বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩
[gtranslate]
বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩

ক্রসফায়ার ও বন্দুকযুদ্ধে সবচেয়ে বেশি মৃত্যু পুলিশের অভিযানে

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:৪০ পূর্বাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
ক্রসফায়ার ও বন্দুকযুদ্ধে সবচেয়ে বেশি মৃত্যু পুলিশের অভিযানে

২০০৪ সাল থেকে ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হাতে ‘ক্রসফায়ার’ ও ‘কথিত বন্দুকযুদ্ধে’ মোট ২ হাজার ৯৫৭ জন নিহত হয়েছেন। এসব ঘটনায় সবচেয়ে বেশি প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে পুলিশের অভিযানে। এ সময়ে পুলিশের হাতে নিহত হয়েছেন ১ হাজার ৩৭১ জন, যা মোট মৃত্যুর প্রায় ৪৬ শতাংশ। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‍্যাব) অভিযানে।

মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) আইন ও সালিশ কেন্দ্রের (আসক) এক পরিসংখ্যানে এ তথ্য উঠে এসেছে।

আসকের পরিসংখ্যান বিশ্লেষণে দেখা যায়, ২০০৪ সাল থেকে ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত র‍্যাবের হাতে ‘ক্রসফায়ার’ ও ‘কথিত বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত হয়েছেন ১ হাজার ২০০ জন। এ ছাড়া পুলিশ ও র‍্যাবের যৌথ অভিযানে একই ধরনের ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন আরও ৬৯ জন। সব মিলিয়ে পুলিশ, র‍্যাব ও তাদের যৌথ অভিযানে নিহতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ৬৪০ জন।

দীর্ঘ সময় ধরে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অভিযানে এসব মৃত্যুর ঘটনা মানবাধিকার ও বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড নিয়ে নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। ‘ক্রসফায়ার’ ও ‘বন্দুকযুদ্ধ’ হিসেবে বর্ণিত এসব ঘটনার প্রকৃত পরিস্থিতি, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বক্তব্য এবং মৃত্যুর পেছনের কারণ নিয়ে বিভিন্ন সময়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছে।

তবে আসকের পরিসংখ্যান মূলত বিভিন্ন সময়ে নথিভুক্ত মৃত্যুর সংখ্যা তুলে ধরে। প্রতিটি ঘটনার প্রকৃত পরিস্থিতি, দায় এবং আইনগত বৈধতা নির্ধারণের জন্য পৃথক তদন্ত ও বিচারিক প্রক্রিয়া প্রয়োজন।

আসকের বার্ষিক প্রতিবেদনভিত্তিক তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালের পর থেকে পুলিশ কিংবা র‍্যাবের হাতে ‘ক্রসফায়ার’ ও ‘কথিত বন্দুকযুদ্ধে’ কোনো ব্যক্তির নিহত হওয়ার তথ্য নথিভুক্ত হয়নি। দীর্ঘ সময় ধরে এসব বাহিনীর অভিযানে প্রাণহানির ঘটনা নথিভুক্ত হওয়ার পর সাম্প্রতিক বছরগুলোতে এ ধরনের মৃত্যুর তথ্য না পাওয়া পরিসংখ্যানে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন হিসেবে উঠে এসেছে।

তবে ২০২৪ সালের পর অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অভিযানে এ ধরনের মৃত্যুর ঘটনা পুরোপুরি বন্ধ হয়নি।

পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২৪ সালে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) অভিযানে একজন নিহত হন। ২০২৫ সালে কোস্ট গার্ডের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে একজনের মৃত্যুর তথ্য পাওয়া যায়। আর ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অভিযানে একজন নিহত হয়েছেন।

অর্থাৎ, পুলিশ ও র‍্যাবের হাতে এ ধরনের মৃত্যুর তথ্য নথিভুক্ত না হলেও অন্যান্য বাহিনীর অভিযানে প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে।

আসকের তথ্য অনুযায়ী, ২০০৪ সাল থেকে ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত পুলিশ, র‍্যাব, তাদের যৌথ অভিযান এবং অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অভিযানে ‘ক্রসফায়ার’ ও ‘কথিত বন্দুকযুদ্ধে’ মোট ২ হাজার ৯৫৭ জন নিহত হয়েছেন।

এ সময়ে সবচেয়ে বেশি প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে পুলিশের অভিযানে। দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে র‍্যাবের অভিযান। এ ছাড়া পুলিশ ও র‍্যাবের যৌথ অভিযান এবং অন্যান্য বাহিনীর অভিযানে মৃত্যুর ঘটনাও এ পরিসংখ্যানে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

দীর্ঘ ২২ বছরের এ পরিসংখ্যান দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অভিযানসংক্রান্ত প্রাণহানির একটি সামগ্রিক চিত্র তুলে ধরে। একই সঙ্গে এসব ঘটনার স্বচ্ছ তদন্ত, জবাবদিহি এবং আইনের যথাযথ প্রয়োগ নিশ্চিত করার গুরুত্বও সামনে নিয়ে আসে।

