মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩
[gtranslate]
মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩

হোসেনপুরে হারিয়ে যাওয়া গ্রামবাংলার হালচাষ এখনও জীবিত

রেজাউল হক প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৮ নভেম্বর, ২০২৫, ১১:২৯ অপরাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
হোসেনপুরে হারিয়ে যাওয়া গ্রামবাংলার হালচাষ এখনও জীবিত

দেশের কৃষিতে আধুনিক প্রযুক্তির আগমনে হারিয়ে গেছে পুরাতন অনেক পদ্ধতি। বিশেষ করে গরু ও লাঙ্গল দিয়ে হাল চাষ আজকাল কমই দেখা যায়। সারাদেশের ন্যায় কিশোরগঞ্জের হোসেনপুরেও একসময় কৃষি কাজে ব্যবহৃত হতো হাল, লাঙ্গল ও মই। তবে সোমবার হোসেনপুর উপজেলার জগদল গ্রামে শহিদ মিয়া নামের এক কৃষককে গরু ও লাঙ্গল দিয়ে ধানের বীজতলা তৈরি করতে দেখা গেছে।

শহিদ মিয়া জানান, হাল চাষের জন্য এক জোড়া বলদ গরু, লাঙ্গল-জোয়াল, মই, গরু তাড়ানোর লাঠি ও গরুর মুখের টোনা লাগে। গরুর লাঙ্গল মাটির গভীরে গিয়ে মাটি উল্টিয়ে দেয়, এতে জমিতে ঘাস কম হয় এবং গরুর গোবর জমিতে পড়ে, যা জৈব সার হিসেবে কাজ করে। তিনি বলেন, “পাওয়ারটিলারের আগমনে গরু দিয়ে হালচাষের কদর কমে গেছে, কিন্তু বীজতলার জন্য হাল এখনও কার্যকর।”

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা একেএম শাহজাহান কবির জানান, চরাঞ্চলে এখনো গরুর লাঙ্গলে জমি চাষাবাদ করা হয়। এটি শুধু ফসলের উর্বরতা বৃদ্ধি করে না, বরং গ্রাম বাংলার ঐতিহ্য ও কৃষিকাজের সঙ্গে মানুষের হাজার বছরের সম্পর্কও ধরে রাখে।

ভৈরবে ডেঙ্গুর প্রকোপ, এক সপ্তাহে আক্রান্ত অর্ধশতাধিক

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:১৫ পূর্বাহ্ণ
ভৈরবে ডেঙ্গুর প্রকোপ, এক সপ্তাহে আক্রান্ত অর্ধশতাধিক

