রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩
[gtranslate]
রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩

তারেক রহমানের সফর চায় ভারত, সম্পর্ক পুনর্গঠনে নয়াদিল্লির তৎপরতা

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৮ আগস্ট, ২০২৬, ৩:০৫ অপরাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
তারেক রহমানের সফর চায় ভারত, সম্পর্ক পুনর্গঠনে নয়াদিল্লির তৎপরতা

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ভারত সফরে নিতে গত কয়েক দিন ধরে তৎপরতা চালাচ্ছে নয়াদিল্লি। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারির জাতীয় নির্বাচনে তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বিএনপি জয়ী হওয়ার পর তিনি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার অল্প সময়ের মধ্যেই তাকে ভারত সফরের আমন্ত্রণ জানায় দেশটি। তবে এখনো সফরের তারিখ চূড়ান্ত হয়নি।

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে ভারত সফরে নেওয়ার বিষয়ে নয়াদিল্লির তৎপরতা নিয়ে শুক্রবার (২৮ আগস্ট) একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে বিবিসি বাংলা।

বিবিসির প্রতিবেদনে ভারতের রাষ্ট্রপতির দপ্তরের একটি বার্তার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। ওই বার্তায় বলা হয়েছিল, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানানোর প্রস্তুতির অংশ হিসেবে প্রেসিডেন্ট গার্ডের সাপ্তাহিক অনুষ্ঠান বাতিল করে তাদের মহড়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে। তবে ওই সময় পর্যন্ত তারেক রহমানের ভারত সফর চূড়ান্ত হয়নি।

বিবিসি বলেছে, ভারতের রাষ্ট্রপতির দপ্তরের ওই বার্তা তারেক রহমানকে নয়াদিল্লি সফরে নেওয়ার জন্য ভারতের আগ্রহ ও প্রস্তুতির বিষয়টি আরও স্পষ্ট করে। তবে বার্তাটি প্রকাশের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই প্রত্যাহার করে নেয় ভারতের রাষ্ট্রপতির দপ্তর।

বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভারতের পূর্বাঞ্চলীয় প্রতিবেশী বাংলাদেশের নতুন সরকারের প্রধানের ভারত সফর নিয়ে নয়াদিল্লির আগ্রহ অত্যন্ত বেশি। এর সঙ্গে সময়টিও গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, নির্বাচনে বড় জয় পাওয়ার পর এটি হলে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমানের প্রথম ভারত সফর হবে।

বিবিসি আরও বলেছে, ২০২৪ সালের আগস্টে গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে ভারতের দীর্ঘদিনের মিত্র শেখ হাসিনার সরকারের পতনের পর গত ফেব্রুয়ারির নির্বাচন বাংলাদেশের রাজনীতিতে নতুন অধ্যায়ের সূচনা করেছে। ওই গণঅভ্যুত্থানে বহু মানুষ নিহত হন এবং শেখ হাসিনা ভারতে চলে যান।

এরপর অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের সময় ভারত ও বাংলাদেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের দ্রুত অবনতি ঘটে।

বিবিসির বিশ্লেষণ অনুযায়ী, ভারত মনে করছে, তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন নতুন সরকার দুই দেশের গুরুত্বপূর্ণ সম্পর্ক পুনর্গঠনে সহায়ক হতে পারে। তবে ভারতে শেখ হাসিনার অবস্থান এই সম্পর্ক পুনর্গঠনের ক্ষেত্রে একটি জটিল বিষয় হয়ে রয়েছে।

শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানে মারণাস্ত্র ব্যবহারের নির্দেশ দেওয়ার অভিযোগে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় মৃত্যুদণ্ডের রায় দেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশ এরই মধ্যে তাকে ভারতের কাছে ফেরত চেয়েছে।

বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তারেক রহমানের ভারত সফরের আগে বাংলাদেশ শেখ হাসিনাকে ফেরত দেওয়ার বিষয়টি উত্থাপন করেছে এবং সফরের জন্য অনুকূল পরিবেশ তৈরির ওপর গুরুত্ব দিয়েছে। ভারত জানিয়েছে, তারা বিষয়টি বিবেচনা করছে।