উল্লেখ্য, র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব) বর্তমানে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি) নামে পরিচিত।

হোসেনপুরে আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত

সঞ্জিত চন্দ্র শীল প্রকাশিত: বুধবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৬, ৩:৩৭ অপরাহ্ণ
হোসেনপুরে আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত

কিশোরগঞ্জের হোসেনপুরে উপজেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (২৮ অক্টোবর) সকাল ১১টায় উপজেলা পরিষদ সম্মেলনকক্ষে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রেকসোনা খাতুন।

সভায় উপজেলার সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পর্যালোচনা করা হয়। এ সময় ইভ টিজিং, বাল্যবিবাহ, কিশোর গ্যাং, যানজট ও মাদক নির্মূলে করণীয় নির্ধারণের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। এসব অপরাধ প্রতিরোধে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর সমন্বিত উদ্যোগ এবং জনসচেতনতা বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তার বিষয়েও আলোচনা হয়।

সভায় গরুচুরি, জুয়া ও ছিনতাই প্রতিরোধের বিষয়েও আলোচনা করা হয়। এসব অপরাধ দমনে বিট পুলিশিং কার্যক্রম জোরদার করার পাশাপাশি ওয়ার্ডভিত্তিক সভা-সমাবেশ আয়োজনের প্রস্তাব দেন কমিটির সদস্যরা। একই সঙ্গে অপরাধের শাস্তি সম্পর্কে সাধারণ মানুষকে সচেতন করা এবং অপরাধ প্রতিরোধে জনসম্পৃক্ততা বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

সভায় উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের প্রধান, সাংবাদিক, শিক্ষক এবং বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানসহ কমিটির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

৩১ অক্টোবর থেকে মালয়েশিয়াগামী কর্মীদের মেডিকেল পরীক্ষা

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: বুধবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৬, ২:২১ অপরাহ্ণ
৩১ অক্টোবর থেকে মালয়েশিয়াগামী কর্মীদের মেডিকেল পরীক্ষা

মালয়েশিয়ায় কাজ করতে ইচ্ছুক কর্মীদের মেডিকেল পরীক্ষা আগামী ৩১ অক্টোবর থেকে শুরু হবে। এ জন্য অনুমোদিত মেডিকেল সেন্টারগুলোতে পরীক্ষা করাতে হবে। নির্ধারিত তারিখের আগে করা কোনো মেডিকেল পরীক্ষা গ্রহণযোগ্য হবে না বলে জানিয়েছে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়।

মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আগামী ৩১ অক্টোবরের আগে কোনো মেডিকেল পরীক্ষা করা হলে তা গ্রহণযোগ্য হবে না। এ ধরনের পরীক্ষার ভিত্তিতে ইমিগ্রেশন ক্লিয়ারেন্সের জন্য প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়াকরণও করা হবে না। অনুমোদিত মেডিকেল সেন্টারগুলোর তালিকা শিগগিরই মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, নির্দেশনা পরিপালন ও সক্ষমতার ভিত্তিতে অনুমোদিত মেডিকেল সেন্টারের তালিকায় পরিবর্তন আসতে পারে। এ ক্ষেত্রে তালিকা থেকে কোনো প্রতিষ্ঠান বাদ পড়তে পারে, আবার নতুন প্রতিষ্ঠানও যুক্ত হতে পারে।

মন্ত্রণালয়ের সরকারি নির্দেশনা ও অনুমোদন ছাড়া কোনো মেডিকেল সেন্টার বা রিক্রুটিং এজেন্সি কর্মীদের মেডিকেল পরীক্ষা করতে বা করাতে পারবে না। তবে কিছু দালাল ও অসাধু রিক্রুটিং এজেন্সি অনুমতি ছাড়াই মেডিকেল পরীক্ষা করানোর কথা বলে কর্মীদের কাছ থেকে পাসপোর্ট ও টাকা নেওয়ার চেষ্টা করছে বলে মন্ত্রণালয়ের নজরে এসেছে।

এ পরিস্থিতিতে এ ধরনের প্রস্তাবে সাড়া না দিতে কর্মীদের অনুরোধ জানিয়েছে মন্ত্রণালয়। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট মেডিকেল সেন্টারের অনুমোদন নিশ্চিত না হয়ে কারও কাছে পাসপোর্ট বা টাকা জমা না দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বিএমইটি ছাড়পত্রের জন্য আবেদনকারী রিক্রুটিং এজেন্সিগুলোকে অনুমোদিত মেডিকেল সেন্টারে পরীক্ষার জন্য সংশ্লিষ্ট কাগজপত্র ও ভিডিআর ভিসার কাগজপত্র জমা দিতে হবে।