কিশোরগঞ্জের ভৈরবে হঠাৎ বেড়েছে ডেঙ্গুর প্রকোপ। গত এক সপ্তাহে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ বিভিন্ন বেসরকারি ক্লিনিকে চিকিৎসা নিতে আসা অর্ধশতাধিক মানুষের ডেঙ্গু শনাক্ত হয়েছে বলে জানা গেছে। আক্রান্তদের মধ্যে ভৈরবপুর ও কালিপুর এলাকার বাসিন্দার সংখ্যা তুলনামূলক বেশি।সম্প্রতি ভৈরবপুর গ্রামের হাজি আলীম উদ্দিনের বাড়িতে একই পরিবারের পাঁচজন ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হওয়ার খবর পায় স্থানীয় প্রশাসন। পরে কিশোরগঞ্জ সিভিল সার্জন কার্যালয়ের কীটতত্ত্ববিদ মোশফিকুর রহমানের নেতৃত্বে এবং ভৈরব পৌরসভার সমন্বয়ে একটি ভিজিল্যান্স টিম ওই বাড়িসহ আশপাশের কয়েকটি বাড়িতে সরেজমিনে পরিদর্শন ও কীটতাত্ত্বিক জরিপ চালায়।জরিপের সময় একটি পাত্রে দীর্ঘদিন ধরে জমে থাকা পানিতে এডিস মশার লার্ভার উপস্থিতি পাওয়া যায়। পরে ওই এলাকায় মশক নিধনে কীটনাশক ছিটানো হয়।কিশোরগঞ্জ সিভিল সার্জন কার্যালয়ের কীটতত্ত্ববিদ মোশফিকুর রহমান বলেন, গত তিন দিনে ভৈরবপুর এলাকায় ১০ জন এবং কালিপুর এলাকায় ৯ জন ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছেন বলে তারা জানতে পেরেছেন। এ পরিস্থিতিতে ভৈরব পৌরসভার নির্বাহী কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্টদের নিয়ে ভৈরবপুর এলাকায় কীটতাত্ত্বিক জরিপ চালানো হয়।মোশফিকুর রহমান বলেন, ‘হাজি আলীম উদ্দিনের বাড়িতে একই পরিবারের পাঁচজন ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছেন। বাড়িটিতে গিয়ে একটি পাত্রে দীর্ঘদিনের জমে থাকা পানি পাওয়া যায়। পানিতে ময়লা-আবর্জনা জমে ছিল। পরীক্ষা করে সেখানে এডিস মশার লার্ভার উপস্থিতি পাওয়া গেছে।’তিনি আরও বলেন, এডিস মশার লার্ভা থেকে কয়েক দিনের মধ্যেই পূর্ণাঙ্গ মশা তৈরি হতে পারে। ডেঙ্গু ও এডিস মশার বিস্তার ঠেকাতে শুধু কীটনাশক ছিটালেই হবে না, বাড়াতে হবে জনসচেতনতাও। বাড়ির বারান্দা, আঙিনা, ছাদ, ফুলের টব কিংবা পরিত্যক্ত কোনো পাত্রে পানি জমে আছে কি না, সেদিকে নিয়মিত নজর রাখতে হবে। কারণ জমে থাকা পানিতেই এডিস মশার বংশবিস্তার ঘটে।ভৈরব উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা গেছে, কয়েক দিন ধরে প্রতিদিনই ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীরা চিকিৎসা নিতে হাসপাতালে আসছেন। তাঁদের মধ্যে যাঁদের অবস্থা গুরুতর, তাঁদের হাসপাতালে ভর্তি করা হচ্ছে। অনেকে চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি ফিরলেও কয়েকজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক কিশোর কুমার ধর বলেন, ‘গত চার-পাঁচ দিন ধরে প্রতিদিনই ডেঙ্গু আক্রান্ত বেশ কয়েকজন রোগী হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসছেন। তাঁদের মধ্যে অনেকে চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি ফিরে গেছেন। আবার কয়েকজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।’সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে নিয়মিত মশক নিধন কার্যক্রমের পাশাপাশি বাড়ি ও আশপাশের পরিবেশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে। কোথাও যাতে পানি জমে না থাকে, সে বিষয়েও সবাইকে সচেতন হতে হবে। শুধু প্রশাসনের মশক নিধন কার্যক্রমের ওপর নির্ভর না করে ব্যক্তি পর্যায়েও এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংসে উদ্যোগী হতে হবে।

হাসপাতালের ফটক ঘিরে ক্লিনিক-ডায়াগনস্টিক, রোগী টানতে দালালচক্র

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:০৬ পূর্বাহ্ণ
হাসপাতালের ফটক ঘিরে ক্লিনিক-ডায়াগনস্টিক, রোগী টানতে দালালচক্র

কিশোরগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের পেছনের ফটক ঘেঁষেই গড়ে উঠেছে অন্তত ৯টি ডায়াগনস্টিক সেন্টার। হাসপাতালের ২০০ গজের মধ্যে রয়েছে অর্ধশতাধিক বেসরকারি ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার। শুধু জেলা সদরের এই হাসপাতাল নয়, জেলার ১২টি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আশপাশেও একই চিত্র দেখা গেছে।হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা রোগী ও স্বজনেরা ফটকে পৌঁছানোর আগেই তাঁদের ঘিরে ধরেন বিভিন্ন বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের দালালেরা। নানা ধরনের পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও উন্নত চিকিৎসার প্রলোভন দেখিয়ে রোগীদের সরকারি হাসপাতাল থেকে বেসরকারি ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।

