রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ৭ আষাঢ় ১৪৩৩
রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ৭ আষাঢ় ১৪৩৩

ফুটবল খেলা নিয়ে সংঘর্ষে রণক্ষেত্র ভৈরব, আহত ১৩; গ্রেপ্তার ৩

জয়নাল আবেদীন রিটন প্রকাশিত: রবিবার, ২১ জুন, ২০২৬, ৯:০৮ পূর্বাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
ফুটবল খেলা নিয়ে সংঘর্ষে রণক্ষেত্র ভৈরব, আহত ১৩; গ্রেপ্তার ৩

কিশোরগঞ্জের ভৈরবে ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষে অন্তত ১৩ জন আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সংঘর্ষ চলাকালে কয়েকটি বাড়িঘর ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

শনিবার (২০ জুন) বিকেল ৫টার দিকে উপজেলার শিমুলকান্দি ইউনিয়নের তুলাকান্দি গ্রামে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে ভৈরব থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

আহতদের স্বজনরা উদ্ধার করে ভৈরব উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. শাহরিয়ার জানান, আহতদের মধ্যে সেলিম মিয়া, দুলাল মিয়া, মগল মিয়া, আলাল মিয়া, সুমন মিয়া ও অপর এক দুলাল মিয়াকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এছাড়া জালাল মিয়া ও রশিদ মিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি রয়েছেন। অন্যরা প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি ফিরে গেছেন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ১৯ জুন বিকেলে তুলাকান্দি গ্রামের যুবকদের মধ্যে বিবাহিত ও অবিবাহিতদের দুটি দলের ফুটবল খেলা অনুষ্ঠিত হয়। খেলা শেষে হার-জিতকে কেন্দ্র করে দুই কিশোরের মধ্যে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়, যা পরে হাতাহাতিতে রূপ নেয়। স্থানীয়রা তাৎক্ষণিকভাবে বিষয়টি মীমাংসা করলেও ঘটনাটি পরে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি করে।

একপর্যায়ে এলাকায় দুটি পক্ষ গড়ে ওঠে। একটি পক্ষ বাদুর শেখের বাড়ির, যার নেতৃত্বে ছিলেন নীল মিয়া ও সালাউদ্দিন মিয়া। অপর পক্ষ জুলার বাড়ি (বারিক চেয়ারম্যানের বাড়ি) এলাকার, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোয়াজ্জেম মিয়া ও বাছির মিয়া।

অভিযোগ রয়েছে, ওই রাতেই নীল মিয়া বাজার থেকে ফেরার পথে প্রতিপক্ষের লোকজনের হামলার শিকার হন। এ ঘটনায় তিনি থানায় অভিযোগ দায়ের করলে পুলিশ মোয়াজ্জেম মিয়া (৫৫), সেলিম মিয়া (৪০) ও তার ১৮ বছর বয়সী ছেলেকে গ্রেপ্তার করে।

পরদিন শনিবার এক যুবককে মারধরের ঘটনাকে কেন্দ্র করে উভয় পক্ষের লোকজন ইট-পাটকেল, লাঠিসোঁটা ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ১৩ জন আহত হন।

বাদুর শেখের বাড়ির নীল মিয়া বলেন, “দুই কিশোরের তুচ্ছ বিষয় নিয়ে ঝগড়া হয়েছিল। পরে আমাকে কেন মারধর করা হয়েছে, তা আমি জানি না। এ বিষয়ে আমি আইনি সহায়তা নিয়েছি।”

অন্যদিকে জুলার বাড়ির লিটন মিয়া দাবি করেন, “দুই কিশোরের মারামারির জের ধরেই দুই বংশের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। পরিস্থিতি শান্ত করতে গিয়ে আমিও আহত হয়েছি।”

ভৈরব থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) লিমন বোস বলেন, “১৯ জুনের ঘটনার পর নীল মিয়ার অভিযোগের ভিত্তিতে রাতেই তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরদিন একই বিরোধকে কেন্দ্র করে আবার সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে এবং উভয় পক্ষের অভিযোগের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

ভৈরবে র‌্যাবের অভিযানে ১৩ মামলার আসামি ইমন গ্রেপ্তার

জয়নাল আবেদীন রিটন প্রকাশিত: রবিবার, ২১ জুন, ২০২৬, ৬:৪৫ অপরাহ্ণ
ভৈরবে র‌্যাবের অভিযানে ১৩ মামলার আসামি ইমন গ্রেপ্তার

কিশোরগঞ্জের ভৈরবে অভিযান চালিয়ে হত্যা, দস্যুতা, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও মাদকসহ বিভিন্ন অভিযোগে দায়ের করা মোট ১৩টি মামলার আসামি এবং একটি মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত পলাতক আসামি ইমন (২৫)কে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব-১৪, ভৈরব ক্যাম্প।

