বুধবার, ১০ জুন ২০২৬, ২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
বুধবার, ১০ জুন ২০২৬, ২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

কটিয়াদীতে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে বোরো ধানের বীজ ও সার বিতরণ

মাইনুল হক মেনু প্রকাশিত: শুক্রবার, ২১ নভেম্বর, ২০২৫, ৮:৫৫ পূর্বাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
কটিয়াদীতে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে বোরো ধানের বীজ ও সার বিতরণ

কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী উপজেলায় ২০২৫-২৬ অর্থবছরের রবি মৌসুমে বোরো ধানের উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক ১ হাজার ৮শত কৃষকের মাঝে বিনামূল্যে হাইব্রিড ও উফশী ধান বীজ এবং রাসায়নিক সার বিতরণ শুরু হয়েছে।

এই কর্মসূচির আওতায় ১ হাজার ৭০ জন কৃষক পাবেন ২ কেজি করে হাইব্রিড বোরো ধান বীজ, এবং ৭৩০ জন কৃষক পাবেন ৫ কেজি উফশী ধান বীজ, ১০ কেজি এমওপি সার১০ কেজি ডিএপি সার

বুধবার দুপুরে উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর কার্যালয় প্রাঙ্গণে এ বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন উপজেলা ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) লাবনী আক্তার তারানা। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. শফিকুল ইসলাম ভূইয়া

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন—

  • আচমিতা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. মতিউর রহমান,

  • কটিয়াদী পৌরসভার উপ-সহকারি কৃষি কর্মকর্তা মো. মঈনুল ইসলাম,

  • মো. লিটন মাহমুদ,

  • বিভিন্ন ইউনিয়নের উপ-সহকারি কৃষি কর্মকর্তাবৃন্দ।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. শফিকুল ইসলাম ভূইয়া জানান, কটিয়াদী উপজেলার ১টি পৌরসভা ও ৯টি ইউনিয়নের মোট ১ হাজার ৮শত ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকের মাঝে এ কৃষি প্রণোদনা পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। প্রতিটি কৃষককে উফশী জাতের জন্য ৫ কেজি বীজ এবং হাইব্রিড জাতের জন্য ২ কেজি বীজসহ ১০ কেজি ডিএপি ও ১০ কেজি এমওপি সার সম্পূর্ণ বিনামূল্যে প্রদান করা হচ্ছে।

অষ্টগ্রামে কৃষকদের পাশে সরকার, বিতরণ করা হলো নগদ অর্থ ও খাদ্যশস্য

নূর আহাম্মদ পলাশ প্রকাশিত: বুধবার, ১০ জুন, ২০২৬, ৬:০৫ অপরাহ্ণ
অষ্টগ্রামে কৃষকদের পাশে সরকার, বিতরণ করা হলো নগদ অর্থ ও খাদ্যশস্য

ভাটি অঞ্চলে অতি বৃষ্টিপাত ও আগাম বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের সহায়তায় সরকারের ঘোষিত প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় কিশোরগঞ্জের অষ্টগ্রাম উপজেলায় ৬ হাজার ৪০০ কৃষকের মাঝে নগদ অর্থ ও খাদ্যশস্য বিতরণ করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (৯ জুন) উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উদ্যোগে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের হাতে এ সহায়তা তুলে দেওয়া হয়। কর্মসূচির আওতায় প্রতিটি কৃষককে মে ও জুন মাসের দুই কিস্তির মোট ৬ হাজার টাকা নগদ সহায়তা এবং ৩০ কেজি করে চাল প্রদান করা হয়।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে অস্বাভাবিক বৃষ্টিপাত ও আকস্মিক বন্যার কারণে উপজেলার বিস্তীর্ণ হাওরাঞ্চলের পাকা বোরো ধান পানিতে তলিয়ে যায়। ফলে অনেক কৃষক তাদের কষ্টার্জিত ফসল ঘরে তুলতে না পেরে ব্যাপক আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েন। কৃষকদের সেই ক্ষতি আংশিকভাবে পুষিয়ে নিতে এবং তাদের জীবন-জীবিকা সচল রাখতে সরকার এ বিশেষ সহায়তা কর্মসূচি গ্রহণ করে।

সহায়তা পেয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন উপকারভোগী কৃষকরা। তারা জানান, ফসলহানির পর চরম আর্থিক সংকটে পড়েছিলেন। সরকারের দেওয়া এ সহায়তা তাদের পরিবারের নিত্যপ্রয়োজনীয় ব্যয় মেটাতে এবং নতুন করে কৃষিকাজের প্রস্তুতি নিতে সহায়ক হবে।

উপজেলার কয়েকজন কৃষক বলেন, বন্যার কারণে তারা ঋণের বোঝা ও আর্থিক অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়েছেন। এমন পরিস্থিতিতে সরকারি সহায়তা তাদের জন্য স্বস্তি বয়ে এনেছে। তবে তারা ভবিষ্যতে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের জন্য আরও বিস্তৃত সহায়তা কর্মসূচির দাবি জানান।

