নতুন কূটনৈতিক দিগন্তে বাংলাদেশ!
মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের আমন্ত্রণে দুই দিনের সরকারি সফরে আজ রবিবার (২১ জুন, ২০২৬) কুয়ালালামপুরের উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করেছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমান। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর এটিই তাঁর প্রথম কোনো বিদেশ সফর।
মালয়েশিয়া সফর শেষে তিনি সরাসরি চীন সফরে যাবেন। দুই দেশ মিলিয়ে তাঁর এই ছয় দিনের সফরকে বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি কূটনৈতিক উদ্যোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
দুই দেশের শীর্ষ নেতার দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনা ও চুক্তি সই হওয়ার কথা রয়েছে:
-
শ্রমবাজার চালু ও বৈধকরণ: এই সফরের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য হলো দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ থাকা মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার পুনরায় চালু করা এবং সেখানে অবস্থানরত অনিয়মিত (অবৈধ) বাংলাদেশি কর্মীদের নিয়মিতকরণের সুযোগ তৈরি করা।
-
বাণিজ্য ও বিনিয়োগ: দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য বৃদ্ধি এবং বিশেষ করে মালয়েশিয়ায় হালাল পণ্য রপ্তানি, প্রযুক্তি, কৃষি ও উৎপাদন খাতে যৌথ বিনিয়োগের নতুন গতি আনার বিষয়ে আলোচনা হবে।
-
সমঝোতা স্মারক সই: সফরে সাংস্কৃতিক সহযোগিতা বিষয়ক একটি সমঝোতা স্মারক (MoU) এবং সন্ত্রাসবাদ বিরোধী গবেষণা ও বিনিয়োগ বৃদ্ধি সংক্রান্ত দুটি ‘নোট অব এক্সচেঞ্জ’ সই হতে পারে।
মালয়েশিয়ায় কর্মরত ও বসবাসরত লাখো প্রবাসী বাংলাদেশিরা এই সফরকে কেন্দ্র করে দারুণ আশাবাদী। সিন্ডিকেটমুক্ত স্বচ্ছ কলিং ভিসা চালু এবং দূতাবাস সংশ্লিষ্ট দীর্ঘদিনের বিভিন্ন সমস্যার কার্যকর সমাধান আসবে বলে মনে করছেন প্রবাসীরা।
মালয়েশিয়ার সফর শেষে ২২ জুন (সোমবার) বিকেলেই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান চীনের বন্দরনগরী দালিয়ানের উদ্দেশ্যে রওনা হবেন, যেখানে তিনি ২৫ জুন চীনের প্রধানমন্ত্রী লি ছিয়াং এবং ২৬ জুন প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সাথে উচ্চপর্যায়ের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করবেন।