রোববার (২১ জুন) দুপুর আনুমানিক ২টা ১০ মিনিটে ভৈরবের নাটালের মোড় এলাকায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়। গ্রেপ্তার ইমন ভৈরব উপজেলার আড়াই ব্যাপারীর বাড়ি এলাকার বাসিন্দা এবং মাসুদ মিয়ার ছেলে।

র‌্যাব-১৪ ভৈরব ক্যাম্পের পাঠানো এক লিখিত বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা গেছে, ইমন কিশোরগঞ্জের সদর, কুলিয়ারচর ও ভৈরবসহ আশপাশের এলাকায় সক্রিয় একটি সংঘবদ্ধ অপরাধচক্রের সদস্য হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে দস্যুতা, চাঁদাবাজি ও মাদক-সংশ্লিষ্ট কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

র‌্যাব জানায়, গ্রেপ্তার ব্যক্তি ভৈরব থানার মামলা নং-২২(২)/২৫-এর ওয়ারেন্টভুক্ত পলাতক আসামি। মামলাটিতে দণ্ডবিধির ১৪৩, ৪৪৭, ৪৪৮, ৩৮৫, ৩৮০, ৪২৭, ১১৪ ও ৩৪ ধারায় অভিযোগ রয়েছে। এছাড়া তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় হত্যা, দস্যুতা, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও মাদক-সংক্রান্ত একাধিক মামলা বিচারাধীন রয়েছে।

র‌্যাবের তথ্যমতে, গত ১৮ মার্চ ২০২৬ গভীর রাতে কুলিয়ারচর থানার দাড়িয়াকান্দি-কুলিয়ারচর বাজার সড়কের রেলক্রসিং এলাকায় একটি সংঘবদ্ধ চক্র কৌশলে রেলগেটের ব্যারিয়ার ফেলে একটি মাইক্রোবাসের গতিরোধ করে। পরে দেশীয় অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে যাত্রীদের মারধর করে নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার লুট করে নেওয়া হয়।

ওই ঘটনায় অষ্টগ্রাম উপজেলার শান্তিপুর গ্রামের বাসিন্দা শরিফ খান বাদী হয়ে কুলিয়ারচর থানায় একটি দস্যুতা মামলা দায়ের করেন। মামলার পর থেকে ইমন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নজর এড়িয়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে আত্মগোপনে ছিলেন বলে র‌্যাব জানিয়েছে।

গ্রেপ্তারের পর প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ইমনকে কুলিয়ারচর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

পাকুন্দিয়ার সন্তান সিলেটের ডিসি সারওয়ার আলমের বদলি, আলোচনায় মাজার উদ্যোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: রবিবার, ২১ জুন, ২০২৬, ৫:১০ অপরাহ্ণ
পাকুন্দিয়ার সন্তান সিলেটের ডিসি সারওয়ার আলমের বদলি, আলোচনায় মাজার উদ্যোগ

কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া উপজেলার সন্তান এবং প্রশাসনের আলোচিত কর্মকর্তা মো. সারওয়ার আলমকে সিলেটের জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট পদ থেকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। রোববার (২১ জুন) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে তাকে বদলিপূর্বক মন্ত্রণালয়ে উপসচিব হিসেবে সংযুক্ত করা হয়।

এর কয়েক দিন আগেই হযরত শাহজালাল (রহ.) মাজারের দান ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে একাধিক পদক্ষেপ নেওয়া হয়। প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে পুরোনো কিছু দানসংগ্রহ পয়েন্ট সিলগালা করা, নতুন দানবাক্স স্থাপন এবং নিরাপত্তা জোরদারের উদ্যোগ ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, জনস্বার্থে মো. সারওয়ার আলমকে বদলিপূর্বক উপসচিব পদে পদায়ন করা হয়েছে এবং আদেশটি তাৎক্ষণিকভাবে কার্যকর হবে।

মো. সারওয়ার আলম কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া উপজেলার কৃতি সন্তান। তিনি ইসমাইল মেমোরিয়াল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে প্রাথমিক শিক্ষা সম্পন্ন করেন এবং পাকুন্দিয়া পাইলট উচ্চবিদ্যালয় (বর্তমানে সরকারি উচ্চবিদ্যালয়) থেকে এসএসসি ও কিশোরগঞ্জের গুরুদয়াল সরকারি কলেজ থেকে এইচএসসি পাস করেন। পরে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগ থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন এবং ২৭তম বিসিএস (প্রশাসন) ক্যাডারের মাধ্যমে সরকারি চাকরিতে যোগ দেন।