বিবিসি জানিয়েছে, বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে বিভিন্ন বিষয়ে মতপার্থক্য থাকলেও ভারতের পক্ষ থেকে বাংলাদেশের নতুন সরকারের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদারে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হওয়ার অল্প সময়ের মধ্যেই ভারত আনুষ্ঠানিকভাবে তাকে সফরের আমন্ত্রণ জানায়। পাশাপাশি বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানসহ সরকারের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

দীনেশ ত্রিবেদী পরে জানান, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ভারত সফর করলে তাকে সর্বোচ্চ সম্মান এবং স্মরণীয় অভ্যর্থনা জানানো হবে।

বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সাধারণত কোনো প্রতিবেশী দেশের নেতার সফর নিয়ে ভারত প্রকাশ্যে এ ধরনের আগ্রহ বা উদ্দীপনা খুব একটা দেখায় না। ফলে তারেক রহমানের সম্ভাব্য সফর নিয়ে নয়াদিল্লির তৎপরতাকে তাৎপর্যপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

ভারতের সাবেক পররাষ্ট্রসচিব শ্যাম শরণ বলেছেন, শেখ হাসিনাকে ফেরত দেওয়া ছাড়া বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক এগিয়ে নিতে ভারত ইতোমধ্যে অনেক দূর এগিয়েছে। তবে ঢাকার কঠোর অবস্থানের কারণে নয়াদিল্লি এখন কিছুটা হতাশ হয়ে থাকতে পারে বলেও তিনি মনে করেন।

তার ভাষ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশের কিছু চাহিদা ভারত পূরণ করেছে। এর মধ্যে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সরবরাহ, মেডিকেল ভিসা দেওয়া এবং দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য পুনরায় সচল করতে প্রয়োজনীয় বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়ার বিষয় রয়েছে।

ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যগুলোর সঙ্গে মূল ভূখণ্ডের যোগাযোগ সহজ করতে বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থান গুরুত্বপূর্ণ। বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শেখ হাসিনার প্রায় ১৫ বছরের শাসনামলে দুই দেশের সরকার সড়ক, রেল ও বন্দর যোগাযোগ সম্প্রসারণে বিভিন্ন পদক্ষেপ নেয়।

এ ছাড়া সীমান্তবর্তী বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠীগুলোর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার ক্ষেত্রেও শেখ হাসিনার সরকার ভারতকে সহযোগিতা করেছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

তবে শেখ হাসিনার সঙ্গে ভারতের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক নিয়ে বাংলাদেশে সমালোচনাও রয়েছে। সমালোচকদের অভিযোগ, শেখ হাসিনার সরকারের সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রাখতে গিয়ে ভারত বাংলাদেশের গণতন্ত্র ও মানবাধিকার পরিস্থিতি উপেক্ষা করেছে।

শেখ হাসিনা বর্তমানে ভারতে অবস্থান করায় দুই দেশের সম্পর্কে ওই বিষয়গুলো এখনো গুরুত্বপূর্ণ হয়ে আছে। এর মধ্যে গত ৫ আগস্ট দিল্লির অল ইন্ডিয়া প্রেসক্লাবে শেখ হাসিনার প্রকাশ্য ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনের পর বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কে নতুন করে টানাপোড়েন তৈরি হয় বলে বিবিসির প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

বিবিসির বিশ্লেষণ অনুযায়ী, এসব রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক জটিলতার প্রভাব পড়তে পারে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য ভারত সফরেও। ফলে নয়াদিল্লির আগ্রহ থাকা সত্ত্বেও সফরের তারিখ এখনো চূড়ান্ত হয়নি।

পুলিশ লাইন্স হাই স্কুলের কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান

নূর আহাম্মদ পলাশ প্রকাশিত: রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:৪২ অপরাহ্ণ
পুলিশ লাইন্স হাই স্কুলের কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান

কিশোরগঞ্জ পুলিশ লাইন্স হাই স্কুলের এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ প্রাপ্ত এবং জুনিয়র বৃত্তি-২০২৬ অর্জনকারী কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। একই সঙ্গে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে আয়োজন করা হয় মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।

রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬) বিকেলে কিশোরগঞ্জ পুলিশ লাইন্স ড্রিল শেডে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের আয়োজনে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সহকারী শিক্ষক সাইফুল ইসলামের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে কৃতি শিক্ষার্থীদের হাতে ক্রেস্ট, পুরস্কার ও সম্মাননা তুলে দেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে নাচ, গান ও অভিনয়সহ বিভিন্ন সাংস্কৃতিক পরিবেশনা অনুষ্ঠিত হয়। তাদের মনোজ্ঞ পরিবেশনায় অনুষ্ঠানস্থলে উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়।

কিশোরগঞ্জের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মিজানুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কিশোরগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য মাজহারুল ইসলাম।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নাজমুস সাকিব খান, মাসুদা ইসলাম, শিক্ষা কর্মকর্তা আরিফুল ইসলাম খান, নির্বাহী প্রকৌশলী, কিশোরগঞ্জ এবং কিশোরগঞ্জ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল কালাম ভূইয়া।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংসদ সদস্য মাজহারুল ইসলাম কৃতি শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানান। তিনি বলেন, ভালো ফলাফল অর্জনকারীদের পাশাপাশি যারা প্রত্যাশিত ফলাফল করতে পারেনি, তাদেরও হতাশ না হয়ে আরও বেশি পরিশ্রম করতে হবে। নিয়মিত অধ্যবসায় ও চেষ্টা থাকলে ভবিষ্যতে আরও ভালো ফলাফল অর্জন করা সম্ভব।

তিনি আরও বলেন, শিক্ষার্থীদের মেধা ও যোগ্যতা বিকাশে শিক্ষকদের পাশাপাশি অভিভাবকদেরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। শুধু ভালো ফলাফল অর্জনই নয়, নৈতিকতা, মানবিক মূল্যবোধ ও দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে শিক্ষার্থীদের নিজেদের গড়ে তুলতে হবে।

সভাপতির বক্তব্যে পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান বলেন, শুধু পরীক্ষায় ভালো ফলাফল করাই শিক্ষার্থীদের একমাত্র লক্ষ্য হওয়া উচিত নয়। জ্ঞান অর্জনের পাশাপাশি নৈতিকতা ও মানবিক মূল্যবোধ ধারণ করে নিজেদের একজন যোগ্য ও দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।

তিনি শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার পাশাপাশি নৈতিক মূল্যবোধ, শৃঙ্খলা ও দায়িত্বশীলতার চর্চার ওপর গুরুত্ব দেন।

অনুষ্ঠানে বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, অভিভাবক প্রতিনিধি ও সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন। পরে সাংস্কৃতিক পরিবেশনার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের কার্যক্রম শেষ হয়।

কিশোরগঞ্জে জেলা ভূমিসেবা কেন্দ্র উদ্বোধন, মিলবে সহজে হয়রানিমুক্ত ভূমিসেবা

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:৩৮ অপরাহ্ণ
কিশোরগঞ্জে জেলা ভূমিসেবা কেন্দ্র উদ্বোধন, মিলবে সহজে হয়রানিমুক্ত ভূমিসেবা

ভূমিসেবা সহজ, দ্রুত ও হয়রানিমুক্ত করার লক্ষ্যে কিশোরগঞ্জে জেলা ভূমিসেবা কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে। জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে স্থাপিত এ কেন্দ্র থেকে জনসাধারণ বিনামূল্যে প্রয়োজনীয় বিভিন্ন ভূমিসেবা নিতে পারবেন।

রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) সকালে ফিতা কেটে আনুষ্ঠানিকভাবে জেলা ভূমিসেবা কেন্দ্রের উদ্বোধন করেন কিশোরগঞ্জ-১ (সদর-হোসেনপুর) আসনের সংসদ সদস্য মাজহারুল ইসলাম।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক সোহানা নাসরিন, স্থানীয় সরকার উপপরিচালক (উপসচিব) জেবুন নাহার শাম্মী, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. ইশতিয়াক ইমন, সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ সাইদুর রহমান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) নাজমুস সাকিব খান, রেভিনিউ ডেপুটি কালেক্টর (আরডিসি) নিলুফা আক্তার রূপা এবং জেলার ১৩টি উপজেলার উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও)।

