রবিবার, ১৭ মে ২০২৬, ৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
রবিবার, ১৭ মে ২০২৬, ৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

কটিয়াদীতে ভাতিজাকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ চাচার বিরুদ্ধে

বাঁচার আকুতি ছিল চোখে, সাহায্যের হাত বাড়ায়নি কেউ

মাইনুল হক মেনু প্রকাশিত: শনিবার, ১৬ মে, ২০২৬, ১২:৫৮ অপরাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
বাঁচার আকুতি ছিল চোখে, সাহায্যের হাত বাড়ায়নি কেউ

রক্তাক্ত একটি নিথর দেহ পড়ে ছিল মাঠে। কণ্ঠে ছিল বাঁচার আকুতি, অথচ ধীরে ধীরে নিস্তেজ হয়ে আসছিল শরীর। আশপাশে দাঁড়িয়ে এমন দৃশ্য দেখছিলেন স্থানীয় লোকজন। কেউ মোবাইলে ভিডিও করছিলেন, কেউ দূরত্ব বজায় রেখে তাকিয়ে ছিলেন পৈশাচিক সেই ঘটনার দিকে। কিন্তু জীবন বাঁচাতে এগিয়ে আসেননি কেউ। মানবিকতার ভাষা যেন মুহূর্তেই স্তব্ধ হয়ে গিয়েছিল। এমনকি জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করেও পুলিশকে খবর দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ উঠেছে। দীর্ঘ সময় রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকার পর একসময় নিথর দেহটির নড়াচড়া থেমে যায়। পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে হৃদয়বিদারক সেই ঘটনার ভিডিও।

ঘটনাটি ঘটেছে কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী উপজেলার লোহাজুরী ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের পূর্বচর পাড়াতলা এলাকায়। সেখানে ভাতিজা আনোয়ার হোসেনকে (৩৫) কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তার আপন চাচা মরম আলীর বিরুদ্ধে।

নিহত আনোয়ার হোসেন একই গ্রামের মৃত সাফি উদ্দিনের ছেলে। অভিযুক্ত মরম আলী আব্দুল হেকিমের ছেলে। সম্পর্কে তারা চাচা-ভাতিজা।

এ ঘটনায় নিহতের মা শিরিনা আক্তার বাদী হয়ে শুক্রবার রাতে কটিয়াদী মডেল থানা-এ একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। মামলায় অভিযুক্ত চাচা মরম আলীসহ ৯ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। পাশাপাশি অজ্ঞাতনামা আরও কয়েকজনকে আসামি করা হয়েছে।

শনিবার সকালে মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেন কটিয়াদী মডেল থানার ওসি (তদন্ত) মো. শ্যামল মিয়া।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে আনোয়ার হোসেনের সঙ্গে তার চাচা মরম আলীর জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধ চলছিল। বিষয়টি নিয়ে এলাকায় একাধিকবার সালিস-দরবার হলেও কোনো স্থায়ী সমাধান হয়নি। বরং সময়ের সঙ্গে বিরোধ আরও তীব্র হয়ে ওঠে। সম্প্রতি তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়।

শুক্রবার বিকেলে স্থানীয় পূর্বচর পাড়াতলা উচ্চ বিদ্যালয়ের সিঁড়ির সামনের মাঠে আনোয়ার হোসেনকে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয়রা।

স্থানীয়দের দাবি, ঘটনার পর অভিযুক্ত মরম আলী ও তার ছেলেদের ভয়ে কেউ আহত আনোয়ারের কাছে যাওয়ার সাহস পাননি। দীর্ঘ সময় তিনি মাঠে পড়ে ছিলেন। তখনও তিনি জীবিত ছিলেন এবং ছটফট করছিলেন। সন্ধ্যার আগমুহূর্তে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে আনোয়ার হোসেনকে মৃত অবস্থায় দেখতে পায়। পরে সুরতহাল প্রতিবেদন শেষে মরদেহ থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্তরা আত্মগোপনে রয়েছেন।

নিহতের মা শিরিনা আক্তার অভিযোগ করে বলেন, “আমি দুপুরে বাড়িতে ছিলাম না। সেই সুযোগে মরম আলী ও তার লোকজন আমাদের বাড়িতে ঢুকে বসতঘর ভাঙচুর করে। পরে আমার ছেলে আনোয়ারকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর আহত করে। এরপর তাকে অবরুদ্ধ করে রাখা হয়। একপর্যায়ে স্কুলের বারান্দায় ফেলে রেখে মৃত্যু নিশ্চিত করা হয়। দীর্ঘ সময় তারা সেখানে অবস্থান করে কাউকে কাছে আসতে দেয়নি। আমার ছেলেকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। আমি এ ঘটনার বিচার চাই।”

