬, ১০:১৯ পূর্বাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
ভৈরবে যুবলীগ নেতা সৈকত হত্যা: তিন দিন পর ২৩ জনের বিরুদ্ধে মামলা

কিশোরগঞ্জের ভৈরবে যুবলীগ নেতা আল-আমিন সৈকত (৪৩) হত্যার ঘটনায় তিন দিন পর ২৩ জনকে আসামি করে মামলা করা হয়েছে। বুধবার (২৬ আগস্ট) রাতে নিহতের স্ত্রী তানিয়া খানম বাদী হয়ে ভৈরব থানায় মামলাটি করেন। মামলার এজাহারে আটজনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতপরিচয় আরও ১০ থেকে ১৫ জনকে আসামি করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, মামলার কোনো আসামিকে এখনো গ্রেপ্তার করা যায়নি; তারা পলাতক রয়েছেন।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, এজাহারে নাম উল্লেখ করা আসামিদের মধ্যে নিহতের চাচা ও তিন চাচাতো ভাই রয়েছেন। এ ছাড়া অন্য আসামিরাও নিহতের পরিবারের সদস্য বলে জানা গেছে।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ২৩ আগস্ট রাত পৌনে ১২টার দিকে ভৈরব বাজারের টিনপট্টি এলাকায় পূর্বশত্রুতার জের ধরে আল-আমিন সৈকতের ওপর হামলা করা হয়। এ সময় আসামিরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাকে কুপিয়ে গুরুতর আহত করেন বলে এজাহারে অভিযোগ করা হয়েছে। পরে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

নিহতের সঙ্গে তার চাচা ও চাচাতো ভাইদের দীর্ঘদিন ধরে সম্পত্তি নিয়ে বিরোধ চলছিল বলে মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে। নিহতের স্ত্রী তানিয়া খানমের অভিযোগ, ওই বিরোধের জেরেই পরিকল্পিতভাবে হামলা চালিয়ে তাকে হত্যা করা হয়েছে।

আল-আমিন সৈকত ভৈরব পৌরসভার সাবেক কাউন্সিলর ও পৌর যুবলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। তিনি ভৈরব চেম্বারের সাবেক পরিচালক এবং জেলা সার সংগঠন বিএফএ’র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন। ভৈরব বাজারে তার একটি আবাসিক হোটেল রয়েছে। পাশাপাশি তিনি সার ও রাইস মিল ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।

নিহতের স্ত্রী ও মামলার বাদী তানিয়া খানম বলেন, “আমার স্বামীর সঙ্গে তাঁর চাচা ও চাচাতো ভাইদের বিরোধ ছিল। তাঁদের সঙ্গে সন্ত্রাসীদের নিয়ে আমার স্বামীকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। মৃত্যুর আগে আমার স্বামী এসব কথা বলে গেছেন। আত্মীয়স্বজনের সঙ্গে পরামর্শ করে তিন দিন পর মামলা করেছি। আমি আমার স্বামীর হত্যাকারীদের কঠোর বিচার দাবি করছি।”

ভৈরব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহবুবুর রহমান বলেন, ঘটনার তিন দিন পর নিহতের স্ত্রী বাদী হয়ে বুধবার মামলাটি করেছেন। এজাহারে আটজনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতপরিচয় আরও ১০ থেকে ১৫ জনকে আসামি করা হয়েছে। আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশ চেষ্টা করছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো আসামি গ্রেপ্তার হয়নি। মামলার তদন্তের পাশাপাশি হামলার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান চালানো হচ্ছে।

নেপালে আকস্মিক বন্যায় নিহত ৪৮৯, নিখোঁজ ২ হাজার ৩৮১

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৮ আগস্ট, ২০২৬, ৪:২০ অপরাহ্ণ
নেপালে আকস্মিক বন্যায় নিহত ৪৮৯, নিখোঁজ ২ হাজার ৩৮১

নেপালের রসুয়া অঞ্চল থেকে সৃষ্ট ভয়াবহ আকস্মিক বন্যায় শুক্রবার বিকেল পর্যন্ত নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৪৮৯ জনে দাঁড়িয়েছে। এ ঘটনায় এখনো ২ হাজার ৩৮১ জন নিখোঁজ রয়েছেন। দেশটির পুলিশ এ তথ্য জানিয়েছে।

নেপাল নিউজের এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, কর্তৃপক্ষ এখন পর্যন্ত দেশের আটটি জেলা থেকে ৪৮৯ জনের মরদেহ উদ্ধার করেছে। এর মধ্যে চিতওয়ান জেলায় ১৮৬ জন, নওয়ালপরাসী (বারদাঘাট সুস্তা পূর্ব) জেলায় ১১২ জন, গোর্খায় ৪৪ জন, ধাদিংয়ে ৪০ জন, নুয়াকোটে ৩৭ জন, তানাহুনে ২৯ জন, নওয়ালপরাসী (বারদাঘাট সুস্তা পশ্চিম) জেলায় ২৮ জন এবং রসুয়া জেলায় ১৩ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