উদ্বোধন শেষে সংসদ সদস্য মাজহারুল ইসলামকে জেলা ভূমিসেবা কেন্দ্রের কার্যক্রম সম্পর্কে অবহিত করেন জেলা প্রশাসক সোহানা নাসরিন। তিনি কেন্দ্রটির মাধ্যমে নাগরিকদের কী ধরনের ভূমিসেবা দেওয়া হবে এবং কীভাবে এসব সেবা পাওয়া যাবে, সে বিষয়ে সংসদ সদস্যকে অবহিত করেন।

জেলা প্রশাসক সোহানা নাসরিন জানান, জেলার নাগরিকদের ভূমিসেবা সহজ, দ্রুত ও হয়রানিমুক্ত করার লক্ষ্যে এ ভূমিসেবা কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে। এটি ভূমি মন্ত্রণালয়ের একটি উদ্ভাবনী উদ্যোগ। কেন্দ্রটির ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে রয়েছে জেলা প্রশাসন।

তিনি জানান, নাগরিকরা সরাসরি জেলা ভূমিসেবা কেন্দ্রে উপস্থিত হয়ে প্রয়োজনীয় ভূমিসেবা নিতে পারবেন। এর মাধ্যমে প্রতিদিন ভূমি উন্নয়ন কর দেওয়া, নামজারি ও জমাখারিজ, খতিয়ানের সার্টিফাইড কপি এবং মৌজা ম্যাপ বা নকশা প্রাপ্তির আবেদনসহ বিভিন্ন ধরনের ভূমিসেবা পাওয়া যাবে।

জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে স্থাপিত এ কেন্দ্রের মাধ্যমে এক জায়গা থেকেই নাগরিকরা প্রয়োজনীয় ভূমিসেবা গ্রহণের সুযোগ পাবেন। এতে ভূমিসেবা গ্রহণে নাগরিকদের ভোগান্তি কমার পাশাপাশি সেবা প্রদানের প্রক্রিয়া আরও সহজ, দ্রুত ও জনবান্ধব হবে।

কিশোরগঞ্জে এনসিপির বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ

নূর আহাম্মদ পলাশ প্রকাশিত: রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:৩২ অপরাহ্ণ
কিশোরগঞ্জে এনসিপির বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ

দলীয় নেতাকর্মীদের ওপর হামলা, মামলা ও হত্যার হুমকি, দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি এবং দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদে কিশোরগঞ্জে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)।

রোববার দুপুরে শহরের সৈয়দ নজরুল ইসলাম চত্বর থেকে এনসিপির উদ্যোগে বিক্ষোভ মিছিলটি বের হয়। মিছিলটি শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় নির্ধারিত স্থানে গিয়ে শেষ হয়।

এর আগে অনুষ্ঠিত প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তব্য দেন এনসিপির কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সদস্যসচিব আহনাফ সাঈদ খান, জেলা এনসিপির আহ্বায়ক শেখ খায়রুল কবীর, সাংগঠনিক সম্পাদক হাফেজ ইকরাম হোসেন, ফয়সাল প্রিন্সসহ দলের অন্যান্য নেতাকর্মী।

সমাবেশে বক্তারা বলেন, দেশের বিভিন্ন স্থানে রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের ওপর হামলা, মামলা ও হয়রানির ঘটনা ঘটছে। একই সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্যবৃদ্ধিতে সাধারণ মানুষ চাপে রয়েছে।

বক্তারা অবিলম্বে দলীয় নেতাকর্মীদের ওপর হামলা, মামলা ও নির্যাতন বন্ধের দাবি জানান। পাশাপাশি দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি এবং দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান তারা।

দাবি বাস্তবায়ন না হলে আরও কঠোর কর্মসূচি দেওয়ার হুঁশিয়ারি দেন বক্তারা।

সমাবেশ শেষে একই দাবিতে কিশোরগঞ্জের জেলা প্রশাসকের কাছে একটি স্মারকলিপি দেন এনসিপির নেতাকর্মীরা।