এতে একদিকে যেমন রোগীরা বাড়তি খরচের মুখে পড়ছেন, অন্যদিকে হয়রানির শিকার হচ্ছেন তাঁদের স্বজনেরাও।জুলাইয়ের শেষ দিকে স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন জানিয়েছিলেন, সরকারি হাসপাতাল থেকে রোগী ভাগিয়ে বেসরকারি ক্লিনিকে নেওয়ার দালালচক্রের তৎপরতা স্থায়ীভাবে বন্ধ করা হবে। এরপর বিষয়টি নিয়ে আলোচনা শুরু হলেও কিশোরগঞ্জে পরিস্থিতির তেমন পরিবর্তন দেখা যায়নি।সম্প্রতি জেলার বিভিন্ন উপজেলা ঘুরে দেখা গেছে, স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোর আশপাশেই গড়ে উঠেছে একাধিক ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার। ভৈরব স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনে রয়েছে তিনটি, পাকুন্দিয়ায় পাঁচটি, করিমগঞ্জে চারটি, কটিয়াদীতে ছয়টি, নিকলীতে চারটি, মিঠামইনে দুটি এবং বাজিতপুরে তিনটি ডায়াগনস্টিক সেন্টার। তাড়াইল স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এলাকায় রয়েছে দুটি বেসরকারি হাসপাতাল ও সাতটি ডায়াগনস্টিক সেন্টার। হোসেনপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনে রয়েছে চারটি ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও একটি ক্লিনিক। কুলিয়ারচর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনেও একটি ক্লিনিকের অবস্থান দেখা গেছে।স্থানীয়দের অভিযোগ, এসব বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের অনেকগুলোর প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি ও চিকিৎসাসুবিধা নেই। এরপরও গ্রামাঞ্চল থেকে আসা রোগীদের বিভিন্নভাবে আকৃষ্ট করে সেখানে নেওয়া হয়। কম খরচে উন্নত চিকিৎসা, দ্রুত পরীক্ষার রিপোর্টসহ নানা সুবিধার কথা বলে রোগীদের ভর্তি করানোর অভিযোগ রয়েছে। পরে বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও চিকিৎসার নামে রোগীর কাছ থেকে বড় অঙ্কের টাকা নেওয়া হয়।শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের এক চিকিৎসক নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, রোগী বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে পাঠানোর সঙ্গে হাসপাতালের কিছু চিকিৎসকের সম্পৃক্ততার অভিযোগ রয়েছে। নার্সদের বিরুদ্ধেও একই ধরনের অভিযোগ পাওয়া যায়।কিশোরগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের আশপাশে বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানের ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি। হাসপাতালের পেছনের ফটক ঘেঁষে রয়েছে অন্তত ৯টি প্রতিষ্ঠান। ২০০ গজের মধ্যে গড়ে উঠেছে অর্ধশতাধিক ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার।অভিযোগ রয়েছে, এসব প্রতিষ্ঠানের পেছনে স্থানীয় প্রভাবশালী ব্যক্তিদের নিয়ন্ত্রণ রয়েছে। তাঁদের হয়ে নিয়োজিত দালালেরা সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত হাসপাতাল এলাকায় রোগী ও স্বজনদের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। সরকারি হাসপাতালে পরীক্ষা করালে সময় বেশি লাগবে—এমন কথা বলে রোগীদের বাইরে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগও রয়েছে।গত ১৩ আগস্ট জেনারেল হাসপাতালে আসা এক রোগীর স্বজন ইয়াছিন বলেন, তাঁর ভাতিজার রক্ত পরীক্ষা করানোর সময় একজন ব্যক্তি তাঁকে জানান, হাসপাতালে পরীক্ষা করলে রিপোর্ট পেতে তিন দিন লাগবে। বাইরে করলে এক ঘণ্টার মধ্যে পাওয়া যাবে। পরে বাধ্য হয়ে তিনি বাইরে পরীক্ষা করান।শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের প্রধান ফটকের বিপরীত পাশে গড়ে উঠেছে পাঁচটি ডায়াগনস্টিক সেন্টার। এসব প্রতিষ্ঠানের সামনে বড় বড় সাইনবোর্ডের পাশাপাশি রোগী আকর্ষণে দালালদের তৎপরতা দেখা যায় বলে অভিযোগ রোগী ও স্বজনদের।হাসপাতালে চিকিৎসাসেবা নিয়ে রোগীদের একাংশের অসন্তোষও রয়েছে। তাঁদের অভিযোগ, গুরুতর ও জটিল রোগে আক্রান্ত রোগীদের অনেক সময় হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে নিরুৎসাহিত করা হয়। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের সময়মতো না পাওয়া এবং রোগী ভালোভাবে পরীক্ষা না করেই অন্য প্রতিষ্ঠানে পাঠিয়ে দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে।একই অভিযোগ করেছেন ১৩ আগস্ট হাসপাতালে আসা রোগী আনোয়ার হোসেন। তাঁর ভাষ্য, টিকিট কাউন্টার থেকে হাসপাতালের বাইরের অংশ পর্যন্ত দালালদের তৎপরতা রয়েছে। বেসরকারি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে পরীক্ষা না করালে চিকিৎসক ওষুধ দেবেন না—এমন ভয় দেখানোর অভিযোগ করেন তিনি।তবে হাসপাতালের প্যাথলজি ও রক্ত পরিসঞ্চালন বিভাগের ইনচার্জ মিজবাহ উদ্দিন আহমদ নিঝুম বলেন, হাসপাতালের আউটডোর প্যাথলজি বিভাগ সকাল আটটা থেকে রাত আটটা পর্যন্ত চালু থাকে। ইনডোরের জরুরি প্যাথলজি সেবাও ২৪ ঘণ্টা দেওয়া হয়। একইভাবে রক্ত পরিসঞ্চালন বিভাগও ২৪ ঘণ্টা চালু রয়েছে।হাসপাতালের উপপরিচালক ডা. সাইফুল ইসলাম বলেন, হাসপাতালের প্রধান ফটকের সামনে থাকা ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলো সরিয়ে নিতে যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছে চিঠি দেওয়া হয়েছে।বেসরকারি ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলোর অনুমোদনের বিষয়ে কিশোরগঞ্জের ভারপ্রাপ্ত সিভিল সার্জন নাজমুল আলম বলেন, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্ধারিত চেকলিস্ট অনুযায়ী পরিদর্শন করে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের প্রতিবেদন অধিদপ্তরে পাঠানো হয়। ওই চেকলিস্টে সরকারি স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের দূরত্বের বিষয়ে কোনো নির্দেশনা নেই।তিনি বলেন, বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানের অনুমোদনের ক্ষেত্রে পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র এবং ড্রাগ ও নারকোটিক-সংক্রান্ত ছাড়পত্রসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র লাগে। সবকিছু পর্যালোচনার পর স্বাস্থ্য অধিদপ্তর চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়ে থাকে।