এদিকে সহায়তা বিতরণকে ঘিরে কিছু অভিযোগও উঠেছে। কয়েকজন কৃষকের দাবি, প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্ত নন কিংবা সরাসরি কৃষিকাজের সঙ্গে সম্পৃক্ত নন—এমন কিছু ব্যক্তির নামও উপকারভোগীর তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছে।

এ বিষয়ে অষ্টগ্রাম উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা অভিজিৎ সরকার বলেন, “যদি তদন্তে প্রমাণিত হয় যে কোনো অযোগ্য বা অক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি তালিকাভুক্ত হয়েছেন, তাহলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। আমরা চাই প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকরাই যেন সরকারি সহায়তার সুফল পান।”

তিনি আরও বলেন, কৃষকদের তথ্য সংগ্রহ ও যাচাই-বাছাইয়ের মাধ্যমে তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে। এরপরও কোনো অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেলে তা গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখা হবে।

স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছে, প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের পুনর্বাসনে সরকারের এ উদ্যোগ প্রশংসনীয়। তবে সহায়তা বিতরণে শতভাগ স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা গেলে প্রকৃত উপকারভোগীরা আরও বেশি লাভবান হবেন।

এলাকাবাসীর প্রত্যাশা, ভবিষ্যতে কৃষি খাতকে দুর্যোগের ক্ষতি থেকে সুরক্ষিত রাখতে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের দ্রুত ও কার্যকর সহায়তা প্রদানের উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে।

বাজিতপুরে কৃষি ও গ্রামীণ রূপান্তরবিষয়ক পার্টনার কংগ্রেস অনুষ্ঠিত

সাব্বির আহমদ মানিক প্রকাশিত: বুধবার, ১০ জুন, ২০২৬, ২:০২ অপরাহ্ণ
বাজিতপুরে কৃষি ও গ্রামীণ রূপান্তরবিষয়ক পার্টনার কংগ্রেস অনুষ্ঠিত

কিশোরগঞ্জের বাজিতপুরে কৃষি ও গ্রামীণ রূপান্তরের মাধ্যমে পুষ্টি নিশ্চিতকরণ, উদ্যোক্তা সৃষ্টি এবং সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে পার্টনার কংগ্রেস অনুষ্ঠিত হয়েছে। ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রকল্পের আওতায় আয়োজিত এ কংগ্রেসে কৃষি উন্নয়ন, গ্রামীণ অর্থনীতির বিকাশ এবং অংশীজনদের সমন্বিত ভূমিকা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।

বুধবার (১০ জুন) সকাল ১১টায় উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উদ্যোগে উপজেলা পরিষদ সভাকক্ষে এ পার্টনার কংগ্রেস অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাজিতপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জালাল উদ্দিন। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, খামারবাড়ী, কিশোরগঞ্জের উপপরিচালক ড. মো. সাদিকুর রহমান।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ড. মো. সাদিকুর রহমান বলেন, কৃষির টেকসই উন্নয়ন এবং গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সমন্বিত অংশীদারত্ব অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আধুনিক কৃষি প্রযুক্তির সম্প্রসারণ, পুষ্টি নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, নতুন উদ্যোক্তা তৈরি এবং কৃষকদের দক্ষতা বৃদ্ধির মাধ্যমে দেশের কৃষি খাতকে আরও শক্তিশালী ও প্রতিযোগিতামূলক করে তুলতে হবে।

তিনি আরও বলেন, কৃষিকে লাভজনক ও টেকসই খাতে রূপান্তর করতে হলে মাঠপর্যায়ে প্রযুক্তিনির্ভর চাষাবাদ, কৃষিপণ্যের মূল্য সংযোজন এবং বাজারজাতকরণ ব্যবস্থার উন্নয়নে গুরুত্ব দিতে হবে।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন বাজিতপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আশরাফুল আলম। সভা সঞ্চালনা করেন উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা শফিউল ইসলাম।

এ সময় বক্তব্য দেন উপজেলা পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা তন্ময় বিশ্বাস, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. নাসির উদ্দিন মুন্সী, উপজেলা জনস্বাস্থ্য উপসহকারী প্রকৌশলী জসিম উদ্দিনসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট অংশীজনরা।

আলোচনা সভায় কৃষির আধুনিকায়ন, পুষ্টিসমৃদ্ধ খাদ্য উৎপাদন, গ্রামীণ অর্থনীতির উন্নয়ন, যুব উদ্যোক্তা সৃষ্টি এবং কৃষকদের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে প্রকল্পের সম্ভাবনা ও কার্যকারিতা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। বক্তারা বলেন, কৃষি উন্নয়নকে ত্বরান্বিত করতে সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা এবং স্থানীয় জনগোষ্ঠীর মধ্যে সমন্বিত অংশীদারত্ব গড়ে তোলা জরুরি।

