শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩
[gtranslate]
শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩

ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে বিএনপির ফয়সল আমীনের জয়

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর, ২০২৬, ৮:৪৩ পূর্বাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে বিএনপির ফয়সল আমীনের জয়

ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) মনোনীত প্রার্থী মির্জা ফয়সল আমীন ধানের শীষ প্রতীকে ২ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী দেলাওয়ার হোসেন দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ৯৬ হাজার ৫১৩ ভোট।

আজ রাত ৯টা ৪৫ মিনিটে নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা করেন ঠাকুরগাঁও জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ কামরুল ইসলাম।

বেসরকারিভাবে নির্বাচিত মির্জা ফয়সল আমীন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের ছোট ভাই। গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঠাকুরগাঁও-১ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন তৎকালীন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। পরে তিনি বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ায় নির্বাচন কমিশন (ইসি) আসনটি শূন্য ঘোষণা করে। এর পরিপ্রেক্ষিতে এ উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।

এর আগে আজ সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত আসনটিতে ভোটগ্রহণ চলে। উৎসবমুখর পরিবেশে ভোটাররা তাঁদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন।

ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে মোট ভোটকেন্দ্র ছিল ১৮৫টি এবং ভোটকক্ষ ৯৮৯টি। আসনটিতে মোট ভোটার ৫ লাখ ১৬ হাজার ১৩৮ জন। তাঁদের মধ্যে পুরুষ ভোটার ২ লাখ ৫৭ হাজার ৪৭৫ জন, নারী ভোটার ২ লাখ ৫৮ হাজার ৬৫৯ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার চারজন।

নির্বাচনে মোট প্রদত্ত ভোটের সংখ্যা ৩ লাখ ৩৪ হাজার ৩৩০। এর মধ্যে বৈধ ভোট ৩ লাখ ২৯ হাজার ৫টি। বাতিল হয়েছে ৫ হাজার ৩২৫টি ভোট। প্রদত্ত ভোটের হার ৬৪ দশমিক ৮১ শতাংশ। বিভিন্ন ধরনের কারিগরি ও নিয়মগত ত্রুটির কারণে এসব ভোট বাতিল হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।

বিজয়ী হওয়ার পর তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় রাত সাড়ে ১০টার দিকে জেলা বিএনপির কার্যালয়ে বক্তব্য দেন মির্জা ফয়সল আমীন। এ সময় তিনি ঠাকুরগাঁও-১ আসনের সর্বস্তরের জনগণের প্রতি কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানান।

তিনি বলেন, এলাকার কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন, শান্তি-শৃঙ্খলা ও সম্প্রীতি বজায় রাখতে আগামী দিনে তিনি সবার সর্বাত্মক সহযোগিতা প্রত্যাশা করেন।

মির্জা ফয়সল আমীন আরও বলেন, ‘এই বিজয় মিথ্যার বিরুদ্ধে সত্যের বিজয়। এ বিজয় সাধারণ মানুষের বিজয়। এই বিজয় বিএনপির সর্বস্তরের নেতাকর্মীদের বিজয়।’

চৌগাছার ধানে আর্সেনিকের শঙ্কা, নিরাপদ চাষে নতুন পদ্ধতি

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: শনিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৬, ১:৫৫ অপরাহ্ণ
চৌগাছার ধানে আর্সেনিকের শঙ্কা, নিরাপদ চাষে নতুন পদ্ধতি

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) নির্দেশনা অনুযায়ী, পানিতে আর্সেনিকের সর্বোচ্চ গ্রহণযোগ্য মাত্রা প্রতি লিটারে ০.০১ মিলিগ্রাম। বাংলাদেশে সরকারি মানদণ্ডে এ মাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ০.০৫ মিলিগ্রাম। তবে যশোরের চৌগাছা উপজেলায় পানিতে আর্সেনিকের উপস্থিতি উদ্বেগজনক বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। এ ছাড়া এখানকার ধানেও সহনীয় মাত্রার চেয়ে বেশি আর্সেনিকের উপস্থিতি পাওয়া গেছে।

এ পরিস্থিতি মোকাবেলায় কাজ করছে জাপানের জাইকা ও জাপান সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি এজেন্সি (জেএসটি)। সংস্থা দুটির কারিগরি ও আর্থিক সহায়তায় বেসরকারি সংস্থা এশিয়া আর্সেনিক নেটওয়ার্ক সেচ পদ্ধতি নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে নিরাপদ ধান উৎপাদনে কার্যক্রম পরিচালনা করছে।