কর্মজীবনে তিনি র‌্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে ভেজালবিরোধী অভিযান, অনিয়ম দমন এবং ভোক্তা-স্বার্থসংশ্লিষ্ট মোবাইল কোর্ট পরিচালনার মাধ্যমে দেশজুড়ে ব্যাপক পরিচিতি লাভ করেন। বিভিন্ন সূত্র অনুযায়ী, তার নেতৃত্বে শতাধিক অভিযান পরিচালিত হয়, যা তাকে আলোচিত প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের একজন হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করে।

সাম্প্রতিক সময়ে সিলেটে দায়িত্ব পালনকালে তিনি হযরত শাহজালাল (রহ.) ও হযরত শাহপরান (রহ.) মাজারের আয়-ব্যয় ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা আনার উদ্যোগ নেন। জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে দানবাক্স ব্যবস্থাপনা পুনর্বিন্যাস, নতুন দানবাক্স স্থাপন এবং আয়-ব্যয়ের হিসাব ডিজিটাল পদ্ধতিতে সংরক্ষণের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়।

তবে তার বদলির সরকারি প্রজ্ঞাপনে এ পদক্ষেপগুলোর সঙ্গে বদলির কোনো সম্পর্ক উল্লেখ করা হয়নি। সরকারি আদেশে এটি জনস্বার্থে নেওয়া প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

পাকুন্দিয়ার বাসিন্দাদের অনেকেই মো. সারওয়ার আলমকে জেলার গর্ব হিসেবে বিবেচনা করেন। প্রশাসনিক দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি আইন প্রয়োগ, ভোক্তা অধিকার রক্ষা এবং অনিয়মবিরোধী অভিযানে সক্রিয় ভূমিকার কারণে তিনি জাতীয় পর্যায়েও পরিচিতি অর্জন করেছেন।

পুরস্কার বিতরণী ও সাংস্কৃতিক আয়োজনে মুখর আফতাব উদ্দিন স্কুল অ্যান্ড কলেজ

সাব্বির আহমদ মানিক প্রকাশিত: রবিবার, ২১ জুন, ২০২৬, ৪:২৫ অপরাহ্ণ
পুরস্কার বিতরণী ও সাংস্কৃতিক আয়োজনে মুখর আফতাব উদ্দিন স্কুল অ্যান্ড কলেজ

কিশোরগঞ্জের বাজিতপুর পৌর এলাকার ভাগলপুরে অবস্থিত আফতাব উদ্দিন স্কুল অ্যান্ড কলেজের বার্ষিক পুরস্কার বিতরণ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রোববার (২১ জুন) সকাল ১০টায় কলেজের ছৈয়ন উদ্দিন আহমদ মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন প্রতিষ্ঠানটির অধ্যক্ষ শেখ শাহজাহান।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কিশোরগঞ্জ-৫ (বাজিতপুর-নিকলী) আসনের সংসদ সদস্য শেখ মুজিবুর রহমান ইকবাল। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাজিতপুর উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান মনির, উপজেলা বিএনপির সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি মোস্তফা আমিনুল হক, সাবেক সহ-সভাপতি তোফাজ্জল হোসেন বাদল, সংসদ সদস্যের রাজনৈতিক সচিব ও উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি নুরুল ইসলাম এবং উপজেলা শ্রমিক দলের সভাপতি শেখ আলী আহসান সবুজসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন প্রতিষ্ঠানের সহকারী প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ মাসুম মিয়া। শুরুতে স্বাগত বক্তব্য দেন অধ্যক্ষ শেখ শাহজাহান।

পরে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ে কৃতিত্বপূর্ণ ফল অর্জনকারী শিক্ষার্থীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়। পুরস্কার বিতরণ শেষে শিক্ষার্থীরা লোকনৃত্য, নাটক, গানসহ বিভিন্ন মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক পরিবেশনা উপস্থাপন করে উপস্থিত দর্শকদের মুগ্ধ করে।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংসদ সদস্য শেখ মুজিবুর রহমান ইকবাল শিক্ষার মানোন্নয়নে সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাস প্রদান করেন। পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানটির অবকাঠামোগত উন্নয়নের অংশ হিসেবে দুটি নতুন হল নির্মাণের ঘোষণা দেন।

অনুষ্ঠানে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক, সুধীজন এবং এলাকার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন। আয়োজকরা জানান, এ ধরনের অনুষ্ঠান শিক্ষার্থীদের মেধা বিকাশ, সৃজনশীলতা ও সাংস্কৃতিক চর্চাকে আরও উৎসাহিত করবে।