মরদেহ উদ্ধারের পাশাপাশি নিখোঁজদের সন্ধানে উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রয়েছে। দেশটির পুলিশের হিসাবে, এখনো ২ হাজার ৩৮১ জনের কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।

পুলিশ জানিয়েছে, নিখোঁজদের মধ্যে ৬৪৪ জন বিদেশি নাগরিক। তাদের বেশিরভাগই ভারত, যুক্তরাষ্ট্র, ইউক্রেন, মালয়েশিয়া, অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাজ্য ও কানাডার নাগরিক।

এ ছাড়া বিদেশে বসবাসকারী বা বিদেশ থেকে ভ্রমণে আসা ১২৭ জন নেপালি এবং দেশের অভ্যন্তরের আরও ১ হাজার ৭৩৭ জন নাগরিক নিখোঁজ রয়েছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।

নেপাল নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দেশটির পুলিশ ও জরুরি সেবাদানকারী সংস্থাগুলো স্থানীয় বাসিন্দাদের সহযোগিতায় ঝুঁকিপূর্ণ পরিবারগুলোকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিচ্ছে। পাশাপাশি বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক থেকে বাধা অপসারণ এবং নিখোঁজদের সন্ধানে ব্যাপক তল্লাশি ও উদ্ধার অভিযান চালানো হচ্ছে।

দুর্যোগকবলিত এলাকাগুলোতে উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে। তবে নিখোঁজের সংখ্যা বেশি থাকায় পরিস্থিতি এখনো উদ্বেগজনক বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তিতে বাংলাদেশ যোগ দিলে ইতিবাচকভাবে দেখবে পাকিস্তান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৮ আগস্ট, ২০২৬, ৩:৫০ অপরাহ্ণ
মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তিতে বাংলাদেশ যোগ দিলে ইতিবাচকভাবে দেখবে পাকিস্তান

 

মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তিতে বাংলাদেশ যোগ দেওয়ার বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করলে তা ইতিবাচকভাবে দেখবে পাকিস্তান। তবে বাংলাদেশ আনুষ্ঠানিকভাবে যোগ দেওয়ার প্রস্তাব দিলে বিষয়টি নিয়ে সৌদি আরব ও তুরস্কের সঙ্গে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে পাকিস্তান।

বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র তাহির আন্দ্রাবি এ কথা জানান।

এর আগে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান গতকাল জাতীয় সংসদে বলেন, বাংলাদেশকে মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তিতে যোগ দেওয়ার আহ্বান জানানো হলে সরকার বিষয়টিকে ইতিবাচকভাবে বিবেচনা করবে। তবে চুক্তিতে যোগ দেওয়ার আগে এর সম্ভাব্য ভালো-মন্দ দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হবে বলেও জানান তিনি।

মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তিকে বিশ্ব মুসলিম সমাজের আত্মরক্ষার একটি কাঠামো হিসেবে উল্লেখ করে খলিলুর রহমান বলেন, “এটা আমাদের পরিবার। এটা মুসলিম পরিবারের অভ্যন্তরীণ বিষয়। তা নিয়ে অন্যান্যদের উদ্বেগের অবকাশ নেই।”

বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর এই বক্তব্যের বিষয়ে পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র তাহির আন্দ্রাবির কাছে জানতে চান সাংবাদিকরা। জবাবে তিনি বলেন, বাংলাদেশ যদি চুক্তিতে যোগ দেওয়ার প্রস্তাব দেয় বা এ বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করে, তাহলে পাকিস্তান সৌদি আরব ও তুরস্কের সঙ্গে আলোচনা করবে।

তাহির আন্দ্রাবি বলেন, “এটি হলো একটি প্রতিরক্ষামূলক কাঠামো। যার লক্ষ্য হলো এই অঞ্চলের শান্তি ও স্থিতিশীলতা রক্ষা করা।”

তিনি আরও বলেন, “একটি ক্রমবিকাশমান নিরাপত্তা কাঠামো হিসেবে এই চুক্তিতে সেসব দেশ যোগ দিতে পারবে, যারা যৌথ দায়িত্ব ও নিরাপত্তার স্বার্থে একই অঙ্গীকার ব্যক্ত করে।”

বাংলাদেশের বিষয়ে ইঙ্গিত করে পাকিস্তানের এই মুখপাত্র বলেন, কোনো দেশ যদি চুক্তিতে যুক্ত হওয়ার জন্য আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব দেয়, তাহলে সৌদি আরব ও তুরস্কের সঙ্গে আলোচনা করে তা বিবেচনা করা হবে।

তবে মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তি এখনো প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