আন্তর্জাতিক সংস্থা কোডেক্স অ্যালিমেন্টারিয়াস কমিশনের (সিএসি) নির্ধারিত মান অনুযায়ী, চালে অজৈব আর্সেনিকের সর্বোচ্চ গ্রহণযোগ্য মাত্রা প্রতি কেজিতে ০.৩৫ মিলিগ্রাম। তবে চৌগাছা উপজেলার ধানে এর চেয়ে বেশি আর্সেনিকের উপস্থিতি পাওয়া যাচ্ছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে। এ ক্ষেত্রে ধানে আর্সেনিকের উপস্থিতি ৫৬ থেকে ৭০ শতাংশ পর্যন্ত বেশি বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

এশিয়া আর্সেনিক নেটওয়ার্ক সূত্রে জানা গেছে, ধান ও ভাতে আর্সেনিকের উপস্থিতি সহনীয় পর্যায়ে রাখতে সেচ নিয়ন্ত্রণের বিকল্প নেই। এ জন্য কৃষকদের থ্রিএফফোরডি (তিন দিন জমি ভেজানো, চার দিন জমি শুকানো) পদ্ধতি ব্যবহারে সচেতন করা হচ্ছে।

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (বাকৃবি) উদ্ভাবিত এ পদ্ধতি ‘নিরাপদ ও পুষ্টিকর ধান’ (সানরাইজ) প্রকল্পের অধীনে তৈরি করা হয়েছে। জাইকা ও জেএসটির কারিগরি ও আর্থিক সহযোগিতায় প্রকল্পটির মাধ্যমে চৌগাছায় আর্সেনিক সহনীয় মাত্রায় রেখে নিরাপদ ধান উৎপাদনে কাজ করছে এশিয়া আর্সেনিক নেটওয়ার্ক।

উপজেলার ১১টি ইউনিয়ন ও পৌরসভার বিভিন্ন গ্রামে ১২টি মডেল প্লট তৈরি করা হয়েছে। পৌরসভার হুদোপাড়া, চৌগাছা ইউনিয়নের কয়ারপাড়া, সিংহঝুলী ইউনিয়নের মাজালি, ফুলসারা ইউনিয়নের আড়ারদহ, জগদীশপুর ইউনিয়নের মাড়ুয়া, পাতিবিলা ইউনিয়নের সাদিপুর, হাকিমপুর ইউনিয়নের বকশিপুর, নারায়ণপুর ইউনিয়নের নারায়ণপুর, স্বরূপদাহ ইউনিয়নের স্বরূপদাহ, সুখপুকুরিয়া ইউনিয়নের মাকাপুর, ধুলিয়ানী ইউনিয়নের কুষ্টিয়া ও পাশাপোল ইউনিয়নের রঘুনাথপুর গ্রামের মাঠে এসব প্লট প্রস্তুত করা হয়েছে। এ কার্যক্রমে যুক্ত রয়েছেন ১৪৪ জন কৃষক।

এ ছাড়া প্রতিটি ইউনিয়ন ও পৌরসভায় সেচপাম্পের ৬০ জন মালিকের মাধ্যমে আগামী ইরি-বোরো মৌসুমে নিজ উদ্যোগে থ্রিএফফোরডি পদ্ধতি ব্যবহারের পরিকল্পনা রয়েছে। এরই মধ্যে তাঁদের সচেতন করতে সভা, সেমিনার ও প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হয়েছে।

সংস্থাটির উপজেলা সমন্বয়কারী আমিরুল ইসলাম বলেন, ‘আমাদের নিরাপদ ও পুষ্টিকর চাল দিয়ে ভাত খেতে হবে। এ কারণে আর্সেনিকমুক্ত বা সহনীয় মাত্রার আর্সেনিকযুক্ত ধান উৎপাদন করা জরুরি।’

তিনি বলেন, দুটি পদ্ধতির মাধ্যমে তাঁরা কাজ করছেন। তবে মূল বিষয় হলো ধানের জমিতে পানির ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ করা। এ জন্য কৃষকদের আধুনিক কৃষিপদ্ধতি ও থ্রিএফফোরডি পদ্ধতি ব্যবহারে উৎসাহিত করা হচ্ছে। এ পদ্ধতিতে ২০ শতাংশ পানি সাশ্রয় হওয়ার পাশাপাশি ৮ শতাংশ বেশি ফলন পাওয়া সম্ভব বলে জানান তিনি।

সংস্থাটির পক্ষ থেকে আরও বলা হয়, ইরি-বোরো মৌসুমে সাধারণত ভূগর্ভস্থ পানি তুলে সেচ দেওয়া হয়। ভূগর্ভস্থ পানির স্তর কমে গেলে আর্সেনিকের ঘনত্ব বেড়ে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে। ফলে ধানে আর্সেনিকের পরিমাণও বাড়তে পারে।