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:০৫ পূর্বাহ্ণ
এ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী শাহ্ বুরহান উদ্দিন আহম্মদ। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এম এম খান ফুডস এন্ড কোং-এর সিইও জনাব এম আজমল খান
অনুষ্ঠানের বিস্তারিত বিবরণ
গতকাল বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে এই কৃতী শিক্ষার্থীদের ক্রেস্ট ও সম্মাননা স্মারক তুলে দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে শিক্ষার্থীদের দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য দেন শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডাঃ এম এম বেলাল (পাবেল)
এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট সমাজকর্মী ও ভয়েস অফ শারুদিয়ার পরিচালক প্রকৌশলী মোঃ আরিফুল ইসলাম এবং আল জামিয়াতুল ইমদাদিয়া কিশোরগঞ্জের মুহাদ্দিস শোয়েব বিন আঃ রউফ
অতিথিদের বক্তব্য
  • প্রধান অতিথি: শিক্ষার্থীদের আধুনিক ও নৈতিক শিক্ষায় শিক্ষিত হওয়ার আহ্বান জানান।
  • বিশেষ অতিথিবৃন্দ: মুখস্থ বিদ্যার বাইরে গিয়ে মাল্টিমিডিয়া প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহারের ওপর জোর দেন।
  • সভাপতি: মাস্টারমাইন্ড স্কুলের উন্নত শিক্ষা পরিবেশের প্রশংসা করে শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ সাফল্য কামনা করেন।
অনুষ্ঠানে বিদ্যালয়ের শিক্ষক, অভিভাবক এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। চমৎকার একটি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে সংবর্ধনা সভার সমাপ্তি ঘটে।