পাকিস্তানের বক্তব্যে স্পষ্ট হয়েছে, চুক্তিতে নতুন কোনো দেশের অন্তর্ভুক্তির বিষয়টি এককভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়ার পরিবর্তে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর সঙ্গে আলোচনার ভিত্তিতে বিবেচনা করা হবে। বাংলাদেশের পক্ষ থেকেও চুক্তিতে যোগ দেওয়ার আগে এর সুযোগ-সুবিধা, সম্ভাব্য ঝুঁকি ও জাতীয় স্বার্থের বিষয়গুলো পর্যালোচনার কথা বলা হয়েছে।

বিরোধী দলের আন্দোলনে উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত হবে: পানিসম্পদ মন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৮ আগস্ট, ২০২৬, ৩:৩০ অপরাহ্ণ
বিরোধী দলের আন্দোলনে উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত হবে: পানিসম্পদ মন্ত্রী

 

বিরোধী দলের আন্দোলনের কারণে দেশের উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত হবে এবং এতে দেশ ক্ষতিগ্রস্ত হবে বলে মন্তব্য করেছেন পানিসম্পদ মন্ত্রী শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি।

তিনি বলেন, “বিরোধী দল লং মার্চ দিয়েছে, আবার বলছে আন্দোলন করবে। বাংলাদেশটা যদি আন্দোলনের মধ্যে থাকে, তাহলে এলাকার উন্নয়ন হবে না। এ আন্দোলন এলাকার জন্য ক্ষতি, দেশের জন্যও ক্ষতি।”

শুক্রবার (২৮ আগস্ট) দুপুরে লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জ উপজেলার দিঘলী ইউনিয়নের দক্ষিণ দুর্গাপুর এলাকায় এসডিএফের ‘বি স্ট্রং’ প্রকল্পের উপকারভোগীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

পানিসম্পদ মন্ত্রী শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেন, দেশের জনগণ বিএনপিকে দেশ পরিচালনার দায়িত্ব দিয়েছে। তাদের সঙ্গে আরেকটি পক্ষ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছে, যারা এখন বিরোধী দলে রয়েছে। তিনি বলেন, সরকার শপথ নেওয়ার দিন বিরোধী দলের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন না এবং সরকারকে সহযোগিতাও করেননি। এখনো তারা আন্দোলনের কথা বলছেন।

তিনি বলেন, “হাসিনার বিরুদ্ধে আমরা ১৭ বছর আন্দোলন করেছি। আমরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছি। হাসিনা যেভাবে অত্যাচার-নির্যাতন করেছেন, দেশও ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সবাই মিলে আন্দোলন করে দেশকে রক্ষা করেছি, দেশের গণতন্ত্রকে রক্ষা করেছি। এখন আমাদের কাজ হলো এই রক্ষাকে সুরক্ষা করা এবং নতুনভাবে বাংলাদেশকে গড়ে তোলা। এতে বিরোধী দলের সহযোগিতা লাগবে।”

বিরোধী দল আন্দোলনের মাধ্যমে বিএনপিকে জিম্মি করতে চাইছে বলেও মন্তব্য করেন পানিসম্পদ মন্ত্রী।

তিনি বলেন, “হাসিনা যেভাবে ১৭২ দিন হরতাল দিয়ে দেশের মানুষকে জিম্মি করে ক্ষমতায় এসেছিলেন, পরে ১৭ বছর দেশের ১২টা বাজিয়ে দিয়েছেন। এখন বিরোধী দল মনে করছে, আন্দোলন করলে বিএনপি দুর্বল হয়ে যাবে, তারেক রহমান দুর্বল হয়ে যাবেন, মন্ত্রী-এমপিরা দুর্বল হয়ে যাবেন। সেই সুযোগে মা-বোনেরা বাধ্য হয়ে ভোট দিয়ে তাদের ক্ষমতায় আনবেন। সেই সুযোগ দেওয়া যাবে না। সেজন্য সবাইকে নিয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে মাঠে থেকে কাজ করতে হবে।”

পানিসম্পদ মন্ত্রী বলেন, আগামী আড়াই থেকে তিন বছরের মধ্যে দেশের দৃশ্যমান উন্নয়ন দেখা যাবে। তারেক রহমানের নেতৃত্বকে শক্তিশালী রাখলে জিয়াউর রহমান যেভাবে দেশকে স্বনির্ভর করেছিলেন এবং খালেদা জিয়া যেভাবে গ্রামে গ্রামে ঘুরে জনগণের সঙ্গে কাজ করে দেশের উন্নয়ন করেছিলেন, একইভাবে আগামী পাঁচ বছর কাজ করা হলে মানুষের মুখে হাসি ফোটার সম্ভাবনা রয়েছে।

সভায় সভাপতিত্ব করেন চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নিলুফা ইয়াসমিন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন চন্দ্রগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুর রব, চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতি বেলাল হোসেন, সাধারণ সম্পাদক ইউসুফ ভুঁইয়া, দিঘলী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি গোলাম সরওয়ার, সাধারণ সম্পাদক কাজী নুরুল আমিন, বিএনপি নেতা শাহজাহান মিয়া এবং চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক জাহের ইসলাম জাহাঙ্গীরসহ অনেকে।