বক্তারা আরও উল্লেখ করেন, কৃষিভিত্তিক উদ্যোক্তা সৃষ্টি ও পুষ্টি সংবেদনশীল কৃষি ব্যবস্থার বিকাশের মাধ্যমে গ্রামীণ জনগণের আয় বৃদ্ধি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করা সম্ভব।

কংগ্রেস শেষে প্রকল্পের কার্যক্রম আরও গতিশীল করতে সংশ্লিষ্ট সকল অংশীজনকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানানো হয়।

কক্সবাজারের মাদক পাচারচক্রের চার সদস্য কিশোরগঞ্জে গ্রেপ্তার, উদ্ধার বিপুল ইয়াবা

রেজাউল হক প্রকাশিত: বুধবার, ১০ জুন, ২০২৬, ৯:৫৪ পূর্বাহ্ণ
কক্সবাজারের মাদক পাচারচক্রের চার সদস্য কিশোরগঞ্জে গ্রেপ্তার, উদ্ধার বিপুল ইয়াবা

কিশোরগঞ্জে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অভিযানে একটি যাত্রীবাহী বাস থেকে ৭ হাজার ৬৯০ পিস ইয়াবাসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। উদ্ধারকৃত ইয়াবার আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ২৬ লাখ ৯১ হাজার ৫০০ টাকা বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

মঙ্গলবার (৯ জুন) রাত ৮টা থেকে ৯টার মধ্যে কিশোরগঞ্জ মডেল থানার বিন্নাটি বাজার এলাকায় ঈশাখা ট্রান্সপোর্ট অফিসের পশ্চিম পাশে ঢাকা মেট্রো-ব-১২-১৬০১ নম্বরের ‘সাগরিকা’ পরিবহনের একটি বাসে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সহকারী পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) মো. এনায়েত হোসেনের নেতৃত্বে একটি বিশেষ অভিযানে ওই বাসে তল্লাশি চালানো হয়। অভিযানে বাসের বিভিন্ন আসনে বসা চার যাত্রীর কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন- দেলুয়ারা বেগম (৩৪), আব্দুল গফুর (৩৯), রশিদা বেগম (৩৮) ও আব্দুল আজিজ (৪৫)। তাদের সবার বাড়ি কক্সবাজার জেলার মহেশখালী উপজেলার দক্ষিণ সিপাহীর পাড়া (দক্ষিণ নলবিলা) এলাকায়।

অভিযানকালে দেলুয়ারা বেগমের কাছ থেকে ৪ হাজার পিস, আব্দুল গফুরের কাছ থেকে ১ হাজার পিস, রশিদা বেগমের কাছ থেকে ১ হাজার পিস এবং আব্দুল আজিজের কাছ থেকে ১ হাজার ৬৯০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। এসব ইয়াবা বিশেষ কৌশলে শরীর ও পোশাকের ভেতরে লুকিয়ে রাখা হয়েছিল বলে জানিয়েছে অভিযানকারী দল।

উদ্ধারকৃত ইয়াবার মোট ওজন ৭৯৬ গ্রাম। পাশাপাশি মাদক ব্যবসায় ব্যবহারের অভিযোগে চারটি বাটন মোবাইল ফোনও জব্দ করা হয়েছে।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপ-পরিদর্শক মো. ওবায়দুল্লাহ খান এ ঘটনায় কিশোরগঞ্জ মডেল থানায় মামলা দায়ের করেছেন। মামলাটি মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর ৩৬(১) ধারার সারণির ১০(ক), ১০(খ) এবং ৪১ ধারায় রুজু করা হয়েছে।

এজাহারে উল্লেখ করা হয়, গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা পরস্পরের আত্মীয় এবং দীর্ঘদিন ধরে সংঘবদ্ধভাবে ইয়াবা ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। তারা বিক্রির উদ্দেশ্যে বিপুল পরিমাণ ইয়াবা বহন ও সংরক্ষণ করছিলেন বলে প্রাথমিক তদন্তে তথ্য পাওয়া গেছে।

অভিযান শেষে উদ্ধারকৃত আলামত থেকে নমুনা সংগ্রহ করে রাসায়নিক পরীক্ষার জন্য সংরক্ষণ করা হয়েছে। বাকি আলামতও যথাযথ প্রক্রিয়ায় সিলগালা করে বিভাগীয় হেফাজতে রাখা হয়েছে।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর জানিয়েছে, গ্রেপ্তারদের জিজ্ঞাসাবাদ এবং তথ্য-উপাত্ত যাচাইয়ের মাধ্যমে তাদের সঙ্গে জড়িত অন্য ব্যক্তি ও মাদক চক্রের সদস্যদের শনাক্তে তদন্ত চলছে। একই সঙ্গে মাদকের উৎস, সরবরাহ নেটওয়ার্ক এবং সম্ভাব্য গন্তব্য সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে।

কিশোরগঞ্জে মাদকবিরোধী অভিযান আরও জোরদার করা হবে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।