থ্রিএফফোরডি পদ্ধতিতে প্রচলিত নিয়মে জমি সব সময় জলাবদ্ধ না রেখে তিন দিন পানি ধরে রাখা হয় এবং পরবর্তী চার দিন জমি শুকানো হয়। এতে মাটিতে অক্সিডেটিভ পরিবেশ তৈরি হয়, যা ধানের চারার আর্সেনিক শোষণ কমাতে সহায়তা করে। একই সঙ্গে চালে অজৈব আর্সেনিকের মাত্রাও উল্লেখযোগ্যভাবে কমে।

আড়ারদহ গ্রামের কৃষক ইমদাদুল হক ও মাজালি গ্রামের কৃষক হাফিজুর রহমান তপন জানান, ধানে আর্সেনিক থাকতে পারে, আগে তাঁদের এ বিষয়ে ধারণা ছিল না। আগে যেভাবে ধানের জমিতে পানি দিতেন, এখন আর সেভাবে দেন না। থ্রিএফফোরডি পদ্ধতি ব্যবহার করে তাঁরা ভালো ফল পাচ্ছেন।

উপজেলা জনস্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সহকারী প্রকৌশলী ফেরদৌসী খাতুন বলেন, ধান বা চালে আর্সেনিক নিয়ন্ত্রণে সরকারি কোনো উদ্যোগ নেই। তবে পানিতে আর্সেনিক নিয়ন্ত্রণে সরকারি কার্যক্রম রয়েছে। বর্তমানে উপজেলার ১১টি ইউনিয়নে ৯০টি অগভীর নলকূপ স্থাপন করা হয়েছে। এসব নলকূপ থেকে পানি সংগ্রহ করে আঞ্চলিক পানি পরীক্ষাগারে পাঠানো হচ্ছে। যেসব নলকূপের পানিতে আর্সেনিকের মাত্রা বেশি পাওয়া যাচ্ছে, সেসব এলাকায় পানি পরিশোধনের ভ্যাসেল দেওয়া হচ্ছে।

তিনি বলেন, চৌগাছা উপজেলায় আর্সেনিকের আধিক্য রয়েছে। আগের এক প্রতিবেদনে পানিতে গড়ে প্রতি লিটারে ২০ মিলিগ্রাম আর্সেনিকের উপস্থিতি পাওয়া গিয়েছিল বলে উল্লেখ করা হয়।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আহসানুল মিজান রুমী বলেন, আর্সেনিক আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা সম্পর্কে হালনাগাদ তথ্য নেই। তবে আগের বিভিন্ন জরিপে উপজেলায় প্রায় ১ হাজার ৫০০ রোগী থাকার তথ্য পাওয়া গেছে। উপজেলা হাসপাতালে এখনো আর্সেনিক আক্রান্ত রোগীরা চিকিৎসা নিতে আসছেন। তাঁদের নিয়মিত চিকিৎসা দেওয়া হয়।

তিনি বলেন, ‘প্রাথমিক পর্যায়ে এ রোগ শনাক্ত হলে চিকিৎসার পাশাপাশি আর্সেনিকমুক্ত পানি পান করলে সুস্থ হওয়া সম্ভব। এ রোগ অবহেলা করা উচিত নয়।’

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফারজানা ইসলাম বলেন, ধানে আর্সেনিকের বিষয়ে একটি সংস্থা কাজ করছে বলে তিনি জেনেছেন। তবে এ বিষয়ে সরকারি পর্যায়ে এখনো কোনো উদ্যোগ শুরু হয়নি। পানিতে আর্সেনিক নিয়ন্ত্রণে অগভীর নলকূপ স্থাপন করা হচ্ছে। কোনো নলকূপের পানিতে আর্সেনিক পাওয়া গেলে তা পরিশোধনের জন্য সরকারিভাবে ভ্যাসেল দেওয়া হচ্ছে।

ইউএনও আরও বলেন, চৌগাছা অঞ্চলে আর্সেনিক সমস্যা দীর্ঘদিনের। স্থানীয়ভাবে ব্যবহৃত অনেক নলকূপের পানি এখন আর নিরাপদ নয়। তাই পানি ব্যবহারের ক্ষেত্রে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।

জার্মানির পণ্য আমদানি বাড়ানোর আগ্রহ চীনের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক প্রকাশিত: শনিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৬, ১:৪৯ অপরাহ্ণ
জার্মানির পণ্য আমদানি বাড়ানোর আগ্রহ চীনের