তিনি আরও বলেন, তার ছোট ছেলে বিদেশে থাকেন এবং তাকেও হত্যার হুমকি দেওয়া হয়েছে।

নিহতের বোন সালমা আক্তার বলেন, “বাড়ি ফাঁকা পেয়ে পূর্বপরিকল্পিতভাবে আমার ভাইকে হত্যা করা হয়েছে। তাকে তিলে তিলে কষ্ট দিয়ে মারা হয়েছে। আমরা এই হত্যাকাণ্ডের বিচার চাই।”

স্থানীয় ইউপি সদস্য আব্দুল বাতেন বলেন, “মরম আলী ও আনোয়ার হোসেনের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে জমিজমা নিয়ে বিরোধ চলছিল। বিষয়টি নিয়ে আমি একাধিকবার সালিস করেছি। এর আগেও আনোয়ারকে মারধর করে গুরুতর আহত করা হয়েছিল। তখন তাকে উদ্ধার করে চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছিল। এবারও যদি আগে জানতে পারতাম, তাহলে দ্রুত চিকিৎসার ব্যবস্থা করা যেত।”

নিহতের ছোট ভাই প্রবাসী সজল বলেন, “পরিকল্পিতভাবেই আমার ভাইকে হত্যা করা হয়েছে। শরীরের বিভিন্ন স্থানে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। দুই পায়ের রগ পর্যন্ত কেটে ফেলা হয়েছে। অনেক কষ্টে তার মৃত্যু হয়েছে।”

তবে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় একাধিক ব্যক্তি জানান, নিহত আনোয়ারের বিরুদ্ধে মাদক সেবন ও চুরিসহ নানা অভিযোগ ছিল। এ কারণে এলাকাবাসীর মধ্যে তার প্রতি বিরূপ মনোভাব ছিল। যদিও তারা এ ধরনের নৃশংস হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু বিচার দাবি করেছেন।

কটিয়াদী মডেল থানার ওসি (তদন্ত) মো. শ্যামল মিয়া বলেন, “মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কিশোরগঞ্জ সদর মর্গে পাঠানো হয়েছে। নিহতের মা বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে।”

নিয়ামতপুরে দুই মাদক কারবারিকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের সাজা

হাবিবুর রহমান বিপ্লব প্রকাশিত: শনিবার, ১৬ মে, ২০২৬, ৬:১৭ অপরাহ্ণ
নিয়ামতপুরে দুই মাদক কারবারিকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের সাজা

কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জ উপজেলার নিয়ামতপুর বাজার বাসস্ট্যান্ড এলাকায় অভিযান চালিয়ে দুই মাদক কারবারিকে এক মাস করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

শনিবার (১৬ মে) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে পরিচালিত এ অভিযানে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর ৩৬(৫) ধারায় তাদের এ দণ্ড দেওয়া হয়।

সাজাপ্রাপ্তরা হলেন নিয়ামতপুর ইউনিয়নের বাহিরচর গ্রামের আইজুদ্দিনের ছেলে সাফায়েতুল (২১) এবং দেহন্দা ইউনিয়নের সাকুয়া গ্রামের ফজলুর রহমানের ছেলে রাব্বুল (২০)।

ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আল-আমিন কবির।

তিনি জানান, মাদক নিয়ন্ত্রণে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে এবং ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। সরকারের ঘোষিত ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির শতভাগ বাস্তবায়নে করিমগঞ্জ উপজেলা প্রশাসন নিরলসভাবে কাজ করছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আরও বলেন, মাদক নির্মূলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি সমাজের সব শ্রেণি-পেশার মানুষের সচেতনতা ও সহযোগিতা প্রয়োজন। এ বিষয়ে তিনি স্থানীয় জনগণের সহযোগিতা কামনা করেন।

রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. মস্তোফার দাফন সম্পন্ন

মাইনুল হক মেনু প্রকাশিত: শনিবার, ১৬ মে, ২০২৬, ৪:০৭ অপরাহ্ণ
রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. মস্তোফার দাফন সম্পন্ন

কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী উপজেলায় পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় বীর মুক্তিযোদ্ধা ও কটিয়াদী উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের অফিস সহকারী (কেরানি) মো. মস্তোফার দাফন সম্পন্ন হয়েছে।

শনিবার দুপুরে উপজেলার জালালপুর ইউনিয়নের ফেকামারা ফাজিল কামিল মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে তাকে গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়। কটিয়াদী উপজেলা প্রশাসন-এর পক্ষ থেকে কটিয়াদী উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট লাবনি আক্তার তারানা রাষ্ট্রের পক্ষে সালাম গ্রহণ করেন।

এ সময় জাতীয় পতাকায় আচ্ছাদিত মরহুমের মরদেহে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়। পরে কটিয়াদী মডেল থানা পুলিশের একটি চৌকস দল তাকে গার্ড অব অনার প্রদান করে। বিউগলে করুণ সুর বাজানো হয় এবং এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।