নির্দেশনা অমান্যকারী মেডিকেল সেন্টার ও রিক্রুটিং এজেন্সির বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন ও বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট মেডিকেল সেন্টারের কার্যক্রম বন্ধ করা, রিক্রুটিং এজেন্সির বিদেশে কর্মী নিয়োগের কার্যক্রম স্থগিত করা এবং মন্ত্রণালয়ের দেওয়া অনুমোদন বাতিল করার মতো পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে।

এ ছাড়া অবৈধ বা অনুমোদনহীন মেডিকেল পরীক্ষা কিংবা এ ধরনের কার্যক্রমের বিষয়ে তথ্য-প্রমাণসহ secretary@probashi.gov.bd ইমেইল ঠিকানায় জানানোর জন্য কর্মীদের অনুরোধ করা হয়েছে।

কর্মীদের নিরাপত্তা ও স্বার্থ রক্ষায় এ ধরনের অনিয়ম বন্ধে নজরদারি অব্যাহত থাকবে বলেও সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।

আর্সেনালকে বিদায় করে ইতিহাস গড়ল ফ্লিটউড

ক্রীড়া ডেস্ক প্রকাশিত: বুধবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৬, ২:২০ অপরাহ্ণ
আর্সেনালকে বিদায় করে ইতিহাস গড়ল ফ্লিটউড

ইংলিশ লিগ কাপে বড় অঘটনের শিকার হয়েছে আর্সেনাল। ইংল্যান্ডের চতুর্থ বিভাগের দল ফ্লিটউড টাউনের কাছে পেনাল্টি শুটআউটে ৫-৩ গোলে হেরে শেষ ষোলো থেকেই বিদায় নিয়েছে মিকেল আর্তেতার দল। নির্ধারিত সময়ে ১-১ গোলে সমতা থাকার পর টাইব্রেকারে জয় তুলে নেয় ফ্লিটউড।

মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) ইংল্যান্ডের ফ্লিটউডে অনুষ্ঠিত ম্যাচে পেনাল্টি শুটআউটে আর্সেনালের হয়ে গোল করতে ব্যর্থ হন ব্রুনো গিমারায়েস। তাঁর শট ঠেকিয়ে দেন ফ্লিটউডের গোলরক্ষক জে লিঞ্চ। এরপর কোনর হগি জয়সূচক পেনাল্টিতে গোল করলে উল্লাসে মেতে ওঠেন স্বাগতিক সমর্থকেরা।

ম্যাচের ২১ মিনিটে অ্যারন লুপালো-বির গোলে এগিয়ে যায় ফ্লিটউড। বিরতির পর ৫০ মিনিটে ভিক্টর ইয়োকেরেস গোল করে আর্সেনালকে সমতায় ফেরান। এরপর নির্ধারিত সময়ের বাকি অংশে আর কোনো দল গোল করতে পারেনি।

ম্যাচের শেষ দিকে ৮৫ মিনিটে প্রতিপক্ষের খেলোয়াড় হ্যারিসন নিলকে লাথি মারার ঘটনায় লাল কার্ড দেখেন আর্সেনালের ১৬ বছর বয়সী তরুণ ফুটবলার ম্যাক্স ডাওম্যান। ফলে ম্যাচের শেষ সময় ১০ জন নিয়ে খেলতে হয় আর্সেনালকে।

রবিবার লিভারপুলের বিপক্ষে প্রিমিয়ার লিগের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের আগে নিয়মিত একাদশে বড় পরিবর্তন এনেছিলেন আর্সেনাল কোচ মিকেল আর্তেতা। এভারটনের বিপক্ষে আগের ম্যাচের একাদশ থেকে নয়জনকে বদলে মাঠে নামান তিনি। তবে এই সিদ্ধান্তের মাশুল দিতে হলো লিগ কাপ থেকে বিদায়ের মধ্য দিয়ে।

চতুর্থ বিভাগের দল ফ্লিটউড লিগ টুতে ১৮তম স্থানে থাকলেও শক্তিশালী আর্সেনালের বিপক্ষে শুরু থেকেই লড়াই করেছে। গোলরক্ষক জে লিঞ্চের দৃঢ়তা এবং টাইব্রেকারে খেলোয়াড়দের সাফল্যে স্মরণীয় জয় পায় দলটি। জয়ের পর আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন ফ্লিটউডের কোচ ম্যাট ললর। মাঠে নেমে উল্লাসে যোগ দেন সমর্থকেরাও।

এই হার আর্সেনালের জন্য বড় ধাক্কা। এর আগে শনিবার এভারটনকে ২-০ গোলে হারিয়ে প্রিমিয়ার লিগের শীর্ষে থাকা ম্যানচেস্টার সিটির সমান পয়েন্টে পৌঁছেছিল দলটি। কিন্তু লিগ কাপে অপেক্ষাকৃত নিচের বিভাগের দলের কাছে হেরে এখন ঘুরে দাঁড়ানোর চ্যালেঞ্জ নিয়ে মাঠে নামতে হবে আর্তেতার শিষ্যদের।