জার্মানির কাছ থেকে আরও উন্নত মানের পণ্য আমদানি করতে আগ্রহী চীন। শুক্রবার জার্মানির প্রেসিডেন্ট ফ্রাঙ্ক-ভাল্টার স্টাইনমায়ারের সঙ্গে বৈঠকে এ কথা জানিয়েছেন চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াং।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়, ইউরোপ ও চীনের মধ্যে বাণিজ্য বিরোধ বাড়ছে। একই সঙ্গে দুই পক্ষের মধ্যে সুরক্ষাবাদী নীতিও জোরালো হচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে জার্মানির সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করতে চায় বেইজিং।

শুক্রবার রাতে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রকাশিত এক বিবৃতিতে বলা হয়, লি কিয়াং দুই দেশের মধ্যে মুক্ত বাণিজ্য ও উন্মুক্ত সহযোগিতা বজায় রাখার আহ্বান জানিয়েছেন।

লি কিয়াং বলেন, চীন জার্মানির সঙ্গে একযোগে কাজ করতে আগ্রহী। দুই দেশের সরকারি পর্যায়ের আলোচনার মাধ্যমে গাড়ি, রাসায়নিক, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), ডিজিটাল প্রযুক্তি ও পরিবেশবান্ধব শিল্পে সহযোগিতা বাড়াতে চায় বেইজিং।

এদিকে, শুক্রবার চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংও জার্মানির প্রতি চীনের সঙ্গে ‘যুক্তিসংগত, বাস্তবসম্মত ও বন্ধুত্বপূর্ণ’ নীতি অনুসরণের আহ্বান জানিয়েছেন। জার্মান প্রেসিডেন্ট স্টাইনমায়ারের সঙ্গে বৈঠকে শি দুই দেশের সম্পর্ক আরও ঘনিষ্ঠ করার ওপর গুরুত্ব দেন।

চীন ও ইউরোপের মধ্যে বাণিজ্য বিরোধ বাড়লেও জার্মানির সঙ্গে সম্পর্ক জোরদারে আগ্রহী বেইজিং।

প্র্যাবের সভাপতি ইয়াহিয়া মির্জা, সম্পাদক নজরুল ইসলাম

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: শনিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৬, ১:২৮ অপরাহ্ণ
প্র্যাবের সভাপতি ইয়াহিয়া মির্জা, সম্পাদক নজরুল ইসলাম

দেশের ব্যাংকগুলোর জনসংযোগ বিভাগের কর্মকর্তাদের সংগঠন পাবলিক রিলেশনস অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকসের (প্র্যাব) নতুন সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন সিটি ব্যাংক পিএলসির হেড অব পিআর অ্যান্ড মিডিয়া ইয়াহিয়া মির্জা। সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন ডাচ্-বাংলা ব্যাংকের পাবলিক অ্যাফেয়ার্স অ্যান্ড ব্র্যান্ড কমিউনিকেশন বিভাগের প্রধান নজরুল ইসলাম।

বৃহস্পতিবার রাজধানীর গুলশানের একটি হোটেলে বণিক বার্তা আয়োজিত প্রীতি সম্মেলনে সংগঠনটির নতুন নেতৃত্বের নাম ঘোষণা করা হয়। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্র্যাবের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান টিপু নতুন সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের নাম ঘোষণা করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি আতাউর রহমান, সদ্যবিদায়ী সভাপতি শামসুদ্দোহা শিমু ও সাধারণ সম্পাদক জালাল আহমেদ স্বপনসহ জ্যেষ্ঠ সদস্যরা।

২০১১ সালে দেশের বিভিন্ন ব্যাংকের ব্র্যান্ড ও কমিউনিকেশন বিভাগের কর্মকর্তাদের নিয়ে প্র্যাবের যাত্রা শুরু হয়। সংগঠনটি সাধারণত ৩৩ সদস্যের কার্যনির্বাহী কমিটির মাধ্যমে পরিচালিত হয়। প্রতি দুই বছর পর এ কমিটি গঠন করা হয়। দেশের বিভিন্ন বাণিজ্যিক ব্যাংকের জনসংযোগ ও ব্র্যান্ডিং বিভাগের প্রধান এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের উচ্চপদস্থ জনসংযোগ কর্মকর্তারা কমিটির বিভিন্ন পদে দায়িত্ব পালন করেন।

প্র্যাবের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান টিপু জানান, আগামী নভেম্বরে বার্ষিক সাধারণ সভার (এজিএম) মাধ্যমে সংগঠনটির ৩৩ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন করা হবে।

বণিক বার্তা আয়োজিত প্রীতি সম্মেলনে দেশের সব তফসিলি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের জনসংযোগ বিভাগে কর্মরত দুই শতাধিক কর্মকর্তা অংশ নেন।