পরে একই স্থানে জানাজা নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে মরহুমকে দাফন করা হয়।

গার্ড অব অনার অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কটিয়াদী মডেল থানার ওসি (তদন্ত) মো. শ্যামল মিয়া, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডের আহ্বায়ক মো. ঈসরাইল মিয়া, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আরিফুর রহমান কাঞ্চন, জালালপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. রফিকুল আলম রফিক, উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর সাবেক আমির মাওলানা রফিকুল ইসলাম, উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলাম মোড়ল, বীর মুক্তিযোদ্ধা জয়নাল আবেদীন, কটিয়াদী উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের সাবেক সভাপতি মো. কুতুব উদ্দিন, উপজেলা কৃষকদলের সাধারণ সম্পাদক কামরুল ইসলাম বাবলুসহ কটিয়াদী সাব-রেজিস্ট্রি অফিস দলিল লেখক সমিতির নেতৃবৃন্দ, বীর মুক্তিযোদ্ধা, সাংবাদিক ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, মো. মস্তোফা দীর্ঘদিন ধরে বার্ধক্যজনিত নানা জটিলতায় ভুগছিলেন। শুক্রবার রাত ১০টার দিকে উপজেলার পশ্চিম ফেকামারা গ্রামে নিজ বাড়িতে তিনি ইন্তেকাল করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, চার ছেলে, চার মেয়ে, আত্মীয়-স্বজন ও অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

করিমগঞ্জে ২২ দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীর মাঝে শিক্ষাবৃত্তির চেক বিতরণ

মোছা. জান্নাতুল মাওয়া প্রকাশিত: শনিবার, ১৬ মে, ২০২৬, ৩:৩৫ অপরাহ্ণ
করিমগঞ্জে ২২ দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীর মাঝে শিক্ষাবৃত্তির চেক বিতরণ

কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জ উপজেলায় ২২ জন দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীর মাঝে শিক্ষাবৃত্তির চেক বিতরণ করেছে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা দুঃস্থ স্বাস্থ্য কেন্দ্র (ডিএসকে)। এ সময় শিক্ষার্থীদের মোট ৩ লাখ ৪৮ হাজার টাকার শিক্ষাবৃত্তি প্রদান করা হয়।

শনিবার দুপুরে করিমগঞ্জ পৌরসভার নয়াকান্দি এলাকায় অবস্থিত ডিএসকে কিশোরগঞ্জ-২ আঞ্চলিক অফিসের মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে আনুষ্ঠানিকভাবে শিক্ষার্থীদের হাতে বৃত্তির চেক তুলে দেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডিএসকের প্রধান কার্যালয়ের উপপরিচালক মো. শহীদুজ্জামান ভূঞা। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ডিএসকে কিশোরগঞ্জ-২ অঞ্চলের আঞ্চলিক ব্যবস্থাপক মো. সজল মিয়া।

অনুষ্ঠানে এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ২২ জন দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীর মাঝে বৃত্তির চেক বিতরণ করা হয়। এর মধ্যে এসএসসি উত্তীর্ণ ১৫ জন শিক্ষার্থীকে ১২ হাজার টাকা করে এবং এইচএসসি উত্তীর্ণ সাতজন শিক্ষার্থীকে ২৪ হাজার টাকা করে বৃত্তি প্রদান করা হয়।

এ সময় বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের অভিভাবকরাও উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, শিক্ষা বিস্তারে সহায়তা এবং আর্থিকভাবে অসচ্ছল মেধাবী শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়াতে দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষাবৃত্তি কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে ডিএসকে। সংস্থাটি সামাজিক দায়বদ্ধতার অংশ হিসেবে নিজেদের উপকারভোগী সদস্যদের সন্তানদের পাশাপাশি হতদরিদ্র পরিবারের শিক্ষার্থীদেরও বৃত্তি দিয়ে থাকে।

অনুষ্ঠানে আরও জানানো হয়, এ বছর জেলায় মোট ১৩১ জন দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীর মাঝে ২১ লাখ ৩৬ হাজার টাকার শিক্ষাবৃত্তি প্রদান করা হয়েছে। এর মধ্যে কিশোরগঞ্জ পূর্ব জোনে ৫৩ জন শিক্ষার্থীর মাঝে ৮ লাখ ৭৬ হাজার টাকা বিতরণ করা হয়েছে।

এ ছাড়া সারাদেশে ডিএসকের শিক্ষাবৃত্তি কর্মসূচির আওতায় মোট এক কোটি ১০ লাখ ২৮ হাজার টাকা বিতরণ করা হয়েছে বলে জানানো হয়।